আমার প্রিয় পোস্ট

দুঃখটাকে দিলাম ছুটি, আসবে না ফিরে

নাস্তিকের ধর্মকথার পোস্টপ্রসঙ্গেঃ সবাইকে সতর্ক করার জন্য এ পোস্ট

১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২২

শেয়ার করুন:                   Facebook

নাস্তিকের ধর্মকথা নামে এক ব্লগার হাস্যকর হলেও সত্য যে, ইসলামের দুর্বলতা দেখানোর চেষ্টা করছেন। অন্যদের থেকে তিনি কমেন্ট আদায় করছেন যে, ইসলাম কত বেশি অশ্লীল। তার এ কাজে আমার কোন আপত্তি ছিল না যদি তিনি ঠিকঠাকমত আয়াতগুলো তুলে ধরতেন। যেমন তিনি তারএই পোস্টেলিখেছেন....

আয়াত ২৪: সকল সধবা নারীদের তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে, কিন্তু তোমাদের স্বত্বাধীন যেসব দাসী রয়েছে তাদের হারাম করা হয়নি। এ হল তোমাদের জন্য আল্লাহর বিধান। এদের ছাড়া অন্য সব নারীকে তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে এ শর্তে যে, তোমরা তাদের কামনা করবে অর্থের বিনিময়ে বিয়ে করার জন্য, ব্যভিচারের জন্য নয়। বিয়ের মাধ্যমে যে নারীদের তোমরা সম্ভোগ করেছ তাদের দিয়ে দিবে তাদের নির্ধারিত মহর। আর তোমাদের কোন গুনাহ হবে না যদি মহর নির্ধারণের পর তোমরা কোন বিষয়ে পরষ্পর সম্মত হও। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞ, হেকমতওয়ালা।..........

আগের পিছের আয়াত ছাড়া যা খুবই বেমানান দেখাচ্ছিল। অনুবাদটাও ঠিকমত দিয়েছেন বলে মনে হচ্ছে না। এই আয়াতটি ঠিক আগের আয়াতের সাথে খুবই সঙ্গতিপূর্ণ। কার সাথে বিয়ে জায়েজ আর কার সাথে তা নাজায়েজ এ ব্যাপারে আয়াত দুটিতে বর্ণিত হয়েছে বিস্তারিতভাবে।

" তোমাদের উপর হারাম করে দেয়া হয়েছে তোমাদের মা, তোমাদের মেয়ে, ভগ্নি, ফুফু, খালা, ভাইঝি, ভাগ্নী এবং তোমাদের সেইসব দুধমা। আর তোমাদের দুধবোন, তোমাদের স্ত্রীদের মা, তোমাদের স্ত্রীদের মেয়েরা যারা তোমাদের ক্রোড়ে লালিতা পালিতা হয়েছে.... সেইসব স্ত্রীর মেয়েরা যাদের সাথে (সেইসব স্ত্রী) তোমাদের স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে। কিন্তু যদি স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক স্থাপিত না হয়ে থাকে, তবে তোমাদের কোন দোষ হবে না। আর তোমাদের ঔরসজাত স্ত্রীদের পুত্রগণ এবং একই সঙ্গে দুইবোনকে বিবাহ করা তোমাদের প্রতি হারাম করা হয়েছে। কিন্তু পূর্বে যা হয়েছে, তাতো হয়েই গিয়েছে। বস্তুত, আল্লাহ ক্ষমাশীল ও অনুগ্রহকারী।" (নিসা, আয়াতঃ ২৩)

