বৃষ্টিকে প্রচন্ড ভালবাসতাম............................।
তার ভালবাসার শ্রাবণ ধারায় নিজেকে ভিজিয়ে নিতাম মনের মতো করে। তার ভালবাসার রিমঝিম শব্দে হারিয়ে যেতাম কোন স্বপ্ন পূরীতে। আমি জানি না আমার এই ভালবাসা বা ভাল লাগার কথা বৃষ্টি জানতো কিনা ? বৃষ্টির প্রতি আমার ভালবাসার কোন কৃপণতা ছিল না, ভালবাসতাম মনের সমস্ত স্বত্বা থেকে। কিন্তু হঠাৎই একদিন এই সামুতে আবিষ্কার করলাম ........ বৃষ্টিকে আমার চাইতেই হাজার গুণ বেশী ভালবাসে অন্য কেউ, বৃষ্টিও তাকে !!
কষ্ট পেয়েছি অনেক, তারপরও বৃষ্টির উপর থেকে তুলে নিলাম আমার সমস্ত ভালবাসা, সমস্ত ভাল লাগা, সমস্ত অধিকার। বিজর্সন করলাম বৃষ্টিমানবী কে .......................... (মানবী)।
তখনও জানতাম না বৃষ্টির জন্য আবারও হাহাকার করতে হবে, আবারো ইচ্ছা করবে বৃষ্টির জলধারায় ভিজিয়ে নিজেকে পরিতৃপ্ত করতে। এই পোষ্টটি যখন লিখছি তখন মাথার উপর ফ্যান থাকার পরও ঘেমে একেবারে টুইটুম্বর এবার অনুমান করুন তাপমাত্র কত। এরকম চলছে প্রায় ১ মাস যাবত। অসহ্য গরমে জীবন প্রায় যায় যায় অবস্থা। সাথে যুগ হয়েছে হালের ডিজিটাল বাংলাদেশের ডিজিটাল লোডশেডিং। একবার বিদ্যুত চলে গেলে আবার তাকে পাওয়ার সম্ভাবনা খবুই ক্ষীণ....... (হায়রে বাংলাদেশ
আষাঢ়ের এই মাসে যেখানে বৃষ্টির রিমঝিম শব্দে নেশা লেগে যাবে, নূপুর পায়ে এসে পড়বে টিনের চালে........... ঘুম পারিয়ে যাবে তার নূপুরের রিমঝিম নিক্কনে, সেখানে কিনা চৈত্রের খরতাপে জনজীবন অতিষ্ট। আর সইতে পারছিনা। একটি বারের জন্য হলেও অঝর ধারার বৃষ্টি চাই, চাই বৃষ্টির শ্রাবণ ধারায় নিজেক সিক্ত করতে।
বৃষ্টি তোমাকে একটি বারের জন্য হলেও চাই ................
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



