আমার প্রিয় পোস্ট

দুঃখটাকে দিলাম ছুটি, আসবে না ফিরে

নাস্তিকের ধর্মকথার পোস্টপ্রসঙ্গেঃ সবাইকে সতর্ক করার জন্য এ পোস্ট

১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২২

শেয়ারঃ
0 1 0

নাস্তিকের ধর্মকথা নামে এক ব্লগার হাস্যকর হলেও সত্য যে, ইসলামের দুর্বলতা দেখানোর চেষ্টা করছেন। অন্যদের থেকে তিনি কমেন্ট আদায় করছেন যে, ইসলাম কত বেশি অশ্লীল। তার এ কাজে আমার কোন আপত্তি ছিল না যদি তিনি ঠিকঠাকমত আয়াতগুলো তুলে ধরতেন। যেমন তিনি তারএই পোস্টেলিখেছেন....

আয়াত ২৪: সকল সধবা নারীদের তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে, কিন্তু তোমাদের স্বত্বাধীন যেসব দাসী রয়েছে তাদের হারাম করা হয়নি। এ হল তোমাদের জন্য আল্লাহর বিধান। এদের ছাড়া অন্য সব নারীকে তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে এ শর্তে যে, তোমরা তাদের কামনা করবে অর্থের বিনিময়ে বিয়ে করার জন্য, ব্যভিচারের জন্য নয়। বিয়ের মাধ্যমে যে নারীদের তোমরা সম্ভোগ করেছ তাদের দিয়ে দিবে তাদের নির্ধারিত মহর। আর তোমাদের কোন গুনাহ হবে না যদি মহর নির্ধারণের পর তোমরা কোন বিষয়ে পরষ্পর সম্মত হও। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞ, হেকমতওয়ালা।..........

আগের পিছের আয়াত ছাড়া যা খুবই বেমানান দেখাচ্ছিল। অনুবাদটাও ঠিকমত দিয়েছেন বলে মনে হচ্ছে না। এই আয়াতটি ঠিক আগের আয়াতের সাথে খুবই সঙ্গতিপূর্ণ। কার সাথে বিয়ে জায়েজ আর কার সাথে তা নাজায়েজ এ ব্যাপারে আয়াত দুটিতে বর্ণিত হয়েছে বিস্তারিতভাবে।

" তোমাদের উপর হারাম করে দেয়া হয়েছে তোমাদের মা, তোমাদের মেয়ে, ভগ্নি, ফুফু, খালা, ভাইঝি, ভাগ্নী এবং তোমাদের সেইসব দুধমা। আর তোমাদের দুধবোন, তোমাদের স্ত্রীদের মা, তোমাদের স্ত্রীদের মেয়েরা যারা তোমাদের ক্রোড়ে লালিতা পালিতা হয়েছে.... সেইসব স্ত্রীর মেয়েরা যাদের সাথে (সেইসব স্ত্রী) তোমাদের স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে। কিন্তু যদি স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক স্থাপিত না হয়ে থাকে, তবে তোমাদের কোন দোষ হবে না। আর তোমাদের ঔরসজাত স্ত্রীদের পুত্রগণ এবং একই সঙ্গে দুইবোনকে বিবাহ করা তোমাদের প্রতি হারাম করা হয়েছে। কিন্তু পূর্বে যা হয়েছে, তাতো হয়েই গিয়েছে। বস্তুত, আল্লাহ ক্ষমাশীল ও অনুগ্রহকারী।" (নিসা, আয়াতঃ ২৩)

"সেইসব মেয়েলোকও তোমাদের জন্য হারাম যারা অন্য কারও বিবাহাধীন রয়েছে; অবশ্য সেইসব স্ত্রী লোক এর বাইরে যারা যুদ্ধে তোমাদের হস্তগত হবে। এটা আল্লাহর তরফ থেকে প্রদত্ত আইন যা মেনে চলা তোমাদের জন্য কর্তব্য করে দেয়া হয়েছে। এতদ্ব্যতীত আর যত মেয়েলোক রয়েছে তাদেরকে নিজেদের মাল-সম্পদের বিনিময়ে (মোহরানা) হাসিল করা তোমাদের জন্য হালাল করে দেয়া হয়েছে, যদি বিবাহের দুর্গে তাদেরকে সুরক্ষিত কর এবং স্বাধীন-মুক্ত যৌন-স্পৃহা পূরণে উদ্যত না হও। কাজেই, দাম্পত্য জীবনের যে মধু তাদের দ্বারা তোমরা লাভ কর, তার বিনিময়ে তাদের মোহরানা ফরয হিসাবে আদায় কর। অবশ্য মোহরানার প্রস্তাব হওয়ার পর পারস্পরিক রেযামন্দী সহকারে যদি তোমাদের মধ্যে সমঝোতা হয়ে যায়, তবে তাতে কোন দোষ নেই, আল্লাহ সর্বজ্ঞ-জ্ঞানী।" (নিসা, আয়াতঃ ২৩)

লক্ষনীয় ব্যপার হলো, দুনিয়ার মানুষকে তাঁর বিধান জানিয়ে দিতে আল্লাহপাক লজ্জাবোধ করেন না। আরও মজার ব্যাপার হচ্ছে, বিয়ে হচ্ছে সুরক্ষিত দুর্গ, স্বাধীন-মুক্ত যৌনস্পৃহা (ব্যভিচার) নিষিদ্ধ। মোহরানা নারীদের অধিকার, তবে স্বামী চাইলে সমঝোতা করতে পারে, যেখানে জোর-জবরদস্তী নেই।

উক্ত ব্লগারের ব্যাপারে আমরা সতর্ক থাকি। তাঁর উদ্ধৃত কোরআনের আয়াত যাচাই বাছাই ছাড়াই যেন গ্রহণ না করি।

 

সর্বশেষ এডিট : ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৪
`হাসান বলেছেন: মালে গনিমত সমন্দে কিচু বলুন
২. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৭
`হাসান বলেছেন: জেহাদে পরাজিত পক্ষের মহিলাদেরকে নিজ অধিকারভূক্ত দাসী হিসাবে গণ্য করে তাদের ভোগ করা কোরআনে কেন জায়েজ(একে ধর্ষণ বলা যাবে কি?) করা হয়েছ?

এ ব্যপারে কিচু যদি বলেন, আমার ধর্ম গ্যান খুব কম ।জানতে চাচ্ছি আপনাদের কাছে
৩. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৮
মাহমুদ রহমান বলেছেন: মালে গনীমত কিন্তু নারী নয়, সেটা হচ্ছে মাল-সম্পদ।

যেসব নারী যুদ্ধবন্দী হিসাবে হস্তগত হবে তারা তাদের পূর্বের স্বামীর কাছে ফিরে যেতে পারবে না। যৌন নিরাপত্তা দেয়ার জন্য এসব নারীদের স্বামী থাকা সত্তেও বিবাহ করা জায়েজ।
৪. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩০
মুনতাসির আলম বলেছেন: মাহমুদ আপনার এই পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের অবশ্যই ঐ সকল ব্লগারদের থেকে সাবধান থাকা উচিত। কিন্তু, হাসানের মত আমারও ঐ একটি প্রশ্ন আপনার কাছে (কারন, ধরেনিচ্ছি আপনি এই বিষয়ে জানেন ও জানতে আগ্রহী)। মালে গনিমত সমন্ধে কিছু বলুন??
৫. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩১
মাহমুদ রহমান বলেছেন: ঐসব নারীদের নিজ অধিকারভূক্ত দাসী হিসাবে গণ্য করা হবে-- কথাটা কোথায় পেলেন?
৬. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৩
অলৌকিক হাসান বলেছেন: তোমাদের ঔরসজাত স্ত্রীদের পুত্রগণ এবং একই সঙ্গে দুইবোনকে বিবাহ করা তোমাদের প্রতি হারাম করা হয়েছে।
------------------------------
মাহমুদ @ হাবিল/কাবিল (আদম-হাওয়া সন্তান) কারে বিয়া করছিল?
৭. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৬
মাহমুদ রহমান বলেছেন: অলৌকিক হাসান,

কুরআন নাযিল হয়েছে অনেক পরে। এর বিধানাবলী কার্যকর হয়েছে এর নাযিলের পর। পূর্ববর্তীদের জন্য পূর্বে আসমানী কিতাব ছিল।
৮. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৬
ষড়যন্ত্রকারীদের জম বলেছেন: কুরআনের বিপক্ষে ষড়যন্তকারীদের(বিকৃতিকারীদের) ধবংস খুব নিকটে ।অতীতে হয়েছে।
৯. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৭
`হাসান বলেছেন: আবূসামীহা বলেছেন :
২০০৭-১১-১১ ১০:৩৮:১২

ইসলাম স্বাধীন মানুষকে ধরে দাস বানানোকে নিষিদ্ধ করেছে। কিন্তু যুদ্ধবন্দীসহ আরো কিছু ব্যাপারের জন্য পুরো ইন্সটিটিউশনটিকে একেবারে নিষিদ্ধ করেনি। হযরত উমরের (রাঃ) সময়েও না।
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পড়ুন "ভ্রান্তির বেড়াজালে ইসলাম" / মুহাম্মদ কুতুব।

@ মাহমুদ , আবু সামিহা এব্যপারে কিচু ফরমাইছিলেন, একান তেকেই পাইসিলাম
১০. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৮
`হাসান বলেছেন: স্বামী থাকা স্বতেও জুর করে বিয়ে করে সম্ভোগ কি ধর্ষনের মত হয়ে যায়না?
১১. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৯
`হাসান বলেছেন: জানতে চাই বলেই এসব জিগেস করি আর নাস্তিক বলে খেতাব পাই, বরই দুঃক্ষজনক
১২. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪২
`হাসান বলেছেন: দাসীর সাতে সেকস বৈধ কিনা এটা ব্যাপারে যদি একটু দৃষ্টিপাত কর্তেন মাহমুদ সাহেব
১৩. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪২
মাহমুদ রহমান বলেছেন: জোর করে বিয়ে করতে বলেছে ইসলাম। কাকে বিয়ে করা জায়েজ আর কাকে করা যাবে না সে বিধান এখানে বিধৃত হয়েছে। যাকে বিয়ে করা যায়, তাকে কি জোর করে বিয়ে করতে হবে? এখানে তো যুদ্ধবন্দী মেয়েদের অধিকারই ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। বিবাহের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা দেয়া হয়েছে। এঁদেরকে বিয়ে হারামের আওতা বহির্ভূত রাখা হয়েছে।
২৭ শে মে, ২০০৮ সকাল ৮:২৯

লেখক বলেছেন: জোর করে বিয়ে করতে বলেছে ইসলাম=> জোর করে বিয়ে করতে বলেছে ইসলাম?

১৪. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৪
হাসান তারিক বলেছেন: মাহমুদ রহমান ভাইয়ের কাছে অনুরোধ , যারা প্রকৃতই জানার জন্য প্রশ্ন করে তাদের জবাব দিন, আর যাদের প্রশ্নের অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য হলো বিতর্ক বা অপ্রাসংগিক জটিলতার অবতারণা করা , তাদের পাতানো ফাঁদে পা না দিয়ে বর্জন করুন।
১৫. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৪
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: ভাই ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন আসলে এত ক্ষেপে যান কেনো?
আপনি যদি ধর্মকে সত্য মনে করেন তাহলে যুক্তি দেখাবেন অপর পক্ষকে,ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন তোলার অধিকার সবার আছে,ধার্মিক মানুষের কাছে তা দূষনীয় হতে পারে,কিন্তু অপর কোনো মানুষের কাছে তো না!
আমি বিশ্বাসী মানুষ,কিন্তু কেউ আমাকে ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন করলে জবাব দেবার চেষ্টা করি না জানলে চুপ থাকি,
তাকে ব্যাক্তিগত আক্রমন করি না ।ধর্ম মানলেই অন্ধ হতে হবে তা আমি মানি না ।
১৬. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৫
মাহমুদ রহমান বলেছেন: দাসপ্রথায় বৈধ নয়, যতক্ষণ দাসপ্রথা ছিল ততক্ষণ বৈধ ছিল। সেখানেও একই ব্যাপার, অধিকারভূক্ত দাসীদের নিরাপত্তা দেয়া (যৌনঅধিকার ফিরিয়ে দেয়া)

১৭. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৭
সত্যদা বলেছেন: হাসান সাব..আপনের দুখ্খে আমার চকখে পানি আইবার নাগছে....
কথা হইল.. আপনি সত্যই জানতে চান না ইত্যাদির নানা - নাতির মতো বিটলামি কইরা জিগাইন??
১৮. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৯
`হাসান বলেছেন: কিমুন কন্ট্রাডিকটরী হইয়া গেলনা কতা গুলা, আবু সামীহা বললেন যুদ্ধবন্দীরা দাস হিসাবে বিবেচিত হয় আপনে কইতাসেন অন্য কতা
১৯. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৯
মাহমুদ রহমান বলেছেন: তুহিন ভাই কি আমাকে বললেন? আমি তো ক্ষেপে যাইনি।

আসলে কি, আমার মনে হয় আপনিই কল্পনায় আমার একটা রুদ্রমুর্তি স্থির করে ভাবছেন ক্ষেপে গেছি।

কষ্ট লাগে কখন জানেন, আয়াতগুলোতে কুরআনের স্বভাবসুলভ বিউটি ফুটে উঠেছে। অথচ, এই আয়াতগুলোকেই অন্য পোস্টে অশ্লীল বলা হয়েছে।
২০. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫১
`হাসান বলেছেন: সত্য সাহেব আমি কম নেকাপরা যানা মাণূস, শুদ্ধ করে বাংলা লিকতে পারিনা তেমন
২১. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫২
মাহমুদ রহমান বলেছেন: আমি জানি না, যুদ্ধবন্দীরা দাস হিসাবে বিবেচিত কিনা। তবে এই আয়াতগুলোতে এরকম কোন ম্যাসেজ নেই।.... আগে জেনে নিই।
২২. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৩
`হাসান বলেছেন: ওকে টিকাচে, যাইনা আমাদের জানাইয়েন
২৩. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৪
অলৌকিক হাসান বলেছেন: মাহমুদ @ উত্তর সরাসরি দিলেন না। কিতাবের কথা তো জিগাই নাই, জিগাইছি যে,

হাবিল/কাবিল (আদম-হাওয়া সন্তান) কারে বিয়া করছিল?
২৪. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৫
মাহমুদ রহমান বলেছেন: @ অলৌকিক হাসান, আমি জানি না।

তবে সোজা হিসাবে যা বুঝি, আদম আ. এর সন্তানদের মধ্যে পরস্পর বিয়ে হয়েছিল।
২৫. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৬
`হাসান বলেছেন: হাবিল কাবিলের টা ইসপেলাস কেস ছিল কারন মানুষ্য প্রজাতির বিস্তারের জইন্য এ ছারা আর কুনো পথ ছিলনা
২৬. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৭
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: ৫ দিলাম মাহমুদ ভাই কে
২৭. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৯
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে , পুরোটা পড়লাম । সতর্ক থাকবো
২৮. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৯
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: হাসান তারিক বলেছেন :
২০০৭-১১-১১ ১৯:৪৪:৫১
মাহমুদ রহমান ভাইয়ের কাছে অনুরোধ , যারা প্রকৃতই জানার জন্য প্রশ্ন করে তাদের জবাব দিন, আর যাদের প্রশ্নের অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য হলো বিতর্ক বা অপ্রাসংগিক জটিলতার অবতারণা করা , তাদের পাতানো ফাঁদে পা না দিয়ে বর্জন করুন।

