আমার প্রিয় পোস্ট

আমি একজন অতিসাধারণ মানুষ, স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি। স্বপ্ন আছে বলেই এখনও বেঁচে আছি

আমাদের বিতর্ক ও বিতর্কের আমরা (শেষ পর্ব)

০৩ রা জুন, ২০১০ ভোর ৬:৫৬

শেয়ারঃ
0 10 0

গত পর্বের পর
বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি জাতীয় সংগঠন আছে যারা বিতর্ক নিয়ে কাজ করে। বিতর্ক আন্দলনের এই মহান সংগ্রামে আমি সবার অবদান স্বীকার করে নিচ্ছি।
বিডিএফ (বাংলাদেশ ডিবেট ফেডারেশন), অনেক দিন থেকে তারা বিতর্ক অঙ্গনে জড়িত। এত বড় জাতীয় সংগঠন, কত শত বিতার্কিকের মিলনমেলা। আমি ডিইউডিএস এ কাজ শুরু করার পর জানতে পারি বিডিএফ এর সাথে আমাদের সম্পর্ক বন্ধুত্তপূর্ণ নয়। মজার বিষয় হল বিডিএফ এর সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকদের অনেকেই ডিইউডিএস এর সাবেক। আমার প্রশ্ন, তাহলে সেই সব সাবেকদের ভূমিকা কি, যাতে দুটি সংগঠন কোন রকম সংঘর্ষ ব্যাতীত সহাবস্থান করতে পারে। এর দুটি কারন থাকতে পারে, এক. ডিইউডিএস এ তাদের অতীত তাদের পক্ষে নেই আর দুই. বিডিএফ এ তাদের অবস্থান এমন যে সংগঠন দুটি এক সাথে কাজ করলে তাদের অবমূল্যায়নের সূযোগ আছে। ডিইউডিএস ও বিডিএফ এর সাবেক সভাপতি বুলবুল ভাই এক মতবিনিময় সভায় দুঃখ করে বলছিলেন কোন এক বিতর্কে ডিইউডিএস তার বিচারক হবার ব্যাপারে আপত্তি জানায়, আমার প্রশ্ন আমরা কেন আমাদের সিনিয়রদের বিশ্বাস করতে পারিনা? একটা জাতীয় সংগঠন কেন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সংগঠনের সাথে সাংঘর্ষিক অবস্থানে থাকে? এ প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইলে একটু পেছনে তাকাতে হবে- গড বা জি. ও. ডি. এই বেডরুম সংগঠন(!?)টিকে আমাদের জাতীয় সংগঠন বিডিএফ নানা সময়ে নানা রকম পৃষ্ঠপোষকতা দেয়। আমি এই সংগঠনটির আদর্শকে মানতে পারিনি। আমরা দিনের পর দিন রাতের পর রাত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্ককে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য কাজ করেছি কোন দিন হিসেব করিনি বিশ্ববিদ্যালয়,ডিইউডিএস আমাকে কি দিল, কিন্তু জিওডি'র বিতার্কিকরা ভাবে। তারা নিজেদের আলোকিত দেখতে চায় অথচ নিজেদের আলোয় অন্যদের আলোকিত করতে ভয় পায়।তারা নিজেদে অভিজাত শ্রেণীর বিতার্কিক মনে করেন, তাই সাধারন্যে তাদের এত আপত্তি।আমি বেডরুম সংগঠন বলাতে অনেকে আপত্তি করতে পারেন, আমি ব্যাখ্যা দিচ্ছি- যদি তারা ক্লাব হবে তবে তাদের সুনির্দিষ্ট কার্যক্রম থাকবে। আচ্ছা কেউ একজন আমাকে বলুক তারা গত বছর সুদক্ষ পরিচর্যার মাধ্যমে কত জন নতুন বিতার্কিক তৈরি করেছেন যারা পূর্বে কোনদিন বিতর্ক করেন নাই? এই সংগঠনের সবাই তৈরি বিতার্কিক। তারা ডিইউডিএস এর হয়ে বিতর্ক করে না কারন তারা এতটাই স্বার্থপর যে নিজেদের ভালো ছাড়া আর কিছুই তারা বোঝেন না।
এবার আসুন কিছু অপ্রিয় সত্য কথা বলি-
এই যে সংগঠনগুলো পরস্পরকে বিশ্বাস করে না তার কারন এই সব নেতারা, যারা বছরের পর বছর আমাদের মত সাধারন বিতার্কিকদের ব্যবহার করতে চেয়েছেন। নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে চেয়েছেন। তা না হলে বিডিএফ এর মত এত বড় জাতীয় সংগঠন একজন তরুণ নেতৃত্ত তৈরি করতে ব্যর্থ হয়? তুষার ভাইকে এই বুড়ো বয়সে সভাপতি হতে হল? তারমানে কি আমরা ধরে নেবো যে সেই সব নেতারা আসলে আমদের এই তরুণ প্রজন্মকে ভয় পান অথবা বিশ্বাস করেন না?
আপনাদের কারনে বাংলাদেশে বিতর্ক আজও কিছু মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ। আপনারা এ দায় এড়াতে পারেন না। আপনাদের প্রভাব বলয় ঠিক রাখার জন্য আপনারা বিতর্ক ও বিতর্ক সংগঠনকে ব্যবহার করেছেন, করছেন। দোহাই আপনাদের, নতুনদে তাদের মতো ভাবতে দিন, স্বাধীন ভাবে কাজ করতে দিন, আপনাদের অবদান আমরা স্বীকার করি তার মানে এই নয় আমরা কিছু পারিনা। যদি যোগ্য উত্তরসূরি তৈরি করতে না পারেন তবে এই ব্যর্থতা আপনাদের। আপনারাদের ছাড়া বাংলাদেশে বিতর্ক চর্চা বন্ধ হয়ে যাবে এমন ভাবার তো কোন কারন দেখিনা।
এখনও সময় আছে, নইলে সাধারন বিতার্কিকদের কাঠগরায় নিজের জন্য জবাব খুঁজে পাবেন না..(শেষ)

