আমার প্রিয় পোস্ট
- আয়নাতে ঐ মুখ দেখবে যখন - জাহিদুল ইসলাম জুয়েল
- কুসুমসদৃশ - রু আদে
- সামহোয়ার ইন ব্লগের সেরা ৩০ টি গল্প (গল্পপ্রেমীদের জন্য){আমার মতে } - নাঈম আহমেদ আকাশ
- লিখবে আমায় , অনির্বাণ ? - সাব্রিনা সিরাজী তিতির
- আসুন কিছুক্ষন শিশুতোষ সরলতা নিয়ে মায়াদের দেখি..... - মনপবন
- জীবনানন্দের মা - ইমন জুবায়ের
- শৈত্য প্রবাহের প্রথম দিনঃ সমসাময়িক গল্প। - এম এম ওবায়দুর রহমান
- ফেমিনিন সাইকোলজিঃ রহস্যময় জগতে একটি সাইকোঅ্যানালাইসিসের প্রচেষ্টা - অনিমেষ হৃদয়
- ভালবাসা আর যুদ্ধে (All's Not Fair!!) - রঙ পেন্সিল
- মি. বিন খ্যাত রোয়ান অ্যাটকিনসন এর মুভিসমূহ এবং জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
- এস.কে.ফয়সাল আলম
- ভিনগ্রহের ললনা & বদমাইশ রোবট (১৬+) - কাক নং ৭৯৯
- আমার শৈশব, কৈশোর আর তারপরের লাগামহীন দিনগুলি - ১ - রিয়েল ডেমোন
- ফিরে দেখা ২০১১ : সামহোয়্যারইন ব্লগে সর্বাধিক মন্তব্য পাওয়া ১০২ পোস্ট - ফিউশন ফাইভ
- শায়মাকে আমাদের অভিনন্দন ও ভালোবাসা - হানিফ রাশেদীন
- তাই হেরি তায় সকলখানে... - মহাবিশ্ব
- সুদূরিকা... - মাহী ফ্লোরা
- ব্লগ দিবসে উপস্থিত সুধি ও সম্মানপ্রাপ্তদের নিয়ে আমার একান্ত কথন। - ধীবর
- শায়মার দুইটি কবিতা - হানিফ রাশেদীন
- আমাদের কিছু বিদেশী বন্ধুর কথা - কল্পবিলাসী স্বপ্ন
- খুকির ডায়েরি কিংবা ডাহুক পাখির গল্প - রিয়েল ডেমোন
- চাইছি তোমার বন্ধুতা। - ডাইনোসর
- যেখানে সীতাকে হরণ করেছিল রাবন - মহান পংকজ
- সময়ের অন্তরালে - সায়েম মুন
- চিকেন শর্মা (chicken shawarma) - পুরাতন
- ঢাকার পুরাকীর্তিঃ স্যর চার্লস ডি’ওয়লি (Antiquities of Dacca: Sir Charles D'Oyly) - আসফি আজাদ
- চিঠি ( টিপুর জন্য শোকগাথা) - মাহমুদা সোনিয়া
- ডাক্তার বললেন, " অনুমতি দিলে আপনার বাবাকে এবার মেরে ফেলতে পারি। " - নাহিন আজিম
- নিশীথিনীর মন ভালো নেই - রাজীব নুর
- গানের জগতে এক বিষ্ময়কর নাম সায়ান - নাআমি
- As a pearl from an oyster, Beauty comes from Pain! - ফানার
- আকুতি ও প্রার্থনা - বিতর্কিত উন্মাদ মানব
- খাঁটি ঘি যেভাবে বানালাম - পুরাতন
- বৃষ্টির দিনে একটি ভাললাগার কবিতা - ঠোঁট কাটা বন্ধু
- 'কি বা হায় আসে যায়... তারে যদি কোনোদিন না পাই আবার?' - সাঈফ শেরিফ
