তথ্য সন্ত্রাস ও বর্বরতার শিকার ইসলামী আন্দোলন
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ৩:২৭
দেখুন !@@!162167 !@@!162168
২৮ অক্টোবর ২০০৬। পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের ছুটির পরে প্রথম অফিস। পুরো অফিস জুড়ে ছুটির আমেজ। কোলাকুলি, গালাগালি (গালে গালে যে মিলন), কুশল বিনিময় করেই অফিস শেষ করে দুপুরে বেড়িয়ে পড়ি। অফিসের অবসরে !@@!162202 !@@!162203 নামে একটা ব্লগ পোস্ট করেছিলাম, রাজনৈতিক ময়দান যে কতটা উত্তপ্ত হতে পারে তার একটা আশংকা লিখেছিলাম পোস্টে। তাই অফিস শেষ করে একটু পল্টন ময়দান ঘুরে দেখতে ইচ্ছে হলো খুব।
দুপুর সোয়া একটায় অফিস থেকে বেড়িয়ে পল্টন ময়দানের কাছাকাছি এসে দেখলাম পুরোটাই পুলিশের দখলে। পুলিশের বেস্টনি ভেদ করে পল্টন ময়দানের দিকে যাওয়ার দু:সাহস হলো না বিধায় ধীরে ধীরে দৈনিক বাংলা মোড় হয়ে পল্টন মোড়ের দিকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। কিন্তু দৈনিক বাংলা মোড়ের কাছে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদেরকে দেখলাম পুরো রাস্তাটা মানববন্ধনি দিয়ে ঘিরে রেখেছে। কিছুতেই কাউকে রায়তুল মোকাররমের উত্তর পার্শ্বের রাস্তায় ঢুকতে দিচ্ছে না। একটু এদিক ওদিক করে অপেক্ষাকৃত দূর্বল একটা দিক থেকে আস্তে করে ঢুকে পড়লাম। মুখে হালকা ছাগুলে দাড়ি থাকায় কিছুটা দ্বিধা সত্ত্বেও ভেতরে ঢুকতে দিল। আসলে দলটাতো কট্টর আস্তিক অর্থাৎ বিশ্বাসীদের দল। খুব সহজেই ওরা বিশ্বাস করে এবং কখনো কখনো মানুষকে বিশ্বাস করে চরমতম মূল্য দিতে হয় ওদের।
বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সামনেই একটা উচু মঞ্চ করা হয়েছে। জোট সরকারের সফলতার পাঁচ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিকাল তিনটা থেকে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। বক্তব্য রাখবেন সরকারের শিল্পমন্ত্রী ও জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, এমপি। মঞ্চে বিভিন্ন ইসলামী সঙ্গীত গেলে চলেছেন শিল্পীবৃন্দ। মঞ্চের সামনে বেশ কিছু শ্রোতা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে প্রধান অতিথির জন্য।
