বাংলাদেশের এই হুজুরের পালই আমাদের মাদ্রাসায় পড়ায়, পোলাপানের মাথা খায়, বিকালে মিলাদা পড়ানের নামে কিছু রোজগার করে, পরে আবার ভর পেট খায়া হাপুস হুপুস মোনাজাতের ভং ধরে।
সিজনে সিজনে এতিম পোলাপাইনগুলারে লিল্লাহ'র নামে ভিক্ষা করতে পাঠায় আপনার আমার দুয়ারে, রোজার টাইমে আপনারে উৎসাহ দেয় 'মুক্ত-হ্স্তে' দান করতে, এই দানের টাকা দিয়া কি হয় আপনে জানেন? তাতে দেশের গায়ে কতটুকু ইল্লত লাগে হিসাব করসেন?
এরাই আবার গ্রামে গঞ্জে মাদবরগুলার পোঁ ধইরা ফতোয়া দেয় হিলা বিয়ার, উৎসাহী যুবক স্কুল/লাইব্রেই খুলতে চাইলে মাইয়ারা বেপর্দা হইবো উছিলা দেখায়া ঔগুলা বন্ধ করনে জোরদার কাউ কাউ শুরু করে, পরে মক্তব খুইল্লা বসে। এই হার্মাদগুলাই ধর্ষিতা নারীরে জেনার দায়ে একঘরে করে ধর্ষকের টা্কা খাইয়া। এই বুঝি ইনসাফ?
এই হুজুরের পালই মাদ্রাসার কোমলমতি পোলাগুলার মাথা খায় জেহাদের জোশ ঢাইলা, তাগোর কচি মাথা খাইয়া হাতে দড়ির বান্ডিল সহ নিয়া যায় ভাষ্কর্য ভাঙতে, অথবা ক্লোজআপ-১'র শিল্পীদের নিয়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পন্ড করতে। এরাই হাতে তলোয়ার নিয়া আমাগো শহীদ মিনার আর অপরাজেয় বাংলা ভাঙার হুমকি দেয়। আমরা কি করি তখন? আল্লাখোদার ডরে ঘরে বইসা কাঁপতে থাকি!
অথচ আল্লাখোদার লগে এই হুজুর শুয়রের পালের কোন সম্পর্কই নাই। সব ধর্মব্যাবসায়ী শালারা খালি আমাগো অনুভুতি নিয়া পলিটিক্স করে। আমরা তখনো আল্লাখোদার ডরে ঘরে বইসা কাঁপতে থাকি!
এরা্ আমার সমাজরে সৌদি কালচার দিয়া নষ্ট করতেছে, আর আমরা চক্ষু বুঁদিয়া, মাথা পদ্মার চরের কাদায় ডুবাইয়া বসিয়া আছি!!
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



