ডেপুটি স্পিকার বলেন, গণতন্ত্রের জন্য বিতর্কের বিকল্প নেই। তাই আরো বিতর্ক হোক গণতন্ত্র চর্চার জন্য। আর এজন্য গণতন্ত্রকে আতস্থ করতে হবে। বিতর্ক তথ্যের অবাধ প্রবাহ দিবে। আর বিতর্ককের মধ্যদিয়ে ছাত্রছাত্রীরা যখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংক্রন্ত জ্ঞান অর্জন করবে তখনই দেশের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে।
তিনি বলেন, সঠিক বিতর্কের মাধ্যমে জাতীয় সম্যার সমাধান সম্ভব। তাই আমরা বিতর্ক করবো কিন্তু কথা কাটাকাটি করবো না, বিতর্ক করবো কিন্তু উত্তেজিত হবো না, বিতর্ক করবো সঠিক তথ্য এবং সত্য কথা বলবো এটাই হোক বিতর্ক উৎসবের সবচেয়ে বড় অর্জন।
নোবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটির মডারেটর তারেক হাসান আল মাহমুদের সভাপতিত্বে উৎসবে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উৎসবের পৃষ্ঠপোষক নোবিপ্ররির উপাচার্য ড. সঞ্জয় কুমার অধিকারি ও নোবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি আসদুজ্জামান আসাদ। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিবেট ফেডারেশনের চেয়রম্যান এ কে এম শোয়েব, ঢাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান ডিবেটিং ক্লাবের মডারেটর ড. জিনাত হুদা অহিদ, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোহাম্মদ হানিফ, নোবিপ্রবি’র ট্রেজারার অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান।
‘যুক্তি নির্ভর মুক্ত বিশ্বায়নের আমরা’ এই শ্লোগান সামনে রেখে ১ম নোবিপ্রবি বিতর্ক উৎসব উপলক্ষ্যে সকালে ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য র্যালী বের হয়। উৎসবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৪৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিতার্কিকরা অংশগ্রহণ করে।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



