আমি কখনই লিখতে চাই না_ চিরকাল এক সাতরঙা ফুলের গভীর থেকেই
উঠে আসে এই অনুপম ব্যর্থতা।
এই ব্যর্থতাই শ্বাশত_আমি কখনো স্বীকার করতে চাই না।
নিজের রূপের ওপর ঠিকঠাক বিশ্বাস নেই দেখি
এমনকি সবচেয়ে অপরূপ ফুলেরও।
কাঁটার রাজধানীতে কম্পমান তার রূপ আশায় ও ত্রাসে।
অস্তিত্বেরই এই গভীর বেদনা কী রঙীন হয়ে থাকে চারপাশে। এমনকি
মরুভূমিতেও ফুলের পিপাসা মরে না দেখি গাছের।
প্রতিটি পাতা কাঁটায় রূপ নেয়ার মতো দুঃখ ভরা ফর্নিমনসা
দেখি একদিন ধূধূরোদের সমুদ্রে রূপসী নারীর মতো
পরে নিয়েছে কানে বিন্দু বিন্দু ফুল_
আপন রক্তের ভেতর বানিয়ে তোলা অগণন রঙীনমুক্তোবিন্দু।
সমস্ত শরীর জুড়ে কাঁটা আর ফুল শাড়ির মতো পড়ে নিয়েছে
সূর্যের বালির সাম্রাজ্য অস্বীকারের কী অদ্ভুত স্পর্ধা_
মেঘের জলের অভাব তুচ্ছ করা অদ্ভূত এক অহংকার তার
পৃথিবীর সমস্ত মরুর বিরুদ্ধে হাততালি দিচ্ছে দেখি নীরবে!_
আমি এসব দেখি আর নিজেকে স্বান্ত্বনা দেই। তবু
আমার সমস্ত ডাল ফুল নয়, পাতাশূন্য হয়ে এলো তরুণ দুপুরেই!
আমি কি কাঁটার পোশাকে দাঁড়িয়ে
আমার অতলে কোন ফুল আছে বলে বিশ্বাস করে যাবো
আরো অনেকদিন বোকার মতো_ পোকাখাওয়া স্বপ্নের স্তুপে ডুবে থাকি
শুনি বন্ধুরা আমাকে জ্ঞানী বলে ভেংচায়_ এই নাকি অনুপম পুরস্কার আমার
প্রেমেও বিরাট স্ববিরোধ আছে, বন্ধুত্বেতো বটেই_
এই নিখিল সবুজনরকে
সাতশরঙফুলের গভীরেও দেখি জেগে আছে শিকারী স্বভাব।
০৮.০৪.২০১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


