somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটা ১৩টন ওজনের জোক .............(কারো জীবনের সাথে মিলে গেলে আমি দায়ী নই ) ১৮ +

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সিঙ্গাপুরের নাম করা কোন এক ব্যাংক এর ব্রান্চ অফিসে কর্মরত আছেন কয়েকজন কর্মকর্তা। তাদের ভিতর আমাদের বাংলাদেশী একজন আছেন, যার নাম ফয়েজউদ্দিন (কাল্পনিক)। তো ফয়েজ সাহেব খুবই বুদ্ধিমান ব্যক্তি। তবে উনার একটা বদ অভ্যাস আছে। আফিসে মাসের প্রথমে যেদিন স্যলারী দেওয়া হয়, ঠিক সেদিন উনি বাজী ধরেন যে কোন বিষয়ে উনার কলিগদের সাথে এবং অবশ্যই মোটা অংকের টাকা। সবচেয়ে বড় কথা উনি কখনো বাজীতে হারতেন না।
তো একবার বেতন হাতে পাওয়ার সাথে সাথেই বাজী ধরে বসলেন কলিগ দের সাথে।
কলিগ রা : বাজীর বিষয় বলেন।
ফয়েজ : আপনারা কেউ কি দেখেছেন যে, ঘোড়ার লেজের সাথে মাকড়োশা জাল বুনে আছে.....? আমি দেখেছি।
কলিগ রা : নাহ!!!! এ হতেই পারেনা।
ফয়েজ : তাহলে বাজী হয়ে যাক।
কলিগ রা : কত.....??
ফয়েজ : ১০হাজার ডলার। আমি যদি হেরে যাই তবে আমি একা ১০ হাজার দিব, আর আপনারা হেরে গেলে সবাই মিলে দেবেন।
সবাই খুশি মনে রাজি হয়ে গেল। এবার প্রমান করার পালা..........;);););)
ফয়েজ সাহেব সবাইকে নিয়ে শহর থেকে একটু দূরে একটা চার রাস্তার মোড়ে নিয়ে আসলেন। সেখানে একটা ঘোড়ার মূর্তী দেখা গেল এবং লেজের সাথে মাকড়শা জাল বুনে আছে।
:-*:-*:-*:-*

ফয়েজ : এইযে ঘোড়া আর এই যে মাকড়শার জাল, সাথে মাড়শা।
কলিগ রা : ধুর!!!!!X(X(X( এটা তো মূর্তী।
ফয়েজ : মূর্তী হোক আর যাই হোক ঘোড়া কিনা?
কলিগ রা : হ্যঁ ঘোড়া।
ফয়েজ : তাহলে আমি ই জয়ী। আমার পাওনা বুঝিয়ে দেন।
সবাই ১০০০০ ডলার দিতে বাধ্য হল।
.
গত এক বছর যাবৎ ফয়েজ সাহেব এমনটাই করে আসছেন। এবার সবাই তার উপর ক্ষিপ্ত। তারা সিদ্ধান্ত নিল, চেয়ারম্যনের কাছে তার বিরুদ্ধে বাজী ধরার অভিযোগ করবে এবং এখান থেকে হেড আফিসে বদলী করবে।

যেই কথা সেই কাজ। ৭ দিনের মধ্যে তার বদলীর আদেশ ১০ দিনের মাথায় হেড অফিসে জয়েন।


হেড অফিসে ফয়েজ সাহেবের মত ভাল মানুষ আর একটা হয়না। ব্যংকের যে কোন কাজে তিনি সিদ্ধ হস্ত। আর বাজী ধরার কোন প্রশ্নই ওঠেনা। এভাবে গোটা ২ মাস কেটে গেল। চেয়ারম্যন চিন্তা কররেন ফয়েজ তো খুব ভাল ছেলে, তাহলে ওর বিরুদ্ধে অভিযোগ আসল কেন?
এই ভেবে ব্রান্চ অফিসে ফোন করলেন।
চেয়ারম্যন : ফয়েজের বিরুদ্দে আনা অভিযোগ মিথ্যা। সে গত ২ মাস যাবৎ কোন বাজী ধরেনি আর সমস্ত কাজ সুষ্ঠ ভাবে করে চলেছে।
কলিগ : স্যার ও বাজী ধরায় এক্সপার্ট।
চে : নাহ । আমার তা মনে হয় না।
ক : স্যার আপনি ওকে জোর করে বাজী ধরাবেন, দেখবেন হেরে যাবেন।
চে : আচ্ছা আমি দেখছি।
চেয়ারম্যন ফয়েজকে তার চেম্বারে ডেকে পাঠালেন।

চে : আপনি নাকি আনেক বড় বাজীকর?
ফ : কই না তো স্যার!!! কে বলেছে???
চে: আমার সাথে আপনাকে বাজী ধরতে হবে।
ফ: আমি বাজী ধরতে পারিনা, স্যার।
চে : বাজী ধরতেই হবে।
ফ : এত করে যখন বলছেন তাহলে আমি রাজী। তবে আমি হেরে যাব।
চে : বাজীর বিষয় বলেন।
ফ : জি স্যার, কিছু মনে করবেন না........আপনার পশ্চাৎদেশে নাকি লাল সুতা ঝুলছে:P:P:P

চে : যাহ!!!! তাই হয় নাকি।
ফ: তাহলে বাজী হয়ে যাক।
চে : হোয়ে যাক।
যথারীতি চেয়ারম্যন স্যারের প্যন্ট খোলা হল। আনেক খোঁজা খুঁজির পর .........

চে : কি ? লাল সুতা পেয়েছেন?
ফ : পাচ্ছিনা তো স্যার, একটা কাঠি দিয়ে চেষ্টা করি? .
চে: ;);) হ্যাঁ করেন।
কাঠি দিয়ে অনেক নাড়াচাড়ার পরও কিছুই পাওয়া গেল না।
ফ : পেলাম না তো স্যার।
চে: আপনি তো হেরে গেলেন আপনার তো কোন বুদ্ধিই নেই।
ফ : কোনদিনই তো জিততে পারিনি স্যার।
চে: ঠিকাছে আপনি আপনার কাজে যান।
এই বলে আবার ব্রান্চে ফোন.........X((X((X((

চে : ফয়েজ তো আসলেই ভাল ছেলে। ও হেরে গেছে। আপনারা ওর নামে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। এই অপরাধে আমি আপনাদের সবাইকে হেড অফিসে বদলী করছি আর ফয়েজকে তার আগের জয়গাতে ফিরিয়ে দিচ্ছি।
আপনারা প্রস্তুত হন।
ক: স্যার , তার আগে একটা কথা আছে ।
চে : বলুন।
ক : ও কি কোন কারনে আপনার পিছনে কাঠি দিয়েছে?
চে : হ্যঁা দিয়েছে!!!!
ক ঃ স্যার, ও এখান থেকে যাওয়ার সময় আমাদের সাথে লিখিত বাজী ধরে গেছে যে, "আমি চেয়ার ম্যনের পিছনে কাঠি দিয়ে ফিরে আসব আর আপনাদের সবাইকে হেড অফিসে বদলী করাব"
স্যার আবার তো ১০ হাজার ডলার....................................!!!!!!!:((:((:((:((:((:((
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৯
৪৫টি মন্তব্য ৪৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×