আমার প্রিয় পোস্ট

লজ্জা

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:০৬

শেয়ারঃ
0 0 0



মুন্নি খুব ভোর বেলা ঘুম থেকে উঠে পরেছে আজ। আজ স্কুলে নতুন ক্লাসের প্রথম দিন তার। নতুন বই নতুন খাতা ছোট্ট ব্যাগে নিয়েছে। তার পাশেই টিফিন রাখা। আর হাতে পানির বোতল। যদিও ক্লাসে যেতে তার খুব ভয় লাগে। এত দিনের চেনা ক্লাসের সবাইকে অচেনা মনে হয়। কথা বলতেও ভয় লাগে। সবাই এত ভালো পড়াশোনায়। আর সে তো কিচ্ছু না। মন পরে থাকে কখন ঘণ্টা বাজবে আর ছুটি হবে। দৌড়ে বাসায় যাবে আর খেলতে নামবে।
শেষ ক্লাসে ইংরেজি নিচ্ছেন একজন ম্যাম। খুব সুন্দর করে বুঝিয়ে দিলেন। মুন্নি মন দিয়ে শুনে। বাহ ভালোই তো। সব বুঝে যাচ্ছে সে। কিন্তু ভয় পেয়ে যায় যখন দেখে, ম্যাম সবাইকে কিছু না কিছু জিজ্ঞেস করছে। মুন্নি জানে, প্রশ্ন টা তার জানা হলেও সে বলতে পারবে না। ভয়ে কাঠ হয়ে বসে থাকে সে। এক এক করে মুন্নির কাছে আসে ম্যাম। মুন্নি ভয়ে ভয়ে উঠে দাঁড়ায়। হাত পা শক্ত হয়ে গেছে। হাজার চেষ্টা করেও গলা দিয়ে কোন কথা বের হচ্ছে না! মুন্নির কানে যাচ্ছে ম্যাম জিজ্ঞেস করছে কিছু। কিন্তু কিছুই বলতে পারছে না। যেন তার জিহবা জমে গেছে। ম্যাম মনে হয় বিরক্ত হলেন। চক হাতে দিলেন। বললেন, যাও বোর্ডে যেয়ে লেখ। মুন্নির মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পরে। সে মুখেই কিছু বলতে পারছে না সে লিখবে কি করে! ভয়ে ভয়ে বোর্ডের সামনে দাঁড়ায়। কালো বোর্ডের লেখা গুলো যেন তার দিকে তাকিয়ে হাসছে। মুন্নি হাজার হাতরেও কিছু খুজে পায়না। সব যেন আজ গুলিয়ে গেছে। সব কিছু একই মনে হচ্ছে। মাথা যেন ফাঁকা। কিছুই নেই। শূন্য সব। বোর্ডে তাকিয়ে ভাবতে ভাবতেই ঘণ্টা পরে গেছে। মুন্নি ভীষন লজ্জায় ম্যাম চলে যাবার আগে আর মুখ তুলে না। ম্যাম চলে যাবার পরে কেউ প্রশ্ন করার আগে সবার থেকে পালানোর জন্য ক্লাস থেকে বের হয়ে যায়।

