শবে বরাত নিয়ে বাতিল মতবাদের অনুসারীরা সর্বদাই বিভ্রান্তি সৃষ্টির পায়তারায় রত থাকে। তারা দাবী করে নিসফে শাবান বা শবে বরাত কোন বিশেষ বৈশিষ্টমন্ডিত রাত নয়। তারা তাদের বক্তব্যে সমর্থনে এও বলে থাকে যে হাদীস শরিফে নিসফে শাবানের কোন উল্লেখ নেই। তাদের এ অভিশপ্ত অপপ্রচারে সরলপ্রাণ মুসলিমরা যেন বিভ্রান্ত না হন এ জন্য গতকালকের ইত্তেফাকে প্রকাশিত ফিচার থেকে কিছু অংশ উদ্ধৃত করলাম।
উল্লেখ্য, কোন বিষয় গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য তার অনুকূলে একটি সহীহ হাদীসই যথেষ্ট।
কুরআন-সুন্নাহর আলোকে শবে বরাত : ফযীলত ও আমল
ডঃ খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
গ্রন্থনাঃ আব্দুল্লাহ আল বাকী
(দৈনিক ইত্তেফাকঃ ৩ অগাস্ট, ২০০৯ ইং- ধর্ম চিন্তা বিভাগ)
আয়শা (রা.) বলেন, এক রাতে আমি রাসূলুল্লাহকে খুঁজে পেলাম না। তখন বের হয়ে দেখি তিনি বাক্বী’তে (আকাশের দিকে মাথা উঁচু করে) রয়েছেন। তিনি বললেন, তুমি কি আশংকা করছিলে যে, আল্লাহ ও তাঁর রাসুল তোমার উপর অবিচার করবেন! আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল, আমি ধারণা করেছিলাম যে, আপনি আপনার অন্য কোন স্ত্রীর নিকট গমন করেছেন। তখন তিনি বলেন, মহিমান্বিত পরাক্রান্ত আল্লাহ মধ্য শাবনের রাতে দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন এবং ‘কালব’ গোত্রের মেষপালের পশমের অধিক সংখ্যককে ক্ষমা করেন।
এ হাদীসটি তিরমিযী, ইবনু মাজাহ এবং আহমদ বিন হাম্বল একই সনদে আহমদ ইবনু মানী থেকে, তিনি ইয়াযিদ ইবনু হারূন থেকে, তিনি হাজ্জাজ ইবনু আরত্বা থেকে, তিনি ইয়াহয়িয়া ইবনু আবি কাসীর থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়শা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন। (তিরমিজি)
আলী (রা
এ হদীসটি ইমাম ইবনু মাজাহ তাঁর উস্তাদ হাসান বিন আলী আল-খাল্লাল থেকে, তিনি আব্দুর রাজ্জাক থেকে, তিনি ইবনু আবি সাবরাহ থেকে, তিনি ইবরাহীম বিন মুহাম্মদ থেকে, তিনি মুয়াবিয়া বিন আব্দুল্লাহ বিন জাফর থেকে, তিনি তাঁর পিতা আব্দুলাহ বিন জাফর থেকে, তিনি আলী ইবনু আবী তালিব (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন। (ইবন মাজাহ)
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


