আমার প্রিয় পোস্ট

তথ্য সন্ত্রাস ও বর্বরতার শিকার ইসলামী আন্দোলন-৫

০৭ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ১১:২৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

দেখুন !@@!168348 !@@!168349

বাসায় ফেরা পর্যন্ত আমার ধারণা ছিল আমি জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর আওয়ামী বর্বরতা দেখে ফেলেছি। কিন্তু বাসায় পৌছে টেলিভশনের স্ক্রীনে দৃষ্টি দিয়ে স্তব্ধ হয়ে যাই। এতটা বিভৎস্য, এতটা নির্মম, এতোটা পাশবিক নির্যাতন যে মানুষ মানুষের উপর চালাতে পারে তা দেখে আতকে উঠি। বিবিএর ছাত্র মুজাহিদকে আওয়ামী হায়েনারা একের পর এক বৈঠার আঘাতে যে নির্মম অত্যাচার চালিয়ে হত্যা করেছে তা কোন বিবেকবান মানুষের পক্ষে সহ্য করা সম্ভব নয়। মুজাহিদের মাথায় বৈঠার আঘাতে চুর্ণ বিচুর্ণ করেও পিশাচদের তৃষ্ণা মেটে নি, ওরা মুজাহিদের লাশের উপর লাথি মারে, লগি দিয়ে চোখ খোঁচায়, থুথু ছেটায় এসব বর্বরতা প্রমাণ করে হত্যা, নির্যাতন, সন্ত্রাস আওয়ামী অপশক্তির পেশা। ওরা মানুষ নয়, ওরা পেশাদার খুনী, ওরা নরখাদক পিশাচ-হায়েনার জাত, ওরা আওয়ামী লীগ।

কেন ওরা মুজাহিদকে হত্যা করলো? মুজাহিদ কি কোন সন্ত্রাসী? ওর ইউনিভার্সিটির বন্ধুরাতো কোনদিন ওকে অস্ত্রবাজী করতে দেখেনি, কোনদিনতো ও ওর কোন সহপাঠিকে আঘাত করেনি। মুজাহিদকে যখন রক্তপিপাসু হায়েনার দল ঘিরে ধরে তখন তো মুজাহিদের হাতে ছিল না কোন মারনাস্ত্র, কিংবা ছুরি, লাঠি। তাহলে কেন সম্পূর্ণ নিরস্ত্র, নিরপরাধ অসহায় এক তরুনের জীবন প্রদীপ খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে খুবলে খেল আবুলাহাবের প্রেতাত্মারা?

মুজাহিদ কি ওদের কারো বাড়া ভাতে ছাই দিয়েছিল? মুজাহিদের সাথে কি ওদের জমি জমা নিয়ে কোন বিরোধ ছিল? মুজাহিদ কি ওদের কোন মা-বোনের ইজ্জর কেড়ে নিয়েছিল, যেমন শতাধিক বোনের ইজ্জত লুটে সেঞ্চুরী উৎসব পালন করেছিল ছাত্রলীগ নেতা মানিক কিংবা যেমন ওরা প্রকাশ্যে বস্ত্রাহরণ করেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাঁধনের? মুজাহিদের হাতে কি ওদের কোন আত্মীয়ের রক্ত ঝড়েছিল, যেমন মাত্র দুই দিনে হাজারো নিরপরাধ লোকের রক্ত ঝড়িয়েছে ১৪ দল? তবে কি মুজাহিদ একাত্তরে পাকিস্তানীদের দোসর হয়ে নিরস্ত্র বাঙ্গালীর উপর শকুনের মতো হামলে পড়েছিল? না মুজাহিদ তাও করে নি। মুহাজিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারেরই সন্তান, ওর জন্ম স্বাধীনতার অনেক অনেক পরে।

স্বাধীন বাংলাদেশে এমন নির্মন নির্যাতন, এমন নির্দয় হত্যাকান্ড, এমন পৈশাচিক উল্লাশ কেউ কি কখনো দেখেছে? পাহাড় সমান অপরাধ নিয়ে যে সন্ত্রাসী ধরা পরে তাকেও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া হয়, তাকেও তার শেষ ইচ্ছে পূরণের সুযোগ দেয়া হয়। পশু পাখি জবাই করার পূর্বেওতো এক চুমুক পানি পানের সুযোগ করে দেয় বিবেকবান মানুষ। তাহলে মুজাহিদ এমন কি অপরাধ করলো যে তাকে জীবনের শেষ মুহূর্তে "মা, মা" বলে ডাকতেও দিলো না ওরা?