 

সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:২৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৩ রা জুন, ২০১০ সকাল ৭:৩২
কার্নেল বলেছেন: জি ও ডি বিতার্কিকদের সংগঠন। যোগ্যতা থাকলেই শুধু জিওডি এর হয়ে বিতর্ক করা যায়। এটা সত্যি জিওডি তৈরি হওয়া বিতার্কিক পায়, কিন্তু এটাও সত্যি জি ও ডি না থাকলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্কের মান নিয়ে হাসাহাসি করতে হতো।

ডি ইউ ডি এস পলিটিক্সের সংগঠন। ক্ষমতাসীন দলের নেতা হলে এখানে বিতর্কের বিচারকও হওয়া যায়, যা জিওডি তে অসম্ভব।
০৪ ঠা জুন, ২০১০ ভোর ৫:২৮

লেখক বলেছেন: চমৎকার বলেছেন, যোগ্যতা থাকতে হয়!! আপনার মতে যোগ্যতার মানদন্ড কী??ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্কের মান এত ঠুনকো নয় আর ইতিহাস বলে জিওডি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্কের জন্য কি করেছে। আমরা সবাই তা জানি।
আপনি যাকে পলিটিক্স বলছেন আমি তাকে নেতৃত্ত বলি, আসব বিতর্ক করব,চলে যাব এ ধারায় সাহসিকতা দেখিনা।
যে মানুষটি কোনদিন বিতর্ক দেখে নাই তিনি বিচারক হয়ে যদি ভুল করেন তাকে আমরা হয়তো ক্ষমা করবো কিন্তু প্রথিতযশা কোন বিতার্কিক যদি বিচারক হয়ে অন্যায় ভাবে ফলাফল পরিবর্তন করেন তবে আমরা তাকে ক্ষমা করতে পারিনা, জিওডির কয়েকজন বিচারকের কাছ থেকে আমি নিজে তা পেয়েছি, তাই ভুলতে পারিনা।

২. ০৩ রা জুন, ২০১০ সকাল ৭:৩৪
কার্নেল বলেছেন: আর বিডিএফ, এনডিএফ, বিডিসি এগুলো সবাই ডিবেট নিয়ে ধান্ধা করে।
৩. ০৩ রা জুন, ২০১০ সকাল ৮:৩৩
রাহা বলেছেন: গড বা জি. ও. ডি. কেন শুরু হয়েছিল সেটা কি জানেন ??
ডিইউডিএস এর রাজনীতিটা পুরোটাই গ্রাম্য রাজনীতি । সেই রাজনীতি থেকে বির্তাকিকদের মুক্তি দিতেই গড শুরু করেছিলাম আমরা ।
আমরা যারা গড শুরু করেছিলাম পরে তাদের অনেকেই ডিবেট পলিটিক্স থেকে একসময় স্বেচ্ছায় নির্বাসনে যাই । সেটা অন্য গল্প । পরে গড স্রেফ ডিবেটারদের একটা প্লাটফর্ম হিসেবেই কাজ করে যাচ্ছে ; যার সাংগঠনিক কাজকর্ম ডিবেট চর্চার মধ্যেই সীমাবদ্ধ । ডিবেট করার জন্য তো গ্রাম্য মোড়লের রাজনীতির দরকার নেই , কি বলেন ?? আর গড এর সাথে বিডিএফ, এনডিএফ, বিডিসি কিংবা আপনার লেখা কযেকটা নাম না মেলানোই ভালো । :| :|
০৪ ঠা জুন, ২০১০ ভোর ৫:৪৮

লেখক বলেছেন: আপনারা যারা জিওডি শুরু করেছিলেন আপনাদের ভাবনা এবং আপনাদের জন্য আমার একটি মাত্র প্রশ্ন- আপনারা যারা নিজেদের খ্যাতিমান শহুরে অভিজাত বিতার্কিক মনে করতেন, আপনাদের কি সেই যোগ্যতা ছিলো না যে ডিইউডিএস এর গ্রাম্য রাজনীতিকে নিজেদের মতো করে শহুরে করে নেয়া? আপনি কাকে শোনাচ্ছেন জিওডি'র কাজকর্ম বিতর্ক চর্চার মধ্যে সীমাবদ্ধ?আমি ডিইউডিএস এর সহ-সভাপতি থাকাকালীন বহুবার জিওডি কে বলেছি আসেন ডিইউডিএস এ বিতর্ক করেন, তারা আসেন নাই। প্লাটফর্ম তো দিয়েছিলাম। যদি বিতর্ক চর্চাই মূখ্য হতো তাহলে তারা আসতেন।
আমি কারো সাথে কাউকে মেলাইনি, আমার এই লেখাটা ৩ পর্বের, সময় করে পুরোটা পড়লে আশা করি তা বুঝতে পারবেন। ডিইউডিএস যদি পলিটিক্স করে তবে অন্যরা ও কিন্তু ধোয়া তুলসি নন- আমরা সবাই তা কম বেশি জানি।

৫. ০৩ রা জুন, ২০১০ সকাল ৮:৪৮
হাসিব মীর বলেছেন: লেখাটা যথেস্ট একপাক্ষিক, অগভীর এবং পক্ষপাতদুস্ট বলে মনে হচ্ছে।
আমার সোজাসুজি মন্তব্যে আহত হলে আমি দুখিত।
যাদেরকে আপনি বিতর্কের প্রান পুরুষ বলে অভিহিত করেছেন, তাদের সবার শুরু ডিইউডিএস থেকে এবং তাদের মধ্যে কে কে ডিইউডিএস এর নোংরা পলিটিক্স এর বাইরে বলেন তো? বাংলাদেশের বিতর্কের ইতিহাসের নির্মোহ আলোচনা করতে হলে সবার আগে ডিইউডিএস এর পলিটিক্স এর চরিত্র বিশ্লেষন করতে হবে। সাহসের সাথে পারলে সেই কাজটা করেন। আর না পারলে অযথা এইসব ভদ্দরলোকি দেখাইয়েন না। এই ভদ্দরলোকির প্রতি ঘৃনা ধরে গেছে।
০৪ ঠা জুন, ২০১০ ভোর ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: আপনি নিজে একটি পক্ষের হয়ে লেখাটি দেখেছেন বলে একপাক্ষিক, অগভীর এবং পক্ষপাতদুস্ট বলে মনে হচ্ছে, আপনার সেই ভাবনার বাইরে এসে দেখুন তাহলে সত্যের দেখা পাবেন।
শুধু ডিইউডিএস এর নয় যারা বিতর্ক নিয়ে কাজ করেন সবার ভূমিকা পূনঃমূল্যায়ন ও বিশ্লষণ সাধারন বিতার্কিকরা ই করবে। সাহস আছে বলেই পুর্বে যা বলেছি ভবিষ্যতেও এভাবে বলবো।

৭. ০৩ রা জুন, ২০১০ সকাল ৯:২৮
হাফিজুর রহমান মাসুম বলেছেন: মি. লেখক আপনি বলেছেন: ‌''..সম্পাদকদের অনেকেই ডিইউডিএস এর সাবেক। আমার প্রশ্ন, তাহলে সেই সব সাবেকদের ভূমিকা কি যাতে দুটি সংগঠন কোন রকম সংঘর্ষ ব্যাতীত সহাবস্থান করতে পারে। এর দুটি কারন থাকতে পারে, এক. ডিইউডিএস এ তাদের অতীত তাদের পক্ষে নেই আর দুই. বিডিএফ এ তাদের অবস্থান এমন যে সংগঠন দুটি এক সাথে কাজ করলে তাদের অবমূল্যায়নের সূযোগ আছে।"

আপনি বিতর্ক করেন! আমি বিস্ময় বোধ করছি! আপনি প্রতর্ক না বুঝে কুটতর্কের ধারায় অগ্রসর হয়েছেন। আপনি যে দু'টি সংকীর্ণ বিষয়ের মধ্যে অনৈক্যের কারন নির্দিষ্ট করে দিতে চেয়েছেন তার বাইরেও অসংখ্য কারন থাকতে পারে। মূল যে বিষয়টি তা হলো মূল্যবোধ। আপনি সেটির সস্ভাবনা নষ্ট করে দিয়েছেন...হয় এ, নয় তা! এভাবে যুক্তির পথ রুদ্ধ করা কুতর্কের লক্ষণ। ডিইউডিএস একটি পঁচনশীল সংগঠন। সকল সময় ক্ষমতাসিন ছাত্রনেতাদের পদলেহনে নিয়োজিত থাকে তারা। বিতর্ক যেখানে একজন বিতার্কিককে ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার কথা সেখানে ডিইউডিএস- শিক্ষা(!) দেয় কিভাবে 'কলনিয়াল' উত্তরাধিকারের ধারাবাহিকতায় মেরুদন্ডহীনভাবে অন্যের অধস্তন থাকা যায় এবং পদলেহনের মাধ্যমে মধ্যম কিভাবে নিরাপদ থাকতে পারে যোগ্যতাহীন কিছু সুবিধা আদায় করে।

