পৃথিবীর মধ্যে যে প্রাণীটিকে সবচেয়ে ভয় আর ঘৃনা করি সেটা হলো সাপ।
যার ভাল নাম হলো সর্প, নাগ, সার্পেন্ট।
দেখলেই কেমন একটা গা শিরশিরে অনুভূতি হয়, এক দৌড়ে পালিয়ে যেতে ইচ্ছা করে। তারপরও সাপের গল্প পড়তে, ছবি আর সিনেমা গুলো দেখতে ভালই লাগে।
আজ নেট ঘাটতে ঘাটতে কিছু সুন্দরী সাপের ছবি পাওয়া গেলো, ভাবলাম শেয়ার করি আপনাদের সাথে!! আগে থেকেই বলে রাখি এদের দু এক জন ছাড়া কারোই নাম পরিচয় জানি না...........
অ্যান্টার্কটিকা ছাড়া সকল আর সকল মহাদেশেই সাপের উপস্থিতি দেখা যায়। সাপের মধ্যে আকৃতিতে সবচেয়ে ছোট হলো থ্রেড সাপ ১০ সে.মি. আর সবচেয়ে লম্বা ও মোটা অজগর ও অ্যানাকোন্ডা। এদের দৈর্ঘ্য ২৫ ফুট বা ৭.৬ মিটার পর্যন্ত হতে পারে।
ইনার নামই থ্রেড.....
সম্প্রতি একটা টাইটানওবোয়া নামের একট সাপের জীবাশ্ম পাওয়া গেছে, যার দৈর্ঘ্য ১৩ মিটার বা ৪৩ ফুট লম্বা (ভাগ্যিস এই ব্যাটা এখন বিলুপ্ত হয়েছে
মি: গ্রীন পাইথন
পৃথিবীতে মোট ২৯০০ প্রজাতির সাপ আছে, যার বেশির ভাগই হলো নির্বিষ। আর যেগুলো বিষধর সেগুলোও আত্মরক্ষার চেয়ে শিকার করার সময় বিভিন্ন প্রাণীকে ঘায়েল করতেই বিষের ব্যবহার বেশি করে।
এবার দেখে নেই সাপের উৎপত্তি সম্পর্কে আমাদের প্রাচীন গ্রন্থ গুলো কি বলছে.............
বরাহ পূরাণ অনুসারে অনুসারে নাগ বা সাপ হলো নরাকার দেবযোনি বিশেষ। এরা বাস করে পাতালে, এই পাতালই হলো নাগলোক।
ব্রহ্মা জগৎ সৃষ্টি করার সাথে সাথে মহির্ষি কশ্যপের জন্ম হয়। পরে তিনি দক্ষের কন্যা কদ্রু কে বিয়ে করেন। কশ্যপ একদিন তাকে বর দিতে চাইলে তিনি সহস্র নাগ পুত্র বর চান। কশ্যপের বরে তখন কদ্র্রূর হাজার ডিম প্রসব করেণ।
পাঁচশো বছর পরে এই ডিম ভেঙ্গে সাপেদের জন্ম হয়। এদের মধ্যে বিখ্যাত আর বলশালী হলেন অনন্ত শেষনাগ, বাসুকি (একেই সমুদ্র মন্থনের সময় দড়ির মতো ব্যবহার করা হয়েছিল), শঙ্খ, পদ্ম, কুলিক, কর্কোটক, কম্বল আর মহাপদ্ম। এই আট জনকে এক সাথে অষ্টনাগও বাল হয়।
এর নাম মনসা হলে খুব মানাতো, তাই না?
ও ভাল কথা, মনসার পরিচয় দিয়ে দেই, উনি হলেন নাগরাজ বাসুকির বোন, ইনিই সাপেদের দেবী।
আর এর নাম বাসুকি হলো ভাল হতো
ধীরে ধীরে কশ্যপের এই পুত্র কন্যাদের সন্তান সন্ততিদের সংখ্যা বাড়তে থাকে আর সারা পৃথিবী ছড়িয়ে পরে।এই সাপেরা খুব বিষধর আর কুটিল ছিল। যাকে দংশন করতো সাথে সাথে তার মৃত্যু হতো।
তাদের বিষে জর্জরিত হয়ে মানুষেরা অতিষ্ট হয়ে ব্রহ্মার স্তুতি করতে থাকে। ব্রহ্মা তখন বাসুকি অনান্য সাপেদের ডেকে পাঠান আর তাদের সংযত হতে বলেন, তা না হলে অভিশাপে কল্পান্তরে ক্ষয় হয়ে যাবার হুমকি দেন
যদিও বি-গিয়ানী গন বলছেন যে, দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকায় পাওয়া ১৫ কোটি বছরের পুরোনো নমুনা থেকে সাপের অস্তিত্ত্ব বোঝা যায়, সেটার গঠন বর্তমানকালের গিরগিটির মতো। তুলনামূলক শারীরস্থানবিদ্যার ওপর ভিত্তি করে এই ঐকমত্যে পৌঁছানো গেছে যে গিরগিটি থেকেই সাপের উৎপত্তি

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