পড়াশোনা সব ভুলে মুন্নি এক দৌড়ে বাসায়। কোন রকম কিছু নাস্তা খেয়েই লাফ দিয়ে খেলতে নেমে গেল। তারপর কে তাকে আটকায়! সব ভুলে গেছে সে। দুপুরে বাসায় ফিরে খেয়ে ঘুম। বিকেলে খেলতে যাওয়া।
সন্ধ্যায় মা মনে করিয়ে দেয়, এখন স্কুল শুরু হয়েছে, এভাবে সারাদিন ছুটোছুটি চলবে না। পড়তে হবে। সারাদিনের দৌড় ঝাপের ক্লান্তি নিয়ে বই খুলে বসে মুন্নি বাধ্য মেয়ের মত। কিন্তু অভিমানে সে ইংরেজি বই খুলে না। বই হাতেই কখন চোখ লেগে আসে বুঝতেই পারে না।
সকালে ঘুম ভেঙ্গে বই গুছিয়ে স্কুলের পথে।
মুন্নি ক্লাসে এসে দেখে সবাই পড়ছে কিছু। পাশের মেয়েটা বলে কাল পড়া দিয়েছে ম্যাম। জান না? মাথায় যেন বাজ পরে তার! ম্যাম পড়া দিয়েছিল! সে তো জানে না। কাউকে জিজ্ঞেস ও করে নি কাল! এখন কি হবে! বই খুলে পড়ার চেষ্টা করে মুন্নি।
আজ যে কি হবে তার অনুমান করতে পারছে সে। ভয় তার মুখের হাসিটাও কেড়ে নিয়েছে।
মুন্নির বিপদ বাড়াতে যেন ঘণ্টা বাজার সাথে সাথে প্রথম ক্লাসেই ইংরেজি ম্যাম ক্লাসে আসলেন। প্রথমেই মুন্নি কে দাড়া করালেন। কালকের সেই প্রশ্ন টাই তাকে জিজ্ঞেস করলেন। মুন্নি লজ্জা ভয় নিয়ে বুঝতে পারল আজকেও সে কিছুই বলতে পারবে না। সারা ক্লাস তাকে বোর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে থাকার শাস্তি দিয়ে ম্যাম ক্লাস শুরু করলেন। মুন্নি লজ্জা আর ভীষণ ভয় নিয়ে দাঁড়িয়ে রইল। এই ভয় এই লজ্জ্বা সারা জীবনের জন্য মুন্নির সাথী হয়ে গেছে।

*****
আমি জানি সবাই এই গল্প টা পড়ে সহানুভূতি দেখাবে। কিন্তু আমি এটা লেখার কারন, আমার মনে হয়, একটা ছোট্ট মানুষকে সারাজীবনের জন্য একটা কিছুর জন্য অন্ধ করে দেয়ার জন্য এই টুকুই যথেষ্ট।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: বিভাগের নাম  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:২২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:১৬
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: আপনিও আজকে বেশ ভোরে উঠে পড়েছেন দেখছি! :)
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩১

লেখক বলেছেন: :P আমি লিখেই ঘুমাতে গেলাম।

২. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:১৭
অ্যামাটার বলেছেন: 'মুন্নি' টা হল ছদ্ম নাম। মুন্নির যায়গায় 'বাবুনি' মনে মনে পড়তে হবে, এইটা ডিসক্লেইমার:P
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: আমি কি তাহলে সব গুলো নাম পালটে দিব?

৩. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:০৫
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: স্কুলের এক শিক্ষকের অঘোষিত একটা নিয়ম ছিল। ছেলেদের সেকশনে যারা যারা পড়া পারবেনা তাদের বারান্দায় কানে ধরে নিল ডাউন এবং ক্লাশ ক্যাপ্টেনকে দিয়ে "মেয়েদের সেকশনে"র ফাস্র্ট গার্লকে ডেকে আনা। সেই মেয়ের কাজ হল দু'বার করে দু'কানে চারবার নিল ডাউন হয়ে থাকা ছেলেদের কান মলে দেয়া।

লজ্জার আর কী বাকি থাকে?

পিচ্চিরা সব ভাল থাকুক। পড়ালেখা করুক ঠিক মত।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫৭

লেখক বলেছেন: হুম । পিচ্চিরা সব ভাল থাকুক। পড়ালেখা করুক ঠিক মত।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫৮

লেখক বলেছেন: হুম।

৫. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৪৪
প্রবাসী রনি বলেছেন: ছোট বেলার স্মৃতি হৃদয়ে গভীর দাগ কাটে যা থেকে বের হয়ে আশা খুব একটা সহজ কাজ নয়। মুন্নি পরিবর্তে সুপ্তি লিখলে ভালো হতো না।
তার পরও প্লাস
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০২

লেখক বলেছেন: নামে কি আসে যায়! ?

