আমার প্রিয় পোস্ট
- সুখের রুপটা কেমন? কি-ই বা তার উৎস - মাহমুদ রহমান
- প্রিয় গান: মোরা হতে চাই প্রিয়তম তোমার - মাহমুদ রহমান
- প্রিয় গানঃ আজ খুব পড়ছে মনে মাকে - মাহমুদ রহমান
- ঐ ব্যক্তিই সর্বাপেক্ষা বুদ্ধিমান যে মৃত্যুর কথা স্মরণ করে - মাহমুদ রহমান
- আপনি আমার কাছে নিরাপদ - মাহমুদ রহমান
- ভালোবাসার পরশ - মাহমুদ রহমান
- প্রিয় গান: আল্লাহকে ভালবাসি দিয়ে মন ও প্রাণ - মাহমুদ রহমান
- Show me: Hamza Robertson - মাহমুদ রহমান
- সিরাতুল মোস্তাকিম কোনটা? - মাহমুদ রহমান
- মানুষকে আর কত অপমানিত করা হবে? - মাহমুদ রহমান
- গল্প লেখার চেষ্টাঃ ইয়াসির ফাজাগার প্রতি কৃতজ্ঞতা - মাহমুদ রহমান
- মহানবীর (সা.) একটি সামগ্রিক ছবিঃ পক্ষপাতহীনের দৃষ্টি থেকে - মাহমুদ রহমান
- জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০০৮ নিয়ে কিছু কথা - মাহমুদ রহমান
- অন্য রকম এক বিয়ের অনুষ্ঠান - মাহমুদ রহমান
- আমার দাদার মৃত্যু প্রস্তুতি সম্পন্ন - মাহমুদ রহমান
- ভাষার প্রতি ভালোবাসা, বাংলা লিংকের একটি এড এবং আমার কিছু কথা। - মাহমুদ রহমান
- নির্বোধের সন্ধানে - মাহমুদ রহমান
- জবাবঃ আই ওয়ান্ট টু বি এ গুড ম্যান-হাওয়া ইরফান (কাউন্সেলর) - মাহমুদ রহমান
- প্রশ্নঃ আই ওয়ান্ট টু বি এ গুড ম্যান-- মুস্তফা (ইজিপ্ট) - মাহমুদ রহমান
- ইউনিক আইডিয়া: ফ্যামিলি স্কলারশিপ - মাহমুদ রহমান
- তুমি আমার সবই জান - মাহমুদ রহমান
- মন-মাতানো আযানের ধ্বনি শুনতে ঘুরে আসুন ডিআইটিএফ - মাহমুদ রহমান
- সোসাইটি ধ্বংশের মারাত্নক হাতিয়ার গীবত - মাহমুদ রহমান
- স্পেশাল উপহার - মাহমুদ রহমান
- ইসলামী আন্দোলন পুনরুজ্জীবনের কৌশলঃ আল্লামা ইউসুফ আল কারযাভী - মাহমুদ রহমান
- নাস্তিকের ধর্মকথার পোস্টপ্রসঙ্গেঃ সবাইকে সতর্ক করার জন্য এ পোস্ট - মাহমুদ রহমান
- নতুন ফিকাহঃ ইউসুফ আল কারদাওয়ী - মাহমুদ রহমান
- আল্লামা ইউসুফ আল কারযাভী - মাহমুদ রহমান
- ন্যচারাল সেভেন ওয়ান্ডার্সঃ নমিনেশনের জন্য ভোট করুন - মাহমুদ রহমান
- ইসলামের প্রকৃত শিক্ষাঃ ইউসুফ আল কারদাওয়ী - মাহমুদ রহমান
- মুক্তিযুদ্ধের চেতনা - মাহমুদ রহমান
- ডেইলি স্টারের ধরা খাওয়া সেই ছবি...... - মাহমুদ রহমান
- ইনকাম ট্যাক্স কেন? - মাহমুদ রহমান
- ঈদুল ফিতর উদযাপনঃ ভালোবাসা ছড়িয়ে যাক অন্তরে অন্তরে - মাহমুদ রহমান
- প্রথম আলোর বিদ্রুপ মেগাজিন আলপিন প্রসংগে - মাহমুদ রহমান
- রমযান বিষয়ক পোস্ট - মাহমুদ রহমান
- হালাল যথেষ্ট, হারাম অপ্রয়োজনীয়ঃ ইউসুফ আল কারদাওয়ী - মাহমুদ রহমান
- অন্তর যখন পাথরের মত কঠিন বা তারও বেশি - মাহমুদ রহমান
- যেই হাসিতে প্রাণটা জুড়ায় সেই হাসিটা চাই আমরা, সেই হাসিটা চাই - মাহমুদ রহমান
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনীঃ বাংলাদেশের স্বাধীনতার রক্ষাকবচ - মাহমুদ রহমান
- দেশকে ভালবাসেন না এমন লোক আছে নাকি? - মাহমুদ রহমান
- লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার - মাহমুদ রহমান
- ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স-২ - মাহমুদ রহমান
- ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স-১ - মাহমুদ রহমান
- কেবল মায়েরায় পারে....... - মাহমুদ রহমান
- নিরপেক্ষতা একটি সুবিধাবাদী নীতি - মাহমুদ রহমান
- রসুল সা. এর চারের অধিক বিয়ে প্রসংগঃ ইউসুফ আল কারদাওয়ী - মাহমুদ রহমান
- মায়ের জন্য ভালোবাসা, করো তোমরা অনুভব - মাহমুদ রহমান
- বেহেস্তের ভাবনা-২ - মাহমুদ রহমান
- কি পরিমাণ বিদ্বেষ থাকলে ২৮ অক্টোবরের জন্ম হতে পারে? - মাহমুদ রহমান
- প্রিয় গানঃ তুমি রহমান তুমি মেহেরবান - মাহমুদ রহমান
- বাস্তব জীবন থেকে পাওয়া কতিপয় শিক্ষা (শেষ): ড. আহমাদ তুতুনজী - মাহমুদ রহমান
- বাস্তব জীবন থেকে পাওয়া কতিপয় শিক্ষা (এক): ড. আহমাদ তুতুনজী - মাহমুদ রহমান
- গ্রিটিং অব অল গ্রিটিংসঃ আসসালামু আলাইকুম - মাহমুদ রহমান
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৬
কেউ কেউ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হিসাবে ধর্মনিরপেক্ষতাকে তুলে ধরতে চান। এর কোন ঐতিহাসিক ভিত্তি আছে বলে আমার জানা নেই। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার আগে পাকিস্তান ছিল ইসলামী প্রজাতন্ত্র, যদিও দেশ সে অনুযায়ী শাসিত হত না। স্বাধীন হওয়ার আগে এ দেশের মানুষ একটিবারের জন্যও ধর্মনিরপেক্ষতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে এমন কোন আন্দোলনের কথা শোনা যায় না। এদেশের মানুষ সবসময় নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সোচ্চার ছিল।
পাকিস্থান গঠনের পর থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানিরা পূর্ব পাকিস্তানের উপর প্রাধান্য বিস্তার করতে থাকে। এদেশের মানুষ হতে থাকে শোষিত, বঞ্চিত, নির্যাতিত, অবহেলিত। এমন কি একটা বিশাল জনগোষ্ঠী হওয়া সত্তেও বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিতে ব্যর্থ হয়। এমনি এক অবহেলা বঞ্চনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিল বাংলাদেশ।
এর মধ্যে এক নেতার আবির্ভাব হল। যাঁর বক্তৃতায় মানুষ আশা ফিরে পেতে লাগল। বক্তৃতায় তিনি ছিলেন অনেকটা অপ্রতিদ্বন্দী। তিনি হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ৭ই মার্চে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দিলেন। .... বাংলার মানুষ বাঁচতে চাই...... এদেশের মানুষকে মুক্ত করেই ছাড়ব ইনশাআল্লাহ..... এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।.... বক্তৃতায় কোথাও ধর্মনিরপেক্ষতার কোন ধারণা ছিল না। দেশের মানুষের একটাই আকাঙ্খা ছিল মুক্তি। শুরু হল সেই মুক্তিযুদ্ধ। অন্যের তাঁবেদারী থেকে নিজেদের রক্ষার যুদ্ধ, পাকিস্তানি শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তি পাওয়ায় ছিল মুক্তিযুদ্ধ করার একমাত্র চেতনা। নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর এলো স্বাধীনতা।
