সে অনেক নিষ্ঠুর। যাবার সময় কারও দিকে ফিরেও তাকায়না। একটি বার কি ফিরে চাওয়া যায়না? আমরা মানুষ জাতি কি এতই খারাপ? কে তাকে এই নিয়ম বেঁধে দিয়েছে? এভাবে সে কেন চলে যায়? আমি এই সবের কোন উত্তর খুঁজে পাইনা।
সময়টা কিভাবে চলে যাচ্ছে। আমি আমার এই সময়টা অনেক আগলে রাখতে চাই। আমি জানিনা, সময়ের চলে যাওয়া দেখলে আমার কেন যেন খুব কান্না পায়। আরও কত কিছুইতো চলে যায় কিন্তু তার জন্য আমার কান্না পায়না। সময়ের চলে যাওয়া দেখলে আমার খুব কান্না পায়।
আমি মাঝে মাঝে খুব চেষ্টা করি তাকে ধরে রাখতে। কিন্তু পারিনা। কিভাবে তাকে ধরে রাখা যায়? তাকে ধরে রাখার জন্য এখন পর্যন্ত কোন বিজ্ঞানী এখন পর্যন্ত কোন হিমাগার তৈরী করতে পারেননি। যুগ যুগ ধরে তারা তাহলে কি করছেন? আমারতো মনে হয় পৃথিবীর সবচেয়ে প্রয়োজনীয় যন্ত্র এটাই। কিন্তু এটাই এখনও আবিষ্কার করতে পারেনি কেউ। ইস যদি পারতো! তাহলেতো পৃথিবীতে কোন ঝামেলাই থাকতো না। কেউ মিথ্যা বলতে পারতো না, কেউ কোন অপরাধ করতে পারতো না, কেউ কাউরে ধোকা দিতে পারতো না।
তবে মন বলে একটা কি যেন আছে আমাদের মাঝে। তাতে কিন্তু আমরা সময়কে ধরে রাখতে পারি অনেকদিন, চাইলে আজীবন। কেন যেন আমার ছোটবেলার অনেক কিছুই আমি ভুলিনি, ভুলিনি আমার জীবনের অনেক কিছুই। যা আসলেই ভোলার মত নয়। এটা আমার মনে হয় পৃথিবীর সকল মানুষের ক্ষেত্রেই হয়। এই মনটা কেন আমাদের সাথে আছে? এটা আছে বলেই আমরা কষ্টটা অনুভব করি, আবার আনন্দও পাই। আমাদের এই মনটার কি আদৌ কোন প্রযোজন ছিল? হ্যাঁ কি না তা আমি জানিনা। তবে না থাকলে আমরা হয়তো আজ অনেক কিছু থেকে বঞ্চিত হতাম, আবার না থাকলে আমরা আজ অনেক অপরাধ কম করতাম।
তবে এইসবের একটাই সমাধান। তা হলো, টাইম মেশিন। চলুন আমরা সবাই আমাদের নিজেদের মনটাকে একটা একটা টাইম মেশিন হিসেবে প্রস্তুত করে ফেলি। তাহলে আজ থেকে আমরা আর কোন অন্যায় করতে পারবো না, মিথ্যা বলতে পারবো না, কোন দুর্নীতি করতে পারবো না, ঘুষ খেতে অথবা দিতে পারবো না। তাহলে আমরা হয়তো একদিন বলতে পারবো,
আমার দেশ সোনার দেশ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