পল্টন মোড় থেকে হৈ-হুল্লা চিৎকারের হালকা ধ্বনি মাইকের সঙ্গীতের শব্দকে ছাপিয়ে কানে বাজতে থাকলে আরো সামনের দিকে এগিয়ে যাই। আযাদ প্রোডাক্টসের দোকানের সামনে আসতেই রক্ত হীম হয়ে যায়। একের পর এক রক্তাক্ত তরুন, কিশোর, যুবক এমনকি বাবার বয়েসী বৃদ্ধদেরকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ভেতরের গলি হয়ে জামায়াতের মহানগরী অফিসের দিকে। একটা স্কুল পড়ুয়া ছাত্রকে রক্তাক্ত অবস্থায় কোলে করে নিয়ে যাচ্ছে একজন, দেখে মনটা হাহাকার করে উঠল। এগিয়ে গেলাম সাহায্যের জন্য। কিন্তু ছেলেটি আমাকে অবাক করে দিয়ে বলল, "আমাকে ধরতে হবে না, আমি ঠিক আছি, আপনার সামনের দিকে এগিয়ে যান, ওরা আমাদের ভাইদেরকে শেষ করে ফেলছে।" ইতোমধ্যেই আমার সাদা সার্ট ছেলেটির রক্তে ভেসে গেছে। তুমুল সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে পল্টন মোড়ে। একের পর এক জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা রক্তাক্ত হয়ে লুটিয়ে পড়ছে মাটিতে।
আমি পড়েছি মহা বিপদে। রাজনৈতিক তামাশা দেখতে এসে এখন আমার প্রাণ নিয়ে টানাটানি। জামায়াতের বেস্টনী পেরিয়ে ১৪ দলের দিকে গেলে আরো বিপদ। এমনিতেই দাড়ি-টুপির প্রতি ওদের ভয়ংকর আক্রোশ, মুখে দাড়ী আর শার্টে রক্ত দেখলে নির্ঘাত ওরা আমাকে কুকুড় বেড়ালের মতো নির্মমভাবে হত্যা করবে। আবার আমি যেহেতু কোন রাজনৈতিক দলেরই সদস্য নই তাই জামায়াতের ছেলেদের সাথে থাকতে পারছি না, আবার রক্তাক্ত শার্ট নিয়ে জামায়াতের বেস্টনী ছেড়ে পালাতেও পারছি না, হয়তো ১৪ দলের লোক অথবা জামায়াতের কাপুরুষ কর্মী দোষে বিপদে পরতে পারি। এখানেই কয়েকজন পরিচিত সাংবাদিক বন্ধুর সাথে দেখা হয়ে গেল। ক্যামেরা নিয়ে ছুটোছুটি করছে ওরা বিভৎস্য মুহুর্তগুলো ধরে রাখার জন্য। অবশেষে সাংবাদিক বন্ধুদের পাশেই আশ্রয় নিলাম। ফাঁকে সাংবাদিক বন্ধুদের সাথে কথা বলে এবং অন্যদের সাথে আলোচনা করে পুরো চিত্রটা আস্তে আস্তে পরিস্কার হয়ে গেল। ইতোমধ্যেই জামায়াতের কয়েক কর্মী নিহত হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশই জটিল হয়ে পড়ছে।
(চলবে)
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরী বিভাগে ।
হাসিব বলেছেন:
ইসলামী আন্দোলন জিনিসটা আসলে কি?
ধানসিঁড়ি বলেছেন:
ঠিক করা হলো শাওন। ধন্যবাদ।হাসিব: এক কথায় মানবজীবনের প্রতিটি পর্যায়ে ইসলামী অনুশাসন প্রতিষ্ঠিতি করার আন্দোলনই ইসলামী আন্দোলন।
হাসিব বলেছেন:
ইসলামী অনুশাসন প্রতিষ্ঠা মানে কি শরীয়া আইন প্রতিষ্ঠা করা বোঝাচ্ছেন ?
ধানসিঁড়ি বলেছেন:
আমি ইসলামী শরীয়ায় বিশ্বাসী। ইসলামী শরীয়া আইন মানুষের কল্যাণ বৈ কোন ক্ষতি বয়ে আনবে না।
অতিথি বলেছেন:
শিবির অনেক খারাপ কাজ করছে এইটা সত্য কথা, কিন্তু এমন নিষ্ঠুর ভাবে তাদের কর্মীদের হত্যা করার অধিকার কারো নাই।
অতিথি বলেছেন:
জামাত তো রাজাকারের দল........