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০২

লেখক বলেছেন: হুম

৭. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:০১
নতুন রাজা বলেছেন: আপু, আপনাকে একটা গোপন কথা বলে যাই। এইরকম ঘটনার কারণেই স্কুল জীবনে আমি ক্লাস সেভেন থেকে টেন পর্যন্ত মাত্র হাতে গোনা কয়েকটা দিন ক্লাস করতাম। অসহ্য লাগতো। মনে হতো আমিতো এই ভাবে পড়তে পারিনা, আমিতো এভাবে চিন্তা করি না...
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০৪

লেখক বলেছেন: এভাবেই দিন গেল।

৮. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০৪
তুষারকনা বলেছেন: "একটা ছোট্ট মানুষকে সারাজীবনের জন্য একটা কিছুর জন্য অন্ধ করে দেয়ার জন্য এই টুকুই যথেষ্ট"

দারুন লিখেছো আপুনি.....
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১৭

লেখক বলেছেন: তাই আপু? লিখতে চেষ্টা করি। মনের মত হয় না। হয়ত একদিন হবে।

৯. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৪
জেরী বলেছেন: সবারই বোধহয় এমন হয়:(


(আমার স্কুল লাইফে এমন হত।টিচাররা কোনকিছু বলতে বললে পারতামনা আবর ঠিকই লিখতে পারতাম।কলেজ লাইফে এসে দেখি হুট করেই সমস্যটা কেটে গেছে)
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১৯

লেখক বলেছেন: আমার কাছেও আমার কলেজ অনেক প্রিয়। অনেক কিছু শিখেছি।

১০. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৬
তাজা কলম বলেছেন: প্রাথমিক স্তরের প্রতিটি শিক্ষককেই চাইল্ড সাইকোলজীতে জ্ঞান থাকা উচিৎ।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২০

লেখক বলেছেন: হুম।

১১. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৭
টুমটি বলেছেন: জেরী বলেছেন: আমার স্কুল লাইফে এমন হত।টিচাররা কোনকিছু বলতে বললে পারতামনা আবর ঠিকই লিখতে পারতাম।কলেজ লাইফে এসে দেখি হুট করেই সমস্যটা কেটে গেছে।

তাও তো কলেজে এসে সমস্যাটা কেটে গেছে, আমার কলেজে থাকতেও এই সমস্যাটা হতো।

তাজা কলম বলেছেন: প্রাথমিক স্তরের প্রতিটি শিক্ষককেই চাইল্ড সাইকোলজীতে জ্ঞান থাকা উচিৎ।

খুবই উচিৎ কথা বলেছেন আপনি তাজা কলম।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪১

লেখক বলেছেন: হুম ঠিক বলেছে।

১২. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৩
সিনসিয়ার বলেছেন: হার্টটাচিং এর বাংলা কি ? হৃদয়গ্রাহী ?

আপনার গল্পটা ঠিক তাই... আমার নিজের ইসকুলের কিছু স্মৃতি জাগিয়ে তুললো... আমারো একই দশা ছিল। আমি অধিকাংশ পড়া অন্যদের চেয়ে ভালো করে বুঝতাম এবং খাতায় লেখতে পারতাম (ব্লাকবোর্ডে নয়)... তবুও পড়া না পারা অপরাধে অধিকাংশ দিনই আমাকে নীলডাউন হয়ে থাকতে হতো ক্লাসে অথবা ক্লাসের বাইরের বারান্দায় (একদিনতো এক স্যার আমাকে স্কুলের সামনের রাস্তায় নীল ডাউন করে রেখেছিল)... আমি বাড়ি ফিরে সব কিছু ভুলে যেতে পারতাম না, আমার খেলতে ভালো লাগতো না, বারবার মনে পরে যেতো সারা দিনের অপমানের কথা - পুরা ইসকুলের সামনে বারান্দায় নীলডাউন হয়ে থাকার ঘটনা নিশ্চয় আমারমনোজগতে অনেক বড়ো ক্ষতি করেছিল - এখন বুঝতে পারি। একটা পর্যায়ের পরে আমি আর প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার ভেতরে থাকতে পারিনি, অকারণে বাদ দিয়েছি - আমার ভালো লাগতো না, অসহ্য লাগতো।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪২