খুব বেশিদিন যেতে না যেতেই দেশের মানুষ আশাহত হল। ৭২-এ সংবিধান প্রণীত হল, সেই সংবিধানে লিপিবদ্ধ হল দেশের অধিকাংশ মানুষের বিশ্বাসের পরিপন্থী ধর্মনিরপেক্ষতা, যাকে শুদ্ধ ভাষায় বলে ধর্মহীনতা, কম্যুনিস্টের সাথে যার খুব বেশি পার্থক্য নেই। দেশের মানুষকে সাইজ করতে তৈরি হল রক্ষী বাহিনী, সকলের মতামত যাতে স্বীকৃত না হয় সেজন্য সব দল ব্যান করে গঠিত হল বাকশাল। ২৫ বছর মেয়াদি ইন্দিরা-মুজিব মৈত্রি চুক্তি হল। দেশের মানুষ দেখতে থাকল জামাতের আশংকায় যেন ফলছে। অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় সেক্টর কমান্ডার মেজর জলীলকে পাঠানো হলো কারাগারে। মুক্তি যেন অধরায় থেকে গেল।
৭৫-এ পট পরিবর্তন হল। দেশের মানুষকে মুক্ত করতে আসলেন আর একজন অন্যতম সিপাহ সালার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। দেশের আপামর জনসাধারণের বিশ্বাসের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সংবিধানে বসালেন আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস। রক্ষী বাহিনী দুর হল, বাকশাল উঠে গিয়ে গনতন্ত্রের দুয়ার খুলে গেল। মানুষ সত্যিকারের মুক্তি পেল। দেশনেত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেন, নতুন নতুন দল গঠিত হল...... গনতন্ত্রের পথ প্রশস্ত হল।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনা বলতে যারা ধর্মনিরপেক্ষতাকে বুঝাতে চান তারা একটি ডাঁহা মিথ্যা কথা বলেন। এদেশের মানুষের স্বাধীনতার চেতনা হিসাবে কাজ করেছে মুক্তি।
বাংলাদেশের গনতন্ত্রের মতে, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা যেমন তাদের আদর্শ প্রতিষ্ঠায় তৎপর থাকতে পারে, তেমনি ইসলামপন্থীরাও পারে। দুটিই আদর্শ, পার্থক্য শুধু এটুকু একটা রাষ্ট্রের কাঠামো নিয়ে ধারণা দেয় যা আদতেই কোন ফলদায়ক নয়, অপরদিকে ইসলাম মানুষের প্রতিটি দিক ও বিভাগেই সুস্পষ্ট ও অব্যর্থ নির্দেশনা দেয়।
আমি কোন অবস্থাতেই মনে করি না ইসলাম কেবল মুসলিমদের কোন ধর্মীয় বিশ্বাসের নাম। এটা হল সমগ্র বিশ্বমানবের মুক্তির একমাত্র সনদ। একজন মুসলিম যেমন একে অনুসরণের অধিকার রাখে, একজন হিন্দু, একজন বৌদ্ধ, একজন খৃষ্টানও সেই অধিকার রাখে। সেই অর্থে, এটি কোন বিশেষ সম্প্রদায়ের জন্য নয়... বিশ্ব মানবতার জন্য আদর্শ। যারা এই আদর্শ নিয়ে পড়াশুনা করে নাই বা জানে না তারাই কেবল একে সাম্প্রদায়িক বলে। এখানে সকল মতাদর্শ পূর্ণ নিরাপত্তা পাই, সবাই ফিরে পায় তার অধিকার....... জবরদস্তির বা চরমপন্থার সুযোগ এখানে নেই।
আলী বলেছেন:
মুক্তিযুদ্ধের দলিলপত্র ঘাটেন দেখেন ধর্মনিরপেক্ষতা আছে। ধর্মনিরপেক্ষতাই ধর্মহীনতা নয়। ধর্মনিরপেক্ষতা সকল ধর্মকে সমান দৃষ্টিতে দেখা। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বিষয় ছিলো বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা। "পাকিস্তান ছিল ইসলামী প্রজাতন্ত্র" তাহলে বাকি ধর্ম থেকে একে সুবিধা দেয়া হয়ে যায় এটাই ভুল ইসলাম আমার মনে অন্তরে আমি মুসলমান আমার ঈমান ঠিক থাকলে ইসলামকে রাষ্ট্রীয় ধর্মের অলংকারের প্রয়োজন নেই। ধর্মনিরপেক্ষতাই ধর্মহীনতা নয়।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
আপনার জানা নাই না জানার চেষ্টা নাই? জানতে চাইলে ঠিকই জানতে পারতেন। চাপা মাইরা আর কত বিভ্রান্ত করবেন মানুষরে?
