আমার মতে, শফিক রেহমান সাহেব এতদিনে নিজেকে সঠিকভাবে যাচাই করতে পারলেন। তিনি যে সত্যি নেড়ি কুত্তা, এটা বুঝতে তার জীবন শেষ করতে হল!! নেড়ি কুত্তা বলেই তিনি ২০০৬ সালে সাংবাদিকদের বেতন-ভাতা না দিয়ে পত্রিকা বন্ধ করে দিয়ে বিদেশ পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তার ঐ নেক্ক্যারজনক ঘটনার পর থেকেই দৈনিক হিসেবে যায়যায়দিন আন্ডার গ্রাউন্ডে চলে যায়। এরপর থেকে পত্রিকাটি আর মাথা তুলে দাড়াতে পারে নি।
সে সময়ে আমিও কাজ (প্রদায়ক ছিলাম তখন) করতাম যায়যায়দিন এ। আমার হিসেবে আমি এখনও যায়যায়দিনের কাছে ২৩,৫০০ টাকা পাওনা আছি। শফিক রেহমানের পালানোর চেষ্টার ঘটনার পর এ টাকা আর উদ্ধার করতে পারি নি। আমার মত, আরও অনেক সাংবাদিক-কর্মচারীর এখনও শফিক রেহমানের কাছে অনেক টাকা পাওনা আছে। অনেকে হয়ত বলবেন, টাকা পাওনা আছে পত্রিকার কাছে, শফিক রেহমানের সংগে কি??? আসলে ব্যাপারটা তা না। সে সময়ে পত্রকাটির মালিক,সম্পাদক এবং প্রকাশক একাই ছিলেন শফিক রেহমান। তাই সবার সব পাওনাই তার কাছে।
এইচ আর সি গ্রুপ পরে যখন যায়যায়দিনের মালিকানা নেয়, তখন অবশ্য তারা কেবল তখনও কর্মরত সাংবাদিকদের পাওনা পরিশোঢ করেছিলেন। কিন্তু শফিক রেহমান পালাতে ব্যর্থ হয়ে যাদের টার্মিনেট করেছিলেন তাদের পাওনা এখনও সবার মেটে নাই।
কিন্তু সময় কাউকে ছাড় দেয় না। সেই শফিক রেহমান নিজেও টাকা না নিয়েই যায়যায়দিন ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। নিজের গড়া ব্রান্ড "যায়যায়দিন" এর সত্বও তার হাতছাড়া হয়ে যায়। এরচেয়ে বড় শাস্তি আর কি হতে পারে??
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



