সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা ষড় ঋতুর দেশ .......................... আমাদের এই বাংলাদেশ। যদিও এখন আর ষড় ঋতু না বলে দ্বি-ঋতুর বাংলাদেশ বলাই ভাল। কারণ আমরা বইয়ে যেভাবে ষড় ঋতু পড়েছি এখন আর সেভাবে আমাদের চোখে পড়ে না, অন্তত আমার চোখে ...................!
বাংলাদেশ যেমন ৮০% কৃষি নির্ভরশীল, তেমনী দেশের রাজেস্বর বড় একটা অংশ আসে বাংলাদেশের বিভিন্ন সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের মাধ্যমে। যেখানে প্রতিদিন প্রায় ১০০ মত দলিল রেজিষ্ট্রি হয়। অথচ আশ্চর্যের বিষয় হলো এই অফিস গুলোর প্রতি বাংলাদেশ সরকারের কোন তদবীর নাই।
টাঙ্গাইল জেলায় মোট ১২ উপজেলায় সাবেরিজিষ্ট্রি অফিস হল ১১ টা। এর মধ্যো ধনবাড়ী ও মধুপুর ২ উপজেলায় অফিস একটি। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকার শূন্য কোটায় লোক নিয়োগ নিয়ে প্রহশনের বড় একটি উদাহরণ দেখছি এই অফিস গুলোতে। মাত্র ৩ জন সাবরেজিষ্ট্রার দিয়ে টাঙ্গাইল জেলার ১১ অফিস চলছে। বন্ধ হয়ে আছে গোপালপুর সাবেরিজষ্ট্রি অফিস শুধু মাত্র সাবেরজিষ্ট্রার এর অভাবে।
মধুপুর, ধনবাড়ী ২ উপজেলায় ১ দিন, কালিহাতি ২দিন, নাগরপুর ১ দিন ও বাসাইলে ১ দিন করে অফিস করেছন কালিহাতী উপজেলার সাবরেজিষ্ট্রার। এবার বুঝুন টাঙ্গাইল জেলার এই অবস্থান থেকে বাংলাদেশের অবস্থান।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সারা বাংলাদেশে আনুমানিক ২০০ জন শুধু সাবরেজিষ্ট্রার প্রয়োজন।
আমাদের দেশে কি এমন কোন মেধাবী বেকার নাই যে একটা সাবেরিজষ্ট্রার অফিস চালাতে পারবে ?
অনেকে খুব কষ্টে টাকা পয়সা সংগ্রহ করে একখন্ড জমির জন্য। কতলোক যে সাবেরিজষ্ট্রার এর অভাবে সময় সুযোগ মত জমি রেজিষ্ট্রি করতে পারছেনা। কেউ হয়তো জরুরী অফিস ফেলে এসে যখন একদিনের অফিসেও দলিল রেজিষ্ট্রি না করেত পারে তখন বুঝেন কি অবস্থা। এভাবেই চলছে আমাদের দেশ।
আসলে আমাদের কি হবে............?
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