আমিও একমত হাসান তারিক ভাই এর সাথে
২৯. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০১
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: আপনি একজনকে উদ্দেশ্যে পোস্ট লিখছেন তাই বললাম,কারন আপনি বিষয়টি এমনেতেই লিখতে পারতেন ।সবাইকে সাবধান করার প্রয়োজন দেখি না ।আমার বিশ্বাস আমার কাছে,তা যদি অপরিচিত একজনের একটা ব্লগ পড়েই টলে যায় তাহলে দোষ তো আমার বিশ্বাসের,ঐ ব্লগারের না,কারন সে তো প্রশ্ন তুলতেই পারে ।আমরা বোধহয় নিজের ধর্মটাকে জানার চেয়ে এর বিরোধীদের সাথে যুদ্ধ করে বেশী সময় নষ্ট করছি ।"মাজার ব্যবসা,মান্নত,শিরনি,ভুল হাদীস,কাঠ মোল্লাদের ভুল ব্যখ্যা,জামাত,সন্ত্রাস,ফুটপাথের ধর্মের নামে রুপকথা জাতীয় বই,কুসংস্কার,অন্ধতায়" আমাদের ধর্মের ইমেজ এমনেই খারাপ হয়ে গেছে,আমরা এইসবকে ট্যাকেল না করে যুদ্ধে ব্যস্ত ।
কিছু মনে করবেন না,যারা বিশ্বাসী তাদের বিশ্বাস মজবুত করা বেশী জরুরী,অবিশ্বাসীদের সাথে তর্ক নয় ।
৩০. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০৩
অলৌকিক হাসান বলেছেন: @ অলৌকিক হাসান, আমি জানি না।
তবে সোজা হিসাবে যা বুঝি, আদম আ. এর সন্তানদের মধ্যে পরস্পর বিয়ে হয়েছিল।
------------------------------
তার মানে ভাইয়ে-বইনে বিয়া হইছিল। আল্লাহ এইডা কি কাম করল...অ্যা....মানবজাতির শুরু করল এরকম ব্যাভিচার, ইনসেস্ট দিয়া ..... হায় হায় ......
৩১. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০৩
ললিতা বলেছেন: ৫
অবিশ্বাসীদের সাথে তর্ক করাও দরকার@তুহিন
৩২. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০৮
মাহমুদ রহমান বলেছেন: আমি তর্ক করছি না। ঐ ভদ্রলোকের উদ্ধৃত কোরআনের আয়াত দ্বারা অনেকে বিভ্রান্ত হতে পারে। এখানে সেই ভদ্রলোক তার নিজের মতামত তুলে ধরছে এমন নয়। বরং, ভিন্ন একটা চিন্তাধারা কোরআনের নামে চালানোর চেষ্টা করছে এবং সে কাজটি করছে ইচ্ছাকৃত, তবে কেন আমি তার ব্যাপারে অন্যদের সতর্ক করব না?
৩৩. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০৮
ছায়ার আলো বলেছেন: আমার মনে হয়না এরা জানার জন্য প্রশ্ন করছে...@তুহিন
৩৪. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০৯
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: সব কাজেরই প্রায়োরিটি থাকতে হয়,না হলে অবিশ্বাসীদের সংখ্যা বারবেই ।
৩৫. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:১২
নাঈম বলেছেন: যাদের সত্যিই ধর্ম নিয়ে জানার আগ্রহ আছে, তারা সেভাবে প্রশ্ন করুন। অযথা কটাক্ষ করার জন্য প্রশ্ন করে মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধে আঘাত করা কারো জন্য সমীচিন নয়।
৩৬. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:১৫
দিগন্ত বলেছেন: জানার ইচ্ছা থাকলে প্রশ্ন স্বাভাবিক। তবে ঠিক কোথায় ব্যাপারটা "জানার ইচ্ছা" আর কোথায় "আঘাত করা", সেই সীমারেখাটা খুব একটা সুস্পষ্ট নয়। ঠিক যেমন কুসংষ্কার আর ধর্মের ব্যবধানটাও পরিষ্কার নয় আমার কাছে।
৩৭. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২০
মাহমুদ রহমান বলেছেন: @অলৌকিক হাসান, আমি বুঝছিলাম আপনি এরকম একটা কমেন্টের দরজা খুলতে চাচ্ছেন। আমি মনে করেছিলাম, আপনি বলবেন একই সত্তার দুইরকম বিধান কেন?..... ইত্যাদি।

আমার মনে হচ্ছে, আপনার প্রশ্নের জবাব আপনাকে সন্তুষ্ট করবে না। বরং, নতুন প্রশ্নের দুয়ার খুলে দিবে। তাই কোন জবাব দিব না........

তবুও বলি, সেইসময় ইনসেস্ট জায়েজ ছিল। এও মনে করি, সেই সময়ের মত পরিস্থিতি দেখা গেলে এখনও তা জায়েজ........ তবে এসব উত্তর হাইপোথিটিক্যাল। নিঃসন্দেহে কুরআনের উপরের আয়াতগুলোর বিপক্ষে যায়। এজন্যই, আমাদের প্রিয়তম নবী যদি শব্দের ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। আর নাস্তিকরা এর উপর ভর করেই টিকে থাকতে চায়।

আর একটা কথা উল্লেখ করা প্রণিধানযোগ্য বলে মনে করছি, একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর কোরআন সমগ্র মানুষের জন্য এবং ভবিষ্যতের সমগ্র সময়ের জন্য এসেছে। হয়ত পৃথিবীর যথেষ্ট পরিমাণ ডেভেলপমেন্টের প্রয়োজন ছিল, নিশ্চয়ই আল্লাহ পাকই সব বিষয়ের সঠিক খবর রাখেন।
৩৯. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২২
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: @মাহমুদ রহমান
এখনও আপনার ব্লগে ব্যান করেননি বলে ধন্যবাদ।
প্রথমেই বলে নিচ্ছি, আমার পোস্টের কোরআন এর আয়াতের অনুবাদ আমি নিজে করিনি, তা করেছেন ডঃ মুহাম্মাদ মুস্তাফিজুর রহমান। এবং তা অবিকৃতভাবেই তুলে দিয়েছ।

দ্বিতীয়ত, আপনি যে অনুবাদ দিয়েছেন, তাতে কি অর্থের কি কোনো পরিবর্তন হয়েছে বলে মনে হয়েছে?

আর শানে নুযুলও কিন্তু আমার তৈরী নয়। উহা কিন্তু হাদীস(মুসলিম)।

আয়াতের যে ব্যাখ্যা আপনি দাড় করিয়েছেন- তাতে মনে হয়েছে আয়াতটি আপনি বুঝেননি অথবা বুঝেও তা বিকৃত করেছেন। আয়াতের অনুবাদ(আপনার দেয়াটাই) আবার পড়েন- তাহলে বুঝতে পারবেন।
২৪ নং আয়াতের প্রথম বাক্যে বিবাহ করার কথা কিন্তু বলা হয়নি- বলা হয়েছে যে, বিবাহিতা(সধবা) নারীরা পুরুষদের জন্য হারাম কিন্তু সেইসব স্ত্রীলোক এর বাইরে যারা যুদ্ধে হস্তগত হবে। তৃতীয় বাক্যে বিবাহের বিষয়ে বলা হয়েছে ঠিকই কিন্তু শুরুই করা হয়েছে এভাবে "এতদ্ব্যতীত আর যত মেয়েলোক রয়েছে ..." - অর্থাত- প্রথম বাক্যে বর্ণিত কারো বিবাহধীন নারী ও 'সেইসব স্ত্রী লোক যারা যুদ্ধে হস্তগত' ব্যতীত অন্য নারীদের সাথে বিবাহের নিয়ম/কানুন বর্ণনা করা হয়েছে। তাই নয় কি?

৪০. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২৩
মাহমুদ রহমান বলেছেন: সেইসময় ইনসেস্ট জায়েজ ছিল=> হয়ত সেইসময় ইনসেস্ট জায়েজ ছিল

আমি ঐসময়ের ব্যাপারে আসলেই খুব বেশি জানি না।
৪১. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২৪
দিগন্ত বলেছেন: "আমার মনে হচ্ছে, আপনার প্রশ্নের জবাব আপনাকে সন্তুষ্ট করবে না। বরং, নতুন প্রশ্নের দুয়ার খুলে দিবে। " - এই ব্যাপারটা আপনি খারাপ ভাবে নিচ্ছেন কেন? এটা খুবই স্বাভাবিক যেকোনো বিষয়ের ক্ষেত্রেই। জ্ঞানচর্চা এ ভাবেই চলে।
৪২. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২৫
প্রশাসন বলেছেন: মাহমুদ রহমান ভাই আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আল্লাহ হাফিজ।
৪৩. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২৭
মাহমুদ রহমান বলেছেন: ২৪ নং আয়ত হচ্ছে ২৩ এরই ধারাবাহিকতা।
৪৪. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২৭
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: "শানে নুযুলঃ হযরত আবু ছাঈদ খুদরী (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, 'আওতাস' যুদ্ধে কাফেররা পরাজিত হলে কিছু মহিলা মুসলমানদের অধীনে বন্দিনী হয়। অতঃপর এদেরকে গনীমতের মাল হিসেবে মুসলমানদের মাঝে বন্টন করে দেয়া হয়। কিন্তু এদের স্বামী আছে বিধায় মুজাহিদরা সহবাস থেকে বিরত হয়। আল্লাহতা'লা এ আয়াত নাজিল করে মাছআলা বাতলিয়ে দেন যে, যাদের স্বামী আছে, তাদের সাথে অন্যজনের সহবাস করা হারাম, কিন্তু মালে গনীমত হিসেবে প্রাপ্ত মহিলাকে দাসীরূপে ব্যবহার করা যায়, এখানে পূর্ব স্বামীর অধিকার বাতিল। তবে গর্ভবতী হলে প্রসব-পূর্ব পর্যন্ত সহবাস মওকুফ থাকবে।- মুসলিম।"

এই শানে নুযুল সম্পর্কে কি বলবেন?
এটা কি মিথ্যা?
৪৫. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৩০
মাহমুদ রহমান বলেছেন: আপনিই আরেকবার পড়ুন।

হারাম যাদের করা হয়েছে তাদের সম্পর্কে আগের আয়াতে বলা হয়েছে। পরের আয়াতে তা কন্টিনিউ হয়েছে এবং বলা হয়েছে "এতদ্ব্যতীত আর যত মেয়েলোক রয়েছে তাদেরকে নিজেদের মাল-সম্পদের বিনিময়ে (মোহরানা) হাসিল করা তোমাদের জন্য হালাল করে দেয়া হয়েছে, যদি বিবাহের দুর্গে তাদেরকে সুরক্ষিত কর এবং স্বাধীন-মুক্ত যৌন-স্পৃহা পূরণে উদ্যত না হও।"............ পরিস্কারভাবেই বলা হচ্ছে হালাল করা হয়েছে কেবল তখনই যদি বিবাহের দুর্গে সুরক্ষিত কর।
৪৬. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৩৪
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: আয়াতটি পড়েছেন?
শানে নুযুল পড়েছেন?

"সেইসব স্ত্রীলোক যারা যুদ্ধে হস্তগত হয়েছ" - তাদেরকে বিবাহ করার কথা কিন্তু বলা হয়নি একবারো, আবার আয়াতটি পড়ে দেখুন; দরকার হলে কোন হুজুরের সাথে যোগাযোগ করুন- বুঝতে না পারলে।
একইভাবে, অধিকারভুক্ত দাসীদেরকেও হালাল করা হয়েছে (সুরা আল আহযাব, আয়াত ৫২ দ্রষ্টব্য)- তাদেরকে বিবাহ করার কথ কিন্তু বলা হয়নি।
৪৭. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪৩
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: অবশ্য, অধিকারভুক্ত দাসীদের বিয়ের ব্যাপারেও একটি আয়াতে আছে,- যদি কোন পরুষ অসমর্থ্য হলে(স্বাধীন নারীকে বিয়ে করতে- মহর দিতে) তবে সে দাসীকে বিয়ে করবে।
৪৮. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:০১
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: মাহমুদ রহমান বলেছেন :
........"এতদ্ব্যতীত আর যত মেয়েলোক রয়েছে তাদেরকে নিজেদের মাল-সম্পদের বিনিময়ে (মোহরানা) হাসিল করা তোমাদের জন্য হালাল করে দেয়া হয়েছে, যদি বিবাহের দুর্গে তাদেরকে সুরক্ষিত কর এবং স্বাধীন-মুক্ত যৌন-স্পৃহা পূরণে উদ্যত না হও।"............ পরিস্কারভাবেই বলা হচ্ছে হালাল করা হয়েছে কেবল তখনই যদি বিবাহের দুর্গে সুরক্ষিত কর।
-------------------------------------
@মাহমুদ
আবার পড়ুন, দেখুন- সিকুয়েন্সিয়ালি কি বুঝা যায়?
১। মা, মেয়ে, ভগ্নি, ফুফু, খালা, ভাইঝি, ভাগ্নী এবং দুধমা, দুধবোন, স্ত্রীদের মা, স্ত্রীদের মেয়েরা(সেসব স্ত্রী যাদের সাথে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে)- তাদেরকে হারাম করা হয়েছে।
২। ঔরসজাত স্ত্রীদের পুত্রগণ এবং একই সঙ্গে দুইবোনকে বিবাহ করা হারাম করা হয়েছে।
৩। কারো বিবাহাধীন নারীকে হারাম করা হয়েছ।
৪। যুদ্ধে হস্তগত স্ত্রীলোককে হারামের আওতামুক্ত রাখ হয়েছে- সে বিবাহিত হোক আর অবিবাহিত হোক
৫। উপরিল্লিখিতদের বাইরে সকলকে হালাল করা হয়েছে, একটা শর্তের মাধ্যমে যে- হালাল করা হয়েছে কেবল তখনই যদি বিবাহের দুর্গে সুরক্ষিত কর।



৪৯. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩১
মাহমুদ রহমান বলেছেন: সেইসব মেয়েলোকও তোমাদের জন্য হারাম যারা অন্য কারও বিবাহাধীন রয়েছে অবশ্য সেইসব স্ত্রী লোক এর বাইরে যারা যুদ্ধে তোমাদের হস্তগত হবে।

......এর কি অর্থ দাঁড়ায়? এখানে পরিস্কারভাবে বিবাহ সম্পর্কে কথা বার্তা বলা হচ্ছে।
৫০. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৫২
মাহমুদ রহমান বলেছেন: আপনি আপনার ৩ ও ৪ নংকে এলোমেলো করে ফেলেছেন। ৩ ও ৪ একসাথে এসেছে। বিবাহাধীন নারী হারাম, এইকেসটার মধ্যে ব্যতিক্রম হল সেইসব বিবিহাধীন নারী যারা যুদ্ধে হস্তগত হয়েছে। .......বাকী সবাই জায়েজ যদি তাদের বিয়ে করা হয়। অর্থাৎ, আগে যাদের হারাম বলা হয়েছে তারা ছাড়া হারামের আওতা বহির্ভূত বাকী সবাই বিবাহের মাধ্যমে জায়েজ।