তাহলে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির বিবিএর ছাত্র মুজাহিদ আহমেদ ফাহিমের অপরাধ কি? মুজাহিদের স্বপ্ন ছিল শোষনমুক্ত, ক্ষুধামুক্ত একটি ইসলামী সোনালী সমাজ গড়া। আর তাই মুজাহিদ যোগ দিয়েছিল ছাত্র ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরে। শুধু মাত্র ভিন্ন মতাদর্শের, ভিন্ন মূল্যবোধের, ভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী হওয়ায় পাশবিক নির্যাতন সয়ে সয়ে পৃথিবীর আলোবাতাসের মায়া ছেড়ে চলে যেতে হলো খোদার সান্নিধ্যে।

মুজাহিদ যে আদর্শের সৈনিক সে আদর্শ সম্পর্কে আওয়ামী পিশাচদের মতো প্রচন্ড ঘৃণায় একসময় নাক সিটকাতেন মুজাহিদের শ্রদ্ধেয় নানা মনসুর আহমেদ। কিন্তু তিনিও একসময় এসে আশ্রয় নেন ইসলামী আন্দোলনের সুমহান আদর্শের পতাকাতলে। !@@!168772 !@@!168773 !@@!168774 পত্রিকার ৬ নভেম্বর সংখ্যায় মুজাহিদের নানা মনসুর আহমেদের ইসলামী আন্দোলনে শামীল হওয়ার ইতিহাস তুলে ধরেছে।
যে দল পাকিস্তানী নরঘাতকদের হাত থেকে সাত কোটি মানুষের প্রাণ বাংলাদেশকে মুক্ত করার জন্য যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিল সেই দলই এক সময় গণমানুষের ভালোবাসাকে আস্তাকুড়ে ছুড়ে মেরে ভ্রাতৃ হত্যায় মেতে ওঠে, স্বাধীনচেতা জনতার কাধে চাপিয়ে দেয় একদলীয় বাকশালী অপশাসন। ওরা এতটাই অন্ধ হয়ে গিয়েছিল, রক্তের নেশায় এতটাই জ্ঞানশুণ্য হয়েছিল যে প্রতিপক্ষ জাসদের ৩০ হাজার কর্মীকে তিলে তিলে, পিষে পিষে হত্যা করেছে। কিন্তু স্বাধীনতা সংগ্রামে যারা নিজেদের প্রাণ বাজী রেখেছিলেন, যারা মানবতার মুক্তির জন্য অস্ত্র ধরেছিলেন, যারা ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে মরে যাওয়াকে শ্রেয় মনে করতেন তারা আওয়ামী অপশাসনকে কিছুতেই মেনে নিতে পারে নি।

মুজাহিদের নানা স্বাধীনতার সৈনিক বিধায় স্বাধীনতার শত্রু বলে খ্যাত অধ্যাপক গোলাম আযমকে হত্যার জন্য ১৯৭৮ সালে বন্ধুদের নিয়ে কল্যাণপূরে অনুষ্ঠিত জামায়াতের অনুষ্ঠানে চলে যান। কিন্তু যারা পাকিস্তানী হায়েনাদের হাত থেকে মুক্ত হয়ে আওয়ামী বাকশালী পিশাচদের নির্যাতন দেখেছে, সত্য আর মিথ্যের প্রভেদ করা তাদের জন্য কঠিন নয়। তাইতো অধ্যাপক গোলাম আযমকে হত্যা করতে যেয়ে ইসলামী আন্দোলনের সুমহান আদর্শের সুশীতল পরশ পেয়ে ইসলামী আন্দোলনের কর্মী হয়ে যান নানা মনসুর আহমেদ।

আসলে অপরাধী যত চতুরই হোক না কেন তার অপরাধের চিহ্ন রেখে যায় একথাটি সবার কাছে স্পষ্ট। আওয়ামী অপশক্তি হত্যা, নির্যাতন, ষড়যন্ত্র করে দেশের শান্তিকামী মানুষের ঘুম কেড়ে নিয়ে সাধু সাজার যে অপচেষ্টা চালায় তা আজ জাতির কাছে পরিস্কার। একের পর এক অপরাধ করে মিডিয়ার কল্যাণে সে দায়ভার অন্যের কাঁধে চাপিয়ে সাধারণ মানুষকে আর কতদিন ধোকা দেবে ওরা?