আমি দুঃখিত এও ভেবে যে, সাম্প্রদায়িক মানসিকতা এবং মৌলবাদি ধ্যানধারণা সম্পন্নদের একটি বড় অংশ আজকাল ডিইউডিএসে'র মূলধারা। ওখানে সুবিধাবাদিদের এবং দ্রুত খ্যাতি পাওয়ার জন্য লালায়িতদের আজ সুসময়।

হিপোক্রেসির বোধহয় আসলেই সীমা নেই।
০৪ ঠা জুন, ২০১০ ভোর ৬:১৮

লেখক বলেছেন: আপনি সম্ভবত ভুলে গিয়েছেন যে আমি বিতর্ক করছিনা আমার মত প্রকাশ করছি, আমার মতের বাইরে কারন থাকতে পারে তবে আমার কাছে মনে হয়েছে আমার ধারনাই সত্যি।
যারা ডিইউডিএস কে ব্যবহার করে নিজেদের আখের গুছিয়ে নিয়েছে তারাই ডিইউডিএস কে পচনশীল সংগঠন বলে কারন তারা জেনে গেছেন ডিইউডিএস তাদের আর কিছু দিতে পারবে না।

ডিইউডিএস আমাদের সমস্যার মুখোমখি হয়ে সমাধান করার মতো সাহসী করেছে, অনেকের মত পালিয়ে গিয়ে নিরাপদ দূরত্বে থেকে তালি বাজাতে শেখায় নি।
যারা নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখতে চান আবার নিজেদের প্রগতিশীল দাবি করেন তাদের কারনে শুধু ডিইউডিএস নয় পুরো দেশ জুড়ে মৌলবাদীদের এত দাপট।
সামনে আসুন, মাঠে নামুন, মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াই এ সামিল হন।অথবা হিপোক্রেসির বোধহয় আসলেই সীমা নেই।

৮. ০৩ রা জুন, ২০১০ বিকাল ৫:০৫
নাজমুল হুদা সুমন বলেছেন: থ্যাংস রনী।
তথাকথিত 'অভিজাত' বিতার্কিক কিংবা তাদের অনুসারীরা ডিইউডিএস নিয়ে কথা উঠলে কিছু 'কমন' শব্দ আওড়ান....'গ্রাম্য রাজনীতি ', 'নোংরা পলিটিক্স' , 'পঁচনশীল সংগঠন' ইত্যকার বিশেষণ দেখে তাই অবাক হইনি।

'রাহা' কে বলছি...বন্ধু, জিওডি'র জন্ম ইতিহাস কাছে থেকে আমিও অল্পবিস্তর দেখেছি ...কথা বাড়ালেই কথা বাড়বে...কাজেই থাক

বিতর্ক নিয়ে অনেকেই ব্যবসা-বাণিজ্য করেছেন / করছেন ... সাধারণ তার্কিকরা তাদেরকে ঘেন্নাই করেন !

বিডিএফ, এনডিএফ, জিওডি, ডিইউডিএস যারাই বিতর্ক নিয়ে কাজ করছেন ... করুন না ... এত কাদা ছোড়াছুড়ির তো কোনো কারণ দেখি না। আর প্লিজ ... ডিইউডিএস নিয়ে বাজে মন্তব্য করবার আগে শুধু একটা কথা ভাববেন......ঐটা এমন একটা প্লাটফর্ম যেখানে এক একজন সাধারণ ছেলেমেয়ে 'বিতার্কিক' হয়ে ওঠে। নির্বাচনের সময় কিছু কালো হাত আর লাল জিহবা'র লালসার শিকার হ্য় এই সংগঠনটি...এর দায় সাধারন বিতার্কিকরা কেন নেবে ? আমার একটা নিজস্ব মতামত হলো....ঢাবিতে ডাকসুর মতো সংগঠন এ্যাকটভ থাকলে ডিইউডিএস এর উপর অহেতুক চোপ হয়তো কমতো...
৯. ০৩ রা জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৪
হাফিজুর রহমান মাসুম বলেছেন: @নাজমুল হুদা সুমন

ডিইউডিএস'র সাথে এবার ডাকসু'র তুলনা!!!!
নির্বাচনের সময় একটু আধটু কালো হাত আর লাল জিহবা!!! বা বা তাহলে কি এমন বিতার্কিক গড়ে উঠছে সাধারণ ছেলে-মেয়েরা? এই সাধারণ ছেলেমেয়েরা 'অপারচুনিস্ট' আর 'বস' 'বস' বলা শিখে জনবিচ্ছিন্ন এক ধরনের সস্তা 'হিরোইজম'-এ ভোগা শুরু করে এই সংগঠনের বর্তমান মাতব্বরদের কল্যাণে। এখানে কারা ইলেকশান করে? কারা জেতে ডিইউডিএসে? ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি'র এক সম্পাদক আমাদের সময় সাধারণ সম্পাদক এবং পরে সম্ভবত সভাপতিও হয়েছিল এবং ভোটে জিতেই।

