আমার প্রিয় পোস্ট

দুঃখটাকে দিলাম ছুটি, আসবে না ফিরে

নির্বোধের সন্ধানে

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৩৪

শেয়ারঃ
0 1 0

কোরআনে অনেক জায়গাতেই কাফেরদেরকে (যারা আল্লাহর বিধানকে অস্বীকার করে) অজ্ঞ বা নির্বোধ প্রকৃতির লোক বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে এদের অন্তর অন্ধ। এরা সত্যকে চিনতে পারে না।

“আর যখন কোন সুরা নাযিল করা হয়, তখন তারা এক অপরের দিকে তাকাতে থাকে; (এবং বলে যে) তোমাদের কি কেউ দেখে না? অতঃপর তারা সরে পড়ে। আল্লাহ তাদের অন্তরগুলোকে ফিরিয়ে দিয়েছেন, কারণ তারা হচ্ছে নির্বোধ সমাজ মাত্র”। (তওবাঃ ১২৭)

“তোমাদের মধ্যে যদি বিশজন দৃঢ়পদ ব্যক্তি থাকে তারা দু’শর মুকাবিলায় জয়ী হবে। আর যদি তোমাদের মধ্যে একশ’ লোক থাকে তারা হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে। কারণ তারা জ্ঞানহীন”। (আনফালঃ ৬৫)

“তারা কি এইজন্য যমীনে চলাফেরা করেনি যাতে তারা সমঝদার হৃদয় ও শ্রবণশক্তিসম্পন্ন কর্ণের অধিকারী হতে পারে? বস্তুত, চক্ষুতো অন্ধ হয় না, কিন্তু বক্ষস্থিত অন্তরই অন্ধ হয়”। (আল-হজ্বঃ ৪৬)

আয়াতগুলো পড়লে পরিস্কার বোঝা যায় এসব লোকগুলোর আসলে বুদ্ধিসুদ্ধি নেই, নির্বোধ। বিষয়টা বড় ভাবনার। বাস্তবে আমরা এমন বহু মানুষকে দেখেছি যাঁদেরকে অনেক বেশি জ্ঞানী মনে হয় যদিও তাঁরা স্রষ্টায় বিশ্বাসী নন। তাহলে কোরআনের বক্তব্যের সাথে মিলল?

আরও একটু গভীরভাবে চিন্তা করলে বোঝা যায় আসলেই তাঁরা মুর্খ। তারা জানেন বটে, তবে যা জানেন তা সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য অপ্রয়োজনীয়; কখনও কখনও বিপজ্জনক।

সমাজের নৈতিক ভিত্তির কথায় ধরুন। আপাত দৃষ্টিতে অনেক বড় বড় সমাজ বিজ্ঞানীর দেখা আমরা পেয়েছি। কিন্তু গীবত যে একটা সামাজিক অপরাধ- এই ধারণাটা কোন সমাজ বিজ্ঞানী দিয়েছেন বলে আমার জানা নাই। পরিবার, বিয়ে, বিয়ে বিচ্ছেদ (তালাক), পিতা-মাতা সম্পর্ক, ছোট-বড় সম্পর্ক, সম্ভাষণ (সালাম), পর্দা (এটা যে কল্যাণকর সেটাই তো উনাদের উপলব্ধিতে এলো না), নেতা-কর্মী সম্পর্ক, গণজমায়েত (ঈদ, জুমা), মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক, মুক্তবুদ্ধির চর্চা, ইত্যাদি প্রয়োজনীয় বিষয়ে অনেক তত্ব বা মতবাদ এলেও কল্যাণকর এবং বেস্ট সল্যুশন তাঁরা দেখাতে পারেন নি। তবে এসব তথাকথিত পন্ডিতদের কোন যুক্তিতে জ্ঞানী বলা চলে!