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ ধানসিঁড়ি, নতুন পোস্টের জন্য। অনেকদিন আগে পড়েছিলাম আল কুরআনের আয়াত-আকিমুদ্দিন। আরবীটার অর্থ দাঁড়ায় ধর্ম প্রতিষ্ঠা করো। আপনার মতে শিবির সেটি প্রতিষ্ঠার জন্য যে আন্দোলন করছে তার নাম ইসলামী আন্দোলন। তাহলে তো ধরেই নেয়া যায় দেশের বাকি ইসলামী দলগুলো পেটের আন্দোলন করছে। ইসলামী অনুশাসন যদি এয়ানত নামের চাঁদা দিয়ে নেতাদের ইয়ামাহা 125 এ চড়ে সালাম বিনিময়, দরস প্রস্তুত কর্মশালা, টিএসসহ নানান কর্মসূচিতে কোমলমতি ছাত্রদের (ইদানিং অবশ্য একটি ছাত্রী সংগঠনও কাজ করছে শুনলাম) ইসলামী গন্ধ শুঁকিয়ে আন্দোলন নামের ধর্মীয় রাজনীতিতে জড়ানো হয় তাহলে আপনি কী বলবেন, ধানসিঁড়ি? ইসলামী আন্দোলন মানে যদি হয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় কলেজগুলোর আবাসিক হলে শুধু শিবিরের হুঙ্কারভরা অবস্থান; যেখানে পোস্টার সাঁটাতে গেলেও তাদের অনুমতি নিতে হয়। যেনো ওই হলগুলো তারা লিজ নিয়েছেন তাদের সামরিক ক্যাম্প হিসেবে- তাহলেই বা আপনার কী বলার আছে ধানসিঁড়ি। শেষে একটি কথাই বলবো- ইসলাম জামায়াত-শিবিরের পৈত্রিক সম্পত্তি নয়। ওতে বিশ্বের সব মানুষের ভাগ আছে।
ধানসিঁড়ি বলেছেন:
সেটাই তো জানতাম। রাজাকাররা কি করেছিল? হত্যা, সন্ত্রাস, ইজ্জত হরণ, তাই না?একাত্তরের পরে জন্ম বলে তা দেখার দুর্ভাগ্য আমার হয় নি।
কিন্তু একই অপকর্ম আওয়ামী লীগকে করতে দেখছি, সারা বিশ্ববাসী দেখেছে। পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞ, হাজার হাজার মানুষের সামনে বস্ত্রাহরণ, এসব যদি রাজাকারী চরিত্র হয় তবে এ চরিত্রতো এখন ১০০% আওয়ামীলীগের সম্পত্তি। আমার কাছে তো রাজাকার বলে কাউকে ঘৃণা করতে হয় তবে আওয়ামী পিশাচদেরই ঘৃণা করা উচিত।
আওয়ামী লীগ রাজাকারের চেয়েও ঘৃণ্য।
ধানসিঁড়ি বলেছেন:
ধন্যবাদ সুজন। ইসলাম আসলেই জামায়াত শিবিরের পৈত্রিক সম্পত্তি নয়। তবে সমাজে ওদেরকেই দেখি ইসলামী অনুশাসন মেনে চলতে, বাকীদের ইসলাম নিয়ে লম্ফঝম্ফ করতে দেখি।আর হ্যা, গণগন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য যদি একটা দেশে একাধিক গণতান্ত্রিক দল থাকতে পারে, সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য যদি একাধিক সমাজতান্ত্রিক দল থাকতে পারে তবে ইসলামী সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য একাধিক ইসলামী সংগঠন থাকলে সমস্যা কোথায়? আমারতো মনে হয় একাধিক ইসলামী সংগঠন থাকা ইসলাম প্রতিষ্ঠায় সহায়ক। ধন্যবাদ।
অতিথি বলেছেন:
জামায়াত খারাপ আওয়ামি লীগও খারাপ তাইলে কাটাকাটি। নাকি ইসলামী হইলে খারাপটাও আপনে নিতে পারেন?