একটি বিষয় অস্বীকার করার জো নেই তা হলো, বিশ্ববিদ্যালয় নয় শুধু, সমাজের সর্বত্রই বিতর্কচর্চার একটি আবহ তৈরি করতে হবে। তা করতে গিয়ে আবার একদল জনবিচ্ছিন্ন 'ব্রাক্ষ্মণ' তৈরি যাতে না হয় এবং মৌলবাদি হিপোক্রেটদের কিছু একটা করে দেখানোর জায়গা হয়ে ওঠা থেকে এসব সংগঠনকে রক্ষা করাও জুরুরী।
১০. ০৪ ঠা জুন, ২০১০ ভোর ৫:৫৬
কার্নেল বলেছেন: লেখক বলেছেন: চমৎকার বলেছেন, যোগ্যতা থাকতে হয়!! আপনার মতে যোগ্যতার মানদন্ড কী??ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্কের মান এত ঠুনকো নয় আর ইতিহাস বলে জিওডি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্কের জন্য কি করেছে। আমরা সবাই তা জানি।


এখানে একটা ছোট্ট ঘটনা বলি, যখন কলেজে বিতর্ক করতাম তখন ডি ইউ ডি এস এর সাথে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে একটা বিতর্ক করতে হল। ফলাফল ডি ইউ ডি এস ব্যাপক ব্যবধানে পরাজিত। পরের রাউন্ডে জিওডি এর সাথে ডিবেট করতে গিয়ে বুঝলাম, জিওডি এর পর্যায়ের বিতর্ক করতে ডিইউডিএসকে আরও অনেক দূর যেতে হবে।‌‌

এরকম ঘটনা একবার ঘটে নাই, অনেকবার ডিইউডিএস এর বিতর্কের মান প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। জিওডি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কিছু করুক আর নাই করুক বাইরের মানুষের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়কে হাসির পাত্র বানায় না।

ডিইউডিএস এ আয়োজিত আর একটা টুর্নামেন্টে আমরা আমাদের জাজদের জ্ঞানের বহর দেখে শংকিত হয়ে গেলাম। একটা ক্লাব যাতে একজনও ভালো জাজ নেই, বেশিরভাগই ছিলো ছাত্রনেতা। ডিইউডিএস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কলেজ ছাত্রদের সামনে হাসির খোরাক হিসেবে উপস্হাপন করে। আমার আর কিছু বলার নাই। ডিইউডিএস যে নেতৃত্ব তৈরি করে তা না করলেই বিতর্কের জন্য ভালো হতো।
০৪ ঠা জুন, ২০১০ ভোর ৬:২৭

লেখক বলেছেন: আপনার বিতর্ক অঙ্গন সম্পর্কে জ্ঞানের বহর দেখে আমি শংকিত হলাম!! আপনি কত জন বিচারককে জানেন আমার তা জানা নাই তবে না জেনে এভাবে ঢালাও মন্তব্য করা আসলে কিসের পরিচয় তা বলার অপেক্ষা রাখে না। যারা বিতর্ক বোঝেন এমন একটা তালিকা বানান তারপর দেখেন তাতে কত জন ডিইউডিএস এর। আমার আর কিছু বলার নাই।

০৪ ঠা জুন, ২০১০ ভোর ৬:২৮

লেখক বলেছেন: আপনার বিতর্ক অঙ্গন সম্পর্কে জ্ঞানের বহর দেখে আমি শংকিত হলাম!! আপনি কত জন বিচারককে জানেন আমার তা জানা নাই তবে না জেনে এভাবে ঢালাও মন্তব্য করা আসলে কিসের পরিচয় তা বলার অপেক্ষা রাখে না। যারা বিতর্ক বোঝেন এমন একটা তালিকা বানান তারপর দেখেন তাতে কত জন ডিইউডিএস এর। আমার আর কিছু বলার নাই।

১১. ০৪ ঠা জুন, ২০১০ সকাল ১১:০৬
কার্নেল বলেছেন: আমার পছন্দের বিতার্কিকদের তালিকা:

১। শাকিল (নটরডেম গোল্ড, ব্যাচ মনে নাই, ফরম্যাট টি এর অন্যতম উদ্যোক্তা )।
২। সাগর (নটরডেম ব্লুতে ছিলেন, আমার ডিবেট জীবনের শিক্ষক)
৩। টনি মাইকেল(ইনিও ব্লুতে ছিলেন, পরবর্তীতে আর ডিবেট করেননি)।
৪। অনির্বান
৫। নাভিদ
৬। সেজান
৭। অয়ন (এমজিবিএসডিসি,নটরডেম গোল্ড,বুয়েট)
৮। আসিফ সাহান।
৯। বিদিত
১০ শিমুল(এমজিবিএসডিসি,নটরডেম গোল্ড,জিওডি, আমাকে হাতে কলমে ডিবেট শিখিয়েছেন স্কুলজীবনে)
১১ বিপ্লব (জেডিসি,নটরডেম গোল্ড,জিওডি)
১২। সন্জয় (নটরডেম গোল্ড,আইবিএ)
১৩। অভিষেক (ডিসিএল,জিওডি)।
১৪। নিবিড়(আইডিসি,নটরডেম গোল্ড,এখন টেক্সাস ইউনিতে আছে)
১৫। রামিন (এমজিবিএসডিসি,নটরডেম ব্লু,বুয়েট )
১৬। মারজুক(এমজিবিএসডিসি,নটরডেম, জিওডি) ।
১৭। নাহিয়ান(এমজিবিএসডিসি)।
১৮। আমি নিজে ।