অর্থনীতির কথা ধরুন। অনেক মত ও পথ এসেছে। সুদ যে একটা জুলুম, এই বোধটাই এখনও তাঁদের মধ্যে তৈরি হয়নি। যাকাত যে অর্থনীতির ভিত্তি হতে পারে, এ জ্ঞানই তাদের নেই। যাকাত ও দানের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারা তো আরও অনেক পরের ব্যাপার।

মানবাধিকার নিয়ে ব্যপক হৈচৈ। এটা প্রতিষ্ঠিত করতে জাতিসংঘ তৈরি করা হলো। ফলাফল কারও অজানা নয়। ইরাকীদের মুক্ত করতে আমেরিকা শান্তির জন্য যুদ্ধ শুরু করল। বিশ্বে এত এত অস্ত্র তৈরি হয়েছে এবং হচ্ছে, কিন্তু যুদ্ধের সঠিক নীতি এইসব তথাকথিত পন্ডিতেরা দিতে পারল না। মুর্খতা আর কাহাকে বলে?

রাষ্ট্রব্যবস্থার কথায় আসি। জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস বলে জনগণের সাথে আহম্মকি করা হয়। এত কিছু অবলম্বন করেও রাষ্ট্রকে দুর্ণীতিমুক্ত করা সম্ভব হয় না। এমন কিছুর জ্ঞান তাদের নেই যা দিয়ে জনগণের সার্বিক কল্যাণ করা সম্ভব হতে পারে। নইলে বড় বড় সুশীলরা ক্ষমতায় আসার পরও পরিস্থিতির উন্নতি হওয়া দুরের কথা অবনতি হয় কিভাবে?

ডিপ্রেসন দুরীকরণে এইসব তথাকথিতরা অব্যর্থ কোন ঔষধ দিতে পারেন নি, মানুষের সাস্টেইনেবিলিটির জন্য যা ভীষণ প্রয়োজনীয়।

আরও কিছু বিষয় যা তাদের উপলব্ধিতে আসে না। একটা মানুষের অন্যায়ভাবে এক হাজারটা খুনের শাস্তি এবং অপর মানুষের অন্যায়ভাবে একটা খুনের শাস্তি কখনও একই রকম হতে পারে না। নিজের জীবনের কি মানে থাকতে পারে তা তার নিজেরও জানা নেই।

“তাদের মধ্যে আর একটি দল আছে, যারা উম্মী। খোদার কিতাব সম্পর্কে তাদের কোন জ্ঞানই নাই। নিজেদের ভিত্তিহীন আশা-আকাঙ্খা ও ইচ্ছা-বাসনাই তাদের একমাত্র সম্বল, ও অমূলক ধারণা-বিশ্বাস দ্বারা পরিচালিত হয়”। (বাকারাঃ ৭৮)

“তিনি যাকে চান, জ্ঞান ও সুবুদ্ধি দান করেন; আর যে ব্যক্তি এই জ্ঞান লাভ করল, প্রকৃতপক্ষে সে বিরাট সম্পদ লাভ করল। এইসব কথা থেকে তারাই শিক্ষা ও উপদেশ গ্রহণ করতে পারে যারা বুদ্ধিমান”। (বাকারাঃ ২৬৯)


 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৩৫
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: চমৎকার। একটানে পড়লাম। আপনার লেখা বরাবরের মতই ভাল।
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনি তো বাংলা রিডিং -এ খুবই পটু।

২. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৪১
গণ্ডার বলেছেন:
আইনস্টাইন থাইকা শুরু কইরা দুনিয়ার অলমোসট ওল সাইন্সটিসট আসলেই কাফের ও মুর্খ ছিল , তাই তারা এত কিচু আবিসকার কইরা ফালাইছে।

আর মুসলিমরা গিয়ানি বইলাই আইজও বিবি তালাকের ফতোয়া খুইজা পাইনা
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৪৪

লেখক বলেছেন: কোন কিছু আবিস্কার করলেই তা মানবতার জন্য কল্যাণকর হয় না। সঠিক ব্যবহার জানতে হয়।

