পানিয়া, শাহাবুদ্দীন, মন্টু, রায়হান আর সেতাবুল। বয়েস সবের ৮ থেকে ১৫। দরিদ্র সীমার কাছাকাছি থাকা এসব শিশুর ভাতের সথে একটু আমিষের আশায় জাল পেতে রেখেছিলো জলাশয়ে, পরদিন জাল তুলতে গিয়েছিলো। এমন সময় একেবারে এ্যামবুশ করে থাকা (সে সময় সীমান্তের ৩৫৪ নম্বর মেইন পিলারের কাছে কাঁটাতার পেরিয়ে এসে পাটগাছের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) জওয়ানেরা হঠাৎ ঘিরে ফেলে তাদের। প্রথম আলো ।) বিএসএফ জওয়ানেরা ঝাঁপিয়ে পড়ে টেনেহিঁচড়ে কাঁটা তারের ওপারে ভারতের মাটিতে নিয়ে যায়।
আমরা বাস করি এক গনতান্ত্রিক দেশে , যে দেশের আছে বিশ্বের প্রায় সব দেশের স্বকৃতী, আছে জাতিসংঘের সদস্য পদ। আমাদের আছে গনতান্ত্রিক সরকার, আছে পররাষ্ট মন্ত্রনালায়। যাদের কাজ দেশের নাগরিকদের সকল বিপদে পাশে দাড়ানো। এত সব কিছু থাকার পরেও আমাদের দেশের ৫ জন নাগরিক আজ নিজ ভুখন্ডে থাকা অবস্তায় আরেক দেশের বাহিনী কতৃক অপহৃত হয় আর আমাদের দেশের সরকার ,মন্ত্রনালয়গুলো চুপ মেরে বসে থাকে কেন??? বিশ্বের অন্য কোন দেশে এই ঘটনা হলে এতক্ষনে হইচই পরে যেত। আর সেখানে আমাদের দেশের মাত্র গুটি কয়েক মিডিয়ায় এসেছে বিষয়টা তাও যেনতেন ভাবে।ধিক সব মিডিয়াগুলো কে ধিক ।
ব্লগারদের উদ্দেশ্যে বলছি , ভেবে দেখুন তো এই ৫ জন যাদের বয়স ৮-১৫ এর মধ্যে এরা তো আপনার প্রিয় কেউ ও হতে পারতো। হতে পারত আপনার আদরের ছোট ভাই-বোন কিংবা ভাগ্নে। একটু ভাবুন , একটু একত্রিত হোন....। দলাদলি ছাড়েন ঐ জিনিসটাই আমাদের ঐক্যবদ্ধের পথে প্রধান বাধা।একজন বাংলাদেশি নাগরিক হিসাবে বিষয়টা ভাবি। আমাদের দেশের ৫ নাগরিকের মুক্তির কথা ভাবি।
আর কিছু বলার নেই শুধু বলতে পারি , একজন বাংলাদেশি হিসাবে ভারতের কাছে আমি আমার দেশের নাগরিকদের সসম্মানে ফেরত চাই।
ভারত, আমাদের শিশুদের ফেরত দাও
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