আগুন পাখি বলেছেন:
বুঝতে পারছি আপনি মুজাহিদ ভক্ত। মুক্তিযুদ্ধ ও অন্যধর্ম আপনি সহ্য করতে পারেন না।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বিষয় ছিলো বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা।......... একমত। আমিও সেটাই বলি। ইসলাম তো কারও মধ্যে বৈষম্য করে না, তবে কেন সেই আদর্শ দিয়ে রাষ্ট্র চলবে না?ইসলাম কেবল ধর্ম নয়, এটা সর্বোত্তম আদর্শ। এটা দিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতার চেয়ে অনেকগুণে ভালোভাবে রাষ্ট্র চালাতে পারে।
আপনি যদি ইসলামের যাকাত ব্যবস্থা, আইন ব্যবস্থা, যুদ্ধনীতি, পররাষ্ট্রনীতি, সামজিক মুলনীতিকে অস্বীকার করেন তবে আপনি ইসলামকে পূর্ণাঙ্গ নয় বলে দাবী করছেন।
এসব নিয়ে আপনাদের আদর্শের সাথে বিতর্ক হতে পারে..... বিতর্কের দৌড়েই তো ইসলামকে রাখতে চান না।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
কি জানা নেই? @অরপি, আপনি জানান।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
বঙ্গবন্ধুর ভাষণে ছিল নাকি ধর্মনিরপেক্ষতার কথা?
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
বঙ্গবন্ধু ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়া ভাষণ দিবে কেন? আমাদের স্বাধীনতার মূল চেতনাই ছিল ধর্মনিরপেক্ষ বৈষম্যহীন একটা রাষ্ট্র। স্বাধীনতাকামী প্রতিটি বাঙালীর জানা ছিল তা। আপনার জামাতে ইসলামী আর ছাত্রসংঘ (শিবির) এই জন্যই একাত্তরে পাকিস্তানের পক্ষ নিছে যে আমরা নাকি বিধর্মী হইয়া যামু। আপনারা যতদিন ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতার ফাউল কুযুক্তিতে বাধা থাকবেন, ততদিন আপনাদের মাথায় কিছু ঢুকবে না। এ বিষয়ে আমাদের সহ ব্লগার ধুসর গোধুলীর একটা পোস্ট তুলে দিলাম :চৌদ্দশ বছর আগের সেই ঘটনা। যখন আবু লাহাব বা আবু জাহেলের দল মুহাম্মদ (সাঃ) কে বলেছিলো যদি চাঁদকে দ্বিখন্ডিত করে দেখাতে পারো তাহলে তোমার কথা মেনে নিব। ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করবো। ঘটনাক্রমে চাঁদ দ্বিখন্ডিত হলো কিন্তু সেই দল তখন তাদের পূর্বপ্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মুহাম্মদ (সাঃ) এর আনুগত্য তো স্বীকার করলোই না বরং হাসতে হাসতে বলে চলে গেলো, 'বাহ্ মুহাম্মদ, তুমি তো মস্তবড় যাদুকর'।
কনফুসিয়াসের প্ল্যানচেট আয়োজনের সঙ্গে সামান্য যোগ করি। প্রমাণ, দলিল এগুলো দেখিয়ে কি লাভ! যারা দেখতে চাওয়ার তারা চাইবেই। কিন্তু দলিল, প্রমাণ দেখিয়ে চোখে আঙুল তুলে সত্য বুঝানোর পরেও হাসতে হাসতে নিজের পথেই চলে যাবে তারা। নিজের গায়ে ইসলামের ট্যাগ লাগাবে ঠিকই কিন্তু কাজে কর্মে প্রমাণ দিবে আবু লাহাব এবং আবু জাহেলের উত্তরসূরী হিসেবেই।
ইতিহাস মরে না, বারে বারেই আবর্তিত হয়। আবু লাহাব রাও ফিরে ফিরে আসে, বার বার, হাজারবার। তাদের অভিশপ্ত আত্মাও আমাদের আশে পাশেই ঘুরঘুর করে। তাদের মনোবাসনা হলো, 'আমি বুঝুম না, আমারে বুঝাইবো কোন হালায়!'