(চলবে)

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরী  বিভাগে ।

 

  • ২৭ টি মন্তব্য
  • ৩৮৬ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৭ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:০৯
comment by: অতিথি বলেছেন: 12তারিখ থেকে নাকি আবার অবরোধ আর লগি বৈঠার খেলা দেখাবে???
২. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:১৪
comment by: ধানসিঁড়ি বলেছেন: হু, তাইতো শুনছি। ১১ তারিখে ওদের জন্য আমেরিক্যান উপদেষ্টাও আসতাছে। নতুন শলাপরামর্শ, নতুন নীলনক্সা।
আল্লাহ আওয়ামী অপশক্তি থেকে দেশটাকে মুক্ত করুণ। আমীন।
৩. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:৪১
comment by: নাজিরুল হক বলেছেন: অমানুষের পক্ষেই এমন পাশবিক নির্যাতন চালানো সম্ভব।
৪. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:৪৮
comment by: মনি বলেছেন: অ= আওয়ামী লীগ=অমানুষ
৫. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৫৩
comment by: অতিথি বলেছেন: গোলাম আযম যেখানে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের 'ভারতীয় অনুপ্রবেশকারী' বলে 'দালাল' বলে আখ্যায়িত করেছেন, তাঁর দল যেখানে বাঙালি নারীদের ধর্ষণ করা গণিমতের মাল হিসেবে তাত্তি্বকভাবে সিদ্ধ করেছিল, তার কাছে ইসলামী আন্দোলন আবার কি জিনিস?

আর আওয়ামী লীগ যদি কোন ভূল বা অপরাধ করেই থাকে তবে সেজন্য জামায়াতীদের কুকর্ম গুলো লীলাখেলা হয়ে যাবে তাতো ঠিক না।

