বিষবৃক্ষের বেড়ে ওঠা

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২২

শেয়ার করুন:                   Facebook

কথা হচ্ছিলো ওয়ামির সঙ্গে। ভদ্রলোক তার পোস্টে কমেন্ট ফিল্টার অন করে রেখেছে। এই জিনিষটা পছন্দ হয়নি আমার। তবে ওয়ামি আমার কমেন্ট দু'টো ছাপিয়েছেন এবং উত্তর দিয়েছেন। তার দেয়া শেষ উত্তরটি আমার মনঃপুত হয় নি। আমার কথার প্রেক্ষাপট ছিলো এক, জবাব দিয়েছেন আরেক। তার ওখানে একটা কমেন্ট করে ওয়েইট করতে হয়। সেই ওয়েট টুকু করতে চাইনি বলে পোস্টের অবতাড়না।

আশা করি ওয়ামি মাইন্ড করবেন না।
আর আমি (সবার কাছে) আশা করবো বদর বাহিনীর প্রধান সংগঠক কামারুজ্জামানের মুক্তিযুদ্ধকালীন কর্মকান্ড প্রকাশ করুন এখানে। ওয়ামি কামারুজ্জামানের ব্যাপারে সন্দিহান, ''... দোষি হতেই পারেন" এখান থেকে বুঝা যায় ওয়ামির চোখে আসলে বাঙালীর গলাফাটানো অভিযোগ ছাড়া আর কিছুই পড়েনি। এখানে তার জন্য থাকবে প্রমাণ।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:০৮
ধুসর গোধূলি বলেছেন:

জবাবের জন্য ধন্যবাদ। (তবে কমেন্ট মডারেশন জাতীয় জিনিষটা ঝুলিয়ে রেখে পোস্টখানা প্রথম পাতায় দেয়াকে সমর্থন করলাম না।)

ইটিভিকে বিশ্বাস করার দরকার নেই ওয়ামি। ইটিভি সারা বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি বাঙালীর (অর্ধেকই হিসাবের বাইরে রাখলাম) মুখমাধ্যম না। এই সাড়ে সাত কোটির মধ্যে খুব বড় একটা অংশ ইটিভি কেনো কোন টিভিরই ধার ধারে না। অথচ এদেরই কারো ভাই, কারো বাপ, কারো চাচা শহীদ হয়েছেন মুক্তিযুদ্ধের সময়। এদেরই কারো বোন, কারো মা, কারো চাচী তাদের জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ হারিয়েছেন। এদের প্রাণের দাবীর প্রতি শ্রদ্ধাতো আছে আপনার নাকি?

এরাই বলে কামারুজ্জামান একাত্তর সালে কেবল বদর বাহিনীর প্রধান সংগঠকই ছিলেন না বরং উপরিউক্ত ঘটনাগুলোর ঘটনের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন, পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছেন।

আপনি যে 'বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবে দেউলিয়া একটি সমাজে'র কথা বলছেন না, আমি সেটিকে বলি 'বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে দেউলিয়া করে ফেলা একটি জাতি'। এর পেছনে কারা আছেন জানেন? আছেন আপনি যাকে আপনার জন্মদাতা বলে জানেন সেই বদর বাহিনীর প্রধান সংগঠক কামারুজ্জামান।

'ঢাকার চাপে' আপনাদের পারিবারিকভাবে পরিচিত কোন সাংবাদিক রিপোর্ট করার পর কাচুমাচু করে বলতেই পারে 'নিজের ইচ্ছেতে করে নি', কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের সময়গুলোতে বদর বাহিনীর নৃসংশ কর্মযজ্ঞে ভুক্তভোগীরা ভোলেনি সেই চেহারা গুলো, ভোলেনি নামগুলো।

ভাবছেন, ইটিভির মতোই আপনার পিতাকে নিঃগৃহীত করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছি?