লেখক বলেছেন: আপনার শেষ কথা গুলো মন খারাপ করে দিল। পড়াশোনা বাদ দিলেন শুনে।

১৩. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪২
টুমটি বলেছেন: সিনসিয়ার এর লেখা পড়ে মন খুব খারাপ হলো।
আসলেই এ ধরনের ঘটনা যে কারো মনোজগতের বিরাট ক্ষতি করে।
আপনার মতো আরো অনেকে হয়তো এ ধরনের ঘটনার মুখোমুখি হয়ে পড়াশুনা ছেড়ে দিয়েছেন, কিন্তু যেসব শিক্ষক/শিক্ষিকাদের কারণে এইসব হচ্ছে তারা তো কিছুই জানেননা।
আফসোস।
১৪. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৪
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: এত রাত পর্যন্ত জেগে থাকা ভালো না। গল্প ভালো লেগেছে।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৩

লেখক বলেছেন: হুম ভাইয়া। আমি রাত জাগা ছেড়ে দেয়ার সাথে সাথে ব্লগ, নেট সবই ছেড়ে দিব খুব তাড়াতাড়ি।

১৫. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১১
সাইফুর বলেছেন: অনেক সময় হয় এমন
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: হুম ভাইয়া।

১৬. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩১
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আমি রাত জাগা ছেড়ে দেয়ার সাথে সাথে ব্লগ, নেট সবই ছেড়ে দিব খুব তাড়াতাড়ি।
এই জন্যই সবসময় বলি, জাতি হিসেবে আমরা বড়ই বাড়াবাড়ি।:(
সব কিছুতেই বেশী বেশী না করলে পেটের ভাত হজম হয় না!:)
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: :P :P :P নাহ ভাইয়া রাগ করে না। শুধুই অভ্যেস টা যেন নেশা না হয়ে যায় তাই একটা ব্রেক।

১৭. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৯
দীপান্বিতা বলেছেন: ছোটবেলার কথা মনে পড়ে গেল.........কেমন আছ!
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪২

লেখক বলেছেন: ভালো আছি আপু। তুমি?

১৮. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৮
চতুষ্কোণ বলেছেন: এই জন্যই সবসময় বলি, জাতি হিসেবে আমরা বড়ই বাড়াবাড়ি।:(
সব কিছুতেই বেশী বেশী না করলে পেটের ভাত হজম হয় না! :)@তায়েফ

তাফু কতডা নিজেরে কইলা মনে হয় :P B-)

;)
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৫

লেখক বলেছেন: :)

১৯. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৪
আমিই জিনিয়া বলেছেন: মুন্নির জায়গায় যেন নিজেকেই দেখলাম।
আব্বুর সরকারি চাকরীর জন্য বদলী,ফলে ঘন ঘন স্কুল পাল্টানো,ভয় আর জড়তা নিয়ে নতুন ক্লাসে যাওয়া।এই জড়তা যেন আজও কাটেনা।
নতুনদের প্রতি টিচার এবং স্টুডেন্টরা যদি প্রথম থেকেই বন্ধুসুলভ থাকতো তাহলে এই জড়তা সারাজীবনের সঙ্গী হতোনা।


আপুনি,তোমার লেখা সবসময়ই আমার ভালো লাগে।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৫

লেখক বলেছেন: আরো অনেক কিছু আছে যা আমার খুব অবাক লাগে। যেমনঃ সাইন্স, আর্টস, কমার্সের যুদ্ধ। ছাত্র-ছাত্রীদের ছোট থেকেই যা শিখিয়ে দেয় তুমি উত্তম আর সবাই তোমার নিচে। অনেক কিছু নিয়ে আমার আক্ষেপ আছে।

২০. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১৭
সহেলী বলেছেন: পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল দেখছি কিছু এমন ।

ভাল থেকো বাবুনি ।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৭

লেখক বলেছেন: কি দেখেছেন আপু? আপু আপনিও ভাল থাকবেন।

২১. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৩
পুরাতন বলেছেন: হুমম... অহন বুঝলাম ... আমি কি জন্য অন্ধ :|
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫১

লেখক বলেছেন: :| আপনি অন্ধ!! বলেন কি!