আপানারা আওয়ামী বাকশালী পিশাচদের নির্যাতন দেখছেন কিন্তুআমরা 1971 সালের নয়টা মাস জামায়াতীগো দেশ চালানো দেখছি। জামায়াতীরা নয় মাসে যা করছে আওয়ামী লীগ নব্বই বছর ক্ষমতায় থাকলেও সেই পরিমাণ কুকাম করতে পারব না।
৬. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৩৪
comment by: হাসান বলেছেন: নিলর্জ্জ দালালী
৭. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৪৫
comment by: অতিথি বলেছেন: ধানসিঁড়ি সুজনের প্রশ্নটার উত্তর দেন। ইসলামী আন্দোলন করেন না জামাত-শিবিরীয় আন্দোলন? আর ধানসিঁড়ি দলের পক্ষ থেকে ভালো একটা দায়িত্ব পেয়েছেন সে জন্য অনেক অভিনন্দন। হাইপোডারমিক নিডল অ্যাপ্রোচ থিউরিটা বেশ ভালোভাবেই রপ্ত করেছে দেখি শিবির।
৮. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:০৯
comment by: অতিথি বলেছেন: আওয়ামীলীগৈর সাথে আপনাদের এত শত্রুতা কেন? এতদিন তো বাম-বাম কইরা মুখে ফ্যানা বাইর করতেন, এখন বামের কথা নাই কেন? আওয়ামীলীগ পলটনে হোগা মাইরছে সে কারণে? সময় আসলে তো আওয়ামীলীগের ছায়ার তলাতে ঢুকার চেষ্টাও কম চলে না।এর নাম বুঝি ইসলামী আন্দোলন?
৯. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:১৯
comment by: ধানসিঁড়ি বলেছেন: আওয়ামী লীগের সাথে আমার শত্রুতা এজন্য যে, সন্ত্রাস আর গডফাদার নির্ভর ইসলাম বিরোধী আওয়ামী অপশক্তি দেশের সাধারণ মানুষের জান-মাল-ইজ্জত লুটে মানুষের শান্তিকে দাফণ দিতে সচেষ্ট। আর বামদের বিরুদ্ধে লিখি কারন ওরাযে parasite
১০. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ২:০৯
comment by: অতিথি বলেছেন: আর আপনারা কী? আপনারা তো তৃণ হবারও যোগ্য নন। সাইফুদ্দিনকে যখন মারছিলো ছাত্রদল তখন কোথায় ছিলেন? আপনাদের এই গলা কোথায় ছিলো যখন আপনাদের পোলাপাইন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল সভাপতি মতি-আসলামকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে উল্লাস করে বলেছিলো, শিবিরের সাথে লাগতে এলে ফল এমনই হয়?
১১. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: হারামী নাম্বার ওয়ান,
তোমার নেত্রী (একছেলে ,এক মোয়ে, স্বামী এবং নিজে) ৪ জনের একটি সংসারে মিলেমিশে থাকতে পারল না, সে কি ভাবে এতবড় একটি দেশকে সঠিক ভাবে চালানোর স্বপ্ন দেখে। তোমাদের লজ্জা হওয়া উচিত এই রকম নেত্রী কে সমর্থন করার জন্য।
ধাঁনসিড়ি ভাই দুঃখ হয় ঐ সব নিরাপরাদ মানুষ গুলোর জন্য ,আল্লাহ তাঁদের কে বেহেস্ত নসীব করুন।
১২. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:১৫
comment by: অতিথি বলেছেন: বেকুব গাছে ধরে না।
১৩. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:৩৪
comment by: সুর বাংলা বলেছেন: চোর হয়।
১৪. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৩২
comment by: অতিথি বলেছেন: ধানসিঁড়ি- এভাবেই অনুপ্রেরণা হয়ে থাকেন শহীদেরা যুগে যুগে। লিংকটা দেয়ার জন্য এবং পোষ্টের জন্য তো অবশ্যই; আল্লাহ আপনাকে সর্বোত্তম প্রতিদান দিন এবং শহীদদের শাহাদাত কবূল করুন। আমীন।

মন্তব্যের ঘর থেকে-
হারামীদের কাছে তো আর কোন সূত্র নাই; শেষ এবং শুরু সবমিলিয়েই '71' । স্বদেশের মানুষের কাছে আজ ধীরে ধীরে পরিস্কার হতে শুরু করেছে যে, কারা 71 কে আত্মসাৎ করার নেশায় রক্তের [link|http://www.somewhereinblog.net/saharablog/post/22450|
১৫. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৪০
comment by: অতিথি বলেছেন: জামাত ইসলামীকে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীকে এ বিশ্বাস পৌছাতে হবে যে তারা শ্রেষ্ঠ - একমাত্র তাতেই সম্ভব তাদের ক্ষমতায় পৌছানো। কিন্তু তারপর বাকীদের কি হবে?

