চোখে খুশির পানি এসে গেলো এই খবরটি পড়ে .....অথচ একসময় চোখে পানি এসেছিল ভবদহের মানুষের দু:খের কথা জেনে। আমার ছোটবেলা কেটেছে যশোরে এবং ভবদহের মানুষের দু:খকে খুব কাছ থেকে দেখার দুর্ভাগ্য হয়েছে আমার। সে এক ভয়াবহ কষ্ট। যে মানুষের উঠানে ছিল সোনার ধান, কুমড়োর মাঁচা, ফলফলালির গাছ সেখানে থই থই করছে পানি। বারমাস ঘরের মাঝে পানি, বাইরে পানি । সর্বনাশা পানি কেড়ে নিয়েছে মানুষের সাধারন জীবন। এমনকি প্রসাব পায়খানার ও জায়গা নেই। ঘরের ছোট মেয়েটাকে স্কুলে যেতে হয় ২ মাইল পানি ঠেলে । অভাবের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মহাজনের সুদের হার। এমনকি এলাকার মানুষের রুটিরুজির যোগানদাতা পাটকলগুলোও বিশ্বব্যাংকের ষড়যন্ত্রের স্বীকার। জলাবদ্ধতা দূর করার নামে টাকালোভী হায়েনাগুলো হাতিয়ে নিয়েছে দাতাদের কোটি কোটি টাকা......
ভবদহের মানুষ সেই দু:খকে ভুলতে পেরেছে । আবার তাদের মাঠ সোনার ধানে ভরে উঠেছে। উঠানে ফুটেছে কুমড়ো ফুল..... এযেন নতুন জীবনের আহবান। ভাতের এই হাহাকারের সময়ে যে ভবদহের মানুষের ঘরে ধান এসেছে একথা ভাবতেই ভালো লাগছে। আমার মনে পড়ছে সেই সময়ের কথা, যখন দেশবাসীর কাছে ভবদহের দু:খকে তুলে ধরার জন্য গঠিত হয়েছিল "ভবদহ সংগ্রাম পরিষদ"। কৃতগ্ঙতা ঐ সব কর্মীদের জন্য।
কৃতগ্ঙতা জাফর ইকবাল স্যার এর কাছে । স্যারের মর্মস্পর্শী লেখা হাজারো মানুষকে করেছে ভবদহের দু:খের সমব্যাথী। ভবদহবাসীরা সুখে থাক...... ভবদহবাসীরা থাক চিরসংগ্রামী বাঙগালীর উদাহরন হয়ে .....
খবরটি পড়তে যান এই লিংকে :
Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