তালাকের সিস্টেম সম্র্পকে আপনি জানলে বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য অন্য কোন পথ খুঁজতেন না এবং এ ধরনের কথাও বলতেন না।

৩. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৫০
গণ্ডার বলেছেন:
লেখক বলেছেন: কোন কিছু আবিস্কার করলেই তা মানবতার জন্য কল্যাণকর হয় না।

কোনটা কল্যানকর কোনডা না ,হেই লাইনেতো পুস্ট দেওনাই, দিসোতো কাফেরগো মুর্খ কইয়া।

কতা হইলো মুর্খ হইয়াও কাফেররা গিয়ান বিগ্গানে এত উন্নতি কর্লো আর মুচলিম গুলা গিয়ানী হইয়াও কিচু কর্তে পার্লোনা কেন?
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৫৮

লেখক বলেছেন: নামে মুসলিম হলেই তাকে মুসলিম বলে না।

জ্ঞান-বিজ্ঞানের আজকের এই ভিত মুসলিমরাই গড়ে দিয়ে গেছেন। পরে তারা কুরআন থেকে সরে পড়েছে, অন্যরা এই জায়গা দখল করেছে।

তবে যারা এই জায়গা দখল করেছে তারা র্বতমান বিশ্বকে উদ্ধার করতে পারেনি, বরং নানাভাবে জটিলতা তৈরি হয়েছে।

৪. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৫২
ত্রিভুজ বলেছেন:
চমৎকার লেখা মাহমুদ ভাই। প্রিয় পোস্টে গেল....

** ইসলামিক পোস্ট করার সময় ডান পাশ হতে "কোন মন্তব্য নয়" সিলেক্ট করে দিতে পারেন.. তাহলে মূল পেজের কেউ ডিসকাশনে অংশগ্রহন করতে পারবে না... কিন্তু ইসলাম গ্রুপের সবাই পারবে। এতে ইসলাম বিদ্বেষীদের অযৌক্তিক, আজগুবি ও অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য থেকে রেহাই পাবে আপনার ব্লগ।

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ত্রিভুজ ভাই, বিষয়টি আগে খেয়াল করিনি।

৫. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:০৩
গণ্ডার বলেছেন:
লেখক বলেছেন:

জ্ঞান-বিজ্ঞানের আজকের এই ভিত মুসলিমরাই গড়ে দিয়ে গেছেন। পরে তারা কুরআন থেকে সরে পড়েছে, অন্যরা এই জায়গা দখল করেছে।


হাসতে হাসতে গরাগরি দিলাম দুইডা
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:১৪

লেখক বলেছেন: নির্বোধরা যে বুঝবেনা সেটা আমার জানাই আছে।

আরও দুইতিনটা গড়াগড়ি দিতে পারেন।

৬. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:০৩
আবূসামীহা বলেছেন: অনেক আবিষ্কারই মানুষের জন্য কল্যাণকর। কিন্তু মানুষের প্রকৃত কল্যাণ তার আখিরাতের মুক্তি। অনেক আবিষ্কারকই তাদের আবিষকারের সাথে কল্যাণের মূল্যবোধ দিয়ে যেতে পারেননি। ফলে তাদের অনেক আবিষ্কারই মানুষের প্রভূত অকল্যাণের কারণ হয়েছে।
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। চমৎকার বলেছেন।

মানুষ আসলে বড় অদূরদর্শী। কোরআনের জ্ঞান তার দৃষ্টিশক্তিকে প্রসারিত করে। সেই জ্ঞান থাকলে কোন কিছু আবিস্কার করার সময় সে সমগ্র মানবতাকে সামনে রেখেই তা করত।

৭. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:০৮
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আল জবর থেকে এলজাব্রা এবং আল কিমিয়া থেকে কেমিস্ট্রি। এই দুটো বিষয়ের নাম মুসলিমদের কাছ থেকে এসেছে। সুতরাং মুসলিমরা অবদান রেখেছে।
৮. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:১০
এম.এ.হামিদ বলেছেন: কোরআনে অনেক জায়গাতেই কাফেরদেরকে (যারা আল্লাহর বিধানকে অস্বীকার করে) অজ্ঞ বা নির্বোধ প্রকৃতির লোক বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে এদের অন্তর অন্ধ। এরা সত্যকে চিনতে পারে না।