লুক এ্যাট তালেবান।
১৬. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৫০
comment by: অতিথি বলেছেন: ফজলে এলাহি, আপনারা শুধু একটা কথাই জানেন, দেশের মানুষের যারা আপনাগো বিরুদ্ধে যায় তারা আওয়ামী কিংবা বামদের দালাল। আর যারা আপনাগো সাপোর্ট করে হেরা সাচ্চা মুসলমান, কোনো দালাল না। কিন্তু আপনাগো মাথায় একটা বিষয় ক্যান ঢোকে না, এর বাইরেও মানুষের মতামত আছে। আমার জানামতে, অনেকেই এইসব পালটাপালিট কিংবা গদির রাজনীতির উধের্্ব উঠে নিজেকে মানুষ বলে ভাবতে ও তাদের জন্য কিছু করতে ভালোবাসে। আমাদের আফসোস, সেইসব মানুষেরা দুর্বল। তাগোর জোর কম। তাই আপনেরা কিংবা আওয়ামী-বিএনপি অথবা বামগো দালালেরা বেল পাইতে পাইতে সারা দেশে এখন শুধু পালটাপালিট। শিবিরের বিরুদ্ধে কথা কইলেই কয়া ফালান, আওয়ামী বাম দালাল। আর উলেটা হইলে কন সাবাস। আবার আওয়ামী-বামগোর কামও (মেনন-বাদশা কোয়ালিটি) একই। এই পালটাপালিটর মধ্যে মানুষ কই? 5 বছর ক্ষমতায় আছিলো বিএনপি। কী হইছিলো? দেশ কি এক্কেরে সমৃদ্ধ হইয়া গ্যাছে? বিএনপি নেতারা তো লুটপাট কইরা নিজের আখের ঠিকই গোছাইছে। আওয়ামী লীগ চালাইছে 5 বছর। কি করে নাই হেরা? ধর্ষণ করছে। লুটতরাজ করছে। হাজারি, শামীম ওসমান বানাইছে। হেরপর বিএনপি-জামাত আইলো (সেই হিসাবে শিবিরও তো ক্ষমতার অংশীদারীদের অংশ)। এরা কি করছে? দেশের মানুষ গুলি খাইয়া মরছে, না খাইয়া মরছে। এখন আবার কি করবার চান? এক মেয়াদ ক্ষমতায় থাইকা আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামাত সবাইরেই তো দেখলাম। কেউ তো মানুষের রাজনীতি করেনি। অতএব এতো ফাল পাইড়া লাভ নাই। আপনাগো সব রসুনের পুটকিই একখানে। তা সে একাত্তরের দোহাই দিয়া হোক, জিয়া দোহাই দিয়া হোক আর ইসলামের দোহাই দিয়াই হোক।
১৭. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৩৮
comment by: কুয়াশা বলেছেন: মেহেরুল হাসান সুজন আপনাকে অশেষ অশেষ ধন্যবাদ। আপনি দেশের সচেতন ও দল নিরপেক্ষ জনগনের কথাই বলেছেন। আমরা চাই সৎ, নি:লোভ নেতা। সে যে দল থেকেই আসুক।

স্বাধীনতার এই 35 বছর পর পরস্পরের মধ্যে আর হানাহানি মারামারি দেখতে চাই না। 71-এ কে স্বাধীনাতার পক্ষে ছিল কে বিপক্ষে ছিল সেটার চয়ে বড় কে দেশ গড়ায় নিবেদিত প্রাণ। কে গরিবের মুখে অন্য তুলে দিচ্ছে, কে মা বোনদের ইজ্জতের নিরাপত্তা দিচ্ছে, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিচ্ছে, কে দেশকে বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে দাড়াতে সাহায্য করছে, আমরা তার পক্ষে।
১৮. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৪১
comment by: অতিথি বলেছেন: কিন্তু সেটা কি গত 15 বছরে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জামাত কিংবা ইসলামী ঐক্যজোট কেউ করতে পেরেছে?
১৯. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৫৬
comment by: অতিথি বলেছেন: একটা কথা আছে,
হে অতীত তুমি ভুবনে ভুবনে,
কাজ করে যাও গোপনে গোপনে।

অতীত থেকে আমরা যদি শিক্ষা না নেই তবে ভবিষ্যতে পথ চলব কীভাবে?

যারা একটি শিশুর জন্মের সময় তাকে হত্যার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে তারা কীভাবে এখন সেই শিশুর অতন্দ্র প্রহরী হয় তা আমাদের জানতে ইচ্ছা করে বৈকি। (কথায় আছে, চোরের মার বড় গলা) আপনারা এ পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা তো দূরের কথা সামান্য দুঃখ প্রকাশ করেননি আজ পর্যন্ত।

'71 এর কথা তুলব না কেন? এটা তো আমাদের বাঙালি জাতির গর্বের বিষয়। আমাদের জাতির ইতিহাসে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন। আমরা তো কোনো গণহত্যায় অংশ নেইনি। বরং আমাদের ওপর গণহত্যা চালানো হয়েছিল। '71 এর কথা পাকিস্তানীরা আর তাদের এদেশীয় দোসররা তুলতে অস্বস্তি বোধ করে কারণ পাছে তাদের কুকীর্তি প্রকাশ পায়।
গোলাম আযম কোন সূত্র মোতাবেক স্বাধীনতার শত্রুনা সেটা বলেন। উনি তো পায়ের নখ থেকে মাথার চুল পর্যন্তবাংলাদেশ বিরোধী।
'71 এ উনার কাজ কাম কীরকম ছিল সেইটা জানতে একাত্তরের পত্র পত্রিকা পইড়া দেইখেন ।
২০. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ২:১৯
comment by: অতিথি বলেছেন: সুজন-
জামায়াতকে ক্ষমতায় দেখলেন কই? দু'জন মন্ত্রী দিয়েই কি একটা সরকারের রূপরেখা নির্ধারণ করা সম্ভব? কি জানি, এটা হয়তো আপনাদের অগ্রগামী(?) বিবেচনায় সম্ভব।