ক্রিটিক্যাল রিজনিং নিয়ে একটু স্টাডি করুন। বক্তব্যের সঠিক অর্থ ধরতে পারবেন।
৫১. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১৩
মামু বলেছেন: "বুজতে পারলাম " কতাটা কইয়া গেল না।
চামে কাইট্যা পড়ল।
৫২. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:৩৪
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: @মাহমুদ
পরিস্কার বিষয়টি কেন ধরতে পারছেন না- বুঝছি না।
শানে নুযুল পড়লেও তো বিষয়টি পরিস্কার হওয়ার কথা। আর হাদীসে অবিশ্বাস থাকলে একই সুরার পরবর্তী আয়াতটি (২৫নং)পড়ুন। আরও পরিস্কার হবে। তাহলে বুঝতে পারবেন- এখানে পরাজিত পক্ষের নারীদের সাথে/ অধিকারভুক্ত দাসীদের সাথে সহবাস করাকে হালাল করা হয়েছে, বিবাহ না করেই তা জায়েজ। আর (২৫ নং আয়াত)- স্বাধীন নারীকে বিবাহ করতে যদি কোনো পুরুষ অসমর্থ হয় এবং তার দ্বারা ব্যভিচারের সম্ভাবনা থাকে , তবে তাকে দাসীকে বিবাহ করে নিতে বলা হয়েছে।
এতেও পরিস্কার না হলে, সুরা মা'আরিজ দেখুন। আয়াত২৯, ৩০, ৩১। সেখানেও বলা আছে- স্ত্রী ও দাসীদের ছাড়া আর কারো সাথে যৌন-সম্পর্ক করা যাবেনা। মানে কি? বিবাহ করা স্ত্রীর বাইরে অধিকারভূক্ত দাসীদের সাথে এই যৌন সম্পর্ক জায়েজ। আর অধিকারভূক্ত হতে পারে - অর্থের মাধ্যমে খরিদ করে/ অন্য কেউ উপহার/উপঢৌকন হিসাবে দান করিলে/ যুদ্ধে গনীমতের মাল হিসাবে ভাগে পড়লে। যুদ্ধে পরাজিত পক্ষের নারীরা দ্রব্য-সামগ্রী/মাল-সামালের মতই গণ্য হতো, যুদ্ধজয় শেষে সাহাবীরা এই নারীদের নিজেদের মধ্যে বন্টন করে নিত, আর সব মাল-সামালের মতই।
আরেকটু পড়েন, অনুবাদ পড়েন, তাফসীর পড়েন, শানে নুযুল পড়েন, হাদীস পড়েন, ইতিহাস পড়েন। আশা করি সবকিছু পরিস্কার হবে(ক্রিটিকাল রিজনিং এর ভাব/ভেক ধরতে হবে)।

আরেকটা কথা-
আপনি যে অনুবাদটি দিয়েছেন, তার অনুবাদকের নামটি কিন্তু দেননি। পাশাপাশি দুটি অনুবাদ একটু পড়ে দেখুন তো- মৌলিক কি পার্থক্য পাওয়া যায়? একটি পার্থক্য অবশ্য আমি পেয়েছি- সেটা হলো ২৪নং আয়াতের প্রথম বাক্যে- 'তোমাদের স্বত্বাধীন/ অধিকারভূক্ত দাসী' বনাম 'সেইসব স্ত্রী লোক যারা যুদ্ধে তোমাদের হস্তগত'। ('ব্যভিচার' বনাম 'স্বাধীন-মুক্ত যৌন-স্পৃহা পূরণে উদ্যত হওয়া'; 'বিয়ের মাধ্যমে যে নারীদের তোমরা সম্ভোগ করেছ' বনাম 'দাম্পত্য জীবনের যে মধু তাদের দ্বারা তোমরা লাভ কর' প্রভৃতি একই ভাব ভিন্ন প্রকাশ বলেই মনে হয়- যদিও আপনার দেয়া অনুবাদ অধিক শ্রুতিমধুর, তথাপি ডঃ মুহাঃ মুস্তাফিজরের অনুবাদ মূল কোরআনের অধিক কাছাকাছি বলেই মনে হয়- কেননা এতে বাহুল্য বর্জন করা হয়েছে)। শব্দদুটির কোনটি বেশী মূল কোরআনের কাছাকাছি- এখনো বলতে পারবো না। মূল আরবী শব্দ হচ্ছে 'মালাকাত আইমানুকুম' - দেখা যাক কিছু পাই কি-না। ................।
৫৩. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:৪০
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: দুঃখিত, (ক্রিটিকাল রিজনিং এর ভাব/ভেক ধরতে হবে) না হয়ে হবে=> (ক্রিটিকাল রিজনিং এর ভাব/ভেক ধরতে হবে না)।



৫৪. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:৫৮
আওরঙ্গজেব বলেছেন: সালাম,
এরকম একটা পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। ৫।
৫৭. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৮
মাহমুদ রহমান বলেছেন: আর তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি বংশীয় মুসলমানদের বিয়ে করতে পারে নাসে যেন তোমাদের মালিকানাভুক্ত ক্রীত দাসীদের মধ্য থেকে এমন নারীকে বিয়ে করে যে মু'মিনা হবে। আল্লাহ তোমাদের ঈমানের অবস্থা খুব ভাল করেই জানেন.........
সুরা নিসাঃ আয়াত ২৫

আপনি বলেছেন........তাহলে বুঝতে পারবেন- এখানে পরাজিত পক্ষের নারীদের সাথে/ অধিকারভুক্ত দাসীদের সাথে সহবাস করাকে হালাল করা হয়েছে, বিবাহ না করেই তা জায়েজ।

আয়াতটিতে পরাজিত পক্ষের নারীর প্রসংগ আনলেন কেন? বিভ্রান্তের আরও এক প্রচেষ্টা।

মালিকানাভুক্ত দাসীদের সাথে বিয়ে ছাড়াই সহবাস করা যায়। (সুরা মু'মিনুনঃ আয়াত ৬)। তবে একথা মনে রাখতে হবে এ পদ্ধতি হচ্ছে মালিকানাভুক্ত দাসীদের জন্য। পূর্বে যেমন দাস-দাসীরা গৃহপালিত পশুদের ন্যয় বিক্রি হত, কারও না কারও অধিকারে থাকত। এইটা কেবল সেই সমস্ত দাস-দাসীদের জন্য। আজকের প্রেক্ষাপট তখনকার প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই দাস-দাসী বলতে আজকের দিনের চাকর-বাকরদের মত নয়।

দাসপ্রথা হচ্ছে মানবতার সবচেয়ে দুঃখজনক এবং বাজে একটা প্রথা। ইসলামের অবস্থান পরিস্কারভাবে এর বিপক্ষে। এটাকে দূরীভূত করার কাজকে কুরআন কঠিন কাজ বলে অভীহিত করেছে। কুরআন বলেছে...

আমি কি তাকে দুই চোখ, একটি জিহ্বা এবং দুইটি ওষ্ঠ দিই নি? আর উভয় স্পষ্ট পথ কি তাহাকে দেখায় নাই? কিন্তু সে দুর্গশ বন্ধুর ঘাঁটিপথ অতিক্রমের সাহস দেখায় নাই। তুমি কি জান সে দুর্গম বন্ধের ঘাঁটি পথ কি? দাসত্বের শৃংখল থেকে মুক্ত করা। (বালাদঃ ৮-১৩)

পরিস্কার বোঝা যাচ্ছে, দাসপ্রথাকে উচ্ছেদ করা ইসলামের একটা বড় কাজ। সাহাবারা একাজে ব্যপকভাবে অংশ নিয়েছেন। তাঁরা দাসদের কিনে মুক্ত করে দিয়েছেন। দাসীদের ব্যাপারে এটা খুব বেশি ফলপ্রসু ছিল না। কারণ, সে সময় দাস-দাসীদের সামাজিক মর্যাদা বলতে কিছু ছিল না। এদের মুক্ত করলে পতিতালয় ছাড়া কোথাও জায়গা হত না। আবার অপরদিকে, কারও মালিকানায় থাকলে তারা যৌন অধিকার ফিরে পেতো না। ইসলাম মুক্ত সেক্সকে কখনই এলাও করেনি। তাদের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে। আর চেষ্টা করেছে দাসপ্রথা বিলুপ্তির, তাদের সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার। অনেক উদাহরণ দেয়া যাবে।

কুরআনের বিধান একদম অপটিমাম কথা বলেছে বলে আমি মনে করি। আজ কুরআনের আন্দোলন সফলতার মুখ দেখেছে। বিশ্ব এই ব্যবস্থাকে প্রত্যাখ্যান করেছে। নতুন করে এই প্রথা আমদানির সুযগ নেই। ফলে দাস-দাসীদের সাথে সহবাসের বিধান আর কার্যকরী নেই। কখনও যদি কোন কারণে আবার সেই অবস্থা ফিরে আসে (আল্লাহ না করুন), তবে ঐ বিধান কার্যকরী হবে।

কোরআন সকল মানুষ নির্বিশেষে তাদের মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে চাই, মানুষই বার বার এ কাজে বাধা দিয়েছে।


৫৮. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৫১
মাহমুদ রহমান বলেছেন: দুর্গশ বন্ধুর ঘাঁটিপথ=> দুর্গম বন্ধুর ঘাঁটিপথ
৫৯. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৩
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: @মাহমুদ রহমান
আপনার ধৈর্য ও প্রচেস্টার জন্য ধন্যবাদ।

মাহমুদ রহমান বলেছেন,
"আপনি বলেছেন........তাহলে বুঝতে পারবেন- এখানে পরাজিত পক্ষের নারীদের সাথে/ অধিকারভুক্ত দাসীদের সাথে সহবাস করাকে হালাল করা হয়েছে, বিবাহ না করেই তা জায়েজ।
আয়াতটিতে পরাজিত পক্ষের নারীর প্রসংগ আনলেন কেন? বিভ্রান্তের আরও এক প্রচেষ্টা।....."
===>>>আসলে আমি ধারাবাহিকভাবে ২৩নং, ২৪ নং আয়াতের সাথে সাথে ২৫ নং আয়াতটি পড়ার কথা বলে বলেছিলাম- তাহলে আপনার কনফিউশান দূর হবে। শুধু ২৫ নং আয়াত দেখে আপনি বুঝতে পারবেন এটা বলতে চাইনি। যাহোক, আপনি শেষ পর্যন্ত লাইনে আসছেন, এতেই চলবে। আমার কথা ছিলো- কোরআনের আয়াতসমূহে যে বিবাহ নিয়ে হালাল/ হারামের আলোচনা আছে, তাতে শুধু স্বাধীন(অধিকারভূক্ত না) নারীদের ব্যাপারটাই প্রধান। কেননা মালিকানাধীন নারীরা বিবাহ ছাড়াই ভোগ্য- ইসলামী নিয়ম মোতাবেক। এবং আপনি স্বীকার করে নিয়েছেন যে, মালিকানাধীন দাসীদের সাথে বিবাহ সম্পর্ক ছাড়াই যৌন-সম্পর্ক করা যায়(যদিও আগে বলছিলেন "পরিস্কারভাবেই বলা হচ্ছে হালাল করা হয়েছে কেবল তখনই যদি বিবাহের দুর্গে সুরক্ষিত কর")।

এবার আসি আপনার পরবর্তী প্রশ্নে। আপনি সম্ভবত এখানে, অধিকারভূক্ত দাসী আর যুদ্ধে হস্তগত নারীদের মধ্যে একটা বিভাজন টানতে চেয়েছেন। একটু পরিস্কার করি।
আপনার অনুবাদে দেখা যায়, ২৪ নং আয়াতে 'সেইসব স্ত্রী লোক যারা যুদ্ধে তোমাদের হস্তগত' ও ২৫ নং আয়াতে 'মালিকানাভুক্ত ক্রীত দাসীদের' শব্দসমষ্টি ব্যবহার করেছেন। মূল আরবীতে ২৪ ও ২৫ দুটিতেই কিন্তু আছে 'মালাকাত আইমানুকুম'। শুধু তাই নয়, কোরআনের আর যত জায়গায় (আপনার সুরা মু'মিনুন, আয়াতঃ৬, সুরা মা'আরিজ, আয়াতঃ৩০ সহ) 'অধিকারভূক্ত/মালিকানাধীন দাসী' বুঝানো হয়েছে যে শব্দগুলো দিয়ে তা হলো এই 'মালাকাত আইমানুকুম', 'মালাকাত আইমানুহুম','মালাকাত ইয়ামীনুক'। কুম আর হুম যথাক্রমে 'তোমাদের' ও 'তাদের' অর্থকে নির্দেশ করে। ইয়ামীনুক ও আইমানুক সম্ভবত সংখ্যাবাচক(বহুবচন ও একবচন)।
('সম্ভবত' এইকারণে যে- আমি আরবীতে পড়ে এমন একজনের কাছে শুনেছি, এখনও পড়িনি বা আপনাদের সূত্র দিতে পারছি না)।
তাহলে প্রশ্ন হলো, সুরা আন্নিসার ২৪ নং আয়াতে আপনি যে অনুবাদটি দিয়েছেন (এখনও সূত্র উল্লেখ করেননি) তাতে 'মালাকত আইমানুকুম' এর অর্থ কেনো 'সেইসব স্ত্রী লোক যারা যুদ্ধে তোমাদের হস্তগত' ব্যবহার করা হয়েছে। এটা পরিস্কার হবে, এর শানে নুযুল পড়লে। বিভিন্ন তাফসিরে ও শানে নুযুল হতে এরকম ব্যাখ্যা পাওয়া যায় যে, যদিও আয়াতে 'মালাকাত আইমানুকুম' আছে- এখানে যুদ্ধে হস্তগত নারীদেরই নির্দেশ করা হয়েছে, এই যুদ্ধে হস্তগত নারীরাও অধিকারভূক্ত দাসী - তারা বিবাহিতা হোক আর না হোক, তাদের সাথে সহবাস করা হালাল এটা ফরমাইতেই এই আয়াতের নাযিল (হাদীস দ্রষ্টব্য, মুসলিম / বুখারী)। এ কারণে কিছু কিছু অনুবাদে 'মালাকত আইমানুকুম' দ্বারা 'যুদ্ধে হস্তগত নারী' অর্থ(ভাবার্থ) ব্যবহার করা হয়েছে- যদিও প্রকৃত অর্থ 'অধিকারভূক্ত দাসী'।
আশা করি এবার বুঝবেন।

এবার আসি, পরে আলোচনায়-(আলোচনা দীর্ঘ হওয়ায় দুঃখিত)-

মাহমুদ রহমান বলেছেন:
"পূর্বে যেমন দাস-দাসীরা গৃহপালিত পশুদের ন্যয় বিক্রি হত, কারও না কারও অধিকারে থাকত। এইটা কেবল সেই সমস্ত দাস-দাসীদের জন্য। আজকের প্রেক্ষাপট তখনকার প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। ......"
=====>>>>
কিছু প্রশ্ন:
১। কোরআনের যেসব আয়াতে এরকম অধিকারভূক্ত/মালিকানাধীন দাস-দাসীদের নিয়ে আদেশ-উপদেশ দেওয়া হয়েছে, সেসব আয়াত কি বর্তমানে অপ্রয়োজনীয়? যদি অপ্রয়োজনীয় হয়, তবে কোরআনে তা থাকার দরকার কি?
২। কোরআনের সমস্ত আদেশ-উপদেশ-নিষেধ কি সর্বকালের/ সর্বযুগের জন্য প্রযোজ্য না?
৩। (সুরা আন্নিসা, আয়াত২৫ দ্রষ্টব্য)যে বান্দা স্বাধীন নারীকে বিবাহ করার সামর্থ রাখেনা, সে কাকে বিবাহ করবে(তার তো এখন আর অধিকারভূক্ত দাসী নাই)?
৪। আজও তো যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে নারীও হস্তগত হয়। তাদের ক্ষেত্রে ২৪ নং আয়াতটি কিভাবে প্রযোজ্য হবে? আগে ছিলো, যুদ্ধে হস্তগত নারী নিজ অধিকারভূক্ত দাসী হয়ে যেত, ফলে সম্ভ্রম হারালেও ইসলামে তার জন্য সুরক্ষিত কিছু হক/ অধিকার ভোগ করতো(এই নিয়মও কি বর্বর না?)। এখনও কি যুদ্ধে হস্তগত নারীদের ধর্ষণ করা জিহাদীদের জন্য জায়েজ?
৬০. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৫
বিবেক সত্যি বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ। মাহমুদ রহমান ভাইয়ের মত দুচারজন মানুষ সমাজটাকে বদলে দেয়ার ক্ষমতা রাখে..

