আজকের দৈনিক ইত্তেফাক ( ১০ ইজুন, ২০০৯, বুধবার)-এর শেষের পাতার নিম্ন অর্দ্ধাংশের ৫ কলামে উপরোক্ত শিরোনামের খবরটি পড়লেও পরবর্তীতে নেট ভার্সনে খবরটি আর খুজে পেলাম না। এমনকি ইত্তেফাকের ওয়েবের প্রিন্ট ভার্সনে সকল খবর থাকলেও কেবল এই বিশেষ খবরটি পরিলক্ষিত হল না। বিষয়টি রহস্যজনক। (নাকি আমার দৃষ্টিবিভ্রম?) আচ্ছা সবাই একতরফা এদের কার্যক্রমকে খারাপ বলে কেন?
খবরটি এমন ছিলঃ
ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে একতরফা সুদের ব্যবসা করার অভিযোগ
(ইত্তেফাক রিপোর্ট)
ইসলামী শরিয়ার দোহাই দিয়ে সুদভিত্তিক ব্যবসা করছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত সাংবাদিক সন্মেলনে এই দাবি করেন হায়দরী কম্পোজিট নিটওয়্যার লিমিটেডের এম ডি ও সাবেক সংস্থাপন সচিব এ এফএম সোলায়মান চৌধুরী। তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংক মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে মানুষকে প্রতারণা করে। কার্য়ত অন্যান্য ব্যাংকের তুলনায় ইসলামী ব্যাংকের সুদের হার বেশি। ব্যাংক লাভ-লোকসানের দায়ভার গ্রহণ করছে না। লভ্যাংম গ্রহণ করে ক্ষতির দায় চাচিয়ে দিচ্ছে ঋণ গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো উপর। তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংক শরিয়াহ আইনের নামে প্রতারণা করে আসছে। এতে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হায়দরী কম্পোজিট নীটওয়্যার লিমিটেড ব্যবপক ক্ষতিগ্রস্থ ও প্রতারিত হয়েছে। কোম্পানিটি ক্ষতিপূরণ ও প্রতিকার চেয়ে আদালতে মামলা করেছে। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংক একটি সুদভিত্তিক প্রতিষ্ঠান। ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী বার্ষিক রেট অফ রিটার্ন ব্যাংক ও মক্কেল পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে নির্ধারণ করার কথা থাকলেও ইসলামী ব্যাংক এক তরফা বার্ষিক রেট অফ রিটার্ন করে তা মক্কেলদের উপর চাপিে য় দিচ্ছে। অন্যান্য ব্যাংকের সাথে ইসলামী ব্যাংকের মৌলিক কোন পার্থক্য নেই। এই ব্যাংক শরিয়াহ আইন দ্বারা প্রণতি কোন বিধি-বিধান মানে না। শরিয়াহ আইনে প্রণীত ম্যানুয়াল কোন মক্কেলকে সরবরাহ করে না। শরিয়াহ ম্যানুয়াল রক্ষিত নেই। গ্রাহকদের জন্য আইনের যথাযথ প্রয়োগ ঘটলেও তা ব্যাংকের ক্ষেত্রে মানা হচ্ছে না। তিনি বলেন, এই ব্যাংকের প্রতারণার কারণে তার প্রতিষ্ঠান সাড়ে ৫ কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীর হয়েছে। তিনি এর প্রতিকার দাবি করেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