নাহ্, ওয়ামি- আপনি একটু কষ্ট স্বীকার করুন, সংযোজিত লিংকটিতে ( Click This Link ) একটু সময় কাটান, দেখুন এখানে বদর বাহিনীর প্রধান সংগঠক হিসেবে যার নাম লেখা আছে (স্ক্রল করে পেইজের মাঝামাঝি জায়গায়, বর্তমান অবস্থান সহ উল্লেখিত) সেই কামারুজ্জামান আপনার 'পিতা পরিচয়দানকারী কামারুজ্জামান' কিনা।

যদি নিজের পিতাকে চিনতে পারেন তাহলে একটিবারের জন্য হলেও দাঁড়ান তার মুখের সামনে। নিজেই জিজ্ঞেস করুন, মুক্তিযুদ্ধের সময় কি ছিলো তার ভূমিকা, কি ছিলো বদর বাহিনীর ভূমিকা'।

আর যদি নিজের পিতাকে খুঁজে না পান। তাহলে আর কী বলবো!
আল্লাহ্ আপনার মনকে শান্ত করুন!


(ওয়ামি আমি আগেই বলেছি: আপনার কমেন্টিং সিসটেমটা আমার পছন্দ হয়নি। আমার এই কমেন্টটি যদি আপনার স্ট্যান্ডার্ড টেস্টিং মানদন্ড অতিক্রম নাও করে, লেখাটি আমার ব্লগে পাবেন আপনি। এবং সেখানে আপনাকে আমন্ত্রন জানিয়ে রাখলাম খোলা মন্তব্য প্রদানে।)

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০১
লেখক (ওয়ামি) বলেছেন:

ধুসর গোধূলি, আমার কথা ভালো না লাগলে আপনি আমার পোস্ট পড়বেন না। আমার কথা বিশ্বাস করার দরকার নেই আপনার। নিজেই যেখানে সাড়ে ৭ কোটি বাঙালীর মুখপাত্র হয়ে বসে আছেন সেখানে অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেবার কোনো দরকারতো দেখিনা।

আমার (ধুসর গোধূলির) উত্তর: ঠিকাছে পড়বো না। কিন্তু কথা হলো ভালো লাগা বা না লাগার বিষয়েতো আমি এখনো কিছুই বলিনি। সাড়ে সাত কোটির মুখপাত্রও হইনি, যাদের কথা বলেছি আমি তাদের একজন, তাদেরকে বুঝি। আর বুঝি বলেই সংখ্যাটা অর্ধেকে নামিয়ে এনেছি। ইটিভি, বিটিভি কি বললো তা নিয়ে মাথা এরা ঘামায় না। পারলে এদের অভিযোগের জবাব দিন, (মামলা, রায়, আদালত সেগুলো নাহয় পরে হবে)। শুধু শুধু রেগে যান কেনো!

ওয়ামি : আপনি পলিটিশিয়ানদের মতো কথা বলছেন, জনগণকে নিজের দিকে টানছেন, নিজের মতামত তাদের উপর চাপিয়ে দিচ্ছেন, গণদাবীর কথা বলছেন -- যার কোনোটাই কোনো ব্যক্তিকে যুদ্ধাপরাধী প্রমাণের জন জন্য যথেষ্ট না। ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইলিং, বাবা-মা-ভাই-বোন হারানোর গীতিকাব্য অনেক হয়েছে। বাঙালীকে এভাবে মনস্তাত্বিকভাবে ধর্ষিত হতে দেখতে আর ভালো লাগে না। তাই সবাইকে অনুরোধ, নিজের প্রতি দয়া করুন। এধরনের ব্ল্যাকমেইলের শিকার হওয়া থেকে বিরত থাকুন।

আমার (ধুসর গোধূলির) উত্তর: ও.কে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইলিং এবং পলিটিশিয়ানবাজি (আমি এই জিনিষটাকে আলবদর দের চাইতেও বেশি ঘৃণা করি) বন্ধ! আসুন তাহলে টু-দ্য-পয়েন্ট কথা বলি।
Click This Link এখানে স্ক্রল করে মাঝামাঝি জায়গায় বদরবাহিনীর হাই-কমান্ডের কথা বলা আছে। এখানে আপনার পিতাকে সনাক্ত করতে পারেন? পারলে জানান, পরবর্তী টু-দ্য-পয়েন্ট রেডি আছে। আর না চিনলে যে কামারুজ্জামান আপনার পিতা না তাকে নিয়ে আপনাকে টানবো না!