২২. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩০
kisuna বলেছেন: আমি যখন ছোট ছিলাম, ভীষণ লাজুক ছিলাম। ইংরেজী ক্লাসে গলা দিয়ে আওয়াজ বের হত না। টিচার যে কি রেগে যেতেন! অথচ সেই আমি এখন পেশাদার অনুবাদক-দোভাষী, মূলতঃ ইংরেজী ভাষার। কি করে এটা পাল্টেছিল জানিনা।

সুপ্তি, খুব সুন্দর হয়েছে আপি!

লজ্জা বানান শুধরে নিও।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫১

লেখক বলেছেন: খুব ভাল লাগল শুনে আপু। হুম ঠিক হয়েছে?

২৩. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৭
কাব্য বলেছেন: মুন্নি দিকি আমার মতোই ফাঁকিবাজ আছিলো :-B 8-|
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৪

লেখক বলেছেন: তাই নাকি?

২৪. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫২
সাইফুর বলেছেন: : আমি রাত জাগা ছেড়ে দেয়ার সাথে সাথে ব্লগ, নেট সবই ছেড়ে দিব খুব তাড়াতাড়ি।

প্রতিবাদ জানাইলাম
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৯

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: :P :P :P নাহ ভাইয়া রাগ করে না। শুধুই অভ্যেস টা যেন নেশা না হয়ে যায় তাই একটা ব্রেক।

২৫. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৫
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: :P :P :P নাহ ভাইয়া রাগ করে না। শুধুই অভ্যেস টা যেন নেশা না হয়ে যায় তাই একটা ব্রেক।
২৬. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২১
নিরব হাসি বলেছেন: নস্টালজিক হলাম ।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৪

লেখক বলেছেন: হুম।

২৭. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০১
তারার হাসি বলেছেন:
প্রচলিত শিক্ষা ব্যাবস্থা থেকে বের হতে আমাদের সময় লাগবে। তবে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্টান এর থেকে বের হয়ে এসেছে।
ভাল লাগল।
কেমন আছে বাবুনি ?
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: আপু ভালো আছি। আপনি?

২৮. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৩৯
প্রবাসী রনি বলেছেন: সুপ্তি এমন করলে কেন, খুব কষ্ট হলো তোমার লেখাটা পড়ে @চোখের জল টুকু দেখেছিলে? ভালো থেকো।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: ভাইয়া আর কিছুই বলার নেই। সব বলা শেষ।

২৯. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৩
এরশাদ বাদশা বলেছেন: গল্প ভালা হইছে। ঠিক ডিসিশান নিছেন। এক্কেবারে চইলা যাইয়েন না আবার। সামুয়িক গ্যাপ দেওয়াটা ভালো। নেশার মতো হৈয়া গেলে পড়াশুনা লাটে উঠবো। ব্লগিং ততোটা ইম্পর্টেন্ট না, যতোটা স্টাডি। ভালো থাইকেন সুপ্তি।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৩

লেখক বলেছেন: মাঝে মাঝে সময় এমন এক জায়গাতে এসে থেমে যায় যেখান থেকে কোন দিক আর খুজে পাওয়া যায় না।

৩০. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৭
সকাল রয় বলেছেন: ভালবাসা গল্প প্রতিযোগীতায় আংশগ্রহণ করতে পারিনি
দিদিভাই তুমি দেখে এেো তো আমার গল্পটি
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৮

লেখক বলেছেন: আপু তোমার গল্প টা পরেছি। কিন্তু এত ব্যস্ত ছিলাম যে একটায় কমেন্ট করতে পারিনি। অন্য গল্পটায় করেছি।

৩১. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৮
কায়কোবাদ বলেছেন: অনেক কিছু মনে পড়ে গেলো।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৯

লেখক বলেছেন: কি কি মনে পরল ভাইয়া? জানালেন না?