"সেইসব মেয়েলোকও তোমাদের জন্য হারাম যারা অন্য কারও বিবাহাধীন রয়েছে; অবশ্য সেইসব স্ত্রী লোক এর বাইরে যারা যুদ্ধে তোমাদের হস্তগত হবে। এটা আল্লাহর তরফ থেকে প্রদত্ত আইন যা মেনে চলা তোমাদের জন্য কর্তব্য করে দেয়া হয়েছে। এতদ্ব্যতীত আর যত মেয়েলোক রয়েছে তাদেরকে নিজেদের মাল-সম্পদের বিনিময়ে (মোহরানা) হাসিল করা তোমাদের জন্য হালাল করে দেয়া হয়েছে, যদি বিবাহের দুর্গে তাদেরকে সুরক্ষিত কর এবং স্বাধীন-মুক্ত যৌন-স্পৃহা পূরণে উদ্যত না হও। কাজেই, দাম্পত্য জীবনের যে মধু তাদের দ্বারা তোমরা লাভ কর, তার বিনিময়ে তাদের মোহরানা ফরয হিসাবে আদায় কর। অবশ্য মোহরানার প্রস্তাব হওয়ার পর পারস্পরিক রেযামন্দী সহকারে যদি তোমাদের মধ্যে সমঝোতা হয়ে যায়, তবে তাতে কোন দোষ নেই, আল্লাহ সর্বজ্ঞ-জ্ঞানী।" (নিসা, আয়াতঃ ২৩)

লক্ষনীয় ব্যপার হলো, দুনিয়ার মানুষকে তাঁর বিধান জানিয়ে দিতে আল্লাহপাক লজ্জাবোধ করেন না। আরও মজার ব্যাপার হচ্ছে, বিয়ে হচ্ছে সুরক্ষিত দুর্গ, স্বাধীন-মুক্ত যৌনস্পৃহা (ব্যভিচার) নিষিদ্ধ। মোহরানা নারীদের অধিকার, তবে স্বামী চাইলে সমঝোতা করতে পারে, যেখানে জোর-জবরদস্তী নেই।

উক্ত ব্লগারের ব্যাপারে আমরা সতর্ক থাকি। তাঁর উদ্ধৃত কোরআনের আয়াত যাচাই বাছাই ছাড়াই যেন গ্রহণ না করি।

 

 

  • ৯৪ টি মন্তব্য
  • ১০৫৮ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২৮ জনের ভাল লেগেছে, ১৫ জনের ভাল লাগেনি
১. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৪
comment by: `হাসান বলেছেন: মালে গনিমত সমন্দে কিচু বলুন
২. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৭
comment by: `হাসান বলেছেন: জেহাদে পরাজিত পক্ষের মহিলাদেরকে নিজ অধিকারভূক্ত দাসী হিসাবে গণ্য করে তাদের ভোগ করা কোরআনে কেন জায়েজ(একে ধর্ষণ বলা যাবে কি?) করা হয়েছ?

এ ব্যপারে কিচু যদি বলেন, আমার ধর্ম গ্যান খুব কম ।জানতে চাচ্ছি আপনাদের কাছে
৩. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৮
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: মালে গনীমত কিন্তু নারী নয়, সেটা হচ্ছে মাল-সম্পদ।

যেসব নারী যুদ্ধবন্দী হিসাবে হস্তগত হবে তারা তাদের পূর্বের স্বামীর কাছে ফিরে যেতে পারবে না। যৌন নিরাপত্তা দেয়ার জন্য এসব নারীদের স্বামী থাকা সত্তেও বিবাহ করা জায়েজ।
৪. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩০
comment by: মুনতাসির আলম বলেছেন: মাহমুদ আপনার এই পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের অবশ্যই ঐ সকল ব্লগারদের থেকে সাবধান থাকা উচিত। কিন্তু, হাসানের মত আমারও ঐ একটি প্রশ্ন আপনার কাছে (কারন, ধরেনিচ্ছি আপনি এই বিষয়ে জানেন ও জানতে আগ্রহী)। মালে গনিমত সমন্ধে কিছু বলুন??
৫. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩১
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: ঐসব নারীদের নিজ অধিকারভূক্ত দাসী হিসাবে গণ্য করা হবে-- কথাটা কোথায় পেলেন?
৬. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৩
comment by: অলৌকিক হাসান বলেছেন: তোমাদের ঔরসজাত স্ত্রীদের পুত্রগণ এবং একই সঙ্গে দুইবোনকে বিবাহ করা তোমাদের প্রতি হারাম করা হয়েছে।
------------------------------
মাহমুদ @ হাবিল/কাবিল (আদম-হাওয়া সন্তান) কারে বিয়া করছিল?
৭. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৬
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: অলৌকিক হাসান,

