বিকেল পাঁচটা (সত্য ঘটনা নিয়ে একটি মিথ্যা গল্প)
দুই বছর আগের কথা।
বাসা থেকে খুব সেজেগুজে রবি বের হচ্ছে দেখে বোদি বললেন, কি ব্যাপার কই যাচ্ছ? আর তর সয় না, তাই না?
- কি যে বল না বোদি?
আগামী মাসের দশ তারিখ রূপার সাথে তার বিয়ে। পারিবারিক সম্মতিতে বিয়ে ঠিক হলেও রূপার সাথে তার জানাশোনা আট বছরের। না ওদের মাঝে প্রেম ছিল না। তবে ভাল বন্ধুত্ত ছিল। আসলে পাশাপাশি বাসা থাকলে যেমনটা হয়। হঠাৎ করে রবির বাবার ইচ্ছেতেই ওদের বিয়েটা ঠিক হয়েছে। আজ বিকেল পাঁচটায় রূপার সাথে দেখা করার কথা। তারপর শপিং করবে। পূজা দেখেবে। একসাথে ঘুরবে খাবে। বিশাল প্রোগ্রাম ওদের।
- তোমার আসতে এত দেরি হল! আমরা কখন ঘুরব আর কখনইবা শপিং করব?
রবির দেরি দেখে খেপে যায় রূপা।
- আরে একটু দেরিই তো ভাল। রাতেই তো পূজা দেখার মজা!
আজ বিজয়া দশমী। দুর্গা পূজার শেষ দিন। তাই মন্দিরে মণ্ডপে লোকের অভাব নাই। ঠেলাঠেলি ধাক্কাধাক্কি করে সবাই মণ্ডপের সামনে যাবার চেষ্টা করছে। এত ভিড় দেখে রূপা বলল, থাক ভিতরে যাবার দরকার নাই আমরা এখান থেকে মাকে প্রণাম করে চলে যাই।
- কি যে বল না বিয়ের আগে প্রথম পূজাতে মাকে কাছে না গিয়ে কিভাবে আশীর্বাদ নেই?
অনিচ্ছা সত্তেও ভিড়ের মধ্যে গেল রূপা। রবি সামনে সামনে যেতে থাকে আর তার হাত ধরে পেছন পেছন এগুতে থাকে সে। হঠাৎ সে অনুভব করে কে যেন পেছন দিক দিয়ে তার বুকের উপর হাত দিয়েছে। সারা শরীরে যেন বিদুৎ খেলে যায় তার। ঘুরেই হাতের পাঁচ আঙুলের ছাপ বসিয়ে দেয় বদমাশটার গালে।
- যা হারামজাদা তোর মায়ের গায়ে হাত দে!
রাগে কাঁপতে থাকে রূপা! রবি শার্টের কলার ধরে বখাটেটাকে ঘুষি মারতে থাকে। এরই মাঝে পুলিশ চলে আসে। আর এক মুহূর্তও ওরা ওখানে দাঁড়ায় না। মায়ের আশীর্বাদ নিতে গিয়ে অসূরের অপচ্ছায়া দেখে বেশ বিমর্ষ হয়ে পড়ে দুজনে। কিন্তু ওরা জানে না যে অসূরের অপচ্ছায়া তখনও ওদের পিছু ছাড়েনি।
রিকশাতে কারোর মুখে কোন কথা নাই। দুজনেই একদম চুপ। জড়তা ভাঙল রবি, সরি। তুমি ভিতরে যেতে চাওনি আমার জন্যই। সরি।
- বাদ দাও। চল আজকে আর ভাল লাগছে না। আমাকে বাসায় দিয়ে আস।
রিকশা এগিয়ে যেতে থাকে। আস্তে আস্তে মন্দিরের ঢাকের শব্দ হাল্কা হয়ে আসতে থাকে। কানে ভেসে আসে, ইয়া দেবি সর্বভুতেশূ নমঃতশ।
আকাশে মেঘ করেছে। একটু পর পর বিদুৎ চমকাচ্ছে। বাতাসের তিব্রতাও কম নয়। হঠাৎ ঝুম বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল। বাতাস বৃষ্টি মিলে রিকশার গতি যেন অর্ধেক হয়ে গেল। রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে গেছে। রিকশাটা রূপাদের বাসার গলির মুখে পৌছতেই একটা মাইক্রোবাস এসে ওদের পথ আটকাল। কয়েকটা ছেলে এসে রূপাকে টেনে হিঁচড়ে মাইক্রোবাসে তুলে নিল। ওদের বাধা দিতে যেয়ে মাথায় শক্ত কিছুর বারি খেল রবি। বিজলির আলোয় একটা পাংশু মুখ বলে, ‘মর শালা!’ আরে এ তো সেই বখাটে! তারপর রবির আর কিছু মনে নাই।
তারপর রূপাকে খুঁজে পাওয়া যায় নাই।
হাসপাতাল থেকে ফেরার পর রবির প্রতিটা বিকেল এভাবেই কাটে।
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমাদের গ্রামের গল্প!

আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই
আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।
তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন
১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে
আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।