ওয়ামি : আমি আগেও বলেছি, আবারও বলছি আমার বাবা দোষী হতেই পারেন। কিন্তু সেটা ঠিক করবে আদালত, জনগণ না। এমনকি ১৫ কোটি স্ট্রং পাবলিক ওপিনিয়নের জোরেও কখনো কোনো ব্যক্তিকে অপরাধী বানানো যায়না। সত্য সত্যই। ১০০ জনের মধ্যে ৯৯ জন অস্বীকার করলেও সেটা সত্য। সুতরাং সাড়ে ৭ কোটির ভয় দেখাবেন না।

আমার (ধুসর গোধূলির) উত্তর: আদালতে যাবার আগে আসুন দেখি আপনার পিতার (বদর বাহিনীর সেই কামারুজ্জামান আপনার পিতা হলে) নামে সত্যিই কোন অভিযোগ (পনেরো কোটি দরকার নেই, ন্যূনতম একটা) আছে কিনা নাকি সবই পলিটিশিয়ানবাজি! 'দোষী হতেই পারেন' - এটাকে চলেন দেখি 'দোষী' কথাটা দিয়ে প্রতিস্থাপিত করা যায় কিনা, তাহলে হয়তো আদালতে যাবার আগে দেশপ্রেমিক হিসেবে আপনাকে পাশে পাওয়া যাবে। ক্লিক করেছেন লিংকটায়?

ওয়ামি : মিথ্যাচারের প্রতিবাদ করতেই হবে। আপনি না করলেও আমাকে, আমি না করলে অন্য কাউকে করতেই হবে। প্রতিবাদ না হলে আমরা একটা ক্লীব সমাজে পরিণত হবো। সমাজের এক্সিসটেন্স প্রশ্নবিদ্ধ হবে। প্রতিবাদটা আরো বেশি করতে হবে মিডিয়ার মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে। কারন সেটার প্রভাব আরো ব্যাপক। তারচেয়ে বড় কথা হচ্ছে এই মিথ্যাচারটি হচ্ছে একটি মহৎ উদ্দেশ্যকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীকে পোক্ত করার জন্য। এটা কি আপনার কাছে মোটেই দুঃখজনক মনে হয়না যে একটা মহৎ দাবীকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য একটা নিম্নমানের মিথ্যার আশ্রয় নেয়া হচ্ছে? এটা কি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয়টিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলবে না? আপনারও উচিৎ প্রতিবাদ করা, নিন্দা জানানো উচিৎ এধরনের নির্লজ্জ মিথ্যাচারের। তা না করে আপনারা আপনাদের পুরনো কৌশল প্রয়োগ করছেন। স্বজনহারাদের ক্ষতে হাত বুলাচ্ছেন। নিজেরা কতটা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আছেন সেটা প্রমাণের আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আর জাতি থেকে যাচ্ছে অন্ধকারে। পারেনও আপনারা।

আমার (ধুসর গোধূলির) উত্তর: অবশ্যই ওয়ামি। প্রতিবাদ তো অবশ্যই হতে হবে। আপনি যদি সেই প্রতিবাদ করেন সেটা আমার চাইতে সর্বাংশে ধাঁরালো হবার কথা। ক্লীব হয়ে যাবার আগেই চলুন প্রতিবাদ করি। বদর বাহিনীর মুক্তিযুদ্ধকালীন হত্যাযজ্ঞকে যারা অস্বীকার করে সেই মিথ্যাবাদিদের বিরুদ্ধে চলুন প্রতিবাদ করি। আসুন একজোট হই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাঠগড়ায় আনার মহৎ প্রচেষ্টায়। আপনি তো জানেনই সাংবাদিক, সরকার সব লেভেলেই ঘাতকদের আত্মীয়স্বজন, শুভাকাংখী বসে আছে। যে কারনে কোন রিপোর্টের পর খুব সহজেই টেলিফোনে 'রিচ' করে জিজ্ঞাসা করা যায়, বাংলাদেশের বিজয় দিবসেও দাওয়াতনামা আসে। আসুন ওয়ামি, জাতি অন্ধকারে ডুবে যাবার আগেই আপনার মতো সচেতনরা এগিয়ে আসুন। আদালতে যাবার আগে 'সত্যিটা' সর্বাগ্রে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করি। আদালত যাতে কোন ফোনকল পেয়ে বিগড়ে না বসে!