এখানে আমার চেয়ে অনেক সিনিয়র বিতার্কিকরা ছাড়াও জুনিয়রও আছে।
০৭ ই জুন, ২০১০ ভোর ৪:১৭

লেখক বলেছেন: আপনার প্রিয় বিতার্কিকদের তালিকা দেখলাম। আমি এ ব্যাপারে কোন মন্ত্বব্য করবনা।আপনি কিন্তু এটা বলেন নাই যে আপনার প্রিয় বিতার্কিক মানেই ভালো বিচারক কিনা? যাই হোক আপনার সদয় অবগতির জন্য আমি কয়েকটি নাম বলছি যাদের পরিচয় তারা নিজেরাই এবং বাংলাদেশের বিতর্কের জন্য তারা কি করেছেন তা চাইলে আপনি নিজেই জানতে পারবেন।

আপনি নিশ্চয়ই মেহের নিগার জুন, এ.এস.এম শামীম রেজার নাম শুনেছেন?
কিংবা খালেদা আক্তার রোজী, রাশিদ নাঈম, খায়রুল বাশার সোহেল, দেবাশীস কাকনদের নাম শুনেছেন?
আমি এও আশা করি আপনি সাব্বির আহমেদ সেতু, আরিফ আল মামুনের নাম শুনে থাকবেন,
এ মানষগুলো বিতর্ক করেন।তাদের প্রজন্ম,তার পরের তার পরের প্রজন্ম ও তাদের মনে রেখেছে, রাখবে কারন তারা সময়কে জয় করতে পেরেছেন, বিতর্ককে ভালবাসতে পেরেছেন। তারা সবাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতার্কিক। আমি কিংবা আপনি আমাদের প্রজন্মের পর হয়ত হারিয়ে যাব কিনতু তারা বেঁচে থাকবেন অগণিত সাধারন বিতার্কের হৃদয়ে আর এখানেই ডিইউডিএস এর স্বার্থকতা- ডিইউডিএস তাদের জনবিচ্ছিন্ন দেবতা নয় বরং জনন্দিত হতে শিখিয়েছে। এ রকম নাম আরও বলতে পারব, একানে আমি কয়েক প্রজন্মের কয়েকজনকে উদাহরণ হিসেবে দেখিয়েছি।আশা করি আপনার ভ্রম কিছুটা হলেও কমাতে পেরেছি।

১২. ০৫ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:০৭
হাফিজুর রহমান মাসুম বলেছেন: @লেখক: আপনি ঠিক বর্তমান ডিইউডিএস-র যথাযথ প্রডাক্ট। যুক্তির পরিবর্তে চাপিয়ে দেয়া মতে অভ্যস্ত বেশি। আপনার জ্ঞাতার্থে(আমি নিশ্চিত আপনি তাতেও জ্ঞাত হবেন না) জানাচ্ছি, আমি আমার বিতর্ক জীবনে বা বর্তমান কর্মজীবন যেখানে তৃণমূলে বিতর্ক ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করছি সেখানেও আপনার 'ডিইউডিএস' থেকে কিছু দেয়া বা নেয়ার চেষ্টা করতে হয়নি। বরং আপনাদের ঐ পঁচনশীল সংগঠনের কিছু 'কীট পতঙ্গ' মাঝে মাঝে নিজেদের জাহির করবার প্রয়োজনে আমাদের কাজের বিঘ্ন ঘটিয়ে যায়।

আপনি এখানে মত প্রকাশ করেছেন কথাটি যেমন বলেছেন তেমনি আবার এও বলেছেন আপনি মনে করেন আপনার মতই সঠিক। আপনার/আপনাদের সাথে আমার দ্বিমত এখানেই। এই যে সিদ্ধান্ত টানবার বা চাপিয়ে দেয়ার প্রানান্তকর অভিপ্রায় এটিই ভলতেয়ার সেই বিখ্যাত নৈতিক অবস্থানের বিপরীত।

ডিইউডিএস যে একবারেই কোন ভালো বিতার্কিক বা বিচারক তৈরি করেনি এমনটি বলার সুযোগ নেই। কিন্তু এখন যা হচ্ছে তা নগ্ন ব্যক্তি প্রচার, মিথ্যা তথ্যের চাপাবাজি আর পরমত অসহিজ্ঞুতার চরম। এদের সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ। এবং আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে এদের 'কলোনিয়াল' উত্তরাধিকার জ্ঞান করি।
চাটুকারদের আখড়ায় কারা নির্বিঘ্নে থাকতে পারে তা সহচজই অনুমেয়।

