আমার প্রিয় পোস্ট

একটা টাইম মেশিন না হলে আর চলছেনা (উৎসর্গঃ রাশেদ ও এস্কিমো)

০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৫৪

শেয়ারঃ
0 0 0

[ ব্লগাররা যারা এস্কিমো-রাশেদের আনব্যানের দাবীতে প্রোফাইল ইমেজ পরিবর্তন করেছিলেন তাদেরকে তা সরিয়ে নেয়ার অনুরোধ জানাই ]

অবশেষে আরো একটি চক্র পূর্ণ হলো। কিছু কুলাঙ্গারের সৌজন্যে প্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধবিরোধী পোস্টের প্রতিবাদ করি আমরা সবাই + মডারেটররা তথাকথিত নিরপেক্ষতার চাদর মুড়ি দিয়ে কুম্ভকর্ণের মতো ঘুমিয়ে থাকেন + ফলে একের পর এক আবর্জনাময় পোস্ট এসে সামহোয়্যারইনব্লগের শোভা মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি করতে থাকে + আমাদের অনেকে ধৈর্য্য হারিয়ে নরকের কীটগুলোকে আসল নামে সম্বোধন করে + ব্লগপরিবেশ নষ্ট করার দায়ে আমাদের দুয়েকজনকে বলির পাঁঠা বানিয়ে কিছুদিন নিষিদ্ধ করে রাখা হয় + কারাভোগ শেষে তারা আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসে + কিছু কুলাঙ্গারের সৌজন্যে প্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধবিরোধী পোস্টের প্রতিবাদ করি আমরা সবাই + ... = সংক্ষেপে এই হলো আমাদের প্রিয় সামহোয়্যারইনব্লগের জীবনচক্র।

কিভাবে কিভাবে জানি আমাদের দেশে একটা বোধহীন প্রজন্মের জন্ম হয়ে গেছে; মুক্তিযুদ্ধ না হলে এরা আজকে কোথায় থাকতো তার ঠিকঠিকানা নেই অথচ মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধাচরণকারী ঘাতকদের প্রতি এদের মমতা সীমাহীন। আমরা ধরে নিচ্ছি নিশ্চয়ই কোথাও কোন গন্ডগোল হয়েছে; নাহলে কোন মানুষের এতোটা বিকৃতির স্বীকার হওয়ার কথাতো নয়!

একটা টাইম মেশিন না হলে তাই আর চলছেনা।

এদের সবাইকে মেশিনটার ভেতর ভরে পাঠিয়ে দিতে হবে সেই নয়টি অবিস্মরণীয় মাসের উত্তাল দিনগুলোতে; প্রতিটা মুহূর্ত নিজের চোখে দেখে শিখে আসুক ইতিহাস কাকে বলে কতো প্রকার কী কী। একমাত্র তাহলেই যদি ব্লগের এই চক্রটা ভাঙ্গা যায়!

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ সেইখানে গিয়া তাহারা দেশপ্রেমিক আলবদর বাহিনীতে যোগদান করিয়া ফেলিতে পারে। সেইক্ষেত্রে ধরিয়া লইতে হইবে ইহারা সংশোধনের অযোগ্যই ছিল; আমরা শুধু সেইটা উপলব্ধি করিতে ব্যর্থ হইয়াছিলাম।



 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:২৪
হ্যারি সেলডন বলেছেন: ঠিক। ঠিক বলেছেন। ডিজুস জেনারেশানটা এক্কেরে গোল্লায় গেল।
২. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:২৮
কতবতবকতকত বলেছেন: কে বলছে? ডিজুস জেনারেশানের মাঝেও অনেক দেশপ্রেমিক পাবা@হ্যারি।
০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৫৪

লেখক বলেছেন: দেশপ্রেমিক পাওয়া যাইতে পারে কিন্তু সেই দেশটা বাংলাদেশ না।

৩. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:২৯
হ্যারি সেলডন বলেছেন: কতবেল, ছমছ্যা সেইটা না মিয়া, ছমছ্যা হচ্ছে অই দেশপ্রেমিক সংখ্যাটা কত %? বেশিরভাগ তো ১৬ই ডিসেম্বর কি সেটাই কইতে পারেনা!
৪. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:২৪
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: হা হা হা লেকবাসি মাইনাস দিয়া গেলো।

তাইলে মেশিনের ভিত্রে অরেই আগে ঢুকান লাগে।
৫. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:৪০
এস্কিমো বলেছেন: রিয়াজ শাহেদ।