আপনে সিওর এ লাইনটা সম্পর্কে? কি পরিমান অপমান জনক কথা এটা অন্যান্য ধর্মালম্বী সম্পর্কে আপনে জানেন
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:১৩

লেখক বলেছেন: নির্বোধকে তো নির্বোধই বলতে হবে। উল্লেখিত আয়াতগুলো পড়েন।

৯. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:১৩
গণ্ডার বলেছেন:
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আল জবর থেকে এলজাব্রা এবং আল কিমিয়া থেকে কেমিস্ট্রি। এই দুটো বিষয়ের নাম মুসলিমদের কাছ থেকে এসেছে। সুতরাং মুসলিমরা অবদান রেখেছে।


কতা হইলো সেই সব কাফের (আপনেগো মতে ) আর মুসলিমদের জ্ঞান বিজ্ঞানে অবদানের কমপেরেটিভ পারসেনটেজটা কত? ৯৯.৯৯৯৯৯৯% আর ০.০০০০০১% নাকি না কত?
১০. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:১৫
এম.এ.হামিদ বলেছেন: সো কেই হিন্দু ধর্মালম্বী হইলে নির্বোধ। কেউ খ্রীস্চান হলে নির্বোধ। রাসুল জন্মের আগে চাকা আবিষ্কার হইসে সেখানে মুসলমানদের অবদান কি?
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:২৫

লেখক বলেছেন: ইসলাম এসেছে মানুষ সৃষ্টির পর থেকেই। রাসুল সা. হচ্ছেন সেই ধারাবাহিকতার সর্বশেষ নবী।

তথাকথিত পন্ডিতরা মুর্খ এজন্যই যে তারা বেস্ট অপশন সম্পর্কে জানে না। সেন্স বলে, যিনি সমগ্র বিশ্বজগত সৃষ্টি করেছেন তাকে হিসাবের বাইরে রেখে কাজ করলে তা দূরদর্শী হতে পার না। কারণ মানুষ বা এই সৃষ্টিজগত সম্পর্কে আপনার বেসিক আইডিয়া নেই।

১১. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:২৩
গণ্ডার বলেছেন:
লেখক বলেছেন: নির্বোধকে তো নির্বোধই বলতে হবে।


একমাত্র কোনো নির্বোধই অন্য সকলকে গনহারে নির্বোধ ভাবতে পারে
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:২৯

লেখক বলেছেন: হা হা হা.......... সেটাই যদি বুঝতেন!

আপনারা যে বুঝেন না, সেটা জেনে আমার খুব হাসি পাচ্ছে। যদিও দুঃখিত হওয়া উচিত।

গণহারে নয়, কুরআন যে অব্যর্থ কথা বলে সেটাই উপলব্ধিতে এসেছে।

বর্তমান এই নষ্ট দুনিয়া মুর্খদেরই অকামের ফল।

১২. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:২৮
অনামিকা বলেছেন: আপনি যে সিসটেমটি ব্যাবহার করছেন - সুন্দর কথা গুলো লিখার জন্যে - কাফের ও মুর্খরা ছিল এটি আবিস্কার থেকে - আপনার কাছে পৌছানো পর্যন্ত।
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৩৩

লেখক বলেছেন: আমর কথা ধরতে পারেন নি বোধহয়। হিউম্যানিটিকে (অনেক বড় কনসেপ্ট) সামনে রেখে এই ইন্টারনেট ব্যবস্থা হলে শুধু সময় নষ্ট বা খারাপ কাজে একে ব্যবহার না করে অনেক কল্যাণকর কাজে একে লাগানো যেত।

