আসলে জীবন এভাবে পাগলামি করবে সেটা জেরিনের স্বপ্নেও ছিল না। সে তো তখন জীবনকে ভালোই বাসত। কিন্তু বাস্তবতা অস্বীকার করার তো উপায় নেই। প্রেম করলে যে বিয়ে করতে হবে এমন কি কোন নিয়ম আছে নাকি! রাফিকে জেরিনের বেটার মনে হয়েছে তাই ... তাই বলে জীবন এমন করবে? ওদের ছবিগুলো এভাবে ফেসবুকে দিয়ে দেবে? শুধু তাই নয়। সব ছবিগুলোতে সে রাফিকে ট্যাগ করেছে! আজিব! তাও ভাগ্য ভাল বলতে হবে যে জেরিন রাফির ফেসবুক অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড জানত! খুব তাড়াতাড়ি সে ট্যাগগুলো রিমুভ করেছিল।
ওইদিন আসলেই জেরিন খুব ভয়ে ছিল। রাফি আবার কি না কি বলে! কিন্তু তার জন্য খুব অবাক করা বিষয় ছিল – রাফি তাকে কিছুই বলল না! জেরিন মনে মনে ভাবে, রাফি কি টিউব লাইট নাকি! যাই হোক! যাক বাবা বাঁচা গেল।
তারপরও জেরিনের মনে কেমন যেন একটা খচখচে ভাব রয়ে গেল। এক দিন রাতে সে বলেই বসল, রাফি, তুমি আমাকে আর আগের মত ভালবাস না, তাই না?
রাফি খুব শান্ত কণ্ঠে বলল, বাসি, বাসব না কেন? তবে আগে করুণা করতাম না, কিন্তু এখন করুণাও করি!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