অনেক ধন্যবাদ।

অবশ্যই টাইম মেশিন দরকার। এবং সেই টাইম মেশিনটা হলো ইতিহাস। বই হতে পারে। মুভি হতে পারে বা জাদুঘর হতে পারে।

একটা সময় ছিল (১৯৭৫ - ১৯৯০) - যখন মুক্তিযুদ্ধের একটুকরা দলিলের জন্যে পাগলের মতো খোজাখুজি করতে হতো।

তারপর আসলো মুক্তিযুদ্ধে জাদুঘর - তারেক মাসুদের মুক্তির গান আর কত কি।

এখন মিথ্যা ইতিহাস বলে কেউ পার পায় না।

সত্য সবসময়ই জয়ী হবে - মিথ্যা বিলীন হবে।

একটা কথা বলা হয়নি - আপনার বিতর্কের ভঙ্গীটা বেশ ভাল।

আবারো ধন্যবাদ।
০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:৫০

লেখক বলেছেন: আমার মনে পড়ে শেরাটন হোটেলে মদ খেয়ে মাতাল হওয়া সেই লোকটাকে, গলাধাক্কা দিয়ে গেটের বাইরে বের করে দেয়ার সময় যে বলছিলো- অই যে মুক্তিযুদ্ধটা, অইটার জন্যই আমি আজ এখানে ঢুকে মাতাল হতে পারলাম, নাহলে আমি এই হোটেলের দারোয়ানও হতে পারতামনা।

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ, অনেক।

৬. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:৪২
রাশেদ বলেছেন: +

ডিজুস জেনারেশনের ব্যাপারে একমত নই। @ হ্যারি
৮. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:৫০
হ্যারি সেলডন বলেছেন: আমি তো এইসব পোলাপাইনের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস না জানাতে খুবই হতাশ। তোমার অভিজ্ঞতা কও @রাশুদা।
৯. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:৫৬
মানুষ বলেছেন: গতকাল এক কনফারেন্সে গেছিলাম। একুশে ফেব্রুয়ারীর উপর এক বঙ্গ ললনা স্পীচ দিল ইংরেজীতে যদিও ঐখানে সবাই বাঙালী। এই হইল ডিজুস জেনারেশনের অবস্থা।
১০. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৩:০৭
রাশেদ বলেছেন: কেম্নে বুঝলা এরা জানে না? হিন্দি গান বেশি গাইলে আর চুল দাড়ি কন্যরকম রাখলেই যে দেশ সম্পর্কে অসচেতন হবে নাকি?
১১. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৩:১৯
হ্যারি সেলডন বলেছেন: হেহেহেহে........রাশুদা, না সেটা কইনাই। কিন্তু আমি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থিকা বলতাছি। এরা জানতেই চাইনা, মনে করে ওসব দিয়ে কি হবে, অতীত নিয়ে মাথা না ঘামায়!
১২. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৩:৩৩
রাশেদ বলেছেন: এইরকম কিছু সব জায়গাতেই আছে। আমাগো ব্লগে দেখো না অবস্থা। হি হি!
১৩. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৩:৫২
ফেলুদা বলেছেন: রাশেদও পুরা ডিজুস, তয় বখাটে ;)
১৫. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:২২
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: "পুঁজিবাদী শক্তির অত্যন্ত সুচতুরভাবে চাপাইয়া দেওয়া বিশ্বায়ন আর মুক্তবাজার অর্থনীতির ভয়াল থাবা পড়িতেছে আজ জাতীয় জীবন হইতে শুরু করিয়া একেবারে আমাদের বেডরুম পর্যন্ত। এই দেশে একটি অন্তসারশূন্য আধুনিকতাসম্পন্ন ‘ইয়ো প্রজন্ম’-এর জন্ম হইয়াছে যাহারা ঠিকভাবে বাংলা কথা পর্যন্ত বলিতে পারেনা; হিন্দী বা ইংরেজি উচ্চারণে বাংলা বলা এখন স্মার্টনেসে পরিণত হইয়াছে। বোধহীন তরুণ-তরুণীরা হলিউড-বলিউডের দেব-দেবীদের মোহে আর মোবাইল কোম্পানিগুলির দেওয়া রাতভর ‘খাজুইরা আলাপ’ বা ‘ফাউ গ্যাঁজানো’-র রঙ্গিলা নেশায় বুঁদ হইয়া আছে।"