ধানসিঁড়ি বলেছেন:
আমার চৌদ্দগুষ্ঠি আওয়ামী সমর্থক। আমার বাবা শেখ মুজিব বলতে অজ্ঞান। আওয়ামী লীগ এবং জামায়াত দু দলকেই খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে আমার। দু'দলের মাঝে তুলনা করতে গেলে আমি জামায়াতকে আওয়ামী লীগের চেয়ে শতগুণ ভালো মনে করি। একদল সন্ত্রাস করেই চলেছে যা স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি আর জামায়াত সম্পর্কে যা বলা হয় তা আমার জন্মের বহু পূর্বের ঘটনা। আমি দেশ ও জাতির পূর্বের শত্রুর চেয়ে বর্তমান শত্রুকে প্রতিহত করা জরুরী মনে করি।
অতিথি বলেছেন:
টেটনামীর একটা সীমা রাখন উচিত না ধানু মিয়া? আফনের চইদ্দ গোষ্ঠি কার নামে অজ্ঞান, হেই জিনিষ ধুইয়া কার পানি খাওনের ঠেকা লাগছে? আফনে নিজে কোন গলার ধান সেইটা হইল আস্ল জিজ্ঞস্য। আজাইর
অতিথি বলেছেন:
আমি জামাত ভালো দেখি নাই তবে শিবির, বি.এন.পি আর আওয়ামীলীগ খুব কাছ থেকে দেখছি। বি.এন.পি আর আওয়ামীলীগরে দেইখা আমার রাগ আর বিরক্ত লাগসে কিন্তু শিবিররে কাছ থেকে দেইখা আমি ভয় পাইছি। সেই ভয় এখনো কাটে নাই।
অতিথি বলেছেন:
গোলাম আযম যখন বিএনপির সঙ্গে পিরিতি বাধার আগে আওয়ামী লীগের শেখ হাসিনার সঙ্গে এক টেবিলে বসেছিলেন, তখন আওয়ামী লীগের প্রতি এই ঘেন্না আপনাদের ছিলো না?আজকে আপনারা যে বিএনপির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন তারা কি পরিশুদ্ধ? আপনাদের কথাটা না হয় বাদই দিলাম। কিন্তু বিএনপির মধ্যে কি লুটেরা, সন্ত্রাসী, দুর্নীতিবাজ নেই? জেলায় জেলায় আপনাদের নেতারা যখন ওইসব নেতাদের পাশে দাঁড়িয়ে বর্ক্তৃতা করেন তখন ইসলামী আন্দোলনের লেবাসে জামাত-শিবিরীয় রাজনীতিও তো লুটেরাদের কাতারেই পড়ে যায়। বলতে পারেন, এবং বলেনও এটা আপনাদের রাজনৈতিক কৌশল। আচ্ছা বলেন, হযরত মোহাম্মদ (সা.) যখন ইসলাম প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করছিলেন, তখন কি তিনি লুটেরাদের সঙ্গে নিয়েছিলেন? তিনি যদি কাফের মুশরিকদের সঙ্গে নিয়ে কৌশলে রাজনীতি করতে চাইতেন, তাহলে তো ইটের আঘাতে সেই মানুষটিকে জর্জরিত হতে হতো না। তাহলে আপনারা তার আদর্শ কোথায় মানছেন? একদিকে কৌশলের কথা বলে সুদখোর, ঘুষখোর, দুনর্ীতিবাজ, সন্ত্রাসী আর লুটেরাদের সমর্থন দিয়ে নিজেদের পথ পরিস্কার করবেন আর অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলন করছেন বলে মিথ্যে জিগির তুলবেন, তা মেনে নেয়া যায় না। জামাত-শিবির ইসলাম প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করে না। তারা করে নিজেদের উদরপূর্তির রাজনীতি। কাজেই বিএনপি-আওয়ামী লীগের সঙ্গে এদের বেসিক কোনো পার্থক্য আমি খুঁজে পাই না। শুধু মুখে মুখে বলে সময়ের আগেই জেহাদি জাজবা জাগিয়ে তোলার চেষ্টা, নিয়মিত নামাজ পড়া, দাড়ি (তাও শিবিরীয় বিশেষ স্টাইলে) রাখা, আত্মশুদ্ধির পথ না খুঁজে কৌশলের থলের মধ্যে লুটপাটের দুর্মতিকে ভরে ফেলে ইসলামের জন্য দিওয়ানা বলে জাহির করার চেষ্টা করলেই ইসলামী আন্দোলন হয় না। হয়তো বা জামাত-শিবিরীয় আন্দোলন হতে পারে সেটি। আপনারা তাই বলুন, আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু আপনারা ইসলামী আন্দোলন করেন না।
