
ঈদের পর হুট করে সিদ্ধান্ত নিলাম সেন্টমার্টিনে যাব, যেই কথা সেই কাজ । কয়েকজন বন্ধু মিলে চলে গেলাম সেন্টমার্টিনে । পর্যয়ক্রমে সেই অভিজ্ঞতাই আপনাদের সাথে শেয়ার করছি । আজকে তারই তৃতীয় পর্ব । আগের পর্ব দেখুন এখানে..http://www.somewhereinblog.net/blog/sadamonarmanus/29058016



উপরের তিনটা ছবিই টেকনাফের সবচেয়ে বড় হোটেল 'ব্লু মেরিন' এর । একটা তিনতলা বিল্ডিং আরেকটা টালি বসানো চৌচালা ঘর আর রয়েছে তাবু । এবার পর্যটকরা ইচ্ছে অনুযায়ী থাকতে পারেন । আমরা ছিলাম টালির ঘরে, যদি ও আমার ইচ্ছে ছিল তাবুতে থাকার । কিন্তু বন্ধুদের ইচ্ছের কাছে আমাকে হার মানতে হয়েছিল । এই হোটেলটা একেবারে সৈকত সংলগ্ন , সৈকতের যেখানে শেষ সেখানেই হোটেলের সীমানা শুরু...

বাক্স পেটরা হোটেলে রেখেই ছুটলাম সাগরের ডাকে, আর প্রথমেই ডাব খেতে গিয়ে খেলাম নারকেল । বললাম নারকেল কেন ডাব খাওয়ান, ওরা বলল এখানকার আরেক নাম নারকেল জিন্জিরা এখানে ডাব পাবেন না, শুধুই নারকেল । কাকতালিয় কনা জানিনা, আসলেই এখানে আমাদের কচি ডাব খাওয়া হলো না ।

যে দিকে তাকাই এমন নজর কাড়া সৌন্দর্য্য

শুটকী শুকানো হচ্ছে..........


বালুর উপর এই কলমি ফুলের মতো গাছগুলো সৈকতকে দিয়েছে অনন্য রূপ.......


দ্বীপের সর্বদক্ষিন পাশের ছবি এইটা, উত্তর পাশটায় যাওয়া হয়ে উঠেনি ।

সাগরের উদাত্ত আহবানে এক সময় নেমে যাই সাগরে, সবাই আমরা হয়ে যাই শিশু । সাগরে নেমে সব বয়সী মানুষই আমি শিশু হয়ে যায় কেন জানি ।

এমন সুন্দর পরিবেশ মুক্ত বিহঙ্গের মতো উড়তে কার মনে না চায় ?

পানি নেমে যাওয়ার পর বালির সৌন্দর্য্যটা হয় দেখার মতো ।

সূর্যের আলো লেগে পানিতে মুক্তোর সৃষ্টি !

সাগরে একটি মাছ ধরার ট্রলার ।
[img|]
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