আমার একটা লেখা থেকে দিলাম। প্রচুর অভিজ্ঞতা থেকেই লিখেছি @রাশেদ। তবু আপনার যুক্তিগুলো শোনা যাক। [যদিও আমার এই পোস্টের মূল বিষয়বস্তু ঠিক ডিজুস জেনারেশন ছিলোনা]
১৬. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:৫৩
মোহাম্মদ বলেছেন: "সেইক্ষেত্রে ধরিয়া লইতে হইবে ইহারা সংশোধনের অযোগ্যই ছিল; আমরা শুধু সেইটা উপলব্ধি করিতে ব্যর্থ হইয়াছিলাম।"

সুন্দর লিখেছেন। ধন্যবাদ।
১৭. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৩
স্বাক্ষর শতাব্দ বলেছেন: অন্তসারশূন্য আধুনিকতাসম্পন্ন ‘ইয়ো প্রজন্ম’ - এদের দোষ নাই।

এরা হয়ে গেছে, এখন এরা সমাজের মধ্যেই আছে, ইয়ো প্রজন্ম কিছু দিবে না, কিছু করবে না আমি এটা মনে করি না।
০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৬

লেখক বলেছেন: স্বাক্ষরদা ব্যাখ্যা করেন।

১৮. ১১ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:২৯
স্বাক্ষর শতাব্দ বলেছেন: তুমি যদি "ইয়ো" প্রজন্মকে সংজ্ঞায়িত করতে পারো তাহলেই চলবে, কি কি বৈশিষ্ট্য হলে "ইয়ো" বলা যায়? আমি তো দেখি আমাদের অনেকের মধ্যেই উত্তর আধুনিক মনোবৃত্তির চর্চা।

আমি বলেছি এদের দোষ নাই, এদের দোষ কই? আমিতো দেখি না, এদের অভিভাবকদের দোষ দেয়া যায়।

আর এরা কিছু দিবে না এটা আমি মনে করি না কয়েকটা কারণে, প্রথমত মানুষ হয়ে মানুষের মুল্যায়ণের ক্ষমতা এখনো আমার হয় নি, দ্বিতীয়ত, কে সমাজকে কি দিচ্ছে?
আমি আসলে এই লেবেলটারই বিরোধী, ডিজুস মোবাইল ব্যবহার, র‌্যাপ গান শোনার মধ্যে পাপ নাই। যারা এগুলি করে আর এই চর্চার মধ্য দিয়ে যায় তাদের সাথে মধ্যবিত্ত শ্রেনীর অবদানের কোনো পার্থক্য নাই।
১১ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৫২

লেখক বলেছেন: স্বাক্ষরদা Click This Link

১৯. ১১ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:১৬
স্বাক্ষর শতাব্দ বলেছেন: ধন্যবাদ।
কিন্তু আমার বলার উদ্দেশ্যটা মনে হয় তুমি বুঝ নাই, মধ্যবিত্ত হচ্ছে সেই শ্রেনী যেখান থেকে বুর্জোয়ার উৎপত্তি, আর বাংলাদেশে সেটা ঘটেনি, তাই আমি বাংলাদেশের মধ্যবত্তকে নিয়ে হতাশ, আমাদের দেশের বুর্জোয়া বিকাশের সময় এখনো শেষ হয়ে যায় নি, লেখক ওই লেখাতে একটু এক পাক্ষিক, উনি কয়েকটা আক্রমণ যা মধ্যবিত্ত শ্রেণীকে করা হয় তার জবাব দিতে চেষ্টা করেছেন, পার্টিজানশীপ আমাদের বুদ্ধিজীবিরা কোনো দিনই বুঝে উঠতে পারেন নি, তাদের সারা জীবন লেগে গেছে।

মধ্যবিত্তের যে শ্রেনী চরিত্র নেই, তা লেখক শুরুতে অস্বীকার করলেও পরে (৪) পয়েন্টে তাকে চিত্রিত করতে গিয়ে ব্যর্থ। ঐতিহাসিকভাবে মধ্যবিত্তের সংজ্ঞাকে তিনি নিজের মত বদলে ফেলেছেন। আরো অনেক সমালোচনা করা যায়, দরকার নাই, তুমি আমার প্রথম কথাগুলি মনোযোগ দিয়ে পড়, তাহলে আমি কি বলতে চাই বোঝা যেতে পারে।

আরেকটা কথা dont take any offense. এখানে অন্তত মতামত আদান প্রদান করা যায়।
২০. ০৪ ঠা জুন, ২০০৮ দুপুর ১:৫২
সবাক বলেছেন: মোস্ট ওয়ান্টেড.....
০৪ ঠা জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৫১

লেখক বলেছেন: হ।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬৯৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আশ্চর্য! কেউ চারা লাগাতে চায় না, অথচ বটবৃক্ষছায়ার জন্যে কী অশ্লীল অপেক্ষা!
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই