প্রবাল দ্বীপে ভরা পূর্নিমায় বর্ষা যাপন...
২০ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:২৪
[[ আমাদের এই ট্রিপ টা নিয়ে চন্দন বড় একটা পোস্ট আগে দিয়েছিল, আমি কিছু ছবি শেয়ার করছি। ]]
ঘুরতে ঘুরতে বাউন্ডুলে আমাদের আর সাধারন ট্রিপ ভাল লাগে না.... মার্চ মাসে কক্সবাজার থেকে টেকনাফ বীচ হেঁটে যাওয়ার পর সবাই চিন্তা করছিলাম আর কি ট্রিপ করা যায় যা কিনা একটু অন্যরকম হবে। চারুকলার সামনের ফুটপাথে বসে ভ্রমন বাংলাদেশের আড্ডায় প্রতিদিনি এর ওর মাথা থেকে হাজারো আজব আজব ট্রিপ প্ল্যান বের হয়, আমরা সাইফুল এর মুড়ি চানাচুর খেতে খেতে এক এক করে বাদ দি অথবা সামনের লিস্ট এ রাখি। এমনি এক প্ল্যান ছিল বর্ষার মধ্যে সেন্ট মার্টিন এবং বর্ষার মধ্যে পাহাড়ে যাওয়া। ঠিক করলাম দ্বীপেই আগে যাই, পরে পাহাড়ে যাওয়া যাবে। জুন মাসে মহা সমারহে আমরা ২২ জন রওনা দিলাম, একজন পরের দিন আসবে।
সকালে টেকনাফ পৌছে শুনি একমাত্র জাহাজ সিনবাদ খারাপ আবহাওয়ার জন্য নাও যেতে পারে, শুনলাম ৩ নাম্বার বিপদ সংকেত চলছে। সময় নস্ট না করে আমরা ফোন দিলাম পূর্ব পরিচিত সেন্ট মার্টিনের মাহবুব ভাইকে, উনি বললেন নৌকা নিয়ে চলে আসতে। আমাদের কারো কারো মধ্যে একটু আনণ্দের রেশ দেখলাম যে ৩ নাম্বার সংকেতে সাগরে ভ্রমন করবে এই চিন্তায়, আবার উল্টাটাও দেখলাম কারো কারো কাঁদো কাঁদো চেহারা। যাইহোক আমরা সবাই মিলে টেকনাফের ঘাটে একটা ট্রলারে চেপে বসলাম, টুরিস্ট আমরা ২২ জন, বাকি সব স্থানীয় বাসিন্দা।
১. ট্রলারে করে সাগর পাড়ি:

২. মোহনা:

প্রথমে সবাই কিছু ছবি তুললেও একটু পরে বাধ্য হলাম ক্যামেরা পলেথিনে প্যাঁচিয়ে ব্যাগের ভেতর রাখতে, বড় বড় ঢেউ এসে পানি ছিটাচ্ছে। পথ অর্ধেক যাওয়ার পর শুরু হলো ভয়াবহ ঢেউ, একটা ঢেউ নৌকাকে উপরে নিয়ে যায়, পরের ঢেউটা মাথার উপর দিয়ে যায়। আমাদের মিতু তো নৌকায় উঠার পর থেকেই কেঁদে যাচ্ছে, আরো দুই একজন এবার কাহিল হলো। অবস্থা হালকা করার এবং ভয় দুর করার জন্য আমরা কয়েকজন নৌকার সামনে বসে গান ধরলাম, চট্টগ্রামের চন্দন বেশ আবেগ দিয়ে ধরল "আমি তো মরেই যাব চলেই যাব....."। আমাদের এহেন বোকার মত আচরনে বিরক্ত হয়ে গালি দিল স্হানিয় এক ভ্দ্রলোক, তার সংগের মহিলা এবং বাচ্চা গলা ফাটিয়ে কাঁদছে, আমাদের গান বন্দ করে আল্লাহ কে ডাকতে উপদেশ দিলেন উনি। কি আর করা আমরা চুপচাপ বসে রইলাম। শেষ পর্যন্ত আমরা যখন দ্বীপে পৌছালাম শুনলাম আমাদের মধ্যে কে যেন ঐ ভদ্র লোককে ঝাড়ি দিচ্ছে লোকাল লোক হয়ে এত ভয় পেলে সাগরে নামার কি দরকার ইত্যদি ইত্যাদি বলে।
প্রতিটা বড় ট্রিপের মত এবারো আমাদের সাথে রান্নার সব সরন্জাম, থাকার জন্য তাবু এসব আছে। রিসোর্টে পৌছে আমরা আমাদের তুবু গুলো এদিক সেদিক লাগিয়ে ফেললাম, যাদের তাবু নাই তাদের জন্য কিছু রুম খুলে দেয়া হল রিসোর্টের। টুটু ভাই গেলেন রান্না ঘরের অবস্থা দেখতে। বর্ষায় রিসোর্ট বন্ধ, আমাদের বিশেষ অনুরোধে এখানে থাকার ব্যাবস্থা করা হয়েছে, সব স্টাফ ছুটিতে চলে গেছে, বাবুর্চিও নাই...... টুটু ভাই প্রথম দিন খিচুড়ি আর ডিম দিয়ে খাওয়ায়ে দিলেন আমাদের, এরি মদ্ধ্যে ঢাকা থেকে বাবুর্চি টুলু মিয়া কে নিয়ে আসার নির্দেশ দেয়া হয়েছে ফয়সাল কে, ওর পরেরদিন আশার কথা।
৩. রিসোর্ট এর রুম আর রাহাত ভাইয়ের তাবু:

৪.ফয়সাল ভাই ও চন্দনের তাবু:

পরেরদিন ফয়সাল ভাইদের নৌকা তীরে আসলেও জেটিতে ভিড়তে পারলো না ঢেউ এর জন্য, এদিকে উনি আবার সাতার জানেন না। এরি মদ্ধ্যে আমরা কজন নেমে গেছি পানিতে উনাকে নিয়ে আসার জন্য।
আমি এর আগে বহুবার এই দ্বিপে এসেছি, শীতে, গরমে, ঝড়ের মধ্য কিছুই বাদ নাই, এইবার বর্ষায় এলাম প্রথম। প্রতি বারই দেখি নতুন রুপ, কোনো বারের অন্য বারের মিল নাই, যেন ক্ষনে ক্ষনে এই নারিকেল জিন্জিরা রুপ পাল্টায়।
৫. ফয়সাল ভাই কে উদ্ধার:

৬. নৌকা:

৭. নৌকা মেরামত:

৮. বর্ষায় সি-বীচ:

৩য় দিন সকালে সবাই মিলে ছেড়াদিয়া বা ছেড়াদ্বীপের উদ্দেশ্যে হাঁটা দিলাম, আসার পথে পড়লাম ঝুম বৃষ্টিতে, পানি যেন গায়ে সুঁচের মত ফুটছে। সবাই কোন রকমে রেইনকোট, পান্চো দিয়ে মুখ ঢেকে বাতাসের সাথে পাল্লা দিয়ে হেঁটে চলেছি....
৯. ছেড়াদিয়া র পথে:

১০. ছেড়াদিয়া র পথে:

১১. চল স্কুলে যাই:

১২. ছেড়াদিয়া র পথে:

১৩. ছেড়াদিয়া:

১৪. ছেড়াদিয়া:

১৫. বাংলাদেশের সর্বদক্ষিন প্রান্তে ফটোসেশন:

১৬. ছেড়াদিয়া থেকে ফেরার পথে বৃস্টিতে সবাই কাহিল:

১৭. ছেড়াদিয়া থেকে ফেরার পথে:

১৮. ছেড়াদিয়া থেকে ফেরার পথে:

১৯. মন্জু ভাইকে ভুতের ভয় দেখানোর প্রস্তুতি.... যদিও ভয় পেলো মিতু ও পলাশ:

আসার দিন শুনলাম খারাপ আবহাওয়ার জন্য নৌকা ছাড়ার কোন ঠিক নাই, আমরা সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত ঘাটে বসে রইলাম। শেষ পর্যন্ত আকাশ একটু পরিস্কার হলে আর ঢেউ কমলে কোস্ট গার্ডের অনুমতি নিয়ে নৌকা ছাড়লো। আমরা সবাই অবাক, পুকুরের পানির মত শান্ত তখন সাগর, অথচ ঘন্টা খানেক আগে তা ছিল উত্তাল ও ভয়ংকর।
২০. শেষ দিন, এইবার বাড়ি ফেরার পালা:

২১. শান্ত সমুদ্রে সবাই নৌকার সামনে ফটো সেশনে ব্যাস্ত:

২২. শাহ পরীর দ্বীপ:

২৩. টেকনাফে মাছের নৌকা:

২৪. মাছ:

এই ট্রিপের সকলের তোলা ছবি ও ভিডিও দেখতে দেখুন "ভ্রমন বাংলাদেশের" ফেসবুক গ্রুপ ও পেজ:
"ট্রাভেলারস অফ বাংলাদেশ" ফেসবুক গ্রুপ
(নোট: একদম শুরুর ছবিটা তুলেছেন ফয়সাল ভাই)
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সেন্ট মারটিন, নারিকেল জিন্জিরা, রাব্বি, ভ্রমন ;
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:১৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: এইবার দেখুন।
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
দারুন! প্রথমটা আর ৮নং বিশেষ করে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। প্রথম ছবিটা ব্লগার ফয়সাল এর তোলা।
সুবিদ্ বলেছেন:
অসাধারণ........
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ.......
লেখক বলেছেন: ![]()
শীতে যেয়েন.....
বর্ষায় গেলে আমাদের গালি দিবেন না কিন্তু।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
খুব সুন্দর। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।
লেখক বলেছেন: ![]()
ফেসবুকে আমাদের গ্রুপে নাম লিখান, পরের মজার মজার ট্রিপ গুলোর খবর পেয়ে যাবেন।
নেক্সট মাসের ১২ তারিখে কেউকারাডং যাচ্ছি বর্ষায়।
ঘাসফুল বলেছেন:
এককথায় অসাধারন!!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
অসাধারণ, খুব যেতে ইচ্ছে করছে। ১১ নাম্বার ছবিটার থিম খুব ভালো। প্রথম এবং ৮ নাম্বার ছবি দুটো চমৎকার হয়েছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মন্ত্যবের জন্য।
লেখক বলেছেন: সেন্ট মার্টিন দ্বীপ কে..... ওখানে যা তুলি তাই সুন্দর আসে।
মুহিব বলেছেন:
আজও পর্যটক হতে পারি নাই। আপনাদের মত বন্ধুও পাই নাই।
লেখক বলেছেন: আমরা বন্ধু হওয়ার জন্য পথ চেয়ে আছি, আমাদের ফেসবুক গ্রুপ এ যোগ দিন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আপনার লেখা টা পড়লাম, ছবি গুলো চমৎকার। আমার গত কয়েকবছরের সেন্ট মার্টিন এর ছবি দেখুন এইখানে:
I Wish I live there......
Vora Purnimay Borsha Japon
মনসুর খালিদ বলেছেন:
অসাধারণ........
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ.................
ভাইরে আমার বন্ধু সবগুলার হইলো মুরগীর কলিজা। ওরা বর্ষার সময় পদ্মাতেই যেতে চায়না, আবার সেন্ট মার্টিন
লেখক বলেছেন: আপনার টা কি অবস্থা? পাহাড়ে যাবেন নাকি এই বর্ষায়? ![]()
লেখক বলেছেন: আচ্ছা বলব।
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন:
সীমানা পেরিয়ে রিসোর্টে ছিলেন ? কামরুল ছিলো ? ভরা পূর্ণিমা, ভরা অমাবস্যা আর ভরা বরষায় প্রবাল দ্বীপ, অপূর্ব ! ছবিগুলো দা-----রু-----ন হয়েছে, থ্যাংকু।
লেখক বলেছেন: সীমানা পেরিয়ে, কামরুল ছিল।
আমাবষ্যা ২ বার পেয়েছিলাম আগে, সমুদ্রে ফসফরাসের জন্য যেন আগুন ধরে যায়।
লেখক বলেছেন: আসলেই জটিল ছিল ট্রিপ টা।
যীশূ বলেছেন:
দারুন অভিজ্ঞতা!
লেখক বলেছেন: ভয়াবহ ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: আপনি কিন্তু ভুলেও আমার পূর্বের পোস্ট গুলা দেখবেন না,,,,, হিংসায় জ্বলে পুড়ে শেষ হয়ে যাবেন ![]()
দীপান্বিতা বলেছেন:
দেখতে২ আমাদের দীঘা, শংকরপুরের কথা মনে আসছে ......
লেখক বলেছেন: কোথায় সেটা? চলেন ঘুরে আসি দীঘা শংকরপুর থেকে।
সব ঠিক আছে, ছবিগুলিও সুন্দর কিন্তু ট্রলারে করে সমুদ্র যাত্রা এই বর্ষায় ???
উচিত না, বিপদ হলে আর দেখতে হত না আলো।
লেখক বলেছেন: সিনবাদ মাঝ পথে যেয়ে ফিরে গেছিল ঐ দিন।
তবে এই ট্রলার গুলা সমুদ্রে চলার জন্যই তৈরী, খুব কম নাকি ডুবে (যদিও ভয়ে হাত পা পেটের মধ্যে সেধিয়ে গেছিল আমার।)
আমরা একটু এক্সাইটমেন্ট আনার জন্যই এই রকম অদ্ভুত ট্রিপ করেছিলাম। আগামি মাসে বর্ষার মাঝে পাহাড়ে যাব পাহাড়ি ঝিরি পথ ধরে ![]()
লেখক বলেছেন: লিংক দেয়া আছে, ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন। ফেসবুক না থাকলে http://groups.google.com.bd/group/adventurebd/ এই গুগল গ্রুপে নাম লিখান.... পরেরবার খবর পেয়ে যাবেন।
লেখক বলেছেন: মন খারাপ করে লাভ নাই, না গেলে এমনই হয়
![]()
নেক্সটটাইম যাবার আগে খবর দিবেন কইলাম....আপাতত দেশে আছি কিছুদিন।।।।
লেখক বলেছেন: গুগল গ্রুপ টা আমরা ছাড়াও আরো কিছু এডভেন্চার ক্লাব ব্যাভার করে, ইনফরমেশন ভালই পাবেন আশা করি। নেক্সট টুর ১২ আগস্ট-১৫ আগস্ট বান্দরবনের পাহাড়ে ট্রেকিং।
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
ছেড়াদিয়া মানে কি ছেড়া দ্বীপ, ওখানে কি হেঁটেই যাওয়া যায়? আমি তো দেখেছিলাম সবাই ট্রলারে যায়।ছবি এবং লেখা দুটোতেই অনেক গুলো প্লাস।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ছেড়াদিয়া-ই ছেড়াদ্বীপ। ভাটার সময় হেঁটে যাওয়া যায়, অনেক মজা। কিছুটা পথ হাটু পানি/কোমর পানি থাকে অন্য সময়।
সৌম্য বলেছেন:
রাব্বি ভাই। নৌকার মধ্যে দেখি টুটু ভাই মুখে গামছা দিয়া ঘুমায়। কেমনে সম্ভব?? বীচ হাইকিং এর আগে (আমার জন্যে মহেশখালী) বাসে ১৪ঘন্টার জার্নির সময়ও দেখি উনি নিজের সীটে বসে ইশতিয়াকের কোলে ঠ্যাং তুলে দিলেন ঘুম। মিস্টার বীনে দেখছি রোলার কোস্টারে উঠে বীন ঘুমায় গেছে। আর আজকে দেখলাম উত্তাল সাগরে (ভিডিও যা দেখছি) এই বাদামের খোসার মত ট্রলারে টুটু ভাই ঘুমাইতেছেন। এইটা কেমনে হইলো?
লেখক বলেছেন: ঐটা ফেরত আসার সময়। যাওয়ার সময় উনি যা দেখেছেন তার তুলনাই আসার দিন ছিল প্রশান্তিময়, সাগর যেন ছোট্ট বেলার গোসল করার গামলার পানি ![]()
ঐ শান্তিতে উনি ঘুম দিয়েছেন।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