১৩. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:২৯
গণ্ডার বলেছেন:
লেখক বলেছেন:

তথাকথিত পন্ডিতরা মুর্খ এজন্যই যে তারা বেস্ট অপশন সম্পর্কে জানে না।


কোনডা বেস্ট অপশান এইডা কে সার্টিফাই কর্বে বা করেছে? নিজেই নিজেরে বেস্ট কইলে লুকে তারে কি ভাবে পাগল না ছাগল?
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:১৫

লেখক বলেছেন: যিনি সৃষ্টি করেছেন তিনিই সার্টিফাই করবেন। আপনি এপ্লাই করে দেখেন কাজ হয় কিনা।

আপনারা তো তাঁর অপশনকে অন্য অপশনের মধ্যেই ফেলছেন না, ভালর জাজমেন্ট কিভাবে করবেন?

১৪. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৩৩
অনামিকা বলেছেন: আরেকটি কথা - কোরান নাজিলের সময় প্রেক্ষিত - কথা গুলো খুবই সঠিক ছিলো। এটা হতে পারে সে সময়ের বর্ননা। এই সভ্য সময়ের প্রেক্ষিত ঠিক নয়। সময়ের সাথে আমরা কি এগোয়নি? আমারদের সভ্যতা?
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:০৪

লেখক বলেছেন: এখনও সঠিক আছে। তবে কথা হলো, এই সত্যটা আপনার চোখে ধরা পড়ে নাই।

১৫. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৩৪
এম.এ.হামিদ বলেছেন: সো কেউ ইসলাম ধর্ম নিলেই চালাক আর বাকী সব নির্বোধ।
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:২৯

লেখক বলেছেন: এখানে চালাকির কোন ব্যাপর নয়। এত নিদর্শন থাকার পরও যে সত্যকে বুঝে না সে তো নির্বোধই।

১৬. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:০৩
এম.এ.হামিদ বলেছেন: দিক্কার জানালাম
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:১১

লেখক বলেছেন: শব্দটা হবে ধিক্কার। ভাষার এই মাসে সুন্দর করে বলার অভ্যাস করা উচিত। আর কি-বোর্ড মিসটেক হলে সমস্যা নেই।

১৭. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:১৮
জাতক বলেছেন: ধর্ম অবশ্যই বিতর্কের উর্দ্ধে থাকতে হবে। সহনশীলতা না থাকলে কোন ধর্ম সংক্রান্ত পোষ্ট না দেয়াই ভাল ।
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:২০

লেখক বলেছেন: আমার পোস্টটি কোন অসহনশীলতা থেকে আসেনি। বরং, কোরআনের বক্তব্যের সৌন্দর্য আমার কাছে ধরা পড়েছে।

১৮. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৪৬
১৯৭১ আমার চেতনা বলেছেন: ভালো পোষ্ট, প্লাস।
১৯. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:১৮
গণ্ডার বলেছেন:
লেখক বলেছেন: যিনি সৃষ্টি করেছেন তিনিই সার্টিফাই করবেন। আপনি এপ্লাই করে দেখেন কাজ হয় কিনা।


হিন্দু বা খৃস্টান ধর্মেও তো সৃষ্টিকর্তা আচে, সেসব সৃস্টিকর্তারা যে মিছা কতা কইতাসে তা বুজুম কেমনে?
২০. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:২৬
মাহমুদ রহমান বলেছেন: আপনি সবগুলোর বক্তব্য নিয়ে নিজের বিবেককে জিজ্ঞেস করুন।

আমি মনে করি সবগ্রন্থেই একই স্রষ্টার কথা বলা আছে। তবে গ্রন্থগুলি করাপটেড হয়ে গেছে। কোরআন হচ্ছে লাস্ট এন্ড ফাইনাল রেভলেশন।
২১. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৩১
গণ্ডার বলেছেন:
মাহমুদ রহমান বলেছেন:

আমি মনে করি সবগ্রন্থেই একই স্রষ্টার কথা বলা আছে। তবে গ্রন্থগুলি করাপটেড হয়ে গেছে।



করাপটেড হইসে তার পুরমান কি?

