somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সময় ও দেশ

৩১ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সে অনেক নিষ্ঠুর। যাবার সময় কারও দিকে ফিরেও তাকায়না। একটি বার কি ফিরে চাওয়া যায়না? আমরা মানুষ জাতি কি এতই খারাপ? কে তাকে এই নিয়ম বেঁধে দিয়েছে? এভাবে সে কেন চলে যায়? আমি এই সবের কোন উত্তর খুঁজে পাইনা।

সময়টা কিভাবে চলে যাচ্ছে। আমি আমার এই সময়টা অনেক আগলে রাখতে চাই। আমি জানিনা, সময়ের চলে যাওয়া দেখলে আমার কেন যেন খুব কান্না পায়। আরও কত কিছুইতো চলে যায় কিন্তু তার জন্য আমার কান্না পায়না। সময়ের চলে যাওয়া দেখলে আমার খুব কান্না পায়।

আমি মাঝে মাঝে খুব চেষ্টা করি তাকে ধরে রাখতে। কিন্তু পারিনা। কিভাবে তাকে ধরে রাখা যায়? তাকে ধরে রাখার জন্য এখন পর্যন্ত কোন বিজ্ঞানী এখন পর্যন্ত কোন হিমাগার তৈরী করতে পারেননি। যুগ যুগ ধরে তারা তাহলে কি করছেন? আমারতো মনে হয় পৃথিবীর সবচেয়ে প্রয়োজনীয় যন্ত্র এটাই। কিন্তু এটাই এখনও আবিষ্কার করতে পারেনি কেউ। ইস যদি পারতো! তাহলেতো পৃথিবীতে কোন ঝামেলাই থাকতো না। কেউ মিথ্যা বলতে পারতো না, কেউ কোন অপরাধ করতে পারতো না, কেউ কাউরে ধোকা দিতে পারতো না।

তবে মন বলে একটা কি যেন আছে আমাদের মাঝে। তাতে কিন্তু আমরা সময়কে ধরে রাখতে পারি অনেকদিন, চাইলে আজীবন। কেন যেন আমার ছোটবেলার অনেক কিছুই আমি ভুলিনি, ভুলিনি আমার জীবনের অনেক কিছুই। যা আসলেই ভোলার মত নয়। এটা আমার মনে হয় পৃথিবীর সকল মানুষের ক্ষেত্রেই হয়। এই মনটা কেন আমাদের সাথে আছে? এটা আছে বলেই আমরা কষ্টটা অনুভব করি, আবার আনন্দও পাই। আমাদের এই মনটার কি আদৌ কোন প্রযোজন ছিল? হ্যাঁ কি না তা আমি জানিনা। তবে না থাকলে আমরা হয়তো আজ অনেক কিছু থেকে বঞ্চিত হতাম, আবার না থাকলে আমরা আজ অনেক অপরাধ কম করতাম।

তবে এইসবের একটাই সমাধান। তা হলো, টাইম মেশিন। চলুন আমরা সবাই আমাদের নিজেদের মনটাকে একটা একটা টাইম মেশিন হিসেবে প্রস্তুত করে ফেলি। তাহলে আজ থেকে আমরা আর কোন অন্যায় করতে পারবো না, মিথ্যা বলতে পারবো না, কোন দুর্নীতি করতে পারবো না, ঘুষ খেতে অথবা দিতে পারবো না। তাহলে আমরা হয়তো একদিন বলতে পারবো,

আমার দেশ সোনার দেশ।
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজকাল

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৭ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৫১



আজকাল আমার মনে হয় -
আমাকে কেউ পছন্দ করে না,
কারো কাছে গেলে, সে বিরক্ত হয়।
পোশাক অগোছালো, এলোমেলো চুল,
চোখের দৃষ্টি কেমন ঘোলাটে!
বীরত্ব দেখানোর কিছু নেই।
চতুর পুরুষ স্ত্রীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে ৯টি বছরঃ একজন লিলিপুটিয়ান থেকে সত্যিকার ব্লগার হয়ে উঠার গল্প

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২৮

আজ আমার ৩য় বইয়ের জন্য চুক্তি করতে প্রকাশক আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। প্রকাশনা সংস্থা 'উত্তরণ'-এর মাসুদ ভাইয়ের বাংলাবাজারের অফিসে ঘণ্টাখানেক ছিলাম। তাঁর সাথে কথা বলতে বলতেই আমার মনে একটি বোধোদয় আসে! আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×