গত বছর ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী নির্মম ভাবে ফেলানীকে হত্যা করে। মেয়েটির প্রাণ বায়ু বের হয়ে যাওয়ার আগে সে পানি পানি করে চিৎকার করেছে কিন্তু তাকে কেউই পানি দিতে এগিয়ে আসেনি। শেষ পর্যন্ত এক বুক পিপাসা নিয়ে তার আত্মা দেহ ত্যাগ করে।
এর পর প্রতিবাদে ফুঁসে উঠে সারা দেশ। প্রতিবাদ উঠে সাধারন মানুষের পক্ষ থেকে। শুরু সরকারের উপর মহলে নিরবতা লক্ষ্য করা যায়।
এই প্রতিবাদে আমাদের যা লাভ হয়েছে তা হল এখন বিএসএফ গুলি করে বাংলাদেশীদের হত্যা বন্ধ করেছে।
কিন্তু যা খারাপ হয়েছে তা হল সেই বিএসএফ এখন পাথর ছুরে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে বাংলাদেশীদের বর্বর ভাবে হত্যা করছে। এই হত্যাকাণ্ডগুলোকে তারা বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করছে "আত্মরক্ষার জন্য হত্যা' বলে। যা কিনা রীতি মত মানবতার প্রতি চরম কৌতুক করার নামান্তর।
এই ভাবে কি চলতে দেওয়া যায়? না এই ভাবে চলতে দেওয়া উচিত?
আসুন আবার প্রতিবাদে ফুঁসে উঠি। ৭ জানুয়ারী আমরা ""ফেলানী হত্যা দিবস'' পালন করি। প্রতিবাদ করি আমাদের ভাই-বোনদের হত্যার। সরকারের নীরবতাকে ধিক্কার জানাই।
ভারতীয় দালাল নিমূল কমিটি নামক এই গ্রুপে আমরা ৪ হাজার মানুষ যুক্ত হয়ছি ভারতের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য। বাংলাদেশকে নিয়ে ভারতের নীলনকশা রুখে দেওয়ার জন্য।
আমাদের প্রথম কার্যক্রম হচ্ছে এই "" ফেলানী' হত্যা' দিবস পালন করা। আসুন সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে একত্রিত হই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