নাস্তিকদের আস্তানার অন্ধকার আস্তাকুরে সত্য ও যুক্তির আলো পৌছে যাক।


মুসলমানদের আসলে উচিত সরাসরি কোরান পড়া। খুব বেশিবেশি। আল্লাহ কি বলেছেন, নিজে নিজেই কেন জেনে নেইনা আমরা । *আমার* স্রষ্টা *এই আমার* জন্য চিঠি লিখলেন আমারই কল্যানের জন্য, আর আমি সেটা পড়লামনা-জানলামনা- এরচেয়ে দুর্ভাগ্য আর কি হতে পারে !!!
৬১. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৩২
মাহমুদ রহমান বলেছেন: নাস্তিকের ধর্মকথাকে ধন্যবাদ, একটা ভাল পয়েন্ট ধরেছেন। সর্বশেষ সুখের সংবাদ যে, একটা ছোট বিষয়ে মতভেদ তৈরি হয়েছে। আপনি বক্তব্যের শুরুতে আমার যে স্বীকারোক্তির কথা বলেছেন তা কিন্তু আজকের স্বীকারুক্তি নয়, যেদিন কুরআনে এ আয়াত পেয়েছি সেদিনই বক্তব্য মেনে নিয়েছি। যুক্ত খুঁজেছি। খুঁজতে গিয়ে কুরআনকে ভালোবেসেছি, শ্রদ্ধা দেখিয়েছি স্রষ্টাকে।



প্রথমে এটা বলে নেয়া ভাল যে, কুরআনের অনুবাদ ইটসেল্ফ কুরআনকে রিপ্রেজেন্ট করে না। কুরআনের আক্ষরিক অনুবাদের থেকে ভাবানুবাদ অনেক বেশি অর্থকে রিপ্রেজেন্ট করে। তারপরও কুরআনের ভাষায় কুরআন না বুঝতে পারলে কুরআনের প্রতি যথার্থ সুবিচার করা হয় না। আমি এখনও ঐপর্যায়ে যায়নি।

আমার মনে হচ্ছে, দুটি আয়াতে দুটি বক্তব্য দুটি ভিন্ন অর্থ দেখাচ্ছে। ব্যাপারটা একই শব্দের বিভিন্নার্থে প্রয়োগের মত !@@!2273047 !@@!2273048, !@@!2273049 !@@!2273050 !@@!2273051 !@@!2273052 !@@!2273053 !@@!2273054 !@@!2273055 !@@!2273056 !@@!2273057 !@@!2273058 !@@!2273059 !@@!2273060 !@@!2273061 !@@!2273062 !@@!2273063। তবে আমি মনে করি, যুদ্ধে হস্তগত বন্দী আর অধিকারভূক্ত দাসী এক কথা নয়। যদি এক কথা হয়, তবে যুদ্ধের মাধ্যমে আবার দাসপ্রথা প্রতিষ্ঠা লাভ করতে পারে যা ঐ আয়াতের (বালাদঃ ৮-১৩) দৃষ্টিভঙ্গির বাইরে।

আবার একইভাবে ওখানে (আয়াত ২৪) যদি যুদ্ধবন্দীর ব্যাপারটি না এসে অধিকারভূক্ত দাসীর বিষয়টি আসে তবে তা আয়াতের পূর্বাংশের শেষটুকু না হয়ে স্বতন্ত্র অর্থই দেখাচ্ছে। আর যুদ্ধবন্দী নারীর বিষয় আসলে তবে ঐ আয়াতের পূর্বের অংশের পরে একসাথে আসে। আমার কাছে মনে হচ্ছে না..... যুদ্ধবন্দী নারী এবং মালিকানাভূক্ত দাসীর জন্য একই বিধান। অবশ্যই আল্লাহ পাকই ভাল জানেন।

উত্তরঃ-

১. আমার কাছে থাকার দরকার নেই বলে মনে হচ্ছে না, ভবিষ্যত আমি জানি না। কুরআনের বিউটি জানাও ত জরুরি। কিভাবে এই গ্রন্থ বড় বড় সমস্যার সমাধান করেছে তা জানা কি জরুরি নয়? আমারটা বললাম, বাকীটা তো আল্লাহপাকই ভাল জানেন।

২. কুরআনের আদেশ-নিষেধ সেই সবলোকদের জন্য পালনীয় যেসব লোকদের (সর্বযুগের সর্বকালের)পালনের নির্দেশ রয়েছে। আল্লাহ পাক সামর্থের অতিরিক্ত কোন বোঝা কারও ওপর চাপিয়ে দেন না (বাকারাঃ ২৮৬)।

৩. রাষ্ট্রের বা সমাজের দায়িত্ব হচ্ছে তাকে বিয়ে দিয়ে দেওয়া (এই মুহুর্তে আয়াত মনে পড়ছে না)।

৪. বক্তব্য এসে গেছে।

ধন্যবাদ আপনাকে।।
৬২. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৪৬
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: @মাহমুদ
বিলম্বের জন্য দুঃখিত- আমার নতুন কয়টি পোস্টের জন্য ব্যস্ত ছিলাম।
আপনার উদ্দেশ্যে কয়েকটি বিষয় ও প্রশ্নঃ
১। শানে নুযুল বিষয়ে আপনার বক্তব্য কি? আপনি এটাকে বরাবর এড়িয়ে যাচ্ছেন কেন?
২। 'কিভাবে বড় বড় সমস্যার সমাধান করেছে' তা কোন গ্রন্থে ইতিহাস হিসাবে থাকতে পারে, কিন্তু বান্দাদের প্রতি আদেশ, উপদেশ, নিষেধ হিসাবে থাকলে, কৃতদাস-প্রথা এখনও ইসলামে অনুমোদিত বলে মনে হতে পারে না কি? যেহেতু তাকে এখনও মানুষের জন্য সংবিধান বলা হয়, সেই আদেশ/নিষেধ একইভাবে থাকা কতখানি বাঞ্ছনীয়? তার মানে আমি বলতে চাইছি যে, কোন এক সময়ের একটি গ্রন্থ হিসাবে বা কোন দলিল হিসাবে যদি বিবেচনা করা হয়, তবে কোন পরিবর্তনের প্রয়োজন থাকে না কেননা (বিভিন্ন যুগের বিভিন্ন গ্রন্থাদির মত) -তাকে সেই সময়ের আলোকেই বিচার করা হয়। কিন্তু, কোরআন তো তা নয়, এটা মানবজীবনের জন্য কেয়ামত পর্যন্ত অবশ্য পালনীয় একটা সংবিধান। তাহলে, ঐ আদেশ/নিষেধ যদি যদি এখনও থাকে তা তো এখনও পালনের প্রশ্ন চলে আসে। এতেই যত বিপত্তি!
৩। ভবিষ্যতেও যেন এমন জঘণ্য রীতি আবার না আসে তার জন্যও তো সংবিধানে(কোরআনে) নির্দেশনা থাকা উচিত নয় কি? অন্তত অধিকারভূক্ত দাসদাসীকেন্দ্রিক আদেশ/নিষেধ বর্জন করলে কি তা ঐ রীতি না আসার ক্ষেত্রে সহায়ক হয় না?
৪। ...যুদ্ধে হস্তগত বন্দী আর অধিকারভূক্ত দাসী এক কথা নয়। যদি এক কথা হয়, তবে যুদ্ধের মাধ্যমে আবার দাসপ্রথা প্রতিষ্ঠা লাভ করতে পারে যা ঐ আয়াতের (বালাদঃ ৮-১৩) দৃষ্টিভঙ্গির বাইরে।.... একটু ব্যাখ্যা করবেন কি? এমন ব্যাখ্যা- ঐসময়ের ইতিহাসের পরিপ্রেক্ষিতে, শানে নুযুল/ হাদীসের আলোকে। কোন সিদ্ধান্তকে আগে থাকে সঠিক ধরে সে অনুযায়ি একটা ব্যাখ্যা দাঁড় না কোরে।
৫। আগের ৪ নং প্রশ্নটি আবার করছি, সেটি কি জায়েজ?
৬। কোরআনের বউটিতে আপনি যথেষ্ট মুগ্ধ। একজন মানুষের রচনা হিসাবে, তার যুগের তুলনায় বিচার করলে, এর বিষয়সমূহে, সংগ্রামের নিদর্শনে, সমাজ-সংস্কারের ভূমিকাতে মুগ্ধ না হয়ে উপায় নাই বটে; কিন্তু- একজন সর্বশক্তিমানের সৃষ্ট হিসাবে বিবেচনা করলে, একে সর্বযুগের জন্য নির্ভুল হিসাবে গণ্য করলে, কোরআনের সেই বিউটি কি একই রকম থাকে?
৬৫. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:১৬
মাহমুদ রহমান বলেছেন: শানে নূযুলের ব্যাপারে আমার কোন বক্তব্য নেই। আমার কাছে হাদীসটি নেই। আমি এই হাদীসের সত্য মিথ্যা সম্পর্কে কিছুই জানি না।

কুরআন থেকে জেনে নিন।

ডাল্টনের পরমানুমতবাদের পরে মডিফায়েড হয়ে আরও মতবাদ এসেছে। তবুও স্কুলে ডাল্টনের পরমানুবাদ শেখানো কি উচিত?

আমি আগেই বলেছি ভবিষ্যত আমি জানি না।
৬৬. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:০৩
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: বিজ্ঞানে তত্ব, মতবাদ, সূত্র প্রমুখের পার্থক্য কি জানেন বোধ হয়? ডাল্টনের মতবাদ তার সীমাবদ্ধতা সহই স্কুলে পড়ানো হয়। কিন্তু, যেটা সূত্র হিসাবে গণ্য সেটাকে কিন্তু সর্বদাই প্রমান দিতে হয়।
কোরআনকে ডাল্টনের মতবাদের মত করে উপস্থাপন করলে আমার আপত্তি নেই, কিন্তু শক্তির নিত্ততা সূত্র বা নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র ইত্যাদির মত করে উপস্থাপন করলেই যত বিপত্তি। তদুপরি, এই সব সূত্রকেও প্রমান দিতে হয়, অন্ধত্বের কিছু নেই, ভুল প্রমানিত হলে- তাকে ভুল হিসাবে বর্জন ও সঠিককে গ্রহণেও কোন সমস্যা নেই।- কিন্তু কোরআনের ব্যপারে কি বলবেন?????
৬৭. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৫৭
মাহমুদ রহমান বলেছেন: ঐ আয়াতের কোন সীমাবদ্ধতা নেই। হয়ত কার্যকারিতা আপাতত নেই..... বিশ্বের সবজায়গার খবরও আমি একদম সঠিক জানি না।..... আবারও বলছি, ভবিষ্যত আমি জানি না।।
৬৮. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ২:০৬
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: @মাহমুদ রহমান
ধরলাম, ভবিষ্যতে আবার দাসপ্রথা চালু হবে, বা বিশ্বের কোন কোন জায়গায় এখনও দাসপ্রথা আছে। এটা ধরেই দুটি প্রশ্নঃ
১। দাসপ্রথা এখন কোথাও থাকলে বা ভবিষ্যতে চালু হলে, ক্রীতদাসীদের সাথে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ককে ঐ আয়াতসমূহ বৈধতা দেয় কিনা? দিলে কি সেটা অন্যায় নয়? আপনার আলোচনাতেই আপনি কিন্তু স্বীকার করে নিয়েই বলেছিলেন- ঐ আয়াত সে সময়ের পরিপ্রক্ষিতে নাযিল হয়েছে এবং এখন দাসপ্রথা বিলুপ্ত হয়েছে.....। আর,- একটি সময়ের অন্যায় প্রথা যেটা আজ বিলুপ্ত, সেই প্রথাটি যাতে আর না আসে, সে ব্যাপারেই তো আয়াত থাকা দরকার- তাই নয় কি?
২। "হয়ত কার্যকারিতা আপাতত নেই..... বিশ্বের সবজায়গার খবরও আমি একদম সঠিক জানি না।..... আবারও বলছি, ভবিষ্যত আমি জানি না" -> আপনার এই বক্তব্যের সাথে কি 'সর্বকালের/ সর্বযুগের জন্য কোরআন প্রযোজ্য' এই উক্তিটি খাপ খায়? তাহলে, কি ধরে নিব, কোরআনের সব আদেশ/ নিশেধ সবকালে/ সব জায়গায় একই ভাবে প্রযোজ্য নয়??????
৬৯. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ২:২০
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: হ এইটাই শেষ কথা, কোরানের এই বিধানগুলা এহন প্রাকটিস শুরু করলে ক্যামন হয়? ক্যামন লাগবো মাহমুদ সাহেবের? সর্বকালের জন্য আদর্শ সর্বকালেই প্রয়োগ উপযুক্ত তাই না?
৭০. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:১১
মাহমুদ রহমান বলেছেন: হাইপোথিটিক্যাল কোশ্চেন আমি পছন্দ করি না। হাদীসেও এ ব্যাপারে নিষেধ আছে। 'যদি' শব্দের ব্যবহারে এই নিষেধাজ্ঞা।

কে বলছে আয়াত নেই? ........আমি কি তাকে দুই চোখ, একটি জিহ্বা এবং দুইটি ওষ্ঠ দিই নি? আর উভয় স্পষ্ট পথ কি তাহাকে দেখায় নাই? কিন্তু সে দুর্গম বন্ধুর ঘাঁটিপথ অতিক্রমের সাহস দেখায় নাই। তুমি কি জান সে দুর্গম বন্ধের ঘাঁটি পথ কি? দাসত্বের শৃংখল থেকে মুক্ত করা। কিংবা উপবাসের দিনে কোন নিকটবর্তী ইয়াতীম বা ধুলি-মলিন মিসকীনকে খাবার খাওয়ানো। আর (সেই সঙ্গে) শামিল হওয়া সেই লোকদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে। যারা পরস্পরকে ধৈর্য ধারণের ও দয়া প্রদর্শনের উপদেশ দেয়। এই লোকেরাই ডানপন্থী আর যারা আমার আয়াতসমূহ মেনে নিতে অস্বীকার করেছে তারা বামপন্থী। তাদের উপর আগুন একেবারে বেস্টনকারী হয়ে থাকবে।(বালাদঃ ৮-২০)।

২। আপনার কথাটা আসলে কেমন যেন আযৌক্তেক শোনাচ্ছে। প্রত্যেকটা আয়াতই প্রত্যেক সময়ে প্রত্যেকের জন্য। ব্যাপারটা মোটেও তা নয়। ব্যাপারটা এমন, দরজা দিয়ে ঢোকার সময় একটা বিধান.. বসার সময় একটা বিধান... কনভারসেশন চালানোর জন্য একটা বিধান..... নিশ্চয়ই সব বিধান একসাথে প্রয়োগের ব্যাপার নয়। কুরআনেই কোন আয়াতকে নির্দিষ্ট করে নবীর জন্য, কোনটি মুমিনের জন্য, কোনটি সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য নাযিল করা হয়েছে। ব্যাপারটা হচ্ছে, কোরআন সর্বকালের সর্বযুগের মানুষের হেদায়াতের গ্রন্থ। যে কেউ তার জীবন চলার পথকে এই গ্রন্থের আলোকে সাজাত পারবে, সে নিঃসন্দেহে দুই জীবনের জন্যই একজন সার্থক মানুষ হতে পারবে।

