অনেকদিন পরে এবার ঈদের ছুটিতে যেতে পারলাম আমার শৈশবের স্মৃতি জড়ানো সেই শান্ত শ্যামল গ্রামে, যদিও সেটা এখন আর আগের মতন পাখি ডাকা গ্রাম নেই। শহুরে যান্ত্রিকতা ওকে প্রায় ছুয়ে ফেলেছে, তার কঠিন হাত দিয়ে!
তা স্বত্বেও ওখানে এখনও যে প্রাকৃতিক প্রাচুর্যতা আছে তাতে কিছুদিন কাটিয়ে আসলে অনায়াসে অনেকদিনের জীবনিশক্তি সঞ্চিত হয়।
কোথায় পবো এমন কুয়াশার চাদর মুড়ি দেয়া সূর্যোদয়? গাছের পাতার ফাঁকে ভোরের প্রথম আলোর লুকোচুরি।
এমন সোনা রং কি কোন ফটোশপে পাওয়া যাবে?
মজার একটা জিনিস খেয়াল করলাম, শীতের সকালে ধান গাছ গুলো সব এমন নুয়ে থাকে, যেনবা ওদেরও আদুরে বাচ্চার মতন ঘুম ভেঙ্গে উঠতে ইচ্ছা করছে না! বেলা বাড়ার সাথে সাথে আবার "সোজা হও"!
ধ্যানী বক, বুকের মাঝে লুকিয়ে রেখেছে বরফ শুভ্রতা।
বন্যা প্রতিরক্ষা করতে যেয়ে নিজেই ভেঙ্গে খানখান।
সাপের খেলাও দেখেতে গেলাম একদিন, ওখানেই এর সাথে দেখা, কি গর্বিত তার ভঙ্গি, আর হবেই বা না কেন, উনি তো রাজগোখরা!
এটাকে কি বলে জানেনতো "আইট্টা কলা"........বিখ্যাত আইট্টা কলা
আমাদের ওখানে ঈদের পরদিন দারুন একটা ফুটবল খেলা হয়, পুরাতন খেলোয়ার ভার্সেস নতুন। উনি দূর্দান্ত খেলেছেন সেদিন, অসাধারণ ডেডিকেশন, আসলেই প্রবীনদের কাছে থেকে অনেক কিছু আছে শেখার.....
বড়শিতে মাছ ধরা খুব ধৈর্য্যের কাজ, আমি দু'দিন ট্রাই করে দুটো পুটি মাছ ধরেছিলাম
তাতেই এত খুশি লাগছিল, মনে হচ্ছিল তিমি ধরেছি একটা
এটা অবশ্য সোহার বাবার কৃর্তী
অনেকক্ষন ধরে ধৈর্য্য ধরে আমার হাবিজাবি লেখা পড়া আর ছবি দেখার জণ্য অনেক ধন্যবাদ
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