আর সাম্প্রতিক কয়েক বছরে মৌলবাদের ডিইউডিএস'র মূলধারায় চলে আসার বিষয়টিকে আমি একটি চলক হিসেবে দেখি। যে চলক এই সংগঠনটির সাম্পতিক নৈতিক স্খলন উপলদ্ধি করতে আমাদের সহযোগিতা করে।
আপনাদের স্লোগান সর্বস্ব অসাম্প্রদায়িকতার বয়ান এবং মৌলবাদের সাথে আপোষের কারন ও ধরণ বোঝার মত রাজনৈতিক জ্ঞান সম্ভবত আমার আছে। আর মৌলবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রশ্নে আমি নেতৃত্ব দিয়েই টিকে আছি। আপনারদের মত 'সুশীল' 'সুশীল' ভাব নিয়ে বিরাজনীতিকিকরণের অপচেষ্টায় লিপ্ত নই মোটেও। আমার অবস্থান থেকে মানবতার স্বপক্ষে, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আমার পথচলা ভীত-সন্ত্রস্ত সুবিধাবাদির নয়, আত্মমর্যাদা সম্পন্ন একজন সামাজ ঘনিষ্ট মানুষের।

এতকিছুর পরও আপানাকে ধন্যবাদ একটিমাত্র কারনে তা হলো বিতর্কচর্চা করা।
০৭ ই জুন, ২০১০ ভোর ৫:৩৬

লেখক বলেছেন: এবার কিন্ত আপনি নিজেই স্ব-বিরোধিতা করলেন। আপনিতো আমাকে চেনেনা অথচ আমার সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলাটা কি খুব যৌক্তক হলো?
ডিইউডিএস আমদের অন্যায়ের কাছে মাথা নত করতে শেখায়নি। আমরা সমস্যা থেকে দূরে গিয়ে নয় বরং সমস্যার মধ্যে থেকে তার স্ব-রূপ বোঝার চেষ্টা করি।২০০৪-২০০৮ পর্যন্ত ডিইউডিএস এ ছিলাম চেষ্টা করেছি মৌলবাদের বিরুদ্ধে লড়তে, অপরাজনীতির অশুভ ছায়া থেকে বিতর্ককে বাচাঁতে। মনে সান্তনা পাই এই ভেবে যে অন্তত চেষ্টা তো করেছি। ভালোলাগে এই ভেবে, আমি সেই সব সুবিধাবাদীদের দলে নই যারা নিরাপদ দূরত্বে থেকে ফায়দা লোটার অপেক্ষায় থাকে।
আপনি ব্যক্তিগত ভাবে নাকি সাংগঠনিক ভাবে ডিইউডিএস থেকে কিছু গ্রহণ করেননি তা কিন্তু পরিষ্কার করেননি। আমি এমন অনেককে জানি যারা ব্যক্তিগতভাবে এবং সাংগঠনিক ভাবে ডিইউডিএস কে ব্যবহার করেছে আর আজ দূর থেকে ডিইউডিএস কে গালি দেয়।আমাদের সময়ে আমরা তো কারো পথচলায় বাধা হইনি বরং প্রমান আছে আমাদের পথচলায় অনেকের কাছ থেকে বাধা পেয়েছি।
মৌলবাদ, অপরাজনীতির সাথে আপোষ আমরা করিনি, কারা করেছে তা সচেতন সবাই জানে। ডিইউডিএস বরং এইসব মুখোষধারীদের জন্য হুমকি হয়ে দাড়িয়েছিল বলেই ডিইউডিএস এর বিতর্ক অনুষ্ঠানে বোমা হামলা হয়। তার বিচারের দাবীতে আমরা সাধারন বিতার্কিকরা যখন পথে নেমেছিলাম কই আপনাদের মতো তথাকথিত প্রগতিশীলদের তখন তো পাশে পাইনি। তবে কি আপনারা মৌলবাদ, সামপ্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়াইকে দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করেন?আপনারা কি মনে করেন না এ লড়াই কারো একার নয়, এটি সার্বজনিন?
আসলে বলার জন্য বলা বা ব্লগে লেখার জন্য হলে অনেক ভারী তাত্ত্বিক কথা বলা যায়, প্রতিবাদ করার জন্য রাস্তায় নামার পর পুলিশ যখন ব্যানার কেড়ে নিয়ে যায় তখন বোঝা যায় কিংবা জরুরী অবস্থা চলাকালীন বিতর্ক অনুষ্ঠান আয়োজনের সাহস ডিইউডিএস ই দেখাতে পারে। আর কতিপয় সুবিধাবাদি যে তা বুঝবে না তা আমি জানি, সত্যি বলতে কি তাদের কাছে তা আশাও করি না।

১৩. ০৭ ই জুন, ২০১০ সকাল ১০:৫৬
হাফিজুর রহমান মাসুম বলেছেন: এই পর্যায়ে এসে আপনাকে মাইনাসটি না দিয়ে পারলাম না।

