দেশকে ভালবাসেন না এমন লোক আছে নাকি?
বাংলাদেশের মানুষ আসলে যথেষ্ট রাজনীতি সচেতন। তারা যে কারণেই যে দলকে পছন্দ করে থাকুন না কেন দেশের খোঁজখবর রাখেন, একেবারেই বিশেষজ্ঞদের হাতে ছেড়ে দেন না। এদেশে নানান কিসিমের মানুষ আছেন, বেশিরভাগই সহজ সরল। প্যাঁচ-গোজ কম বোঝেন। বেশি জনসংখ্যার দেশ বলে দুর্র্ঘটনার খবর বেশি নজরে আসে। তবুও অন্য অনেক দেশের থেকে এদেশে দুর্ঘটনা কম। গুজরাটের মত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা নাই, সুদানের মত ক্ষুধা নাই, কাশ্মীর-ফিলিস্তিনের মত জীবনব্যাপী যুদ্ধ নাই, ইউরোপ- আমেরিকার মত ভঙ্গুর পারিবারিক ব্যবস্থা নাই, আফগানিস্তান-পাকিস্থানের মত ব্যাপক জঙ্গি সমস্যা নাই, ইরাকের মত জাতিগত আক্রোশ নাই, আছে বীজ ফেললেই ফসল ফলানোর মত জমি, প্রাকৃতিক সম্পদ আর সবচেয়ে বড় যে জিনিস তা হচ্ছে এদেশের শান্তিকামী মানুষ।
আমি অবাক হয়ে যায়, যখন দেখি টিভি রিপোর্টাররা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের নিয়ে রিপোর্ট করতে যান, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সাক্ষাতকার নেন- তবুও তাদের হাসিমুখ। রাতে ঠিকানাহীন মানুষের সাক্ষাতকার নেন তবুও তাদের কষ্টের কথা স্বতস্ফুর্তভাবে বের হয় না। ফলে রিপোর্টে করুণার ভাব আনতে আলাদা টোন এড করতে হয়।
এদেশকে কিভাবে দেখতে চান, সেটা নিয়ে বিভিন্ন জন বিভিন্ন ধরনের স্বপ্ন লালন করেন। কেউ মনে করেন সমাজতন্ত্রই আমাদেরকে ভাল চালাতে পারবে, কেউ ভাবেন ধর্মনিরপেক্ষতা, কেউ মনে করেন জাতীয়তাবাদ, আবার কেউ ইসলামের সাবর্জনীনতাকে তুলে এনে এখানে মুক্তির পথ খুঁজেন। সে কারণেই কারও কাছে আলোড়িত চরিত্র চে গুয়েভারা, কারও কাছে গান্ধীজি বা বঙ্গবন্ধু, কেউ বা মেজর জিয়া আবার এমনও অনেকে আছেন যারা রাসুলের আদর্শ দ্বারাই বেশি আলোড়িত হন। তবে আমার কাছে যে জিনিসটি স্পষ্ট তাহলো দেশকে ভালোবাসেন না এমন লোক নেই। আগে প্রায়ই বলতে শুনতাম অমুক দেশের শত্রু ইত্যাদি ইত্যাদি। আমার মনে হয় না কেউ সচেতনভাবে দেশের বিরুদ্ধে ভূমিকা রাখেন। তবে এটা ঠিক অনেকে স্বার্থকে বড় করে দেখেন, স্বার্থকে টিকিয়ে রাখতে অসচেতনভাবে দেশের বিরুদ্ধেও ভূমিকা রেখে বসেন।
আজ আমাদের নিজেদের প্রয়োজনেই, স্বাধীনতা রক্ষার প্রয়োজনে দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ রাখা জরুরী- উপরের পরিবারের মত। সকলেরই উচিত, নিজের আদর্শকে প্রতিষ্ঠা করেন- ভাল কথা। কিন্তু দেশকে বিভক্ত করার চেষ্টা করা এটা আপনাদের আদর্শের জন্যই কল্যাণকামী নয়। তবে আদর্শই যদি এমন হয় যে, মানুষে মানুষে বিভক্তি-বিদ্বেষ ঘৃণাবোধ গড়ে তোলা তাহলে এতে সফল হওয়া যেতে পারে। কিন্তু আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি এরকম মানুষ অন্তত বাংলাদেশে নাই।
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।