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
আমাদের স্বাধীনতার মূল চেতনাই ছিল ধর্মনিরপেক্ষ বৈষম্যহীন একটা রাষ্ট্র।........কখ্খনই না।আমাদের স্বাধীনতার মুল চেতনা ছিল শোষণ, বঞ্চনা, নিষ্পেষণ থেকে মুক্তি। বঙ্গবন্ধুর ভাষণই যার উজ্জল সাক্ষি। জামাত আশংকা ছিল..... প্রকৃত অর্থে সাধারণ মানুষ মুক্তির জন্যই সংগ্রাম করেছে। নইলে দেশে পট পরিবর্তন হত না। মাত্র ৫ বছরে দেশের দৃশ্যপট চেঞ্জ হতো না।
আগুন পাখি বলেছেন:
ঠিক বলছেন পিয়াল। এদের ভাবখানা এমন.. তোমরা যে যা বলো, তাল গাছটা আমার। এদের অযুক্তিতে এরা অটল।
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
@ মাহমুদ "এটা হল সমগ্র বিশ্বমানবের মুক্তির একমাত্র সনদ। ...একজন খৃষ্টানও সেই অধিকার রাখে।" এর মানে কি? আপনার মত করে কাল বৌদ্ধরা বলবে "বুদ্ধের মতবাদ হলো বিশ্বমানবের মুক্তির 'একমাত্র' সনদ। একজন মুসল্মানও অধিকার রাখে এই সনদ ফলো করার" ব্যস হয়ে গেল! বলুন এটি বিশ্ব-মুসলিম উম্মাহর জন্য আদর্শ সবার জন্য নয়। কারণ যারা এই আদর্শ ফলো করবে তারা তো তখন মুস্লিম! সূক্ষ্ণভাবে আপনি ইসলাম প্রচার করে গেলেন।
ধর্মনিরপেক্ষতাকে আপনি ধর্মহীনতা বলার চেষ্টা করছেন! তার সাথে গুলিয়ে ফেলেছেন গণতন্ত্রকে! আসলেই মনে হচ্ছে আপনার জানার চেষ্টা নেই।
"...... গনতন্ত্রের পথ প্রশস্ত হল।" ইসলামী রাষ্ট্রের পথ প্রশস্ত হয়নি কিন্তু! তখন কি খুশী হয়েছিলেন?!
একটা প্রশ্ন আপনার কাছেঃ সারা পৃথিবীতে একটা দেশের উদাহরণ দিতে পারবেন যেখানে ইসলামী ব্যবস্থায় দেশ চলছে যা সত্যিকার অর্থে ফলো করা যায়?
ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ ধর্মহীনতা নয়।
যার যার ধর্ম সে পালন করবে , এই হচ্ছে
ধর্মনিরপেক্ষতার মুখ্য সংঙা।
পাশা বলেছেন:
মানুষের মুক্তির জন্য ই মুক্তিযুদ্ধ।ধর্ম থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য মুক্তিযুদ্ধ নয়।
তাহলে মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধের ময়দানেও নামায পড়তেন না।
কিছু ধর্মহীন মুক্তিযোদ্ধা মুক্তিযুদ্ধকে ধর্মহীনদের যুদ্ধ বানাতে চায়।
আর জামাত ভারতের তাবেদার হওয়ার ভয়েই বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন কে সমর্থন দিতে পারেনি।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
থুঃ
অলৌকিক হাসান বলেছেন:
ইসলাম কেবল মুসলিমদের কোন ধর্মীয় বিশ্বাসের নাম। এটা হল সমগ্র বিশ্বমানবের মুক্তির একমাত্র সনদ।-----------------------
কেমনে কি? উদাহরণ সহ বুঝাইয়া দাও।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
যে কোন নির্যাতিত ব্যক্তিই মুক্তির জন্য ইসলামে আশ্রয় নিতে পারে, নিচ্ছেও তাই। যিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন, তিনি মানুষের জন্য যে গাইড লাইন পাঠিয়েছেন তার নামই ইসলাম। যে মনে করে স্রষ্টার পাঠানো ইসলাম রাষ্ট্র ব্যবস্থা চালানোর যোগ্যতা রাখে না, প্রয়োজন অন্যকিছু ..... সে অবশ্যই ইসলামের অনুসারী নয়।দেখুন, আমি বলছি না যে, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা রাজনীতি করতে পারবে না। আমার পরিস্কার বক্তব্য হলো..... একটি আদর্শ ময়দানে থাকলে অন্যটিও অবশ্যই থাকবে....... এখানে মতের ক্ল্যাশ হবে... ভাল-মন্দ যাচাই-বাছাই হবে তারপর যার যা ইচ্ছা গ্রহণ করবে।..... এটাই হল গণতন্ত্রের প্রকৃত দাবী।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
Secular.... not concerned with spiritual or religious affairs, secularism.... the belief that laws, education, etc should be based on facts, science, etc rather than religion (Oxford dictionary)# A neutral attitude, especially of the State, local government and public services, in matters relating to religion; non-religious rather than anti ...
http://www.iheu.org/glossary
# The promotion of secular policies like the separation of church and state. Not to be confused with Secularization, which aims to be a purely objective and value-free theory of in the sociology of religion. ...