৩২. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৬
ই য়া দ বলেছেন: " Tea" রচনায় - "Guest" বানান ভুল করায় ক্লাস ৪ (চার) এ এক স্যার আমাকে বললেন কান ধরে উঠবস কর।
অত্যন্ত পরিচিত শাস্তি।
আমি উঠবস শুরু করলাম।
কিন্তু শাস্তিটা অস্বাভাবিক হয়ে গেল, যখন স্যার আমাকে ১২০ তম বারে থামালেন! (কোন এক আজব কারণে স্যার আমাকে পছন্দ করেতেন না)
বয়স আমার তখন মনে হয় ৯ অথবা ১০।
১ সপ্তাহ ঠিকমত হাটঁতে পারিনি। আমাকে কোলে করে সিঁড়ি উঠানামা করানো হত।

Guest! Guest!Guest! Guest!Guest! Guest!Guest! Guest!Guest! Guest!Guest! Guest!Guest! Guest!Guest! Guest!Guest! Guest!

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০৫

লেখক বলেছেন: সামান্যতম ভুলের জন্য কাউকে ছাড় দেই না, মানুষকে কষ্ট দিতে এত টূকুও ভাবি না। কিন্তু নিজের ছোট বড় সব ভুলের জন্য সব সময় সৃষ্টিকর্তার কাছে মাফ চেয়েই যাই।

৩৩. ১৮ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৯:৪০
পিংকী বলেছেন: আমারো তো এমন হতো,আপ্পুনি কি অবস্থা?? লেখা টা পড়ে ভালো লেগেছে ১৯ প্লাস কে ২০ প্লাস করে দিয়ে গেলাম :)
১৮ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:২৮

লেখক বলেছেন: আপুকে আমার ব্লগে পেয়ে অনেক খুশি লাগছে। :)

৩৪. ০১ লা মে, ২০১০ বিকাল ৫:২৭
নৈশচারী বলেছেন: শুধু এই শাস্তি খাবার ভয়েই স্কুলে ক্লাসমেটদের টিটকিরি শুনেও প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন পড়ে যেতাম জানো আপু? শাস্তি খেয়ে দাঁড়িয়ে থাকার মত লজ্জার ব্যাপার বোধহয় পৃথিবীতে আর কিছুই নেই- মনে হত তখন! :(
কাল রাতে এই গল্পটা লিখেছি, সময় পেলে দেখে এসো। এটা কিন্তু আমার দুষ্টুমি নিয়ে না! :)
১৭ ই মে, ২০১০ রাত ২:৩৮

লেখক বলেছেন: হুম। আর কিছু না বুঝেই শাস্তি আরও খারাপ লাগে ভাবলে।

০১ লা মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩২

লেখক বলেছেন: :( সরি আপু

৩৬. ০১ লা মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৩
নৈশচারী বলেছেন: আপু তোমাকে তুমি বলব না আপনি ভীষণ কনফিউজড হয়ে গেছি! তুমি কি আমার ছোট নাকি বড় নাকি সমান? :P B:-)
০১ লা মে, ২০১০ রাত ৮:৩৫

লেখক বলেছেন: শুধু তুমি কেন? চাইলে তুইও বলতে পারেন :P

৩৭. ১৬ ই মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫২
নৈশচারী বলেছেন: আমি তুই বলি, আর তুমি আপনি বল, কেমন? তা হবে না! সাম্যাবস্থা চাই! /:) B-)
১৬ ই মে, ২০১০ রাত ৮:২৮

লেখক বলেছেন: :P তাই তো। আচ্ছা আমিও তুই বলব। কি রে? কি খবর? কেমন আছিস? ;) ( :P ভয় পাওয়ার ইমো হবে :|)

৩৮. ১৭ ই মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৩
নৈশচারী বলেছেন: হাহাহা! সুপ্তি তো ভারী ভিতু!!! :P আমি কিন্তু বেজায় সাহসী!! :-0
কিরে বুঝলি কিছু? ;) B-)
১৭ ই মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৩