ওয়ামি : বি:দ্র: আমার কমেন্টিং সিস্টেম নিয়ে বিব্রত হবেন না। ইতর এবং বাদরদের হাত থেকে সুস্থ বুদ্ধিকে বাচিয়ে রাখতেই এই ব্যবস্থা।

আমার (ধুসর গোধূলির) উত্তর: আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন।

 

 

  • ১১ টি মন্তব্য
  • ২৭২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৫ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২৬
comment by: মুকুল বলেছেন:
রাজাকারের বাচ্চাটা আমার কমেন্টও প্রকাশ করে নাই।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: আমার দুইটাই প্রকাশ করেছে। তার সিসটেমটা আমার পছন্দ হয়নি, কিংবা ভালো না লাগলে না পড়ার আহবানটাও। যাকগে সেটা কথা না।

ওয়ামির জন্য প্রমাণ হাজির করেন মুকুল। যেখানে 'টু-দ্য-পয়েন্ট' লেখা আছে কামারুজ্জামানের কৃতকর্ম।

প্রমাণ পেয়েও দেখি ওয়ামি পলিটিশিয়ানবাজি বলে কি না!

২. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৩২
comment by: আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
মিথ্যাবাদী হিসেবে ওয়ামী-ওয়ালী ও তাদের বাবার সাথে একই অপরাধে অপরাধী।
৩. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:১৮
comment by: মুকুল বলেছেন:
অমি পিয়াল ভাই প্রমান হাজির করতে করতে ক্লান্ত। আর কত প্রমান দরকার বরাহ নন্দনদের???
৪. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:২১
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: ওয়ামি যদি একটা কাজ করতেন তাহলে বড়ো ভালো হতো ।

উনি উনার বাবাকে প্রশ্ন করতে পারেন একাত্তরে তার ভুমিকা সম্পর্কে । তারপর সেই কথোপকথন ব্লগে প্রকাশ করতে পারেন ।





আমি নিশ্চিত সেই সত্য কথাটুকু অনেকেই আগ্রহ নিয়ে পড়বেন ।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৫

লেখক বলেছেন: এইটা যদি ওয়ামি করতে পারে তাইলে ওয়ামির সতাদর্শ নিয়ে কোন প্রশ্ন থাকেনা। সে তার পোস্টে, কমেন্টে যা বলেছে আমি তাতে বিশ্বাস করি এই সাহস টুকু ওয়ামির আছে তার পিতার সামনে দাঁড়ানোর। তখন নিজের হাতেই সে লিখুক মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পুরো সময়টা তার পিতা কামারুজ্জামান কোথায় ছিলেন, কী করেছেন। আমি বিশ্বাস করতে চাই, বিদেশের শ'য়ে শ'য়ে ডকুমেন্ট গুলো ভুল (দেশের গুলো বাদই দিলাম), স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময়ের সংগ্রামের সংখ্যা গুলো যে কামারুজ্জামান কে 'কোট' করেছে সেই কামারুজ্জামান ওয়ালির পিতা নয়।

আমি ফাকা বুলি আউড়াই রাজনীতিবিদদের মতো, ফাঁপা দেশপ্রেম দেখাই, ভূয়া মুক্তিযুদ্ধপ্রীতিতে বুঁদ হয়ে থাকি, আমি স্বীকার করে নিলাম। কিন্তু ওয়ামি এখন এইটুকু প্রমাণ করলেই হয়, যে তার পিতা কামারুজ্জামান পুরো মুক্তিযুদ্ধের সময় আল্লার ধ্যানে বসে কাটিয়ে দিয়েছেন হিমালয়ের কোন গহীন গূহায়।

৫. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:২১
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: তাল গাছ ওয়ামির । প্রমাণের দরকার কি !
৬. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩১
comment by: আবু সালেহ বলেছেন: গোধূলী ভাই

ঘটনা কি??
এত প্রমাণ কেলা??
৭. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:১৯
comment by: ধুসর গোধূলি বলেছেন:

ঘটনা কিছুই না। সত্যবাদী মুখে বলার চেয়ে আসলে কাজে কতোটা সত্যবাদী, সেটাই দেখতে চাই। মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে কথা বলার আহবান জানিয়েছেন ওয়ামি। আমি তাকে আহবান করলাম এখানে, এখনো আসেন নি।

অফটপিকে ফ্রান্সে প্রত্নতত্ত্ব প্রদর্শনীর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি সেই কমেন্টটাই হাপিস করে দিলেন।