Click This Link
# Secularists, regardless of their religious preferences, believe that religious considerations should be excluded from civic affairs and public education (or private education that claims to be inclusive, ie Georgetown?).
Click This Link
# the neutrality of the State, local government and all public services in matters relating to one or more religions or to one or more creeds. In France, the secularity of the State was established in 1905 by the law of separation of Church and State.
Click This Link
# a doctrine that rejects religion and religious considerations
wordnet.princeton.edu/perl/webwn
# Secularism generally refers to an ideology that promotes the secular (as opposed to the religious) particularly within the public sphere.
en.wikipedia.org/wiki/Secularism
ধর্মনিরপেক্ষতা বলতে যে ধর্মহীনতা অর্থাৎ ধর্মের প্রভাবমুক্ত একটা আদর্শের কথা বলে তা অস্বীকার করার কোন অর্থ থাকতে পারে না।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা....ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা অন্য কিছু নয়। এ শিক্ষা মনকে মুক্ত, নফসের তাসকিয়া, ইচ্ছাশক্তি সংহত, দেহকে গঠন ও সুদৃঢ় ভিত্তির উপরে নির্মাণ করে। বিজ্ঞান, বিশ্বাস, পারস্পরিক নির্ভরশীলতা ও নৈতিকতার মাধ্যমে সমাজকে প্রগতির দিকে নিয়ে যায়। সুবিচার ও পরামর্শভিত্তিক সরকার কায়েম করে। আল্লাহর আইন অনুযায়ী শাসন করে এবং সমগ্র মানবজাতিকে সর্বোত্তম পথ দেখায়।..... (ইউসুফ আল কারযাভী)
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
ধর্ম যদি মানুষের মুক্তির প্রকৃত ধারণা দিতে ব্যর্থ হয়, তবে এ ধরনের সেপারেশন মেনে নেয়া যায়। কিন্তু ইসলাম গতানুগতিক কোন ধর্মের নাম নয়, এটা এমন এক আদর্শ যা থিওরিটিক্যালি ব্যর্থ হওয়ার কোন যুক্তি নেই, এখন এর পারফেক্ট অনুসরণই এর প্রতি ইনসাফ হতে পারে।....এটা ইসলামের চ্যালেঞ্জ, যে কেউ গ্রহণ করে দেখতে পারেন সফল হন কিনা।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
মাথা না পুরা লাইফটাই অনেক বড় বিনিময়ে........তবে অদ্ভুত হচ্ছে লাইফটা এখনও মাহমুদেরই আছে। চুক্তি হয়েছে, হস্তান্তর হবে পরে।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
চুক্তিতে সই করা আছে। খেলাফ হলে লাইফটা ঠিকই তাঁকে দিতে হবে....... বিনিময়ে যা পাওয়ার কথা ছিল তা পাব না।সেই জন্যেই তো পরোয়া তাঁকেই করি, আপনাদের না।
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন:
চুক্তিতে সই করা আছে। খেলাফ হলে লাইফটা ঠিকই তাঁকে দিতে হবে....... বিনিময়ে যা পাওয়ার কথা ছিল তা পাব না।সেই জন্যেই তো পরোয়া তাঁকেই করি, আপনাদের না।
অসাধারন লিখা মাহমুদ ভাই ৫
নিধিরাম সর্দার বলেছেন:
গোলাম আজমে আর নিজামীর মত সাক্ষাত শয়তানের কাছে জীবন বিক্রি করা মানে যে ইসলামে কাছে জীবন বিক্রি করা সেটা শুধু লাউয়া মাহমুদে ভাবতে পারে।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
মাহমুদের ভাবনা কেবল মাহমুদ এবং তাঁর স্রষ্টায় জানে। সর্দার সাহেব কেবল অজ্ঞতাবশত এবং বিদ্বেষবশত একটা কিছু ধরে নিলেই তা মাহমুদের ভাবনা হবে না। বুড়া ভাইকেও ধন্যবাদ।
আবূসামীহা বলেছেন:
কেউ কেউ যখন যুক্তি ও বুদ্ধিতে কিছু পারেনা তখন মাথা তাদের গুলিয়ে যায়। আর এ অবস্থায় তাদের বমির ভাব হওয়া স্বাভাবিক। তখন মুখ দিয়ে থুঃ বের হওয়া ছাড়া আর কিছুই তাদের বের হয়না।আর এ দিয়ে তারা আমাদের সমাজটাকে আবর্জনাময় করে দেয়। তাদের অসুস্থতা সারানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
ছোট বেলায় পড়েছিলাম....থ'তে
থুথু ফেলা ঘরের মাঝে
কারও পক্ষে নাহি সাজে
এখন মনে হচ্ছে....
