১৮+ তো অনেকই শেয়ার করলাম। এইবার তাই ভিন্ন কিছু। স্পেশালিটি হৈল দুইডা ঘটনাই সইত্য।
ঘটনা-১: আমার এক বন্ধুর আম্মা ট্রেনে যাইতেছিলেন। আন্টির সিটের উল্টোদিকে এক দম্পতি বসা ছিল। সাথে ৩-৪ বছরের বাচ্চা। এই বয়সের বাচ্চারা সাধারণত খুব কৌতুহলী হয়। চারপাশেপাশে যা দেখে সেইডাতেই তাদের অসম্ভব কৌতুহল এবং "এইডা কী?", "ওইডা কী?", "এইডা কেমতে চলে?" টাইপ প্রশ্ন কইরা বাপ-মা,চাচা-চাচি, মামা-মামী, খালা-খালু সবার মিজাজ বিলা কইরা ফালায়.....
এই পিচ্চিও যথারীতি প্রশ্নের পর প্রশ্ন কইরা ওর আব্বার কালো ঘাম ছুটায় দিতেছিল। পথের মধ্য কোন এক জায়গায় হঠাৎ ট্রেন দাড়াইয়া পড়ল।
অমনি পিচ্চি বিজ্ঞের মত বইলা উঠল, "আব্বু, ট্রেনের চাক্কা পাংচার হইয়া গেসে। এখন আমরা যামু কেমনে?" !!
ঘটনা-২: আমার মামাতো বইন নিধি। বয়স সাড়ে ৩ বছর। এই বয়সেই তার লাজ-লজ্জা এট্টু বেশি। :#> :#>
আমগো বাসায় বেড়াইতে আসলে তারে যদি ১০ টা কথা জিগাই, সে উত্তর দেয় ২ টা কথার। কোন কিছু ভাল লাগলে বা কোন খেলনা পছন্দ হইলেও সে সরাসরি মুখ ফুইটা ঐডা চাইব না। খেলনার সামনে যাইয়া খাড়াইয়া থাকে না হইলে ঘুরাইয়া কয়, "ঐ খেলনাডা দিয়া খেলতে মনে হয় খুব ভালা লাগবো।"
ওর যত অভাব-অভিযোগ সব ওর আম্মার জন্য তুইলা রাখে। রিসেন্টলি সে আব্দার ধরসে তারে একখান ইশকুল কিইন্যা দিতে হইব। (শুইন্যা আমার তো কস কীরে মমিন অবস্থা!)
মামী ওরে অনেক বুঝানোর চেষ্টা কইরা ব্যর্থতার পর ওরে স্কুলে নিয়া গেলেন। সেইখানে গোটা স্কুল ঘুইরা দেখানোর পর বললেন, "আম্মাজান, তুমি কি এই ইশকুলে পড়াশোনা করতে আসতে চাও? তুমারে ভর্তি কইরা দিমু?"
নিধির উত্তর, "না। তুমি আমারে একটা ইশকুল কিইন্যা দাও।"
এইবার ভিন্ন উপায় খাটানোর পালা। মামী ওর জন্য ছোট চেয়ার, টেবিল আর নতুন কিসু বই কিইন্যা আইনা ওরে কইলেন, "আম্মা, এই দেখ তুমার নয়া স্কুল। এখন থিকা তুমি এইখানে পড়বা।"
নিধি এইবার কয়, "আমি তো এই স্কুল চাই নাই। সেইদিন যেই ইশকুলে নিয়া গেসিলা, আমারে সেইরাম একখান ইশকুল কিইন্যা আইনা দিতে হইবেক। "

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