যেমন শিরোনাম, তেমন ছবি! রবিনসন ক্রুসো ভাব আছে। প্রথম ছবিতে বাম থেকে ২য় জন তো ভালই ক্যাপটেন হ্যাডাক ভাব নিছেন! লেখক বলেছেন: হা হা হা..... আমি নাই ঐ ছবি তে। ক্যাপটেন হ্যাডক তো মনে হয় বরফের মধ্যে নিয়ে জাহাজ আটকাতো......এখানে এরা বালুর মধ্যে ![]()
রবিনসন ক্রুসো না, সুইস ফ্যামিলি রবিনসন এর মত, অনেক বড়গ্রুপ ছিলাম তো।
জুহো. বলেছেন:
দুর্দান্ত ! অসাধারন !!সেন্ট মার্টিন ঘুরতে যাব এই চিন্তায় থাকতে থাকতেই আপনার লেখাটা পেয়ে গেলাম। যদিও এ ধরনের দুর্ধষ্য এডভেঞ্চার আমার ইহজনমে হবে না। তবে আপনার লেখা পড়ে পড়েই সে ধরনের একটু সাধ নিচ্ছি।
এক নিঃশাস্বে পড়তে পারিনি ব্যস্ততার কারনে। রয়ে সয়ে পড়লাম। এ লেখাটা, অন্য লেখাগুলো, এবং লিংকটা।
আপনি তো ভাই দেখছি একজন international trekker. কোথায় ছিলেন এতদিন ? এ রকম একজন কে সামু তে পেয়ে...যারপরনাই আনন্দিত। আপনার নানা প্রান্তরে ছুটে চলার চিত্রায়ন, আর ধারাভাষ্য... অতূলনীয়।
লিংকটার লেখা অবশ্য পড়া যাচ্ছে না। কি ফন্ট দিয়েছেন ?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে আমার লেখা গুলো পড়ার জন্য সময় করে।
কাজের প্রয়োজনে কখন বিদেশ গেলে চেস্টা করি হোটেলে বসে না থেকে একটু সময় করে ঘুরে নিতে। আর দেশে তো ইচ্ছা হলেই ছুটি ম্যানেজ করে দৌড় দেই ঘুরতে।
কোন লিংক পড়া যায় না? এই লেখার ২ টা লিংক ফেসবুকের লিংক।
জুহো. বলেছেন:
ঐ যে s21rc.net (আমার ওয়েব সাইট) এ যে লিংকটা দেওয়া।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। ঐ খানে বাংলা গুলো সোলাইমান লিপি তে লেখা, সোলাইমান লিপি না পেলে এরিয়াল ইউনিকোড এ দেখানোর কথা......
ইংলিশ গুলো নরমাল ওয়েব এর ডিফল্ট ফন্ট, স্যান সেরিফ বা তাহোমা হবে।
বাংলা কি আসছে না আপনার ওখানে?
অগ্নির বলেছেন:
এইসব কান্দাকাটি পাবলিক নিয়ে আসলেই অসহ্য বিরক্ত লাগে। কোন সিরিয়াস অ্যাডভেঞ্চারই মনমত করতে পারলামনা এদের জন্য। কি করব আর দুধের স্বাদ ঘোলেই মিটাই। আপনার ছবিগুলি দেখে হিংসা হচ্ছে।
লেখক বলেছেন: কান্দাকাটি পাবলিক এক দুইটা থাকবেই গ্রুপে...... ফেসবুকে আমাদের Travellers of bangladesh গ্রুপে যোগ দিন এমন ট্রিপ করতে চাইলে। আরো দেখুন http://www.banglatrek.org
মুহিব বলেছেন:
আজও পড়ি আর রোমাঞ্চিত হই।
লেখক বলেছেন: শুধু মাত্র না পড়ে আমাদের সাথে রঔনা দেন নেক্সট বার।
সাব্বির সবার জন্য বলেছেন:
যেতে চাই আপনাদের সাথে??? নিবেন তো?
লেখক বলেছেন: আমাদের টিম এখন বান্দরবনে, কেউকারাডং এর উদ্দেশ্যে হেঁটে চলেছে। আোবশ্যই নিব, খেয়াল রাখুন আমাদের ফেসবুক গ্রুপ ট্রাভেলারস অফ বাংলাদেশ এ, http://tb.banglatrek.org বা http://www.banglatrek.org
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















ছবি গুলা দেখতে ইচ্ছা করছে।