(১)আমি ব্যক্তিগত বা সাংগঠনিক কোনভাবে আপনাদের সংগঠনের
সাহায্য নেইনি।

(২) আপনার কথায় দূর্গন্ধ ঝরছে। আপনি না জেনেই/চিনেই আমাকে আক্রমণের চেষ্টা করেছেন তাও ব্যক্তিগতভাবে। এখানে কথা হচ্ছিল সংগঠনের সম্পর্কে, আপনি নিয়ে এলন ব্যক্তিগত (কু)তর্কের স্তরে। আপনার এই 'এটিটিইড'ই বলে দিচ্ছে আপনার সংঠনের নেতৃত্বে সংকটের কথা। আপনি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন বোধহয় আমি আমি তখন ছাড়ছি এমন সময়।

(৩) জরুরী অবস্থায় বিতর্ক আয়োজনের মাধ্যমেই আপনারা দায়িত্ব পালন করে ফেলেছেন। আপনার বক্তব্যে মনে হচ্ছে যারা জেল খেটেছে এর প্রতিবাদ করায়, নির্যাতিত হয়েছে সেনা সদস্যদের দ্বারা তারা বিরাট অপরাধ করে ফেলেছে। আপনাদের মত সুবিধাবাদিদের লড়াইয়ের লক্ষ্য যে কী তা আপনার জাহির করবার প্রচেষ্টা থেকে বোঝা যায়। আপনার সংগঠন জরুরী অবস্থার প্রতিবাদের কয়টি (প্রতীকি হলেও) বিতর্কের আয়োজন করেছিল সেসময়? বিবেকবোধ যে জেগেছিল জরুরী অবস্থায় নাগরিক জীবনে অযাচিত রাষ্ট্রীয়(যা ক্ষমতা আবার ছিল অনির্বাচিতদের হাতে) হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে এমন তো দেখিনি, তবে হ্যা যখন নিজেদের গায়ে লেগেছে তখন হয়ত প্রতিবাদ করেছেন।

(৪) আপনাদের অনুষ্টানে বোমা হামলার পরদিন আমার বর্তমান কর্মস্থলে থাকা অবস্থায় স্থানীয় পত্রিকায় ঐ ঘটনাকে বিবেকের উপর আঘাত বলে আমি কলাম লিখেছিলাম। সেসময়ে আরও অনেক কিছুর বিরুদ্ধেই চিৎকার করেছি। এমনকি কিছু লেখা পত্রিকায় ছাপানোও হয়নি।

(৫) ধর্মান্ধতা ও প্রতিক্রিয়াশীলতার বিরুদ্ধে ডিইউডিএসে আপনাদের তথাকতিত লড়াই (এটি যে আপনাদের নিছক মিথ্যা দাবি সেটি আমার জানা আছে, আপনাদের সংগঠনের প্রায় সকল নেতারাই গ্রুপিংয়ের স্বার্থে প্রতিক্রিয়াশীলদের নিয়ে বিএনপি-আওয়ামী লীগর মত টানা-হেচড়া করে থাকে) শেষ বিচারে ব্যক্তিগত এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছাহীন। ফলে আখেরে মৌলবাদই শক্তি অর্জন করেছে সেখানে। আপনারা এক ধরণের 'পোস্ট মর্ডানিস্ট' 'ফ্যালাসি' থেকে এসব করেন বলে আমার মনে হয়েছে।

( ৬) আপনাদের বিরাট সংগঠনের পুঁজিবাদ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত বিতর্ক আয়োজন ও চর্চার ভিতরে যার প্রকট অভাব তা হলো রাজনৈতিক অঙ্গীকার। আমি নিশ্চিত নই এখানে রাজনৈতিক অঙ্গীকার বলতে আমি যে কোন দলবাজির কথা বোঝাচ্ছি না এটি আপনি বোঝেন কি না?

আপনারা নিজেদের অবস্থানকে 'জাস্টিফাই' করার জন্য কিছু শব্দ চয়ন করেন অন্যদের আক্রমণ করতে তা হলো---তথাকথিত প্রগতিশীল, তথাকথিত বাম ইত্যাদি। আমি আপনাদের কাতারে নামতে চাই না তাই এ নিয়ে বেশি কিছু আর বলছি না।

(৭) লেনিনের একটি প্রবাদ প্রতিম বক্তব্য দিয়ে শেষ করছি, সমাজে শোষণ টিকিয়ে রাখার জন্য দুই শ্রেণীর লোক সহযোগিতা করে--------১. জল্লাদ( রাষ্ট্রীয় নীপিড়ক সংস্থা ও বাহিনীগুলো)
২. পুরোহিত শ্রেণী (এদের কাজ হলো নির্যাতিত মানুষকে প্রতিবাদে নিরুৎসাহিত করা। তাদেরকে ধৈর্য ধরে ঈশ্বরের আরাধনা করতে বলা এবং নিশ্চিত করা যে ঈশ্বরই তাদেরকে উদ্ধার করবেন। সুতরাং সংগঠিত হয়ে প্রতিবাদের চেষ্টা না করে নিপীড়িত অদৃষ্টের দিকে চেয়ে থাকে)


 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭৮৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই