এ বিষাক্ত দ্রব্যটি শরীরে প্রবেশ করলে বমি বমি ভাব এবং বমি হয়, হাতে পায়ে খিঁচুনি হতে পারে, লিভার, কিডনি, শরীরের স্নায়ুতন্ত্র ক্ষতি হয়ে প্রস্রাব কমে যায় বা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে দেখা দেয় কিডনির নিষ্ক্রিয়তা। এছাড়াও তা নিউমোনিয়া বা হাঁপানির মত শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি করতে পারে। রোগী উচ্চরক্তচাপে ভুগতে পারে। শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্তক্ষরণ হতে পারে। রক্ত আমাশয়ের উপসর্গও দেখা দিতে পারে। সবশেষে রোগী সংজ্ঞাহীন হয়ে এক সময় মারা যায়।
শিশুদের জ্বরের ওষুধ প্যারাসিটামল সিরাপে প্রপাইলিন গাইকলের পরিবর্তে চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত বিষাক্ত ডাই-ইথাইলিন গাইকল মিশিয়েছিল ওষুদ কোম্পানিটি। শুধু তাই নয়, ওই কোম্পানির উৎপাদিত সিরাপে প্যারাসিটামল কাঁচামালের পরিমাণও নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে অনেক কম ছিল। ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ১০টি কোম্পানির প্যারাসিটামল সিরাপ পরীক্ষা করে রিড ফার্মাসিউটিক্যালস্ ছাড়া বাকি ৯টি কোম্পানির সিরাপ ভাল পাওয়া যায়।
মানুষের বিবেক আজ কোথায়? অই ফার্মাসিউটিক্যালের মালিকওতো কোন না কোন সন্তানের বাবা। তাহলে একজন বাবা কি করে আরেক বাবার সন্তানকে এভাবে হত্যা করতে পারে? সরকারি তৎপরতা জোরদার থাকলে এমনটি হবার কথা না। শুধু সরকারকে দোষ দিলে হবে না, দোষী আমরাও কম না।
আমরা কি আস্তে আস্তে বিবেক বিসর্জন দিয়ে সেই বর্বর যুগে ফিরে যাচ্ছি?
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



