আজও ছেলে বেলার একটি কথা দিয়ে শুরু করবো- আমি তখন ক্লাস টু তে পড়ি।আমাদের এলাকায় তৎকালীণ শিক্ষা মন্ত্রী আসবেন আমি সবার মতো মিছিল করে গিয়েছিলাম।তার নাম ছিলো অধ্যক্ষ মোহামমদ ইউনুস খান, কিছুদিন পরেই তিনি মারা যান। তার ও আগে, মনে পরে কিছু না বুঝেই শিখেছিলাম দক্ষিণ বাংলার কন্ঠস্বর রুহুল আমিন হাওলাদার, আরও একটু বড় হলে জানটে পারি তিনি দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত!! তাই হয়তো আমার মা আমি রাজনীতি করবো তা কোনোদিন ভাবেন নাই।
আরও একটু বড় হলাম, হাই স্কুলে পড়ি। ড: মুহমমদ জাফর ইকবাল আমায় ব্যাপক ভাবে প্রভাবিতো করেছেন। এখন ক্যানো জানি মোনে হয় তার দু'চোখ সমান ভাবে দেখতে পায়না। আবারো হতাশা, আবারো এক কিশোরের আদর্শ তাকে প্রবল ভাবে হতাশ করলো।
এভাবেই আমাদের সমাজে আমরা বেড়ে উঠি অথচ আমাদের সামনে কোনো আদর্শ ব্যক্তিত্ব থাকেন না, আমাদের প্রজন্ম কোনো কিংবদন্তীর দেখা পায় নি। আমরা অনেকের চেয়ে অনেক বেশি সুবিধাভোগী হয়েও এক আশ্চর্য শূণ্যতা নিয়ে বেড়ে উঠেছি। স্কুলে তাই তোমার প্রিয় ব্যক্তত্ব কেবল মাত্র হযরত মুহামমদ (স
আমার খুব ইচ্ছে ছিলো আইসক্রিম বিক্রেতা হবো- হওয়া যায়নি, ভেবেছিলাম সিনেমার নায়ক হবো, এক গন্ডা বদমাশ চোখের নিমিষে শায়েস্তা করে ফেলবো!!বড় হয়ে বুঝেছি এগুলো ভাবা কেবল শৈশবেই সম্ভব তাই কোন কিছুই হতে পারিনি।
স্কুলে পড়ার সমোয় থেকেই আমার লেখালেখি করার আগ্রহ, তাই হয়তো আমার এক শিক্ষক সেদিন জানতে চাইছিলেন আমি আগের মতোই 'পাগলা' আছি কি না? আমি মোটেই অবাক হইনি।মন খারাপ করিনি। তাদের এই ভাবনা পৃথক কিছু নয়,বহু বছর ধরে আমাদেরই সযতনে লালন করা সংস্কার মাত্র।
তার বিপরীতে আমরা বেড়ে উঠছি নৈতিকতাহীন।
আমাদের এই প্রজন্ম অনেক বেশি পেশাদার, যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি আবেগহীন....যন্ত্র সমান।
মাঝে মাঝে ভাবি এই আমরা আদৌ মানুষতো!?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

