আপডেট:ইতিমধ্যে দুজনকে উপরে উঠানো সম্ভব হয়েছ,এরা হলেন ফ্লোরেন্সিও ও মারিও
চিলির সান হোসে মাইনে প্রায় ৭০০ মিটার গভীরে গত ৬৮ দিন ধরে মুক্তির প্রতাশায় অপেক্ষারত ৩৩ জন মানুষের সকল অপেক্ষার অবসান হতে চললো অবশেষে ৷পৃথিবীর ইতিহাসে এ এক বিরল ঘটনা, এতদিন ধরে এভাবে এতজন মানুষের মাইনের অভ্যন্তরে কাটানোর ইতহাস আর দ্বিতীয়টি নেই ৷ চিলির এই গোল্ড ও কপার মাইন কলাপ্স করে ৫ ই আগস্ট, তার ১৭ দিন পর প্রথমবারের মত জানা যায় মাইনে আটকে পরা লোকগুলো তখনো বেচে আছে ৷ তারপর থেকেই চলছে রেসকিউ অপারেসনের কাজ, অবশেষে যার অবসান ঘটতে চললো ৷ড্রিলিং এর জন্য আফগানিস্তান থেকে উড়িয়ে নেয়া হয় হার্ট নামের ড্রিলারকে কিন্তু এটা ছিলো হার্ট ও তার সহকর্মীদের কাছে এক নতুন চ্যালেঞ্জ; একেতো এটা ছিল না অয়েল মাইন তার উপর জড়িত ছিল ৩৩ জন মানুষের জীবন, তারপরও তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের পর পৃথিবীতে রচিত হতে যাচ্ছে এক নতুন ইতিহাস ৷ Phoenix নামের একটা ক্যাপ্সুলাকৃতির মেটাল কন্টেইনারে করে তাদেরকে মাইনের ভিতর থেকে উপরে তুলে আনা হবে, প্রতিবার আসতে যেতে লাগবে ১ ঘন্টা সবমিলিয়ে দুদিন ধরে এই রেসকিউ অভিযান চলার কথা ৷ রেসকিউ কাজ তদারক ও রেসকিউ পরবর্তী ওই আটকে পরা লোকদের প্রপার মেডিকাল সাপোর্টের জন্য ইতিমধেই এই কাজে সংযুক্ত করা হয়েছে নাসার সায়েন্টিস্ট ও ডাক্তারদেরও ৷ প্রায় ২০০০ ইন্টারন্যাসনাল জার্নালিস্টদের সাথে আটকে পরা মাইনারদের প্রায় ৮০০ জন রিলাটিভ ওই জায়গায় উদ্গ্রীভ হয়ে কাটাচ্ছেন প্রতিটা মুহূর্ত ৷ ৩১ বছর বয়স্ক ফ্লোরেন্সিও এভালসকে নির্বাচিত করা হয়েছে আটকেপরাদের মাঝে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে উপরে তুলে আনার জন্য ৷ মাইনের অভ্যন্তরের হট,ডেন্ক কন্ডিসান যাকে মাইনাররা অভিহিত করেছেন হেল হিসাবে,এই দীর্ঘ সময় ধরে ওখানে তাদের জন্য খাবার, পানি, অক্সিজেন, বিনোদনের সরংযামাদী পাঠানো হতো ড্রিল করা হৌলের ভিতর দিয়ে ৷ আর কিছুক্ষণ পরই ওরা আবার পৃথিবীর আলো দেখতে যাচ্ছে নতুন এক ইতিহাস রচনার মধ্য দিয়ে, শুভো কামনা রইলো ওদের নবজীবনে ৷
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই অক্টোবর, ২০১০ সকাল ১০:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




