নোয়াখালীতে আমারদেশ প্রতিনিধি নুরুল আমিনের ওপর হামলা চালিয়েছে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। এসময় বাধা দিতে গেলে সন্ত্রাসীদের অশোভন আচরণের শিকার হয়েছেন নোয়াখালী প্রেসকাবের সভাপতি ও ইত্তেফাক সংবাদদাতা আলমগীর ইউসুফ। এক পর্যায়ে স্থানীয় জনগণ এগিয়ে এসে নুরুল আমিনকে উদ্ধার করে। এনিয়ে ুব্ধ সাংবাদিকরা প্রতিবাদসভা করে ২৪ ঘন্টার মধ্যে হামলাকারী সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে। শুক্রবার বিকাল ৪টায় জেলা শহরের মাইজদী বাজারের গ্রীন হল কমিউনিটি সেন্টারের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
সাংবাদিক মোঃ নুরুল আমিন জানান, তিনি এবং আলমগীর ইউসুফ মাইজদী বাজার এলাকায় এক কুলখানি অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে গ্রীন হল কমিউনিটি সেন্টারের সামনে পৌঁছলে যুবলীগ নামধারী মাসুদ, কালন ও খুরশিদের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী তাদের রিক্সার গতিরোধ করে অতর্কিতে তাঁর ওপর হামলা চালিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। হামলাকারীরা এসময় শুক্রবার আমার দেশ প্রত্রিকায় স্থানীয় সাংসদ একরামুল করীম চৌধুরীর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করার কারণ জানতে চায়।
এখবর ছড়িয়ে পড়লে জেলা শহর মাইজদীতে সাংবাদিকদের মাঝে ােভের সঞ্চার হয়। এনিয়ে তাৎণিক নোয়াখালী প্রেসকাবে এক প্রতিবাদ সভায় সাংবাদিকেরা হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানান। আলমগীর ইউসুফের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, মনিরুজ্জামান চৌধুরী, বিজন সেন, আনোয়ারুল হক আনোয়ার, মেসবাহ উল হক মিঠু, আনোয়ারুল হক আনোয়ার, আবু নাছের মঞ্জু, জামাল হোসেন বিষাদ, আকবর হোসেন সোহাগ প্রমুখ।
এদিকে হামলার বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সাংসদ একরামুল করীম চৌধুরী জানান, তিনি অসুস্থ। পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে কোন প্রতিবাদ করতে কাউকে তিনি বলেননি। হামলার বিষয়টি সাংবাদিকদের কাছে অবহিত হয়ে তিনি সুধারাম থানা পুলিশকে হামলাকারীদের গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছে।
উল্লেখ্য; শুক্রবার আমার দেশ পত্রিকায় স্থানীয় সাংসদ একরামুল করীমসহ জেলার তিন আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


