(এ লেখাটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাজমুল হাসান কলিমুল্লাহ’র সাথে একটি সাক্ষাৎকারের উপর ভিত্তি করে রচিত।
-লেখক ইরশাদ আলম
বিদেশ হতে সাময়িক অবস্থানের জন্য বা পর্যটক রূপে বেড়াতে আগত বা আগত ইহুদীরা ছাড়াও বাংলাদেশে বেশ কয়েক শত দেশীয় ইহুদী নাগরিকের অধিবাস রয়েছে। তারা মূলত: বাগদাদ হতে আগত ইহুদী যারা কয়েক শত বছর পূর্বে ইরাক হতে এদেশে আগমন করে। তারা ছিল মূলত ব্যবসায়ী। ঐতিহাসিকভাবে, আর্মেনিয়ানদের পাশাপাশি তারা ব্যাবসা-বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
পুরানো ঢাকার ওয়ারি, আরমেনিয়ান কোয়ার্টার প্রভৃতি এলাকায় মূলত তাদের অধিবাস। বর্তমান সময়ে তারা নিজেদের ইহুদি পরিচয় প্রকাশের ক্ষেত্রে নিভৃতচারী এবং কোন কোন ক্ষেত্রে নিজেদের ইহুদি হিসেবে অস্বীকারই করে; তারা বরং নিজেদের পরিচিতি দেয় ‘জীহোভা’র সাক্ষী’ Jehovah's Witnesses রূপে আখ্যায়িত করে। তাদের অনেকেই এদেশের গার্মেন্টস শিল্পে নিয়োজিত রয়েছেন।
এ সকল ইহুদিদের মাঝে অনেকেই ১৯৪৭ সালে এদেশ ছেড়ে ভারতে পাড়ি জমান। পরবর্তীতে, ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের সময় তাদের মধ্য হতে আরো বেশ কিছু সংখ্যক এদেশ ত্যাগ করে । বিভিন্ন সময়ে অনেকেই ইউরোপ/আমেরিকা এবং ইসরায়েলে পাড়ি জমান।
তারা হচ্ছে কাবালাহ- () এর অনুসারী আধ্যাত্মিক স¤প্রদায়। তাদের পক্ষে ইহুদী ধর্মীয় অনুশাসন এবং আচারসমূহ পালন খুবই কঠিন। এখানে তাদের ধর্মীয় উপাসনালয় কোন সিনাগগ-ও (synagogue) নেই। তাদের পুরাতন সিনাগগ বিল্ডিংটি ১৯৬০ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার কর্র্তৃক অধিগৃহিত হয়। ভবনটি যদিও এখনও বর্তমান কিন্তু এখন তা বাংলাদেশ সরকারের একটি দপ্তর-ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
নিবন্ধের লেখকের ( ইরশাদ আলম)মতে যদি আমেরিকা বা ইউরোপের কোন কাবালাহ্ (Kabbalah) পন্থী আধ্যাত্মিক ইহুদি গোত্র এসে তাদের ধর্মীয় জীবন পালনে সহায়তা করত তবে তা সত্যিই খুব ভালো হত।
এই লেখাটি ডিসেম্বর২০০৯ সালে ঢাকা ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক নাজমুল হাসান কলিমুল্লাহর সাথে অনুষ্ঠিত সাক্ষাৎকারের উপর নির্ভর করে লেখা।
(একটি ওয়েবসাইটে লেখাটি পড়ে খুব ইন্টারেস্টিং মনে হল এবং ব্লগারদের সাথে শেয়ার করতে মন চাইল। যদিও জানি অনুবাদটি খুবই কাচা হাতের তারপরও একটু চেষ্টা করলাম। পাশাপাশি মূল ওয়েবের লিন্কটিও দিয়ে দিলাম। উল্লেখ্য মূল লেখকের অনুমতি সংগ্রহ করা হয়েছে। আমার ধারনা ব্লগারদের মাঝ থেকে এ বিষয়ে আরো অনেক তথ্য জানতে পারবে।
****উল্লেখ্য, কাবালাহ (Kabbalah) একটি হিব্রু শব্দ, যারইংরেজি প্রতিরূপ রিসিভিং, যা বাংলায়দাঁড়ায় 'গ্রহণ করা'। কাবালাহ মূলত ইহুদি ধর্মের একটি বিশেষ আধ্যাত্দিক সংস্করণ।)
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