লেখক বলেছেন: ;) হুম সব বুইঝালাইছি

৩৯. ২৯ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:১৮
কি নাম দিব বলেছেন: আগের পোস্টে ঢু দিয়ে গেলাম, আপি :)
২৬ শে জুন, ২০১১ সকাল ৮:২৯

লেখক বলেছেন: :) এখানে যে লিখেছো আমি জানিই না! আয় হায় অনেক দেরি হলো রিপ্লাই করতে :)

৪০. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৫৪
চতুষ্কোণ বলেছেন: এই পোষ্টে প্লাস দেওয়া হয় নাই। দিয়ে গেলাম। :)
২৬ শে জুন, ২০১১ সকাল ৮:৩০

লেখক বলেছেন: :)

৪১. ২৬ শে মার্চ, ২০১১ সকাল ৮:১৫
ভালো পোলা বলেছেন: প্রথম শ্রেণী হতে দশম শ্রেণী পর্যন্ত ভালো ছাত্র হিসেবে পরিচিত ছিলাম না।কিন্তু কলেজ লাইফ এ এসে হঠাৎ জীবনে আমূল পরিবর্তন । ফলশ্রুতিতে আমার ভার্সিটি লাইফটা আনন্দে-ই কাটছে ।
আসলে আপু শিক্ষকদের কে বোঝাবে নিজের মধ্যে ম্যাচুরিটি চলে আসলে এমনিতেই সবাই সিরিয়াস হয়ে যায় ।
অনেক শুভকামনা রইল এই রকম একটি পোষ্টে বাংলাদেশের ফুলের দু:খ দুর্দশা তুলে ধরার জন্য ।
২৬ শে জুন, ২০১১ সকাল ৮:৩৪

লেখক বলেছেন: এর থেকেও খারাপ অবস্থা আসলে সত্যি কারে।

৪২. ২১ শে জুন, ২০১১ বিকাল ৩:১৩
একজন সামান্য ইকারাস বলেছেন: আমিই জিনিয়া বলেছেন: মুন্নির জায়গায় যেন নিজেকেই দেখলাম।
আব্বুর সরকারি চাকরীর জন্য বদলী,ফলে ঘন ঘন স্কুল পাল্টানো,ভয় আর জড়তা নিয়ে নতুন ক্লাসে যাওয়া।এই জড়তা যেন আজও কাটেনা।
নতুনদের প্রতি টিচার এবং স্টুডেন্টরা যদি প্রথম থেকেই বন্ধুসুলভ থাকতো তাহলে এই জড়তা সারাজীবনের সঙ্গী হতোনা।

আমারও একই ঘটনা। ফলাফল- এখন মানুষের সাথে মিশতে ভয় লাগে, বন্ধুও অল্প কয়েকজন।

সিনসিয়ার ভাইয়ের জন্য সমবেদনা :(
২৬ শে জুন, ২০১১ সকাল ৮:৩৬

লেখক বলেছেন: :(

৪৩. ২১ শে জুন, ২০১১ বিকাল ৩:৩১
স্মৃতির নদীগুলো এলোমেলো... বলেছেন: নতুন রাজা বলেছেন: আপু, আপনাকে একটা গোপন কথা বলে যাই। এইরকম ঘটনার কারণেই স্কুল জীবনে আমি ক্লাস সেভেন থেকে টেন পর্যন্ত মাত্র হাতে গোনা কয়েকটা দিন ক্লাস করতাম। অসহ্য লাগতো। মনে হতো আমিতো এই ভাবে পড়তে পারিনা, আমিতো এভাবে চিন্তা করি না.

আমারো একই অবস্থা ছিলো :( :(
২৬ শে জুন, ২০১১ সকাল ৯:৫১

লেখক বলেছেন: সব নতুন করে করতে ইচ্ছে করে

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮৩৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
দিশেহারা যে মোর মন
কিসে সার্থক এই জীবন
খুঁজে ফিরি কোথা নেব ঠাঁই।
চারিদিকে সবাই মোর
কেউ ভালো কেউ মন্দ ঘোর
আপন মান যেচে সেথা...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