বাচ্চাদের শেখাতে হবে,
থ'তে,
থুথু ফেলা ব্লগের মাঝে
করো পক্ষে নাহি সাজে।
কারণ, আজকের শিশুদের মাঝে যে ঘাস-ফড়িং লুকিয়ে নেই তা-ই বা কে জানে।
আশাকরি আপনিও আপনার ভবিষ্যত প্রজন্মকে এই শিক্ষা দেবেন কারণ কোথাও না কোথাও তো ফেলতে হবে।
সো মুসলিম হিসেবে ওখানে ফালানোই বেটার।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
তবে ইসলাম নিয়ে ব্যবসাকারী, নিজ দেশের স্বাধীনতআ বিরোধী........অবশ্যই। থুথু ফেলব না, তবে ঘৃণা করতে দ্বিধা নেই।
থুতু মানে তো আর সত্যকারের থুতু নয়, ঘৃণা বুঝিয়েছি।
এজন্যই তো জামাতকে এতো ঘৃণা করি।
যাক একমত হলেন তাহলে!!
আপনার ভবিষ্যত প্রজন্ম মনে হয় না আপনার মতো মিথ্যা কিছু জানবে বা বিশ্বাস করবে!!!
ধন্যবাদ।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
আশা করি, ভাষা ব্যবহারে সংযত হবেন। কারণ, এমনটি আর যাই স্বাধীনতার চেতনা হতে পারে না.... ইসলামের চেতনা ত নয়ই।ধন্যবাদ।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
আর যাই=> আর যাই হোক
চতুরভূজ বলেছেন:
মাহমুদ রহমান,কথা আর যুক্তি দিয়ে ওদেরকে কিভাবে পরাজিত করবেন! তার চাইতে সদরঘাটে কান পরিষ্কার করে ঐরকম কারও কাছে নিয়ে যান ওদের, দেখবেন কাজে আসছে। সে হয়ত চিমটা দিয়ে ওদের কানের তুলো বের করে আনতে সক্ষম হবে!! যেটা আমরা পারছিনা।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
ওদের পরাজিত করা আমার উদ্দেশ্য নয়। অনেক নিরব ব্লগার আছেন, বক্তব্যগুলো তাদের জন্য থাকুক। তারা জাজ করুক...... মানুষ চিনতে সহজ হবে।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
ঘৃণা শব্দ ব্যবহার করেন.... কিন্তু যাকে তাকে নয়।ইসলামে কোন ব্যক্তিকে কাফের বলতে নিষেধ করা হয়েছে, বলা হয়েছে সে কাফের না হলে যে বলছে সেই কাফের। নিশ্চিত হয়েই বলুন, রাজাকারের সংখ্যা আর বাড়িয়েন না।
বিবেক সত্যি বলেছেন:
আবূসামীহা বলেছেন :২০০৭-১১-০৩ ২১:৩১:১৭
কেউ কেউ যখন যুক্তি ও বুদ্ধিতে কিছু পারেনা তখন মাথা তাদের গুলিয়ে যায়। আর এ অবস্থায় তাদের বমির ভাব হওয়া স্বাভাবিক। তখন মুখ দিয়ে থুঃ বের হওয়া ছাড়া আর কিছুই তাদের বের হয়না।
আর এ দিয়ে তারা আমাদের সমাজটাকে আবর্জনাময় করে দেয়। তাদের অসুস্থতা সারানোর ব্যবস্থা করতে হবে
জোশসসসসস....


