দেখা যাক, উনি নিজের ঘরের দরোজা বন্ধ করে সত্য রক্ষা করতে চান নাকি সত্যিকারের মনোভাব প্রকাশ করেন ঐতিহাসিক মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে। ডাবলস্ট্যান্ডার্ড, ভন্ড - এই ট্যাগ গুলো ওয়ামি-র সাথে যাবে, এই আশা আমি করি না।
৮. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৪৬
comment by: ওয়ামি বলেছেন: বলেই তো ফেললেন "বিষবৃক্ষ" ... তা বাকি ট্যাগগুলো জুড়ে দিতে সমস্যা কোথায়? এমন মিছে ভড়ং দেখানোর দরকার কী? মিথ্যাকে মিথ্যা বলতে পারেন না, আবার অন্যের দরজা খোলা কি বন্ধ সেটা নিয়ে হাপিত্যেশ! rhetoric এর চাপে fact-রে মাইনকা চিপায় ফালানো যায় না - কথাটা জামাতীদেরও বলি আর আপনাদেরও বললাম। ভার্চুয়াল হিরো বনে যাবার কোনো শখ নাই। তাই নিজেরে সিঙ্গেলস্ট্যান্ডার্ড বা অভন্ড প্রমানেরও কোনো তাড়না অনুভব করতেছি না। you can do or say anything to me. but you cannot judge me. সেই ভার আমি কাউরে দেই নাই। আমি নিজেই আমার বিচারক। নিজেই আমার স্রষ্টা।

আপনার প্রত্নতত্ব বিষয়ক মন্তব্যের জবাব গতকালই দিয়েছি। খেয়াল করেননি বোধহয়।
৯. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৫৭
comment by: ধুসর গোধূলি বলেছেন:

আপনার একটা লাইনের সঙ্গে খুব 'সাংঘাতিক বৈপরীত্য' প্রকাশ করছি ওয়ামি। "বিষবৃক্ষ"- শব্দটার প্রয়োগ আপনি যেভাবে দেখছেন, আমি সেভাবে দেখাইনি। আর বাদবাকী ট্যাগ গুলো জুড়ে দিতে চাইলে আপনার পোস্টেই দিতে পারতাম কিংবা এখানে, সরাসরি এবং অনেক আগেই।

আমি আমার কথায় এখনো পর্যন্ত জামাতকে টানিনি, আপনি কেনো টানলেন বুঝলাম না! আমি 'কামারুজ্জামান' এবং 'বদর বাহিনীর' প্রেক্ষাপটে কথা চালিয়ে যেতে চাইছিলাম আপাতত।

আপনার হিরোইজম প্রকাশ করবেন এই আশাটা আমিও বাকীর খাতায় রেখে দিয়েছি। আপনার কাছে আমার প্রত্যাশাটা খুব স্ট্রেইট। যেহেতু আপনি মিথ্যাকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন না, প্রতিবাদ করছেন, আমি দেখতে চাই আপনি সেটা সব দিক থেকেই করেন। এটা আপনাকে জাজ করা না বরং আপনার কাছ থেকে জানা, শেখা।

আমি আগেও বলেছি আবারো বলছি, ইটিভি, বিটিভি, সিটিভি, ডিটিভি কিংবা জেডটিভি কি বললো কি দেখালো তা নিয়ে আমার মোটেও কনসার্ণ নেই। আমার কনসার্ণ টুকু দেখাচ্ছি একটা বিশেষ বিষয়ে, একজন কামারুজ্জামানের বিষয়ে যিনি আপনার পিতা। এটাও দেখাতাম না যদিনা আপনি নিজে থেকে তাকে নিয়ে কোট করতেন সামনের পাতায়।

আমি আগের মন্তব্যগুলোতে কয়েকটা খুব স্পেসিফিক জিনিষ জানতে চেয়েছিলাম আপনার কাছে "বদর বাহিনীর সংগঠক কামারুজ্জামান" সম্পর্কে, আপনি খুব সম্ভবত প্রত্যক্ষ করেন নি। সেটা নাহয় আমারই ব্যার্থতা মেনে নিলাম। এখন এই মন্তব্যটা দেখার পর কি আমাকে দয়াকরে আমার জিজ্ঞাস্যগুলো মেটাবেন!

আমি আপনাকে যা খুশী তা বলবো কেনো শুধু শুধু, দায়ভার নেবার তো প্রশ্নই আসে না।

ওহ, আপনার প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ক জবাবের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

 



 



ব্যক্তিগত জীবনে একজন চরম ভবঘুরে আমি।

পছন্দ করি পাঁচফোড়ন মেশানো ভাজির সাথে লুচি।

ফল হিসেবে লিচু ও পছন্দ করি অনেক।

ধান গাছে তক্তা...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৬১০৫০