কাফেররা সব মুর্খ হইয়া গিয়ান বিগ্গানে এত উন্নতি কেমতে কর্লো হেইডাতো কইলানা
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৫৬

লেখক বলেছেন: এ প্রশ্নের উত্তর তো অনেক বড়। পিস টিভিতে আহমদ দিদাত, জাকির নায়েক...... এদের বক্তব্য শুনে দেখতে পারেন জবাব পান কিনা।

জ্ঞান-বিজ্ঞানের সূচনা তো বিশ্বাসীরাই করেছে।

এত উন্নতি! উন্নতি কাকে বলে?

প্রতিদিন যে পরিমাণ শব্দ দূষণ হচ্ছে তা মুর্খদেরই সৃষ্টি। এরকম আরও বায়ু দুষণ, চোখের সমস্যা, স্কিনের সমস্যা, যৌন ব্যধি, ডিপ্রেসন, বৈষম্য.......

২২. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫৭
এম.এ.হামিদ বলেছেন: তো আপনি এটা সারটেন যে অন্য ধর্মালম্বি হলে নির্বোধ হয়। এখন প্রশ্ন হলে আপনি ছাত্র হিসাবে হিন্দু শিক্ষকের কাছে পাঠ নিছেন কেমনে? কর্মক্ষেত্রে কিভাবে আপনি হিন্দু সহযোগী অথবা সুপিরয়র অথবা অধঃস্তনদের সামলাবেন। নাকি তারা হিন্দু তাই নির্বোধ হিসাবে ত্রিট করবেন
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন: আমি কোন তর্কে যেতে চাই না।

কোরআনের বক্তব্য আমার কাছে অ্যাবসলিউট মনে হয়। অবাক লাগে যখন দেখি মানুষ (কিছু মানুষ) এইসব চমৎকার বক্তব্যসমূহ গ্রহণ করে তার কার্যকারিতা চেক করে না। তখন কোরআনই বলছে এঁদের এসব বিষয় বুঝে না আসার বিষয়টি। আয়াতগুলো থেকে কারণগুলো উপলব্ধিতে এসেছে।

২৩. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৯
আরিফুর রহমান বলেছেন: হইসে কারবার! এই লোক যাকির নাইক এর দ্বারা ব্রেন ওয়াশড্‌। হায়রে কপাল!!!

লেখক: "আয়াতগুলো পড়লে পরিস্কার বোঝা যায় এসব লোকগুলোর আসলে বুদ্ধিসুদ্ধি নেই, নির্বোধ"

তা, এই আয়াত পইড়াই আপনের মনে হইলো লোকগুলো নির্বোধ? আয়াত পড়ার আগে পর্যন্ত কি মনে করতেন? কুরানে কইলেই কতাডা হাছা হয়া গেলো?

অন্য ধর্মের অনুসারীরা বা নাস্তিকেরা তো কুরান বিশ্বাস করে না। তারা যদি কয় 'কুরান পইড়া বিশ্বাস করে যারা তারা নির্বোধ' তাইলে কি করবেন আপনে?

ব্লগে আপনের মতন মোল্লাগুলি'র সমস্যা হইল এরা সবকিছুর অর্ধেকটা দেখে। পুরা ঘটনা না দেইখা খালি যেইটা কইলে কুযুক্তি প্রমান করা যাইবো সেইটা বয়ান করে।

ব্লগরে কি আপনে সাইদীর ওয়াজ শুনতে আসা বেক্কল গেরাইম্মা লোকজনের জঙ্গল পাইসেন?