অতিথি বলেছেন:
আমি আপনের লগে আছি । যারা মারামারি কইরা টিকতে পারে না তাগো লগে নাই ।
মদন বলেছেন:
আমি সুজনের সঙ্গে একমত এবং ধানসিঁড়ির থেকে উত্তর আশা করছি।
অতিথি বলেছেন:
ধানুমিয়ার পেপারের পিতা আওয়ামী লীগ করেন, কিন্তু বায়োলজিক্যাল ফাদার তো আর লগিবৈঠার লোক না, আধাহিন্দু বাঙ্গালীও না, সাচ্চা পাক মুসলমান। অতএব ঠিকাছে।
ধানসিঁড়ি বলেছেন:
না মিতেব, রাগ করি নি। আমি সচক্ষে আওয়ামী বর্বরতা দেখেছি। আমার বাসায় এখনো রক্তমাখা শার্টটি আছে। জানি না সেই আহত ছাত্রটি কেমন আছে। মুজাহিদকে যে পৌশাচিকভাবে হত্যা করেছে আওয়ামী হায়েনারা সে চিত্র এখনো আমাকে রাতে ঘুমুতে দেয় না।
আওয়ামী অপশাসন আমি আর চাই না।
অতিথি বলেছেন:
এছবিটার দিকে তাকানো যাচ্ছে না। মাথার যে অংশটা থেথলে মগজ দেখা যাচ্ছে সেটা দেখলে অনেক মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। এমন পোস্টার রাস্তায় টানানো সস্তা জনপ্রিয়তা অর্জনের প্রচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই না।
অতিথি বলেছেন:
না চান আপ্ততি নাই। দোয়া কইরা আফনের প্লিটিক্যাল ওয়ালিদদের দুইমুখী শাষন কায়েমের চেষ্টা কোইরেন না মোনো। তাঈলে কইলাম পাবলিক ব্যাম্বোফাই কোরবো আইন্নেরেও। বুইঝেন কইলাম।
অতিথি বলেছেন:
আপনে কি ঐ রক্ত মাখা শার্টজনিত ফেটিশে ভুগতেছেন, অনেকের নাকি আবার রক্ত দেখলে কামভাব জাগে, তা ঐটা সাইজ কইরা বালিশের কভার বানান, পোন্দাইয়া সুখ পাইবেন।
অতিথি বলেছেন:
ভাইয়া সচক্ষে যদি তখনকার রাজাকারদের দেখতেন তাহলে যে কি হত??আমার তো মনে হয় এটা কিছুই না তখনকার তুলনায়
অতিথি বলেছেন:
ধানসিঁড়ি ভাই, জাযাকাল্লাহ - আল্লাহ আপনাকে সর্বোত্তম প্রতিদান দিন। এমন একটা বর্ণনা শোনার জন্য সেদিন থেকেই মনটা অধীর হয়ে ছিল। কিন্তু কাউকেই ফোনে বা অন্য কোন মাধ্যমে জিজ্ঞেস করতে পারিনি পরিস্থিতির ভয়াবহতা লক্ষ্য করে। আশা করি বিস্তারিত ভাবেই লিখছেন।
ধানসিঁড়ি বলেছেন:
সুজন:ইসলামী আন্দোলন সম্পর্কে আপনার কাছে সুস্পষ্ট কোন ব্যাখ্যা থাকলে জানান। আমি ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলন সম্পর্কে যতটুকু পড়াশুনা করেছি তাতে জামায়াতে ইসলামীকে একটি ইসলামী আন্দোলন রূপেই দেখতে পাই।
অতিথি বলেছেন:
সুজন ভাই যেমন করে আপনি নবীজির ইতিহাস তুলে ধরেছেন তাতে মনে হচ্ছে আপনি অল্পবিস্তর ধারনা রাখেন ইসলামী আন্দোলন সমর্্পকে! আপনি যদি ধানসিঁড়িদের কৃর্তার্থে একটি ইসলামী আন্দলোনের সূচনা করেন তবে আমার মনে হয় ধানসিঁড়িরা জামাত করবেনা। এমন একটি মহতি উদ্ধোগ কি আপনার মতো একজন মুক্তমনার কাছ থেকে কেউ আশা করেনা?