আমি জানি, আপনার মনে প্রশ্নের শেষ নেই। আমার সীমাবদ্ধতা আছে, কুরআনের সীমাবদ্ধতা নেই। আপনি কুরআন থেকে জেনে নিন।
৭১. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:১২
অেমাঘ অনল বলেছেন: আপনাদিগের(মা. র. ও না. ধ.) আলোচনা মনোযোগের সহিত পড়িয়া আমার ধারণা হইয়াছে যে,
১। মাহমুদ রহমান আগে থেকেই অন্ধভাবে ধরিয়া রাখিয়াছেন যে, কোরআনে যাহা কিছু আছে তাহাতে বিউটি পাইতেই হইবে।
২। ইহাকে লক্ষমাত্রা ধরিয়া যুক্তি আরম্ভ করিয়াছিলেন যে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ইসলামে/ কোরআনে হারাম (সম্ভবত তিনি ভাবিয়াছিলেন যে, বিবাহ-বহির্ভূত যৌন-সম্পর্ক ঘৃণ্য বিধায় তাহা কোরআনে হালাল হইতে পারে না- যেহেতু হালাল হইলে কোরআনের বিউটি নিয়াই প্রশ্ন উঠিতে পারে!!)।
৩। অতঃপর নাস্তিকের ধর্মকথা কোরআনের আয়াত ও শানে নুযুল উপস্থাপন করিলে- তিনি(মাহমুদ) স্বীকার করিয়া লন- কৃতদাসীদের সহিত এই সম্পর্ক স্থাপন করাকে হালাল করা হইয়াছে, যদিও এখনও নাস্তিকের সহিত যুদ্ধে হস্তগত নারীদের বিষয়ে তাঁহার ভিন্নমত রহিয়াছে। এতদসম্পর্কিত হাদীস সম্পর্কেও তিনি সন্দেহ পোষণ করিয়াছেন (হয়তো এই কারণে যে- হাদীসকে সত্য বলিয়া মানিয়া লইলে যুদ্ধে হস্তগত নারীদের সহিত বিবাহ না করিয়াই সহবাস করা জায়েজ বলিয়া মানিতে হয়)!
৪। বিবাহ বহির্ভূত এই যৌন সম্পর্ককে হালাল করিবার বিষয়খানি স্বীকার করিবার পরেও মাহমুদ ইহাতেও কোরআনের বিউটি খুঁজিয়াছেন এবং পাইয়াছেন।
৫। অতঃপর তিনি ফরমাইয়াছেন, এই আয়াতখানি(বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ককে হালাল করিয়া দিয়াছে যেই আয়াত) ত্রুটিমুক্ত, তবে উহার কার্যকারিতা এখন নাই যেহেতু দাসপ্রথাও এখন নাই।
৬। কার্যকারিতা না থাকিবার পরেও ঐ আয়াত কোরআনে রাখিবার প্রয়াজন এই কারণে যে, এখন কার্যকারিতা না থাকিতে পারে, কিন্তু ভবিষ্যত তো আমরা জানি না; অর্থাত ভবিষ্যতে আবার দাসপ্রথা চালু হইলে ঐ আয়াত কার্যকর হইবে!!!
৭। ইহার পরেও আরও কিছু প্রশ্ন আসিতে থাকায়, শেষ পর্যন্ত তিনি তাহার সীমাবদ্ধতা স্বীকার করিয়া লইয়া প্রশ্নসমূহের উত্তর পাইবার জন্য কোরআন পড়িবার উপদেশ দিয়াছেন। (যদিও কোরআনের বিউটি পাইতে সীমাবদ্ধতা দেখা যায় না, এবং কোরআন পড়িয়াই সম্ভবত নাস্তিকের ধর্মকথার মনে ঐ প্রশ্নসমূহের উদ্ভব হইয়াছে- কেননা তিনি আয়াতকে কেন্দ্র করিয়াই প্রশ্নসমূহ করিয়াছেন)।
৭২. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:০৫
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: @মাহমুদ
আপনি আমার প্রশ্নই বুঝেননি। আমি কোন হাইপোথিটিক্যাল প্রশ্নও করিনি। বরং আপনার কথার মধ্যে হাইপোথিটিক্যাল বিষয় আছে- ভবিষ্যতে কি হতে পারে না পারে বা বিশ্বের সব জায়গার খবর আপনার জানা নেই- এ কথার মধ্য দিয়ে আপনি কি প্রমান করতে চেয়েছিলেন? কোরআনের ঐ আয়াতের কার্যকারিতা না থাকার ব্যাপারে আপাতত কথাটি বলার উদ্দেশ্য কি? এগুলো কি হাইপোথিটিক্যাল নয়? আমি স্রেফ আপনার কথার প্রসঙ্গ টেনে বলছিলাম- ভবিষ্যতে যাই হোক বা বিশ্বের কোন জায়গায় দাসপ্রথা থাকুক না থাকুক- আজকে যে ন্যায়ের ধারণা প্রতিষ্ঠিত তাতে বহুগমন, দাসীগমন, যুদ্ধবন্দী নারী-গমন অন্যায় কি - না??????

২নং প্রশ্নের জবাবেও যা বলেছেন তা হাস্যকর এবং মনে হয় ইচ্ছাকৃত প্রসঙ্গ এড়িয়ে যাওয়ার চেস্টা। দরজা দিয়ে ঢোকার সময় একটা বিধান.. বসার সময় একটা বিধান... কনভারসেশন চালানোর জন্য একটা বিধান ------ এবং নিশ্চিতভাবেই আমিও এসব একসঙ্গে প্রয়োগের কথা বলিনি, বরং প্রত্যেক সময়ের জন্য বলতে এটাই বুঝায়, দরজা দিয়ে ঢোকার সময় যে বিধান বা বসার সময় যে বিধান বা কনভারসেশন চালানোর জন্য যে বিধান-তা আয়াত নাযিলের পর মুহুর্তে যেমন পালনীয় আজও তেমনি কেয়ামতের পূর্বমুহুর্ত পর্যন্ত তেমনিই পালনীয়। বিবাহের জন্য যেমন মা, বোন, ফুফু প্রমুখ কে হারাম করা হয়েছে তা ঐ আয়াতের পর মুহুর্তে যেমন হারাম আজও হারাম আগামীতে মুমিনদের জন্য একইভাবে হারাম। একইভাবে, যা যা হালাল করা হয়েছে, তা শুধু ঐ সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে হালাল- আজ হালাল না, এমন কি কোরআন স্বীকার করে? এবার মনে হয় আমার প্রশ্ন দুটি বঝতে পারছেন।
৭৩. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৩২
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: @মাহমুদ
আপনার সাথে আমার একটা ভিন্নমত ছিল। যুদ্ধে হস্তগত নারীদের বিষয়ে। মনে বিষয়টি হবে এই হাদীস পড়লে। বঙ্গানুবাদসহ হাদীসঃ সহীহ বোখারী শরীফ; পর্ব-১
৭৪. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৩৩
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: মনে হয় বিষয়টি পরিস্কার হবে এই হাদীস পড়লে।
৭৫. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৪৬
নাজিরুল হক বলেছেন: হাবিল কাবিল সেই সময়ে বিবাহ করেছিল যখন ইসলামের এত বিধান অবতীর্ণ হয়নি। সেটা প্রেক্ষীত ভিন্ন ছিল।
এই শেষ নবীর বিধান নিয়ে কথা বলুন।
৭৬. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০৯
অন্যরকম বলেছেন: আলোচনা ভাল লেগেছে! জানার অনেক উপাদান পেলাম! এডেড!
৭৭. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৫১
নিজেরআয়না বলেছেন: খুবই আকর্ষনীয় বিতর্ক। ভবিষ্যতে আরো চলবে আশা করি। সময় পেলে তাতে যোগ দেবো।
৭৮. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৫২
আবুল কালাম বলেছেন: সালাম,
এরকম একটা পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। ৫।

৭৯. ২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:২৬
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:

মাহমুদ রহমান,

ভাই, মারিয়া সম্পর্কে কিছু জানেন নাকি?
মুহম্মদ সা এর সন্তান ইব্রাহীমের মা মারিয়া!!!

মারিয়াকে মুহম্মদ সা বিয়ে করেছিলেন?? কবে?? ইব্রাহীমের জন্ম কবে?? এসব সম্পর্কে কিছু জানেন???


না জানলে আমার এই পোস্ট ও পোস্টের কমেন্টগুলো একটু পড়বেনঃ

শিরোনামঃ সুরা আত তাহরীম, একটি বোখারী হাদীস এবং মারিয়া
লিংকঃ Click This Link
৮০. ২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:২৮
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:

এই হাদীসটি পড়েছেন কি??

সহীহ বুখারী শরীফঃ
ভলিউম ৩, বই ৪৩, হাদীস ৬৪৮
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, যে দুইজন নারী সম্পর্কে কোরআন পাকে (আয়াত ৬৬:৪) বলা হয়েছে, তাদের ব্যাপারে হযরত ওমর রা. কে প্রশ্ন করার ইচ্ছা বেশ কিছুকাল পর্যন্ত আমার মনে ছিল। অবশেষে একবার তিনি হজ্জের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলে আমিও সফরসঙ্গী হয়ে গেলাম। (হজ্জ থেকে ফেরার পথে) ওমর একপাশে গেলে (প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দিতে), আমিও (ওযুর)পানি নিয়ে তার সাথে যাই। যখন তিনি ফিরলেন, আমি তার হাতে পানি ঢালছিলাম এবং জিজ্ঞেস করলাম, "ওহ বিশ্বাসীদের প্রধান! নবী করিম সা. এর কোন দুজন নারীর ব্যাপারে কোরআনের এই আয়াত অবতীর্ণ হয়েছেঃ যদি তোমরা দুজন তওবা করো (৬৬:৪)।"
তখন ওমর রা. বললেন, "আমি এবং বনী উমাইয়া বিন জাহিদ গোত্রের আমার এক আনসারী প্রতিবেশী মদীনার আওয়ালীতে বাস করতাম ও পর্যায়ক্রমে রাসুলুল্লাহ সা. কাছে যেতাম। তিনি একদিন যেতেন আর আমি অন্যদিন। যেদিন আমি যাতাম রাসুলুল্লাহ সা. এর সেদিনকার আদেশ-নির্দেশাবলী সমেত ঘটনাসমূহ তাকে (প্রতিবেশীকে) বলতাম এবং যেদিন তিনি যেতেন, তিনিও আমার কাছে অনুরূপ করতেন। আমরা, কোরায়েশ পুরুষরা, যখন মক্কায় বাস করতাম তখন নারীদের উপর অধিক কর্তৃত্ব ভোগ করতাম, কিন্তু আমরা যখন মদীনায় আসলাম তখন লক্ষ করলাম যে, আনসার নারীরা পুরুষদের উপর অধিক কর্তৃত্ব ভোগ করে। ফলে, আমাদের নারীরা আনসার নারীদের অভ্যাস গ্রহণ করতে শুরু করে। একদিন আমি আমার স্ত্রীর প্রতি চিৎকার করলে আমার স্ত্রীও আমার সাথে মুখে মুখে তর্ক করলেন ও পাই পাই বুঝিয়ে দিলেন। আমি এটা অপছন্দ করলে তিনি বললেন, "আপনাকে প্রতি উত্তর দিলে সেটাকে আপনি খারাপভাবে নিচ্ছেন কেন? আল্লাহর কসম! নবী করিম সা. এর স্ত্রীরাও তাঁর সাথে মুখে মুখে তর্ক করেছেন এবং স্ত্রীদের কেউ কেউ দিন থেকে রাত অবধি তাঁর সাথে কথা পর্যন্ত বলেননি"। আমার স্ত্রী যেটি বললো আমাকে ভীত করলো এবং আমি জিজ্ঞেস করলাম, "তাঁদের মধ্যে যেই এমন করে, সে-ই ভয়ানক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন"। আমি পোশাক পরিধান করে হাফসার কাছে গেলাম এবং তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, "তুমি কি দিন থেকে রাত অবধি রাসুলুল্লাহ সা. কে রাগান্বিত রেখেছ?" সে হ্যাঁ বোধক জবাব দিল। আমি বললাম, "তুমি বিধ্বস্ত পরাজিত নারী! তুমি কি আল্লাহর রাসুলকে রাগান্বিত করে আল্লাহর ক্রোধের কারণ হতে ভীত হও নাই? এভাবে তুমি ধ্বংস হয়ে যাবে! আল্লাহর রাসুলকে বেশী কথা বলো না, কোন অবস্থাতেই তাঁর সাথে মুখে মুখে তর্ক করো না এবং তাঁকে অসন্তুষ্ট করো না। তোমার যা খুশী দরকার আমার কাছে চাও এবং কখনোই তোমার প্রতিবেশীকে (আয়েশা রা. কে) নবীজীর প্রতিপক্ষ বানিয়ো না, যদিও সে তোমার চেয়ে অধিক সুন্দরী ও মুহম্মদ সা. এর বেশী প্রিয়"।

সে সময় গুজব ছিল যে, ঘাসানরা (শ্যাম দেশের একটি গোত্র) আমাদের আক্রমণ করার উদ্দেশ্যে ঘোড়া প্রস্তুত করছে। এক রাতে আমার আনসার প্রতিবেশী (তাঁর পালায় রাসুলুল্লাহ সা. এর বাড়ি থেকে ফিরে) খুব স্বন্ত্রস্তভাবে আমার দরজায় কড়া নাড়তে লাগলো। আমি জিজ্ঞেস করলাম, "কি হয়েছে? ঘাসানেরা কি এসেছে?" তিনি বললেন, "তারচেয়েও খারাপ, আরো অধিক গুরুত্বপূর্ণ! রাসুলুল্লাহ সা. তাঁর স্ত্রীদের তালাক দিয়েছেন"। আমি বললাম, হাফসা বিধ্বস্ত হয়েছে। আমি এমনটি আগেই ভেবেছিলাম। আমি পোশাক পরিধান করে রাসুলুল্লাহ সা. এর সাথে ফজরের নামাজ আদায় করলাম। এরপরে তিনি উপরের কামরায় চলে গেলেন। আমি হাফসার কাছে গিয়ে তাকে ক্রন্দনরত পেলাম। আমি তাকে বললাম, "কেন কাঁদছ? আমি কি তোমাকে আগেই সাবধান করিনি?" আমি জিজ্ঞেস করলাম, "রাসুলুল্লাহ সা. কি তোমাদের সকলকে তালাক দিয়েছেন?" সে বললো, "আমি জানি না। তিনি সেখানে উপরের ঘরে আছেন"। আমি বের হলাম এবং কিছু মানুষের জটলা দেখতে পেলাম যাদের কেউ কেউ কাঁদছিল। আমি তাদের সাথে কিছুক্ষণ বসলাম, কিন্তু আমি পরিস্থিতি সহ্য করতে পারছিলাম না। তাই আমি উপরে গেলাম এবং নবীজীর এক কৃষ্ণাজ্ঞ দাসকে বললাম, "তুমি কি ওমরের জন্য রাসুলুল্লাহ সা এর অনুমতি প্রার্থনা করবে?" সে ভেতরে গেল এবং এসে বললো, "আমি আপনার কথা তাঁর কাছে বলেছি কিন্তু তিনি কোন জবাব দেন নি"। আমি জটলার কাছে ফিরে এসে বসলাম, কিন্তু পরিস্থিতি সহ্য করতে না পেরে আবার উপরে দাসের নিকট গিয়ে বললাম, "তুমি কি ওমরের জন্য নবীজীর অনুমতি প্রার্থনা করতে পার?"সে গেল এবং ফিরে এসে একই কথা বললো। যখন আমি ফিরে আসছি, তখন দাস বললো, "রাসুলুল্লাহ সা. আপনাকে অনুমতি দিয়েছেন"। সুতরাং আমি ভিতরে রাসুলুল্লাহ সা. এর কাছে গেলাম এবং তাকে একটি মাদুরে শয়নরত অবস্থায় পেলাম। আমি বললাম, "আপনি কি আপনার স্ত্রীদের তালাক দিয়েছেন?" তিনি আমার দিকে চোখ তুলে তাকালেন এবং না বোধক উত্তর দিলেন। আমি দাঁড়িয়ে বলতে লাগলাম, "আপনি কি আমার কথা শুনবেন? হে আল্লাহর রাসুল! আমরা কোরায়েশরা নারীদের উপর অধিক কর্তৃত্ব পেতাম, এবং এখানে আমরা যাদের কাছে এসেছি তাদের নারীরা তাদের উপর অধিক কর্তৃত্ব ভোগ করে"।

এরপরে আমি পুরো ঘটনা তাঁকে বলি (তাঁর স্ত্রী সম্পর্কে)। এতে তিনি হাসলেন। আমি তখন বললাম, "আমি হাফসার নিকট গিয়েছিলাম এবং তাকে বলেছি: তোমার প্রতিবেশীকে (আয়েশা রা. কে) নবীজীর প্রতিপক্ষ বানিয়ো না, যদিও সে তোমার চেয়ে অধিক সুন্দরী ও মুহম্মদ সা. এর বেশী প্রিয়"। এতে নবীজী আবার হাসলেন। আমি বসলাম এবং বললাম, "আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করুন যেন আপনার অনুসারীরা অনেক উন্নতি করতে পারে, যেহেতু পারস্যীয়রা ও বাইজেন্টাইনরা আল্লাহকে না মেনেও কতই না উন্নতি করেছে, তাদের কতই না সম্পদ"। রাসুলুল্লাহ সা. উঠে বসলেন এবং বললেন, "ওহ ইবনে আল খাত্তাব! তোমার কি কোন সন্দেহ আছে (যে এস্থান দুনিয়ার মধ্যে সেরা)? মানুষ তার ভালো কাজেরই কেবল প্রতিফল পায়"। আমি তাঁকে আল্লাহর কাছে আমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করার কথা বললাম।
রাসুলুল্লাহ সা. তাঁর স্ত্রীদের কাছে যাননি কারণ হাফসা গোপন কথা আয়েশার নিকট ফাঁস করে দিয়েছিলেন। রাসুলুল্লাহ সা. বললেন যে, তিনি একমাস তাঁর স্ত্রীদের কাছে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, কেননা তিনি তাদের উপর রাগান্বিত হয়েছেন যখন আল্লাহ তাকে সাবধান করে দেন (মারিয়ার প্রতি আকৃষ্ট না হওয়ার শপথ করার জন্য)। যখন ২৯ দিন অতিবাহিত হলো, তখন তিনি সর্বপ্রথম আয়েশার নিকট গিয়েছিলেন। আয়েশা বললেন, "আপনি শপথ করেছিলেন যে, একমাস আমাদের কাছে আসবেন না, আজ কেবল মাত্র ২৯ দিন অতিবাহিত হয়েছে। আমি এক এক করে দিন গুনে রেখেছি"। মুহম্মদ সা. জবাবে বললেন, "২৯ দিনেও মাস হয়"। সে মাস ২৯ দিনে ছিল। রাসুলুল্লাহ সা. আয়েশা রা. কে বললেন, "আমি তোমাকে কিছু বলতে যাচ্ছি, কিন্তু জবাব দেয়ার জন্য তোমার পিতামাতার সাথে পরামর্শ করার আগ পর্যন্ত তাড়ার কিছু নেই। আয়েশা রা. জানতেন যে, তাঁর পিতামাতা নবীজীর থেকে পৃথক হওয়ার অনুমতি দিবেন না। রাসুলুল্লাহ সা. বললেন যে, আল্লাহ বলেছেনঃ
হে নবী! তোমার স্ত্রীগণকে বলো,- "তোমরা যদি দুনিয়ার জীবনটা ও তার শোভা-সৌন্দর্য কামনা করো, তবে এসো আমি তোমাদের ভোগ্যবস্তুর ব্যবস্থা করে দিব এবং তোমাদের বিদায় করে দিব সৌজন্যময় বিদায়দানে"। (সুরা আহযাব, আয়াত ২৮) আয়েশা বললেন, "আমি কি আমার পিতামাতার সাথে পরামর্শ করতে পারি?" পরে আয়েশা নবীজীকে বললেন, "আমি অবশ্যই আল্লাহকে, তাঁর রাসুলকে এবং এই স্থানকে অধিকতর পছন্দ করি"। এরপরে রাসুলুল্লাহ সা. একে একে অন্য স্ত্রীদের কাছে গিয়েও এই আহবান জানালে তাঁরাও আয়েশার অনুরূপ জবাব দেন।

একই ধরণের হাদীস পাওয়া যায় মুসলিম শরীফের ৯/৩৫১১ এ এবং বোখারী শরীফের ৭/৬২/১১৯ এ।
৮১. ২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩১
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আপনি জানেন তো মারিয়া মুহম্মদ সা এর এক সন্তানের মা ছিলেন।
এখন দেখি তিনি স্ত্রীও ছিলেন কি-না!!!


নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
এবং আপনি নিশ্চয়ই মুহম্মদ সা. এর স্ত্রীর সংখ্যা ১১ না ১৩ এই নিয়ে মুসলিম স্কলারদের মধ্যকার বিতর্কের কথাও জানেন।

ইসলামিক সাইট ইসলামঅনলাইনে মুহম্মদ সা. এর স্ত্রীর তালিকা দিচ্ছে নিম্নরূপঃ

The following is a short introduction the Prophet's (peace and blessings be upon him) wives, the years of marriag,e and possible reasons for the marriages. Except for Khadijah and Zainab bint Khuzayma, all of Muhammad's wives died after him:

Khadijah bint (daughter of) Khuwaylid married in 595 CE; widow; died in 619.

Sawada bint Zama married soon after 619; widow.

Aisha married in 622; virgin.

Hafsa bint Umar married circa 624-625; widow, political.

Zainab bint Khuzayma married circa 626-627; widow; died soon after marriage to Muhammad.

Umm Salama Hind bint Abi Umayya married in 626; widow.

Zainab bint Jahsh married circa 625-627; widow and divorcee.

Juwayriya bint al-Harith married circa 627-628; widow, possibly political.

Umm Habibah married 629; widow, political.

Safiyya bint Huyayy married 629; widow, captured in battle.

Maymuna bint al-Harith married 629; widow.





০৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:২৬
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: এবারে এটি দেখতে পারেন, একটি ইসলামী সাইট, (ইসলাম কোশ্চেন এণ্ড আনসার) , সেখানকার ব্যাখ্যা দেখেনঃ


Question:
There is no doubt that Mariyah al-Qibtiyyah was the concubine of the Messenger (peace and blessings of Allaah be upon him), and she bore him his son Ibraaheem. Can the title of “Mother of the Believers” be given to Mariyah al-Qibtiyyah or not?.

Answer:
Praise be to Allaah.

The Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) did not marry Mariyah al-Qibtiyyah, rather she was a concubine who was given to him by al-Muqawqis, the ruler of Egypt. That took place after the treaty of al-Hudaybiyah. Mariyah al-Qibtiyyah was a Christian, then she became Muslim (may Allaah be pleased with her).

Ibn Sa’d said:

The Messenger of Allaah (peace and blessings of Allaah be upon him) lodged her – meaning Mariyah al-Qibtiyyah and her sister – with Umm Sulaym bint Milhaan, and the Messenger of Allaah (S) entered upon them and told them about Islam. He took Mariyah as a concubine and moved her to some property of his in al-‘Awaali… and she became a good Muslim.

Al-Tabaqaat al-Kubra, 1/134-135

Ibn ‘Abd al-Barr said:

Mariyah died during the caliphate of ‘Umar ibn al-Khattaab, in Muharram of 16 AH. ‘Umar gathered the people himself to attend her funeral, and he led the funeral prayer for her. She was buried in al-Baqee’.

Al-Isti’aab, 4/ 1912

Mariyah (may Allaah be pleased with her) was one of the Prophet’s concubines, not one of his wives. The Mothers of the Believers are the wives of the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him). Allaah says (interpretation of the meaning):

“The Prophet is closer to the believers than their ownselves, and his wives are their (believers’) mothers (as regards respect and marriage)”

[al-Ahzaab 33:6]

The Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) had four concubines, one of whom was Mariyah.

Ibn al-Qayyim said:

Abu ‘Ubaydah said: He had four (concubines): Mariyah, who was the mother of his son Ibraaheem; Rayhaanah; another beautiful slave woman whom he acquired as a prisoner of war; and a slave woman who was given to him by Zaynab bint Jahsh.

Zaad al-Ma’aad, 1/114
২৫ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৪:৪৪

লেখক বলেছেন: ইসলাম অনলাইন থেকে নেয়া.....

Was Maria the Copt a Slave, a Concubine, or a Wife of the Prophet?

Slavery already existed long before Islam. It was a system whereby a human captured in wars or kidnapped could be sold as a “possession.” That term applied to both sexes, not to women only. In some cultures slaves were considered subhuman and treated brutally. In Europe, for example, Romans threw Christian slaves to the lions while the public cheered; female slaves were thought to have no souls and were tortured mercilessly; slaves lived in degrading conditions; both sexes were forced to offer sexual favors to their masters; and as “possessions” they had no choice, no will, and no rights.

Islam recognized the human rights of slaves and encouraged Muslims to set slaves free. Islam prohibited adultery and homosexuality, and prevented forcing female slaves into sexual acts against their will. Islam encouraged educating them, setting them free, then legally marrying them and giving them their moral and financial rights. The reward for this—as mentioned in Prophetic Hadith—is eternal residence in Paradise.

Maria (may Allah be pleased with her) was not a concubine; she was a slave owned by Egypt’s Christian governor, who offered her and her sister Serine—among other presents—as a “gift of good will” to the Prophet in reply to his envoys inviting him to Islam. On her way from Egypt to Madinah, she was curious to learn about “her new master” and listened to his Companions talk about him. As a result, she became Muslim before meeting Muhammad. Scholars’ opinions vary of her status afterwards; here is the opinion I support:
One of the prominent Al-Azhar scholars, Sheikh Abdul Majid Subh, states:
“Prophet Muhammad (peace and blessings be upon him), instead of taking concubines, entered into lawful marriages based on reason and wisdom. Maria the Copt was given to him as a present, but rather than taking her as a concubine, the Prophet (peace and blessings be upon him) married her, thus elevating her status by marriage.”

২৫ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৫:০০

লেখক বলেছেন: ইসলাম অনলাইন থেকে নেয়া

৮২. ২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩২
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
The Concise Encyclopaedia of Islam এ মুহম্মদ সা. এর স্ত্রীদের সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে তাঁর ১১ স্ত্রীর বিবরণ শেষে উল্লেখ আছেঃ

In addition, the Prophet had at least two concubines, Rayhanah, captured from the Banu Qurayzah, who was originally Jewish, and Maryah, a Christian slave wo was a gift from the Muqawqis, the Byzantine viceroy ruling the Copts in Egypt. She bore the Prophet a son, Ibrahim, who died before his second year.


source: Wives of the Prophet, p. 419, The Concise Encyclopaedia of Islam
৮৩. ২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩২
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
এবার আরেকটি ইসলামী ফতোয়া সাইট (আরবী সাইট Click This Link) থেকে দেখিঃ

(অনুবাদ করেছেন মুফতি আল ফাদী)

Fatwa # 20780
Fatwa Title: His wives "Alayhi wa-Salat wa-Salam" who were slaves
Fatwa Date: 04 Jumady al-Thania 1423

Question

There are two slave women that the messenger (SAW) married, who are they?

Fatwa

Thanks be to Allah and prayer and peace be upon the messenger of Allah and on his family and companions. As to this:

If the questioner meant that Allah’s messenger (SAW) married two slave women while they were still slaves? This cannot be of the messenger of Allah (SAW), and this is not permitted in Islam except to those who cannot marry a free woman and fears immorality.

And if he meant that he [Muhammad] married those women after they were freed from slavery? Hence Juwayrah bint al-Harith al-Mustaliqia was from those who were enslaved (captured) from Bani al-Mustaliq (the tribe of Mustaliq), and she was the daughter of their leader, the prophet (SAW) freed her and married her. Same with Safiyah bint Huyay bin Akhtab who was one of the slaves of Khaybar, and the prophet (SAW) freed her and married her.

But if he meant the slaves that the messenger used to enjoy (ya ta sarra behina), meaning sleeping with them by virtue of their being his right hand possession? It was said four: Mariyah al -Qibtiyah, and Rayhanah from Bani Quraytha (the tribe of Quraytha), and a third slave woman whom he slept with during her slavery, and a fourth one who was given to him by Zaynab bint Jahsh.
৮৪. ২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩৩
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আবার যেসব ইসলামী স্কলারেরা দাবী করেছিলেন যে, মারিয়াকে মুহম্মদ সা. বিয়ে করেছিলেন, অর্থাৎ মারিয়া উম্মুল মুমিনীন; তাদেরও একটা বড় অংশই কিন্তু বলছেন, ইব্রাহীম জন্মানোর পরেই এই কর্মটি হয়েছে। মানে ইব্রাহীম জন্মানোর পরেই তিনি মারিয়াকে মুক্ত করেছিলেন (যদিও অনেকেই বলেন এমন কোন প্রমান নেই এর পেছনে)।

আপনি যদি সালও হিসাব করেন, কিছু জিনিস পরিষ্কার হবে। ১০ হিজরীতে ইব্রাহীম মারা যায় ১৮ মাস রোগগ্রস্ত থাকার পরে। আর মারিয়াকে বিয়ে করেন (অনেকের দাবীকৃত) ৬১ বছর বয়সে ৯ হিজরীতে। সম্ভবত মারিয়াকে উপঢৌকন হিসাবে পান ৭ হিজরীতে। সুতরাং এটা পরিষ্কার যে, বিয়ে না করা অবস্থাতেই মুহম্মদ সা মারিয়ার সাথে যৌন সংসর্গে গিয়েছিলেন।
৮৫. ২৭ শে মে, ২০০৮ সকাল ৮:২৬
মাহমুদ রহমান বলেছেন: আপনি ব্যাপক কিছু লিখেছেন মনে হচ্ছে, আমি আসলে বেশ ব্যস্ত। এ বিষয়ে একটু পড়াশুনা করার দরকার মনে করছি। রাসুলের (সা.) সম্ভবত স্ত্রী ছাড়াও আরো দুজন দাসী ছিলো। মালিকানাধীন দাসীদের প্রতি ইসলামের কি দৃষ্টিভঙ্গি সেটা আপনার অজানা থাকার কথা নয়।

আপনি কি লিখেছেন তা আসলে বিস্তারিত পড়িনাই, তবে যেকোন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে কেউ কোন তথ্য নিয়ে আসলে আমি কোরআনের ঐ আয়াতটির কথা মেনে চলি যেখানে স্রষ্টা বলেছেন, “ হে ঈমানদার লোকেরা! কোন ফাসেক তোমাদের নিকট যখন কোন খবর নিয়ে আসবে তখন তা যাচাই করে নেবে যাতে তোমরা অন্য মানুষদের ক্ষতি না করো এবং নিজেদের কৃতকর্মের জন্য লজ্জিত হয়ে না পড়ো”। (সুরা হুজরাতঃ আয়াত ৬)

বিশ্বের স্রেষ্ঠতম এবং অনুকরণীয় মানুষ মহানবী সা. এ ব্যাপারে আমার বিন্দুমাত্রও সন্দেহ নেই। কোরআন হাদীস থেকেই এ শিক্ষাটা আমার এসেছে।

ঃঃ মহানবী সা. এমন একজন ব্যক্তি ছিলেন যার কাছে পশু পাখীও তাদের প্রতি জুলুমের সুবিচার পেত, তারা কেবল মহানবীকেই তাদের কথা শুনবে বলে আস্থা রাখত।

ঃঃ বিনা কারণে একটি গাছের পাতা ছিঁড়াও তাঁর কাছে ছিল অপরাধ।

ঃঃ যে বুড়ী নিয়মিত রাসুল সা.কে কষ্ট দিয়ে আনন্দ পেত, তাঁর অসুস্থতার সময় সে বুড়ীর খবর নিয়েছেন তিনি।

ঃঃ বার বছরের একটা ছেলে জ্বরে আক্রান্ত হলে তিপান্ন বছরের প্রিয়তম নবী সেই ছেলেকে দেখতে যেতে ইগো সমস্যায় ভুগেননি।

ঃঃ নষ্ট সমাজে ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত কোন নারী সঙ্গ নেননি। খাদিজা রা. এর ইন্তেকালের পূর্বে আর কোন বিয়ে করেননি। তাঁর আমানতদারীতা, সত্যবাদিতা, ইত্যাদি ছিল সর্বজনবিদিত।
৮৬. ২৫ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৫:২২
শয়তান বলেছেন: একটা প্রশ্নের জবাব দিবেন ?

যুদ্ধ করে পুরুষরা কিন্তু যুদ্ধবন্দী হয় নারীরা । কেন ? কোন যুক্তিতে ? নারী কি তাহলে শুধুই পন্য ?
৮৭. ২৫ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৫:৩৬
মাহমুদ রহমান বলেছেন: যুদ্ধ নারীরাও করে......। যুদ্ধবন্দী নারী পুরুষ উভয়ই হয়। না ইসলাম মেয়েদেরকে পণ্য হিসাবে দেখে না। এ কারণেই যুদ্ধবন্দী মেয়েদের মুক্ত করে তাঁদেরকে বিয়ে করার নজির রেখেছে। এভাবে মেয়েদেরকে সম্মানিত করা হয়েছে।
৮৮. ২৫ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৫:৪২
শয়তান বলেছেন:
মাহমুদ রহমান বলেছেন: যুদ্ধ নারীরাও করে......। যুদ্ধবন্দী নারী পুরুষ উভয়ই হয়।

>> কোরান নাজিলের সময় কোন যুদ্ধে কি নারীদের সক্রীয় অংশগ্রহন ছিল ? ইতিহাস কি বলে ??
২৫ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৬:০১

লেখক বলেছেন: আমি যতটুকু জানি তাঁরাও উপস্থিত থাকতেন। পুরুষদের মত তাঁদের ভূমিকা এত সক্রিয় ছিলো না। যদি যুদ্ধে না-ই থাকেন তবে বন্দী হবেন কিভাবে?

৮৯. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:২৭
একলব্য১৯৭১ বলেছেন: জনাব মাহমুদুর রহমান, আপনি বলেছেন যুদ্ধবন্দী মেয়েদের মুক্ত করে "বিয়ে" করে তাঁদের "সম্মানিত" করা হয়েছে।তাই নাকি?আপনার গোত্রকে পরাজিত করে একটি ভিন্ন গোত্র আপনার স্ত্রীকে "বিয়ে" করে "সম্মানিত" করল।আপনি হয়ত তখন মৃত, কিন্তু আপনাকে যে স্ত্রী এতদিন প্রাণ দিয়ে ভালবেসেছেন,আপনার হত্যাকারীরা এসে তাঁকে ধর্ষণ না করুক,শাস্ত্রমতে বিয়ে করলেও তিনি কি এ যুগের বিচারে খুব একটা সম্মানিত হবেন কি? পাক হানাদাররা যদি এদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের স্ত্রীদের ধর্ষণ না করে বিয়ে করত,তাহলে কি তাঁরা আসলেই সদ্যপ্রয়াত স্বামীর হত্যাকারীর বিবাহিতা স্ত্রী হয়ে খুব "সম্মানিত" হতেন??

আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে যখন যুদ্ধবন্দী নারীদের উপর বর্বর অত্যাচার করা হত, তখনের প্রেক্ষিতে তাদেরকে বিবাহিতা স্ত্রীর মর্যাদা দেয়াটা সে যুগের তুলনায় যথেষ্ট মানবিক ছিল-এটুকু হয়ত বলা যেতে পারে।কিন্তু বর্তমান যুগের প্রেক্ষিতে তা কতটুকু মানবিক?

সমস্যা হচ্ছে, ইসলামকে সে যুগের প্রেক্ষিতে বিচার না করে তাকে সর্বকালীন ও সর্বজনীন বলে ধরে নেয়াটা।মানবিকতা আর নৈতিকতা যুগের সাথে সাথে পাল্টায়,আর কোনকিছুকে সর্বকালীন ধরে নিলে সেই প্রাচীন যুগেই আটকে যেতে হয়।দুঃখের বিষয়, কট্টর ধার্মিকরা ঠিক সে কাজটাই করে থাকে।

১৪০০ বছর আগের প্রেক্ষিতে ইসলাম অবশ্যই মানব সমাজের বিশেষ করে আরবের উন্নয়ন সাধন করেছিল এবং হজরত মুহম্মদ (স) নিঃসন্দেহে অসাধারণ একজন ব্যক্তি,কিন্তু আমার ক্ষুদ্র জ্ঞাণে মনে হয়-তিনিও একজন মানুষ ছিলেন এবং তাঁর বিধানও ছিল সে যুগের জন্য প্রযোজ্য।তৎকালীন নৈতিকতার সবটুকুকেই বর্তমানের জন্যে প্রযোজ্য বলে ধরে নিলে সেটি কূপমন্ডুকতারই সামিল।

ধন্যবাদ আপনাকে।আশা করি সময় পেলে আলোচনা করবেন।ঈদের শুভেচ্ছা।
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:০৬

লেখক বলেছেন: আপনার প্রথম প‌্যারা এবং ২য় প‌্যারা কন্ট্রাডিক্টরি মনে হচ্ছে....

আপনি খুব সম্ভবত বলতে চান ইসলাম সেই সময়ের আলোকে ফিট ছিল, এখন সেই সব ঘটনার আলোকে ইসলাম বর্তমান সময়ের সমাধান দিতে পারে না।

দেখুন, ইসলাম চিন্তা-গবেষণার দ্বার বন্ধ করে দেয়নি। ইসলামে ইজতেহাদের সুযোগ রয়েছে। আপনি যদি সত্যিকার অর্থে খোলামন নিয়ে কুরআন-হাদীস এবং রাসুলের জীবনী অধ্যয়ন করেন দেখতে পাবেন ইসলামের বিধানেই সত্যিকার সৌন্দর্য লুকিয়ে রয়েছে।

আপনি শেষের প‌্যারায় সুন্দর কথা বলেছেন। তবে তথ্যগত ভুল যেটা সেটা হচ্ছে ইসলাম রাসুলের কোন বিধান নয়, এটা স্রষ্টা প্রদত্ত এবং তিনি চিরঞ্জীব, শাশ্বত।

কুরআনের কোন নৈতিকতা বর্তমানের জন্য প্রযোজ্য নয় তা উল্লেখ করলে কৃতজ্ঞ থাকব।

৯০. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৭
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
ইসলাম অন লাইন থেকে যে অংশটুকু তুলে দিলেন, সেটির বিষয়ে কিছু কথা আছে। মনে হচ্ছে- আপনার অভিমতও সেরকম।

আপনার কোট করা অংশের শিরোনাম: Was Maria the Copt a Slave, a Concubine, or a Wife of the Prophet? এখানে কারো মধ্যে কোন সন্দেহ নেই- মারিয়া কিবতিয়া একজন দাসী ছিলেন যাকে উপঢৌকন হিসাবে পেয়েছিলেন। এখন সেখানেও উল্লেখ আছে যে, মিসলিম স্কলারদের মধ্যেও ভিন্নমত আছে মারিয়া মুহম্মদ সা এর উপপত্নী ছিল না-কি মুহম্মদ সা মারিয়াকে বিয়ে করেছিলেন। নবীজী যে মারিয়ার সাথে যৌন সম্পর্ক করেছিলেন এতে কোন সন্দেহ নেই- কেননা মারিয়া নবীজীর এক পুত্র সন্তানের মা। ফলে মূল প্রশ্ন হচ্ছে- যৌন সম্পর্ক বিবাহ করে (পত্নী), নাকি বিয়ে না করেই (উপপত্নী)। এবিষয়ে মুসলিম স্কলারদের মধ্যে দুই ধরণের মতই পাওয়া যায়। তবে, আপনি যে ফতোয়া তুলে দিয়েছেন- সে অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে যে নবীজী মারিয়াকে বিয়ে করেছিলেন। যারা এই মতের বিরোধীতা করেন, তাদের মূল যুক্তিই হলো- মারিয়াকে বিয়ে করতে গেলে- নবীজীকে কোরআনের আয়াতকেই অমান্য করতে হয়। কেননা যেসময় কোরআন নাযিল হয়ে মুহম্মদ সা এর নতুন বিয়ে করা রদ করা হয়েছে, তারপরেই মারিয়ার সাথে বিয়ের বিষয়টি চলে আসে। ফলে, এই মতকে সত্য মানতে হলে এটাও মানতে হবে যে, নবীজী তাঁকে উদ্দেশ্য করে নাযিল হওয়া কোরআনকে অস্বীকার/ অগ্রাহ্য/ অমান্য করেছেন।

আপনি মারিয়া ইস্যুতে অন্যান্য ফতোয়াগুলো পড়ে দেখুন, অধিকাংশ ইসলামী স্কলারেরাই মারিয়াকে উপপত্নীই বলেছেন- শুধু এই যুক্তিতে যে, বিয়ের কথা স্বীকার করে নিলে কোরআনকে অস্বীকার করা হয়ে যায়!!

তবে সে আমলের ঐতিহাসিকদের অনেকের আলোচনায় আমরা বিয়ের বিষয়ে কিছু সাক্ষ্য-প্রমান পাই। আসলে একসময় নবীজী তার স্ত্রীদের চেয়েও মারিয়ার প্রতি অনেক বেশী অনুরক্ত হয়ে পড়েন এবং মারিয়া তাকে এক পুত্র সন্তান দেয়াতে তিনি অনেক প্রসন্নও হন। এ কারণেই তিনি শুরুতে তাকে উপপত্নী হিসাবে গ্রহণ করলেও পরে তাকে বিয়ে করেন। (এবং মারিয়ার কারণে তার স্ত্রীরা বিশেষ করে সবচেয়ে প্রভাবশালী দুই স্ত্রী আবু বকর কন্যা আয়েশা ও ওমর কন্যা হাফসা দারুন অসন্তুষ্টও হয়েছিল। বিয়ে করেছিলেন এটার পক্ষে আরেকটি প্রমান দেয়া হয় যে, মারিয়ার জন্য আলাদা ঘর দিয়েছিলেন- মসজিদে নববীর পাশ থেকে প্রথমে নবীজীর - তার পরে এক এক করে তার স্ত্রীদের জন্য আলাদা আলাদা ঘর/ বাড়ী ছিল। সবশেষে এক প্রান্তে মারিয়াকেও বাড়ি তুলে দেন নবীজী, যেটি ওনার অন্য উপপত্নী/দাসী পাননি। আবার, নবীজীর মৃত্যুর পরে মারিয়ার প্রতি সাহাবী বা খলীফাদের বা অন্য প্রভাবশালী স্ত্রীদের আচরণও উল্লেখযোগ্য! নিদারুন অবহেলাই তার বরাতে জুটেছিল- নবীপত্নী হিসাবে অন্যরা যেমন সম্মান-প্রভাব-প্রতিপত্তি অর্জন করেছিল, তেমনটি মারিয়ার বরাতে জোটে নি- বরং একান্ত নিভৃতে জীবন পার করতে হয়েছিল!!)
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৮

লেখক বলেছেন: আপনি এখানে যেসব বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন তার কোন তথ্যসূত্র দেননি। আপনার এতটুকু বোঝা উচিত, আপনার মত (যেহেতু আপনি নাস্তিক) ব্যক্তির কাছ থেকে আসা বক্তব্য গ্রহণযোগ্য হওয়া ছাড়াই মানব না।

এই বিষয়টি কোথায় পেলেন তার গ্রহণযোগ্য রেফারেন্স দিবেন আশা করি।........."যেসময় কোরআন নাযিল হয়ে মুহম্মদ সা এর নতুন বিয়ে করা রদ করা হয়েছে, তারপরেই মারিয়ার সাথে বিয়ের বিষয়টি চলে আসে।"

৯১. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২৪
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আপনি নিজেই একটু অনুসন্ধান করে দেখুন না, অধিকাংশ ইসলামী স্কলারেরা মারিয়ার সাথে নবীজীর বিবাহের কথা অস্বীকার করেন। সেগুলোতে কি যুক্তি তারা নিয়ে আসেন?

আর বেশী দূরে যাওয়ার দরকার নেই। আপনাদের মহাগুরু মওদুদীর (ঐ বেটা কিন্তু বাটপার মুসলিম- মানে সে ইসলামরে ম্যালা বিকৃত করছে- তবে মারিয়া ইস্যুতে তার মত বেশীরভাগ স্কলারদের মতের অনুরূপ) করোআন তফসীর দেখলেও দেখবেন মারিয়াকে উম্মুল মুমেনীন বলেন নাই!!!

আর তথ্যসূত্র দিলে কি যায় আসবে? তখন আপনি নিজের মত করে আরেকটি যুক্তি দাঁড় করিয়ে নিজেকে প্রবোধ দিবেন। অন্ধত্ব ত্যাগ করা এত সহজ নয়।
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৮

লেখক বলেছেন: আপনার এই "অধিকাংশ" শব্দটার ব্যাপারে আপত্তি আছে।

বিষয়টাতে যে বিতর্ক আছে সেটা তো অস্বীকার করছি না। আপনার একটা "ভাল" প্র্যাকটিস হচ্ছে আপনি সত্যের মধ্যে অসত্য তথ্যের মিশ্রয় ঘটিয়ে থাকেন।

মাওলানা মওদূদী (রহ.) আমার মহাগুরু এটা কখন বললাম?

অন্ধত্ব ত্যাগ করা এত সহজ নয়।...... একথাটা আমিও বলি।

৯২. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২০
মুহাম্মদ জ িহরুল কাইয়ুম ভূঁইয়া বলেছেন: comment by: হাসান তারিক বলেছেন: মাহমুদ রহমান ভাইয়ের কাছে অনুরোধ , যারা প্রকৃতই জানার জন্য প্রশ্ন করে তাদের জবাব দিন, আর যাদের প্রশ্নের অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য হলো বিতর্ক বা অপ্রাসংগিক জটিলতার অবতারণা করা , তাদের পাতানো ফাঁদে পা না দিয়ে বর্জন করুন।
ঠিক বলেছেন...। এদের ব্যাপারে হুশিঁয়ার, আওয়ামী ছাগু সম্প্রদায়, ইসলাম-দাড়িঁ, টুপিই এদের প্রধানতম ভয়...
৯৩. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪০
কাজরী... বলেছেন: """" মাহমুদ রহমান বলেছেন: মালে গনীমত কিন্তু নারী নয়, সেটা হচ্ছে মাল-সম্পদ।

যেসব নারী যুদ্ধবন্দী হিসাবে হস্তগত হবে তারা তাদের পূর্বের স্বামীর কাছে ফিরে যেতে পারবে না। যৌন নিরাপত্তা দেয়ার জন্য এসব নারীদের স্বামী থাকা সত্তেও বিবাহ করা জায়েজ।""""

মাহমুদ সাহেব, এখানে "যৌন নিরাপত্তা " বলতে কার যৌন নিরাপত্তার কথা বলেছেন?

যুদ্ধ বন্দী নারীর হুকুম কি এখনও বলবত?
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪

লেখক বলেছেন: যুদ্ধবন্দী নারীদের জন্য যৌন নিরাপত্তার কথা বলেছি।

৯৪. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩০
জেমসবন্ড বলেছেন:
ধন্যবাদ , আপনার পোষ্ট এবং সুন্দরভাবে তর্ক করার জন্য । অনেকে এটা পারে না আর মুখ খারাপ করে ফেলে ।

নাস্তিকের ধর্মকথা এত পড়াশুনা করেও তার কপালে মনে হয় ঈমান জোটে হয় ....এর নামই কপাল ।

যাক...আমার মনে হয় না মহানবী (সাঃ) কোন দোষ করছেন । মারিয়াকে মা বলতে আমাদের কোন সমস্যা নাই ।

আর আমার মনে হয় এসব কিছু বিতর্কিত বিষয় আছেই--পরীক্ষাস্বরূপ , এর মধ্যে প্রমাণ হবে কারা সত্যিকার বিশ্বাসী আর কারা নয়...না হয় আল্লাহ ইচ্ছা করলে এসব কিছুই থাকতো না ।

যাক, আল্লাহ বিশ্বাসীদের ঈমান বৃদ্ধি করিয়া দিন আর অবিশ্বাসীদের হুশ হউক ।

যদি সময় পান আমার ব্লগে আসলে খুশী হব । আবারো ধন্যবাদ ।
৯৫. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:১৯
কলুর বলদ বলেছেন: জেমসবন্ড বলেছেন:
"নাস্তিকের ধর্মকথা এত পড়াশুনা করেও তার কপালে মনে হয় ঈমান জোটে হয় ....এর নামই কপাল ।"

গেছেরে নাস্তিকের ধর্মকথা সাহেব দুজখে.......!! আপসুস !! আমরা বিলিভাররা আর টেনশন লইয়া কাম কি ! আল্লার কি লীলা ! নাস্তিকের ধর্মকথার চোখে ঠুলি পড়াইয়া রাখছে !উনার আর রক্ষা নাই ! আল্লা উনারে হেদায়েত করেন নাই !! আপসুস !!

৯৬. ০৪ ঠা মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৩
মামুন (শ।কিল) বলেছেন: নাস্তিকের ধর্মকথা কে বলছি,আপনি ইসলাম সম্পর্কে প্রচুর পড়াশুনা করেন এবং এখনো আরজ আলী মাতব্বর (যার ছবি দিয়েছেন) ই হয়ে আছেন।
ইসলামের ইতিহাস পড়লে জানবেন,আবু তালেব নবী (দঃ) র কাছের জন হয়েও কপালে ঈমান জুটে নাই আবার ওমর (রঃ) প্রথমদিকে শত্রু হয়েও ঈমানদার হিসাবে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন।ইসলাম নিয়ে পড়াশুনাটা নিরপেক্ষভাবে করে, ইসলামকে বুঝার চেষ্টা করুন।
ডঃ মরিস বুকাইলি(France),ডঃ শিবশক্তি স্বরূপজি (ডঃ এনাম)(India),ডঃ কীট মুর(Canada) সহ আরো অনেকেই ইসলামকে সত্য জেনেই এ ধর্মে এসেছেন।
৯৭. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৮
ব্রাইট স্‌মাইল্‌ বলেছেন: "তোমাদের স্বত্বাধীন যেসব দাসী রয়েছে তাদের হারাম করা হয়নি।"

--- অবশ্যই একে ধর্ষণ বলা যাবে।
৯৮. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৭
ব্রাইট স্‌মাইল্‌ বলেছেন: "বিয়ে হচ্ছে সুরক্ষিত দুর্গ, স্বাধীন-মুক্ত যৌনস্পৃহা (ব্যভিচার) নিষিদ্ধ। "

অবশ্যই..যে দুর্গের ভিতরে নিরাপদে থেকে স্বত্বাধীন দাসীদেরকে ধর্ষণ করা যায়।
৯৯. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৯
নাগরিক বলেছেন: যে প্রশ্নগুলোর গ্রহনযোগ্য জবাব না পেয়ে আমি নাস্তিক পোস্টে একটু জবাব দিয়ে যান তো ভ্রাতা। আপনার মতো জ্ঞানী মানুষ ব্লগে থাকতে আমার 'জ্ঞানের অভাবে' ঈমান যায় যায় দশা........
১০০. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৫
ব্রাইট স্‌মাইল্‌ বলেছেন: "আবু তালেব নবী (দঃ) র কাছের জন হয়েও কপালে ঈমান জুটে নাই আবার ওমর (রঃ) প্রথমদিকে শত্রু হয়েও ঈমানদার হিসাবে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন।"

আফশোস্‌, আবু তালেব আজ দোযখের আগুনে পুড়িয়া মরিতেছে আর ওমর (রঃ) বেহেশতে ৭০ জন হুর পরী নেয়া ব্যস্ত সময় কাটাইতেছে।
১০১. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৭
নুরুল বলেছেন: হুমমমমমমমমমমমমমমমমমমম..............................।
১০২. ৩১ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৫:২৫
মামুন মোর্শেদ খান বলেছেন: পোস্ট তথ্যবহুল এবং যৌক্তিক নি:সন্দেহে তবে বিশ্লেষন ভঙ্গী, উপস্থাপনা ইত্যাদি পছন্দ হলো না।

আমার মতামত এই ধরণের বিষয় আলাচনায় সভ্য এবং সঠিক ভাষার প্রয়োগ খুব দরকার।

আর যুক্তিগুলো একপেশে না হয়ে ডায়ালেক্টিক্যাল হওয়া দরকার যাতে আস্তিক পাঠক আঘাত না পান বরং যুক্তিগুলো যেন তাকে ভাবাতে সাহায্য করে।

কোন একটি ধর্মীয় রীতি-নীতি বা বিধানকে বিচার করার ক্ষেত্রে সমকালীন সমাজবাস্তবতার প্রেক্ষাপট মাথায় রাখা উচিত।

তৎকালীন সমাজে বহুবিবাহ, বাল্যবিবাহ এমনকি দাসী/বন্দিনীর সঙ্গে সহবাসের প্রথার অনুমোদনকে আজকের সমাজের নীতি-নৈতিকতার মাপকাঠি দিয়ে বিচার করে নিষ্ঠুর বিবেচনা করা অবৈজ্ঞানিক।
অর্থাৎ, সোজা কথায় "পজিটিভ-নেগেটিভ দুটোই সামনে এনে সমাগ্রিকভাবে বিচার করা উচিৎ।"

আর বাকি সবকিছু মিলিয়ে লেখককে সাধুবাদ।

শেষ কথা নজরুলের ক'টি যুগান্তকারী ছত্রঃ-

"মানুষেরে ঘৃণা করি

ও’ কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি মরি

ও’ মুখ হইতে কেতাব গ্রন্থ নাও জোর ক’রে কেড়ে,
...
যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই মানুষেরে মেরে,

পূজিছে গ্রন্থ ভন্ডের দল! মূর্খরা সব শোনো,

মানুষ এনেছে গ্রন্থ; গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোনো।

আদম দাউদ ঈসা মুসা ইব্রাহিম মোহাম্মাদ

কৃষ্ণ বুদ্ধ নানক কবীর,-বিশ্বের সম্পদ,

আমাদেরি এঁরা পিতা-পিতামহ, এই আমাদের মাঝে

তাঁদেরি রক্ত কম-বেশী ক’রে প্রতি ধমনীতে রাজে!"
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:২২

লেখক বলেছেন: আপনার উদ্ধৃত ক'টি ছত্রের উপরের ছত্রগুলি...

মসজিদে কাল শির্‌নী আছিল,-অঢেল গোস–র”টি
বাঁচিয়া গিয়াছে, মোল্লা সাহেব হেসে তাই কুটি কুটি,
এমন সময় এলো মুসাফির গায়ে আজারির চিন্‌
বলে, ‘ বাবা, আমি ভূখা-ফাকা আমি আজ নিয়ে সাত দিন!’
তেরিয়া হইয়া হাঁকিল মোল্লা-‘ভ্যালা হ’ল দেখি লেঠা,
ভূখা আছ মর গো-ভাগাড়ে গিয়ে! নামাজ পড়িস বেটা?’
ভূখারী কহিল, ‘না বাবা!’ মোল্লা হাঁকিল-‘তা হলে শালা
সোজা পথ দেখ!’ গোস–র”টি নিয়া মসজিদে দিল তালা!
ভুখারী ফিরিয়া চলে,
চলিতে চলিতে বলে-
‘আশিটা বছর কেটে গেল, আমি ডাকিনি তোমায় কভু,
আমার ক্ষুধার অন্ন তা ব’লে বন্ধ করনি প্রভু।
তব মস্‌জিদ মন্দিরে প্রভু নাই মানুষের দাবী।
মোল্লা-পুর”ত লাগায়েছে তার সকল দুয়ারে চাবী!’
কোথা চেঙ্গিস্‌, গজনী-মামুদ, কোথায় কালাপাহাড়?
ভেঙে ফেল ঐ ভজনালয়ের যত তালা-দেওয়া-দ্বার!
খোদার ঘরে কে কপাট লাগায়, কে দেয় সেখানে তালা?
সব দ্বার এর খোলা রবে, চালা হাতুড়ি শাবল চালা!
হায় রে ভজনালয়,
তোমার মিনারে চড়িয়া ভন্ড গাহে স্বার্থের জয়!

পুরা কবিতা ভাল করে পড়ে আমার কাছে স্পষ্ট হয়েছে তিনি ধর্মের নামে যেসব অন্যায় প্রচলিত আছে তার বিরুদ্ধে বলেছেন। এসব প্রচলিত 'ধর্মের' বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। নজরুলের আবেদন এখনও ফুরোয়নি। এজন্যই তাঁর কবিতা, গানগুলো এখনও নতুন মনে হয়। মজার ব্যাপার হচ্ছে নাস্তিকরা ইসলামের ছড়িয়ে থাকা অযৌক্তিক ব্যাপার-স্যাপারকে লালন করতে চাই আর সেটাকেই প্রকৃত ইসলাম বানিয়ে তুলোধুনো করতে চাই।

এই কথার ব্যাখ্যা অনেকে অনেকভাবে করেন। নজরুল কিভাবে করতেন জানি না..

মানুষ এনেছে গ্রন্থ; গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোনো।

তবে আমি বিশ্বাস করি। আল্লাহ আগে মানুষ পাঠিয়েছেন, তারপর পাঠিয়েছেন গ্রন্থ। পাহাড়-পর্বত বা কোন সৃষ্টিই এই গ্রন্থের ভার বহনের উপযোগী ছিল না। মানুষকে দিয়েই মানুষের হেদায়াতের জন্য এইগ্রন্থ পাঠিয়েছেন। সৃষ্টির মধ্যে মানুষই এই দায়িত্বের একমাত্র উপযুক্ত ছিলো।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৯

লেখক বলেছেন: ওহ... সাংঘাতিক ভুল হয়ে গেছে..

নাস্তিকরা ইসলামের ছড়িয়ে থাকা অযৌক্তিক ব্যাপার-স্যাপারকে লালন করতে চাই=> এটার পরিবর্তে হবে...

নাস্তিকরা ইসলামের নামে (যা ইসলামের সারবস্তু থেকে অনেকদুরে) ছড়িয়ে থাকা অযৌক্তিক ব্যাপার-স্যাপারকে লালন করতে চাই

১০৩. ৩১ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৬:৩৯
মামুন মোর্শেদ খান বলেছেন: by the way আমার মন্তব্য ছিল জনাব নাস্তিকের ধর্মকথা-র পোস্ট প্রসঙ্গে।
আপনার(জনাব মাহমুদ) পোস্টে আমি আমার সেই চিন্তাগুলোর ১০০ ভাগ ছায়া দেখতে পাচ্ছি যখন আমি আস্তিক ছিলাম তবে যুক্তির প্রতি শ্রদ্ধা ছিল। আমার ধারণা আপনারও সে শ্রদ্ধা আছে। তাই আমার বিশ্বাস যদি এই শ্রদ্ধা অটুট থাকে আপনিও আপনার বর্তমান অবস্থান থেকে একদিন সরে আসবেন।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:০৯

লেখক বলেছেন: কি সব ভয়ংকর কথা বলছেন? আল্লাহ যেন আমাকে আমৃত্যু তাঁর প্রতি ঈমান নিয়ে টিকে থাকার তৌফিক দেন। আমীন।।

নজরুলেরই আরো কয়েকটি লেখা...

আল্লাহতে যার পূর্ণ ঈমান কোথা সে মুসলমান
উহারা প্রচার করুক হিংসা, বিদ্বেষ আর নিন্দাবাদ আমরা বলিব সাম্য, শান্তি এক আল্লাহ জিন্দাবাদ

কবি নজরুল সাম্য ইসলামের মধ্যেই খুঁজে পেয়েছেন। এরকম অনেক উদাহরণ দেয়া যাবে।

ইসলাম কেবল কোন ধর্মের নাম নয়। সব মানুষের যাবতীয় মুক্তির সনদ হচ্ছে এটি। মানুষ যিনি সৃষ্টি করেছেন তিনিই পাঠিয়েছেন বিভিন্ন সময়ের জন্য ঐশিগ্রন্থ, সর্বশেষ হলো আল-কুরআন যার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে মানুষ। আর স্রষ্টা একে অনুসরণের ব্যবহার বিধি শিখিয়েছেন রাসূল পাঠানোর মাধ্যমে। সর্বশেষ হলেন প্রিয়তম নবী মুহাম্মদ (সা.)। এখানে অযৌক্তিকের কিছুই নেই।

প্রতিটা ব্যাপারে ইসলামের দেখানো ব্যবহারবিধিই সর্বোত্তম। বিশ্ববাসী সেটা বুঝলেই বিশ্বে শান্তি আসত। আফসোস হচ্ছে! ভাল কথাগুলো ইসলাম বলেছে বলেই যেন বিপদ, ওদিকে নজরই দেয় না!

আসলেই ওরা নির্বোধ, কোরআন যেমনটি বলে!

১০৪. ২৩ শে অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:১৭
মেগা বাইট বলেছেন: sob dhormei janoar ache. jotodin ai dhoroner janoar thakbe totodin dhormo ODHORMOI thakbe.

Protita Dhormei Nongrami ache. asha kori ata mante karo kosto hobe na.
১০৫. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:২৪
মাঝি সিন্দবাদ বলেছেন: ৮৯ নং কমেন্ট জনাব "একলব্য১৯৭১" কথা প্রসঙ্গে বলছি যুদ্ধ বন্ধিদের উপর নির্যাতন কি আজকের থেকেও বেশী হত।আবু গারাইব কারাগার,নাৎসি কতৃক নির্যতন ইত্যাদি।বর্তমানে বিজ্ঞান অনেক এগুয়ছে,চলছে আধুনিক নির্যতন।
কুরয়ান ও হাদীসকে বৃক্রিতভাবে তুলে ধরে অবিশ্বাসীরা ও ভন্ড পীর।ধরুন বলা হয়েছে,"তোমরা নামাজের কছেও যেও না",কথা তো ঠিক,ইসলামে আছে,কিন্তু পরো সত্যটা হলো,"তোমরা মতাল (মদ খেয়ে বা মাতাল হয়ে) নামাজের কছেও যেও না।"আমরা কোরআন হাদীস কম জানি,যার করনে যখন ভন্ড অবিশ্বাসী,ধর্মের লেবাসে ভন্ড পীরেরা কথা বলে,মনে হয়,সেগুলোই ঠিক।আমরা দুর্বল অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ করি।আমি ধর্মান্ধতাকে দোষের মনে করিনা,আমি দোষের মনে করে ধর্মাজ্ঞতা।২ ধরনের মুসলীমদের কারনে মুসলিমদের ক্ষতি হচ্ছ,১ দল হলো ইসলামের প্রতি ভালোবাসা(এখানে ধর্মাজ্ঞতাকে খারাপ ভলছি) আছে কিন্তু ইসলাম জানেনা,আরেক দলে ইসলামকে প্রদর্শন করছে নিজের মত করে,নিজ স্বার্থে।ক্ষগ্রস্থ হচ্ছি আমরা।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৩৫৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