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:০৩

লেখক বলেছেন: ব্লগরে কি আপনে সাইদীর ওয়াজ শুনতে আসা বেক্কল গেরাইম্মা লোকজনের জঙ্গল পাইসেন


কিছু লোক সেরকমই।

২৪. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২১
আরিফুর রহমান বলেছেন: "....তার কার্যকারিতা চেক করে না। তখন কোরআনই বলছে এঁদের এসব বিষয় বুঝে না আসার বিষয়টি।"


আপনের কি একবারও মনে হইল না যে আপনেও ভুল হইতে পারেন? মানুষ রঙিন চশমার ভিতর দিয়া দেখলে সবই রঙিন দেখে। চোখের থেকে কুরানের চশমাটা নামান, দুইন্নাটা অনেক বেশি লজিক্যাল দেখাইবে।
২৫. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২৪
মাহমুদ রহমান বলেছেন: এই চশমা দিয়ে যদি আমি স্বাচ্ছন্দ এবং আরাম বোধ করি তবে কেন সরাব?

আপনি শান্তিতে আছেন তো! থাকেন আমার আপত্তি নেই।
২৬. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩১
আরিফুর রহমান বলেছেন: শান্তিতে থাকদে দিলেন কই, নিজেরে বাদ দিয়া বাকি সবাইরে 'নির্বোধ' কইয়ালাইলেন যে!

তাও যদি যুক্তি দিতেন। হেই কবেকার এক বইয়ে লেখছে সেইটা আবার ব্লগে আইসা কষ্ট কইরা বয়ান করছেন সবাইরে গালি দেওনের লাইগা।

ধর্ম পালন করেন আপত্তি নাই, ঘরে/মসজিদে গিয়া করেন। খামাখা মাইনষেরে গাইল দেন কা?

নির্বোধের খোঁজ লাগবো?

আয়নায় চাইয়া দেহেন গা।
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: আপনাদের অত্যাচার সত্ত্বেও কিন্তু আমি শান্তিতে আছি।

কেবল নির্বোধদেরই নির্বোধ বলা হয়েছে, তাও একারণে যে যদি তাঁদের মোহভঙ্গ হয়।

২৭. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩৯
মাহমুদ রহমান বলেছেন: হেই কবেকার এক বই! আজীব!

বর্তমান পৃথিবীতে এই বইএর ইমপ‌্যাক্ট কতটুকু জানেন তা? নির্বোধ কি আর এমনি সাধে বলা হয়!
২৮. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪২
এম.এ.হামিদ বলেছেন: সো দুনিয়ার ৬ বিলিয়নের মধ্যে ৪.৫ বিলিয়ন লোক নির্বোধ। আপনে সাম্প্রদায়িক আপনে মানুষকে তাদের ধর্ম দিয়া বিচার করতেসেন। এটারে কয় রেলিজিয়াস ডিসক্রিমিনসন। এবং আফসোস আপনে এটা বুঝেন না
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:০৩

লেখক বলেছেন: ধর্মের ব্যাপারটা আপনিই বারবার টেনে এনেছেন। রিলিজিয়াস ডিসক্রিমিনেশন তো আপনারই তৈরি।

ইসলাম কোন ধর্মের নাম নয়, এটা একটা আইডিয়োলজি। যার প্রবক্তা স্বয়ং স্রষ্টা। তাঁর প্ররিত বক্তব্য সকল মানুষের প্রতি। এখানে কোন বৈষম্যের বিষয় নেই। যারা মানছেন এটা তাদের জন্য আর যারা মানছেন না এটা তাদের জন্য নয়..... বিষয়টা এমন নয়। স্রষ্টা আপনাকে হাতে পায়ে বেঁধে মানতে বাধ্য করছেন এমনও নয়। আপনাকে আপনার ইচ্ছামত চলার স্বাধীনতা দিয়েছেন।

আমি পুরা ব্যাপাটাকে দেখি মানুষ জাতির প্রতি স্রষ্টার অপার করুণার দৃষ্টিকোণ থেকে। আমি তাঁর প্রতি চির কৃতজ্ঞ। আমার বলায়, কথায়, লেখনিতে সেই কৃতজ্ঞতায় তুলে ধরি। কখনই রিলিজিয়াস ডিসক্রিমিনেশনের চিন্তা আমার মাথায় আসে নি।

আমি যা বিশ্বাস করি তা কারও উপর চাপিয়ে দিচ্ছি না।

২৯. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৫
আরিফুর রহমান বলেছেন: নিজের বক্তব্য অন্যের উপর চাপিয়ে দেয়া কি জিনিস তাহলে?

স্রষ্টা বলেছেন তিনি সৃষ্টি করেছেন, তাও আবার একটা বইয়ে, সেই বই আবার এসেছে একজনের মারফত এবং বিতর্কিত যে সেখানে ঐ ব্যাক্তি নিজের জন্য বিশেষ সুবিধা আদায় করে নিয়েছেন। সুতরাং সেই বইয়ের রেফারেন্স টেনে অন্যকে নির্বোধ বলা কতটা নির্বুদ্ধিতা?

স্রষ্টা শুধু তারই যিনি স্রষ্টা মানেন। আপনার স্রষ্টা আমার ওপর চাপিয়ে দেয়াটাই নির্বুদ্ধিতা।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনার সৃষ্টি একটি দুর্ঘটনা....... এরকম আপনি ভাবতে পারেন। কিন্তু আমি আপনার সম্পর্কেও এরকম ভাবি না। একজন পরিকল্পকের সুনিপুণ দক্ষতার ফসল আপনি। আপনার মত ২য় মানুষ পৃথিবীতে আর একটিও পাওয়া যাবে না।

আমি কিছুতেই নির্বোধ হতে পারব না।

নিজের জন্য বিশেষ সুবিধা আদায়! এগুলি অবশ্যই আপনাদের নির্বুদ্ধিতার ফসল। নইলে এরকম বলতেন না। যেটা জানেন না সেটা নিয়ে কমেন্ট করা অনূচিত।

৩০. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫০
আরিফুর রহমান বলেছেন: ঠিক আছে আপনিই সব জানেন এবং বাকি সবাই নির্বোধ।

খুশি?
৩১. ০২ রা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:০১
বিবেক সত্যি বলেছেন: আগেই পড়েছি , এখন প্রিয়তে গেলো..

ব্লগে পরিচিত এক নির্বোধ পশুর নাম প্রায়ই শোনা যায় । আপনার পোষ্ট পরার পর ব্যাপারটা ক্লিয়ার হলো । আল্লাহ যে নির্বোধদেরকে অনেক আগেই এভাবে চিহ্ণিত করে রেখেছেন, জানতাম না ।

৩২. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৩১
দ্বিজু বলেছেন: মধ্যযূগে মুহম্মদকে নাস্তিক বলা হতো এটা জানেন নাকি?
না-আস্থা থেকে নাস্তিক শব্দটি এসেছে।
খ্রিস্টানদের চোখে অ-খ্রিস্টান সকলেই নাস্তিক, কারন বাকিরা যীষুর প্রভুত্বে আস্থা রাখে না, মুসলিম দের চোখে ঠিক তেমনি।
তাহলে-আপনি আমি সবাই আসলে নাস্তিক, তাই নয় কি... এসব অনেক পুরোনো প্যাচাল- খামোকা ব্লগর ব্লগর।
৩৩. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৩২
আরেফিন জিটি বলেছেন: পড়ে ভাল লাগলো জানাতেই লগইন করলাম। ভাল থাকুন।
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৪১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৩৪. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০০
সজল বলছি বলেছেন: সুরা আলবক্বারা, আয়াত: ১৩. আর যখন তাদেরকে বলা হয়, অন্যান্যরা যেভাবে ঈমান এনেছে তোমরাও সেভাবে ঈমান আন, তখন তারা বলে, আমরাও কি ঈমান আনবো বোকাদেরই মত! মনে রেখ, প্রকৃতপক্ষে তারাই বোকা, কিন্তু তারা বুঝেনা।


কোরান যা বলে সত্যই বলে।

 

মোট সময় লেগেছে ২.৪৯৯০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