কুরআন নাযিল হয়েছে অনেক পরে। এর বিধানাবলী কার্যকর হয়েছে এর নাযিলের পর। পূর্ববর্তীদের জন্য পূর্বে আসমানী কিতাব ছিল।
৮. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৬
comment by: ষড়যন্ত্রকারীদের জম বলেছেন: কুরআনের বিপক্ষে ষড়যন্তকারীদের(বিকৃতিকারীদের) ধবংস খুব নিকটে ।অতীতে হয়েছে।
৯. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৭
comment by: `হাসান বলেছেন: আবূসামীহা বলেছেন :
২০০৭-১১-১১ ১০:৩৮:১২

ইসলাম স্বাধীন মানুষকে ধরে দাস বানানোকে নিষিদ্ধ করেছে। কিন্তু যুদ্ধবন্দীসহ আরো কিছু ব্যাপারের জন্য পুরো ইন্সটিটিউশনটিকে একেবারে নিষিদ্ধ করেনি। হযরত উমরের (রাঃ) সময়েও না।
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পড়ুন "ভ্রান্তির বেড়াজালে ইসলাম" / মুহাম্মদ কুতুব।

@ মাহমুদ , আবু সামিহা এব্যপারে কিচু ফরমাইছিলেন, একান তেকেই পাইসিলাম
১০. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৮
comment by: `হাসান বলেছেন: স্বামী থাকা স্বতেও জুর করে বিয়ে করে সম্ভোগ কি ধর্ষনের মত হয়ে যায়না?
১১. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৯
comment by: `হাসান বলেছেন: জানতে চাই বলেই এসব জিগেস করি আর নাস্তিক বলে খেতাব পাই, বরই দুঃক্ষজনক
১২. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪২
comment by: `হাসান বলেছেন: দাসীর সাতে সেকস বৈধ কিনা এটা ব্যাপারে যদি একটু দৃষ্টিপাত কর্তেন মাহমুদ সাহেব
১৩. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪২
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: জোর করে বিয়ে করতে বলেছে ইসলাম। কাকে বিয়ে করা জায়েজ আর কাকে করা যাবে না সে বিধান এখানে বিধৃত হয়েছে। যাকে বিয়ে করা যায়, তাকে কি জোর করে বিয়ে করতে হবে? এখানে তো যুদ্ধবন্দী মেয়েদের অধিকারই ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। বিবাহের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা দেয়া হয়েছে। এঁদেরকে বিয়ে হারামের আওতা বহির্ভূত রাখা হয়েছে।
২৭ শে মে, ২০০৮ সকাল ৮:২৯

লেখক বলেছেন: জোর করে বিয়ে করতে বলেছে ইসলাম=> জোর করে বিয়ে করতে বলেছে ইসলাম?

১৪. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৪
comment by: হাসান তারিক বলেছেন: মাহমুদ রহমান ভাইয়ের কাছে অনুরোধ , যারা প্রকৃতই জানার জন্য প্রশ্ন করে তাদের জবাব দিন, আর যাদের প্রশ্নের অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য হলো বিতর্ক বা অপ্রাসংগিক জটিলতার অবতারণা করা , তাদের পাতানো ফাঁদে পা না দিয়ে বর্জন করুন।
১৫. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৪
comment by: আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: ভাই ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন আসলে এত ক্ষেপে যান কেনো?
আপনি যদি ধর্মকে সত্য মনে করেন তাহলে যুক্তি দেখাবেন অপর পক্ষকে,ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন তোলার অধিকার সবার আছে,ধার্মিক মানুষের কাছে তা দূষনীয় হতে পারে,কিন্তু অপর কোনো মানুষের কাছে তো না!
আমি বিশ্বাসী মানুষ,কিন্তু কেউ আমাকে ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন করলে জবাব দেবার চেষ্টা করি না জানলে চুপ থাকি,
তাকে ব্যাক্তিগত আক্রমন করি না ।ধর্ম মানলেই অন্ধ হতে হবে তা আমি মানি না ।
১৬. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৫
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: দাসপ্রথায় বৈধ নয়, যতক্ষণ দাসপ্রথা ছিল ততক্ষণ বৈধ ছিল। সেখানেও একই ব্যাপার, অধিকারভূক্ত দাসীদের নিরাপত্তা দেয়া (যৌনঅধিকার ফিরিয়ে দেয়া)

১৭. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৭
comment by: সত্যদা বলেছেন: হাসান সাব..আপনের দুখ্খে আমার চকখে পানি আইবার নাগছে....
কথা হইল.. আপনি সত্যই জানতে চান না ইত্যাদির নানা - নাতির মতো বিটলামি কইরা জিগাইন??
১৮. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৯
comment by: `হাসান বলেছেন: কিমুন কন্ট্রাডিকটরী হইয়া গেলনা কতা গুলা, আবু সামীহা বললেন যুদ্ধবন্দীরা দাস হিসাবে বিবেচিত হয় আপনে কইতাসেন অন্য কতা
১৯. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৯
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: তুহিন ভাই কি আমাকে বললেন? আমি তো ক্ষেপে যাইনি।

আসলে কি, আমার মনে হয় আপনিই কল্পনায় আমার একটা রুদ্রমুর্তি স্থির করে ভাবছেন ক্ষেপে গেছি।

কষ্ট লাগে কখন জানেন, আয়াতগুলোতে কুরআনের স্বভাবসুলভ বিউটি ফুটে উঠেছে। অথচ, এই আয়াতগুলোকেই অন্য পোস্টে অশ্লীল বলা হয়েছে।
২০. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫১
comment by: `হাসান বলেছেন: সত্য সাহেব আমি কম নেকাপরা যানা মাণূস, শুদ্ধ করে বাংলা লিকতে পারিনা তেমন
২১. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫২
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: আমি জানি না, যুদ্ধবন্দীরা দাস হিসাবে বিবেচিত কিনা। তবে এই আয়াতগুলোতে এরকম কোন ম্যাসেজ নেই।.... আগে জেনে নিই।
২২. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৩
comment by: `হাসান বলেছেন: ওকে টিকাচে, যাইনা আমাদের জানাইয়েন
২৩. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৪
comment by: অলৌকিক হাসান বলেছেন: মাহমুদ @ উত্তর সরাসরি দিলেন না। কিতাবের কথা তো জিগাই নাই, জিগাইছি যে,

হাবিল/কাবিল (আদম-হাওয়া সন্তান) কারে বিয়া করছিল?
২৪. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৫
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: @ অলৌকিক হাসান, আমি জানি না।

তবে সোজা হিসাবে যা বুঝি, আদম আ. এর সন্তানদের মধ্যে পরস্পর বিয়ে হয়েছিল।
২৫. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৬
comment by: `হাসান বলেছেন: হাবিল কাবিলের টা ইসপেলাস কেস ছিল কারন মানুষ্য প্রজাতির বিস্তারের জইন্য এ ছারা আর কুনো পথ ছিলনা
২৬. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৭
comment by: বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: ৫ দিলাম মাহমুদ ভাই কে
২৭. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৯
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে , পুরোটা পড়লাম । সতর্ক থাকবো
২৮. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৯
comment by: বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: হাসান তারিক বলেছেন :
২০০৭-১১-১১ ১৯:৪৪:৫১
মাহমুদ রহমান ভাইয়ের কাছে অনুরোধ , যারা প্রকৃতই জানার জন্য প্রশ্ন করে তাদের জবাব দিন, আর যাদের প্রশ্নের অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য হলো বিতর্ক বা অপ্রাসংগিক জটিলতার অবতারণা করা , তাদের পাতানো ফাঁদে পা না দিয়ে বর্জন করুন।

আমিও একমত হাসান তারিক ভাই এর সাথে
২৯. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০১
comment by: আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: আপনি একজনকে উদ্দেশ্যে পোস্ট লিখছেন তাই বললাম,কারন আপনি বিষয়টি এমনেতেই লিখতে পারতেন ।সবাইকে সাবধান করার প্রয়োজন দেখি না ।আমার বিশ্বাস আমার কাছে,তা যদি অপরিচিত একজনের একটা ব্লগ পড়েই টলে যায় তাহলে দোষ তো আমার বিশ্বাসের,ঐ ব্লগারের না,কারন সে তো প্রশ্ন তুলতেই পারে ।আমরা বোধহয় নিজের ধর্মটাকে জানার চেয়ে এর বিরোধীদের সাথে যুদ্ধ করে বেশী সময় নষ্ট করছি ।"মাজার ব্যবসা,মান্নত,শিরনি,ভুল হাদীস,কাঠ মোল্লাদের ভুল ব্যখ্যা,জামাত,সন্ত্রাস,ফুটপাথের ধর্মের নামে রুপকথা জাতীয় বই,কুসংস্কার,অন্ধতায়" আমাদের ধর্মের ইমেজ এমনেই খারাপ হয়ে গেছে,আমরা এইসবকে ট্যাকেল না করে যুদ্ধে ব্যস্ত ।
কিছু মনে করবেন না,যারা বিশ্বাসী তাদের বিশ্বাস মজবুত করা বেশী জরুরী,অবিশ্বাসীদের সাথে তর্ক নয় ।
৩০. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০৩
comment by: অলৌকিক হাসান বলেছেন: @ অলৌকিক হাসান, আমি জানি না।
তবে সোজা হিসাবে যা বুঝি, আদম আ. এর সন্তানদের মধ্যে পরস্পর বিয়ে হয়েছিল।
------------------------------
তার মানে ভাইয়ে-বইনে বিয়া হইছিল। আল্লাহ এইডা কি কাম করল...অ্যা....মানবজাতির শুরু করল এরকম ব্যাভিচার, ইনসেস্ট দিয়া ..... হায় হায় ......
৩১. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০৩
comment by: ললিতা বলেছেন: ৫
অবিশ্বাসীদের সাথে তর্ক করাও দরকার@তুহিন
৩২. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০৮
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: আমি তর্ক করছি না। ঐ ভদ্রলোকের উদ্ধৃত কোরআনের আয়াত দ্বারা অনেকে বিভ্রান্ত হতে পারে। এখানে সেই ভদ্রলোক তার নিজের মতামত তুলে ধরছে এমন নয়। বরং, ভিন্ন একটা চিন্তাধারা কোরআনের নামে চালানোর চেষ্টা করছে এবং সে কাজটি করছে ইচ্ছাকৃত, তবে কেন আমি তার ব্যাপারে অন্যদের সতর্ক করব না?
৩৩. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০৮
comment by: ছায়ার আলো বলেছেন: আমার মনে হয়না এরা জানার জন্য প্রশ্ন করছে...@তুহিন
৩৪. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০৯
comment by: আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: সব কাজেরই প্রায়োরিটি থাকতে হয়,না হলে অবিশ্বাসীদের সংখ্যা বারবেই ।
৩৫. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:১২
comment by: নাঈম বলেছেন: যাদের সত্যিই ধর্ম নিয়ে জানার আগ্রহ আছে, তারা সেভাবে প্রশ্ন করুন। অযথা কটাক্ষ করার জন্য প্রশ্ন করে মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধে আঘাত করা কারো জন্য সমীচিন নয়।
৩৬. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:১৫
comment by: দিগন্ত বলেছেন: জানার ইচ্ছা থাকলে প্রশ্ন স্বাভাবিক। তবে ঠিক কোথায় ব্যাপারটা "জানার ইচ্ছা" আর কোথায় "আঘাত করা", সেই সীমারেখাটা খুব একটা সুস্পষ্ট নয়। ঠিক যেমন কুসংষ্কার আর ধর্মের ব্যবধানটাও পরিষ্কার নয় আমার কাছে।
৩৭. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২০
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: @অলৌকিক হাসান, আমি বুঝছিলাম আপনি এরকম একটা কমেন্টের দরজা খুলতে চাচ্ছেন। আমি মনে করেছিলাম, আপনি বলবেন একই সত্তার দুইরকম বিধান কেন?..... ইত্যাদি।

আমার মনে হচ্ছে, আপনার প্রশ্নের জবাব আপনাকে সন্তুষ্ট করবে না। বরং, নতুন প্রশ্নের দুয়ার খুলে দিবে। তাই কোন জবাব দিব না........

তবুও বলি, সেইসময় ইনসেস্ট জায়েজ ছিল। এও মনে করি, সেই সময়ের মত পরিস্থিতি দেখা গেলে এখনও তা জায়েজ........ তবে এসব উত্তর হাইপোথিটিক্যাল। নিঃসন্দেহে কুরআনের উপরের আয়াতগুলোর বিপক্ষে যায়। এজন্যই, আমাদের প্রিয়তম নবী যদি শব্দের ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। আর নাস্তিকরা এর উপর ভর করেই টিকে থাকতে চায়।

আর একটা কথা উল্লেখ করা প্রণিধানযোগ্য বলে মনে করছি, একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর কোরআন সমগ্র মানুষের জন্য এবং ভবিষ্যতের সমগ্র সময়ের জন্য এসেছে। হয়ত পৃথিবীর যথেষ্ট পরিমাণ ডেভেলপমেন্টের প্রয়োজন ছিল, নিশ্চয়ই আল্লাহ পাকই সব বিষয়ের সঠিক খবর রাখেন।
৩৮. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২২
comment by: কানা বাবা বলেছেন: আয় মন প্যাঁচ খাই!
৩৯. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২২
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: @মাহমুদ রহমান
এখনও আপনার ব্লগে ব্যান করেননি বলে ধন্যবাদ।
প্রথমেই বলে নিচ্ছি, আমার পোস্টের কোরআন এর আয়াতের অনুবাদ আমি নিজে করিনি, তা করেছেন ডঃ মুহাম্মাদ মুস্তাফিজুর রহমান। এবং তা অবিকৃতভাবেই তুলে দিয়েছ।

দ্বিতীয়ত, আপনি যে অনুবাদ দিয়েছেন, তাতে কি অর্থের কি কোনো পরিবর্তন হয়েছে বলে মনে হয়েছে?

আর শানে নুযুলও কিন্তু আমার তৈরী নয়। উহা কিন্তু হাদীস(মুসলিম)।

আয়াতের যে ব্যাখ্যা আপনি দাড় করিয়েছেন- তাতে মনে হয়েছে আয়াতটি আপনি বুঝেননি অথবা বুঝেও তা বিকৃত করেছেন। আয়াতের অনুবাদ(আপনার দেয়াটাই) আবার পড়েন- তাহলে বুঝতে পারবেন।
২৪ নং আয়াতের প্রথম বাক্যে বিবাহ করার কথা কিন্তু বলা হয়নি- বলা হয়েছে যে, বিবাহিতা(সধবা) নারীরা পুরুষদের জন্য হারাম কিন্তু সেইসব স্ত্রীলোক এর বাইরে যারা যুদ্ধে হস্তগত হবে। তৃতীয় বাক্যে বিবাহের বিষয়ে বলা হয়েছে ঠিকই কিন্তু শুরুই করা হয়েছে এভাবে "এতদ্ব্যতীত আর যত মেয়েলোক রয়েছে ..." - অর্থাত- প্রথম বাক্যে বর্ণিত কারো বিবাহধীন নারী ও 'সেইসব স্ত্রী লোক যারা যুদ্ধে হস্তগত' ব্যতীত অন্য নারীদের সাথে বিবাহের নিয়ম/কানুন বর্ণনা করা হয়েছে। তাই নয় কি?

৪০. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২৩
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: সেইসময় ইনসেস্ট জায়েজ ছিল=> হয়ত সেইসময় ইনসেস্ট জায়েজ ছিল

আমি ঐসময়ের ব্যাপারে আসলেই খুব বেশি জানি না।
৪১. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২৪
comment by: দিগন্ত বলেছেন: "আমার মনে হচ্ছে, আপনার প্রশ্নের জবাব আপনাকে সন্তুষ্ট করবে না। বরং, নতুন প্রশ্নের দুয়ার খুলে দিবে। " - এই ব্যাপারটা আপনি খারাপ ভাবে নিচ্ছেন কেন? এটা খুবই স্বাভাবিক যেকোনো বিষয়ের ক্ষেত্রেই। জ্ঞানচর্চা এ ভাবেই চলে।
৪২. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২৫
comment by: প্রশাসন বলেছেন: মাহমুদ রহমান ভাই আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আল্লাহ হাফিজ।
৪৩. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২৭
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: ২৪ নং আয়ত হচ্ছে ২৩ এরই ধারাবাহিকতা।
৪৪. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২৭
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: "শানে নুযুলঃ হযরত আবু ছাঈদ খুদরী (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, 'আওতাস' যুদ্ধে কাফেররা পরাজিত হলে কিছু মহিলা মুসলমানদের অধীনে বন্দিনী হয়। অতঃপর এদেরকে গনীমতের মাল হিসেবে মুসলমানদের মাঝে বন্টন করে দেয়া হয়। কিন্তু এদের স্বামী আছে বিধায় মুজাহিদরা সহবাস থেকে বিরত হয়। আল্লাহতা'লা এ আয়াত নাজিল করে মাছআলা বাতলিয়ে দেন যে, যাদের স্বামী আছে, তাদের সাথে অন্যজনের সহবাস করা হারাম, কিন্তু মালে গনীমত হিসেবে প্রাপ্ত মহিলাকে দাসীরূপে ব্যবহার করা যায়, এখানে পূর্ব স্বামীর অধিকার বাতিল। তবে গর্ভবতী হলে প্রসব-পূর্ব পর্যন্ত সহবাস মওকুফ থাকবে।- মুসলিম।"

এই শানে নুযুল সম্পর্কে কি বলবেন?
এটা কি মিথ্যা?
৪৫. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৩০
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: আপনিই আরেকবার পড়ুন।

হারাম যাদের করা হয়েছে তাদের সম্পর্কে আগের আয়াতে বলা হয়েছে। পরের আয়াতে তা কন্টিনিউ হয়েছে এবং বলা হয়েছে "এতদ্ব্যতীত আর যত মেয়েলোক রয়েছে তাদেরকে নিজেদের মাল-সম্পদের বিনিময়ে (মোহরানা) হাসিল করা তোমাদের জন্য হালাল করে দেয়া হয়েছে, যদি বিবাহের দুর্গে তাদেরকে সুরক্ষিত কর এবং স্বাধীন-মুক্ত যৌন-স্পৃহা পূরণে উদ্যত না হও।"............ পরিস্কারভাবেই বলা হচ্ছে হালাল করা হয়েছে কেবল তখনই যদি বিবাহের দুর্গে সুরক্ষিত কর।
৪৬. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৩৪
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: আয়াতটি পড়েছেন?
শানে নুযুল পড়েছেন?

"সেইসব স্ত্রীলোক যারা যুদ্ধে হস্তগত হয়েছ" - তাদেরকে বিবাহ করার কথা কিন্তু বলা হয়নি একবারো, আবার আয়াতটি পড়ে দেখুন; দরকার হলে কোন হুজুরের সাথে যোগাযোগ করুন- বুঝতে না পারলে।
একইভাবে, অধিকারভুক্ত দাসীদেরকেও হালাল করা হয়েছে (সুরা আল আহযাব, আয়াত ৫২ দ্রষ্টব্য)- তাদেরকে বিবাহ করার কথ কিন্তু বলা হয়নি।
৪৭. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪৩
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: অবশ্য, অধিকারভুক্ত দাসীদের বিয়ের ব্যাপারেও একটি আয়াতে আছে,- যদি কোন পরুষ অসমর্থ্য হলে(স্বাধীন নারীকে বিয়ে করতে- মহর দিতে) তবে সে দাসীকে বিয়ে করবে।
৪৮. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:০১
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: মাহমুদ রহমান বলেছেন :
........"এতদ্ব্যতীত আর যত মেয়েলোক রয়েছে তাদেরকে নিজেদের মাল-সম্পদের বিনিময়ে (মোহরানা) হাসিল করা তোমাদের জন্য হালাল করে দেয়া হয়েছে, যদি বিবাহের দুর্গে তাদেরকে সুরক্ষিত কর এবং স্বাধীন-মুক্ত যৌন-স্পৃহা পূরণে উদ্যত না হও।"............ পরিস্কারভাবেই বলা হচ্ছে হালাল করা হয়েছে কেবল তখনই যদি বিবাহের দুর্গে সুরক্ষিত কর।
-------------------------------------
@মাহমুদ
আবার পড়ুন, দেখুন- সিকুয়েন্সিয়ালি কি বু