somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দি গাল ফ্রেন্ড গোস্ট

২১ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মুল থিম -
১. আজকালকার ছেলেমেয়ের দুই দিনের ভালোবাসা।
২. বাবা - মায়ের কষ্ট।
৩. ছেলেমেয়ের উপলদ্ধি।

রাফ গল্প -
পাঁচ দিন আগে শিলা ও অর্কর ব্রেকআপ হয় । অর্ক উইনি নামের আরেকটা মেয়ের সাথে রিলেশন করে। শিলা এটা সহ্য করতে পারে না, শিলা আত্মহত্যার চেষ্টা করে। শিলা হসপিটালে এটা জানার পরও অর্কর কোন ভাবান্তর হয় না। উল্টো সে উইনির সাথে আরও বেশী সময় কাটায়। এক রাতে হঠাৎ অর্ক শিলার আত্মাকে দেখে ভয় পায়। সকালবেলা দুঃস্বপ্ন ভেবে উঠে দেখে ওর পাশেই শুয়ে আছে শিলা। অর্ক খুবই ভয় পেয়ে যায়। কিন্তু সে তার মা, বন্ধ, আশেপাশের কাউকে বলে না, কারণ সবাই তাকে পাগল ভাববে। এদিকে শিলা অর্কর জীবন হেল বানাই ফেলে। অর্কর ফেসবুকে সব ফ্রেন্ডদের কত কত গার্লফ্রেন্ড আছে,কে কার সাথে কি কি চিটিং করতেছে সব বলে দেয়, মোবাইলে এস এম এস করে সব মেয়েদের সাবধান করে দেয়। এছাড়াও অর্ককে বিভিন্ন লজ্জাকর পরিস্থিতির মধ্যে ফেলে। মা বন্ধুরা ভাবে অর্ক পাগল হয়ে যাইতেছে তাই ওকে ফকিরের ঝাড়ু– পেটা সহ নানান রকমের চিকিৎসা চালানো হয়। এদিকে শিলার আত্মা মাঝে মাঝেই হাসপাতালে আসে, দেখে ওর মা বড় বোন ছোট বোন কত কান্নাকাটি করতেছে। আরও দেখে ওর জন্য মার কত টাকা খরচ হয়ে যাইতেছে। আত্মীয় স্বজন সবাই বলে এমন মেয়ের পেছনে নিজেকে ফতুর করার কোন মানে হয় না আরও দুইটা সন্তান আছে। তবু মা চেষ্টা করতে থাকে।শিলার খুব কষ্ট হয়। সে ফিরে আসে অর্কর কাছে। অর্ক ওর এক বন্ধুকে সব খুলে বলে বন্ধু সব কথা বিশ্বাস না করলেও অর্ককে বুদ্ধি দেয় যে শিলাকে বলতে, অর্ক জীবিত শিলাকে ভালোবাসতে চায় আবার আগের মত। মৃত আত্মাকে না।
শিলাকে অর্ক এ কথা বললে শিলা হসপিটালে ফিরে আসে। হসপিটালে এসে শিলা দেখে মা কাদতেছে। টাকার অভাবে ডাক্তাররা শিলার দেহে লাগানো যন্ত্রপাতি খুলে ফেলতেছে।

এর পর অনেকদিন কেটে যায়। কিন্তু অর্ককে আর শিলা ফোন দেয় না যোগাযোগ ও করে না। অর্কর নিজেকে খুব একা একা লাগে সে শিলাকে খুজে কিন্তু পায় না। কেউ বলে না ওকে কোথায় শিলা। অবশেষে অর্ক রেডিওতে ভুত এফ এম এ তার এ অদভুতুরে কাহিনী শোনায় এবং শিলাকে যোগাযোগ করতে বলে।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৪৬
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আইএমএফ কেন ঋণের কিস্তি আটকে দিতে চায় ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:০৩


একটি প্রচলিত প্রবাদ আছে: "যে ব্যক্তি অর্থনীতি বোঝে না, সে রাজনীতিও বোঝে না।" বাংলাদেশের গত কয়েক বছরের পরিস্থিতি দেখলে মনে হয়, এই প্রবাদটি শুধু সাধারণ মানুষের জন্য নয়, আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেষ বিকেল Last Afternoon

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:০৫

এই পৃথিবীতে শেষ বিকেলে আমরা কেটে ফেলি দিনগুলো
আমাদের শরীর থেকে, আর গুনি সেই হৃদয়গুলো যা আমরা নিয়ে যাব
এবং যেগুলো যাব এখানে রেখে। সেই শেষ বিকেলে
আমরা কোনো কিছুকে বিদায় বলি না,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফাউ খাওয়ার ফাঁদ

লিখেছেন আবু সিদ, ১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৯

এ পাড়ায় দশ - বারো জন ছেলেপেলে মিলে আমরা খেলাধুলা করি। খেলা মানে নানান ধরনের খেলা। তার মধ্যে ফুটবল আর ক্রিকেট বেশি। আমাদের কারও ওরকম খেলোয়াড় হওয়ার স্বপ্ন নেই। তাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিজয় দিবস, সংবিধান, পহেলা বৈশাখ, পান্তা-মাছ কিছুই ভালো লাগে না

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৪১


ধরুন আপনি একদিন ঘুম থেকে উঠলেন আর সিদ্ধান্ত নিলেন যে আপনার চারপাশের সবকিছুই ভুল। ক্যালেন্ডারের তারিখ ভুল, রান্নাঘরের খাবার ভুল, দেশের সংবিধান ভুল, এমনকি বাইরে যে ঝড়ো হাওয়া বইছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

পরীক্ষায় নকল ও বাস্তবতা

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:১৬



শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন সাহেবের বক্তব্য পরীক্ষায় নকল প্রতিরোধের বিষয়টি গত কিছুদিন যাবত সোশ্যাল মিডিয়াতে খুব আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে। এমনকি সামহো্য়্যারইন ব্লগেও সমালোচনা হয়েছে! বাংলাদেশে স্কুল কলেজ পরীক্ষা সহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×