কুয়াশা-
সুন্দর কথা বলেছেন। দেশবাসীর এখন এটাই দেখা উচিত যে, কারা স্বাধীনতা ও স্বদেশের সম্মান, জনগণের শান্তি-শৃংখলা রক্ষায় সর্বোত্তম ভূমিকা রাখছে।
কে সৎ, এ প্রসঙ্গে আমার [link|http://www.somewhereinblog.net/Fazalblog/post/15160|k
২১. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ২:৪৩
comment by: অতিথি বলেছেন: তাইলে জামাত জোটে গেছিলো ক্যান? এইটা তাদের কোন ইসলামী আন্দোলনের কৌশল?
২২. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:০৬
comment by: ফজলে এলাহি বলেছেন: সেদিনের শহীদেরকে আল্লাহ্ তা'আলা তাদের উপর আপতিত প্রতিটি লগি-বৈঠার আঘাতের বিনিময়ে জান্নাতে উচ্চমর্যাদা দান করুন।

শহীদ মুজাহিদ সহ ইসলামের জন্য বাংলাদেশের সকল শহীদেরা প্রেরণা হোক আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের সকল কর্মীদের জন্য।
২৩. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:১০
comment by: রাশেদ বলেছেন: শিবির মরলে শহিদ!! কত বড় রামছাগল।
২৪. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৭:০৮
comment by: ফজলে এলাহি বলেছেন: রাশেদ কি নিজেকে রামছাগল বললেন? কি জানি বাপু।

যাইহোক, (যদি তাই দিয়ে থাকেন তবে আপনার মত) রামছাগল কিংবা শিবির মরলেই শহীদ হবে; এটা কোন শর্ত নয়; বরং শর্ত হলো ঈমান, আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা-সাধনা ও অন্তরে শাহাদাতের নিয়্যত থাকতে হবে। তবেই কাউকে শহীদ বলা যেতে পারে, তারপরও কথা থেকে যায় যে, আল্লাহ্ তার শাহাদাত কবূল করেছেন কি না। যা আমাদের জানা নাই বা জানার কোন সুযোগও নাই। তাইতো আমরা শহীদদের জন্যও দো'আ করে থাকি।
২৫. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৭:১০
comment by: রাশেদ বলেছেন: লজ্জা থাকলে দ্বীনের কথা কইতেন না, জামাতিও ধর্ম ব্যবসা করে। ওরা বক ধার্মিক।


চামড়া কি এতোই মোটা হইছে যে কথা বুঝেন না! অবশ্য জামাতি হইলে চামড়া মোটা হবারই কথা।
২৬. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৭:১১
comment by: নাদান বলেছেন: আল্লাহ, জামাতী কুত্তাগুলারে একটু লজ্জা দাও। আমিন...
২৭. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৯:২০
comment by: ফজলে এলাহ বলেছেন: ভাইসব আমি আমার ভুল বুজতে পারছি। এখন থেকে আমি জামাত ইতরামিকে চুদব। জামাতের রাজাকারির কথা আমি সবাইকে বলব। যে সকল চুদমারানির গু আ র জারজরা শিবির করস তাদের প্রতি আহ্বান তুরাও আমার মত ভাল হইয়া যা। নাহয় চুদা দিমু।

আজকে থেকে ত্রিভুজ আওরঙ্গ ভিমরু মাহমুদ রহমান রাজাকারদের ব্যান করলাম।

 



 


আপনি জানেন কি এইডস মানে নিশ্চিত মৃত্যু?
আপনি কি এইডস সম্পর্কে সচেতন?
একটু অসচেতনা আপনার, আপনার আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবের...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১৫২২৬