ধানসিঁড়ি বলেছেন:
মনের কথাটাই বলেছেন মুক্তি। ধন্যবাদ।
ফজলে এলাহি বলেছেন:
ধানসিঁড়ি ভাই, আপনার অভাব খুব অনুভব করছি। ব্লগের প্রোফাইলে কিছু পরিবর্তন দেখে মনে হলো এসেছিলেন। এই পোষ্ট সহ সবগুলো ধারাবাহিকে একটায় তার পরবর্তী ও পূর্ববর্তী পোষ্টের লিংক সংযুক্ত করবেন যদি সম্ভব হয়। এতে পাঠক পর্যায়ক্রমে পড়ার সুযোগ পাবে, নয়ত অতখোঁজাখুঁজি করার ঝামেলা এড়াতে এড়িয়ে যাবে। তাছাড়া শোকেইসে কেউ রাখলে যেন একটা পোষ্টই সবগুলোকে টেনে আনতে পারে। ভাল থাকুন।
এস্কিমো বলেছেন:
পড়লাম
ফজলে এলাহি বলেছেন:
আজ আবার এলো সেই দিন! সারা বিশ্ব স্তম্ভিত ছিল যেদিনে নৃশংস দৃশ্য দেখে। আমার খুব জানতে ইচ্ছে করছে-
এই একটি বছর কি সেদিনের সেই লগি-বৈঠা দিয়ে পেটানো সন্ত্রাসীরা শান্তিতে ঘুমুতে পেরেছিল?
এমন কোন আওয়ামী লীগ ও পাইনি যার মুখ থেকে শুনিনি যে, সে ঘুমুতে পারেনি কয়কেদিন এই লোমহর্ষক দৃশ্য দেখার পর। অথচ, তারা নিজেরা খোদ হত্যাকারী হিসেবে কি পেরেছে ঘুমুতে?
অবশ্য পারার কথা,
শহীদ আব্দুল মালেককে যে খুনী তোফায়েল রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছিল সোহরোয়ার্দী উদ্যানে ঊনসত্তরে, সে তো আজো ঘুমায়!
হয়ত, এদের অন্তর মরে গেছে তাই!
হাসিব বলেছেন:
ধোনসিড়ির পুস্ট কব্বর থিকা উঠায়া আনছে বরাহ শাবক ফজু
রাশেদ বলেছেন:
কি আনন্দ, রাজাকাররে মারছে। আরো মারুক।
রাশেদ বলেছেন:
জামাত শিবিরকে মাইরা সাফ কইরা ফেলা হউক।রাজাকার জামাতির লোক ফজইল্যা গুলাম আজমের রস খাইয়া আসছে, এখন চাঙ্গা আছে তাই।
আজকে থেকে ত্রিভুজ আওরঙ্গ ভিমরু মাহমুদ রহমান রাজাকারদের ব্যান করলাম।
আওরঙ্গজেব বলেছেন:
সালাম,ব্লগে তথ্য সন্ত্রাসের কারণে আমি গতকাল থেকে এখন থেকে ঠিক ১-২মি. আগ পর্যন্ত ভিজিট করিনি।


