- তোর "ক" অথবা "খ" অথবা "অন্যকিছু" ২ - নোমান নমি
- গল্প: খেলাঘর বাঁধতে লেগেছি - রাত্রি২০১০
- অন্য কোনও জুলিয়েট'দের গল্প - শাহেদ খান
- ব্যস্ত জীবনে - নিথর শ্রাবণ শিহাব
- এসব ব্লগার কেন আমার প্রিয় . ব্লগে আমার ৫ বছর - জসিম
- মন্তব্য করতে আমাকে ব্যবহার করুন একা একা ভালো লাগছে না তাই শেয়ার করলাম - মাসুদ চৌধুরী
- না, শায়মা আপা, ২০১২ সালের ২১ ডিসেম্বর পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে না - ইমন জুবায়ের
- ছোট গল্পঃ সে ঢেউয়ের মতো ভেসে গেছে, চাঁদের আলোর দেশে গেছে - কেএসরথি
- চিচেন ইটজা: মায়া সভ্যতার অন্যতম কেন্দ্র - ইমন জুবায়ের
- আমার না থাকা গুলো... - মাহী ফ্লোরা
- হ্যামেলিনের বাশিওয়ালা। শুধুই কি বাচ্ছাদের ঘুম পাড়ানো গল্প?? নাকি আছে অজানা আরো কিছু... - মো: সালাউদ্দিন ফয়সাল
- সিংহের খপ্পরে তিন ব্লগার > অপ্সরাপু, নাফিস ইফতেখার এবং একরামুল হক শামীম ! - এস.কে.ফয়সাল আলম
- অপ্সারার ভুত শায়মা, উনার জন্মদিন
এবং আমার কিছু কথা - বৃষ্টি ভেজা সকাল ১১
- একটি আয়না ও প্রতিচ্ছবির শুভ জন্মদিন [হ্যাপ্পি বাড্ডে টু শায়মা]
- পটল
- আজ ১৭আগষ্ট ব্লগার নাফিস ইফতেখার, শায়মা ,অপ্সরা , ব্যাকটেরিয়া , লাল চাঁন সহ নয়জন ব্লগারের জন্মদিন। - জিসান শা ইকরাম
- শুভ জন্মদিন ঝুমকোলতা
- সোহানুর রহমান
- পথে হল দেখা ১ - ত্রাতুল
- তোর "ক" অথবা "খ" অথবা "অন্যকিছু" - নোমান নমি
- একটি প্রেমের কবিতা... - মাহী ফ্লোরা
- গল্পঃ "একটি গোলাপী ছাতা, অতঃপর গোলাপী ভালোবাসা" - রিয়েল ডেমোন
- শায়মা তোমাকে বললাম আমার কিছু ব্যাক্তিগত কথাবার্তা - শত রুপা
- চলতে চলতে- এর পেছনের কথা আর একটা ভাঙা স্বপ্ন - মুগ্ধ মানুষ
- খুঁজছি বিকেল - মহাবিশ্ব
- একটুকরো শৈশবের পরের টুকরো
- পৃথিলা আফনান
- অঝোর ধারায় বৃষ্টি শুধু তোমার কথা বলে!... - নস্টালজিক
- হাসিমুখে আমি তখন বিষাদ নিয়েই হাঁটি... - নস্টালজিক
- বৃষ্টিজলে ধুয়ে যাওয়া অক্ষর - আরিশ ময়ুখ
- আমি কোথাও থাকবো না, তাই শব্দ সাজাই আজ ...... - নস্টালজিক
- আচ্ছা চলো শুরু করে ফেলি সংসার জীবন - শাহ্রিয়ার খান
- গল্পঃযে গলিটির ল্যাম্পপোস্ট বাতিহীন - আরিশ ময়ুখ
- আজ আবার সেই পথে দেখা হয়ে গেলো................. - সূর্য পুত্র ও চাঁদ কন্যা
- জীবন্ত করে ফেলুন স্থির চিত্রকে !!!!!!!!!


- হাসান জোবায়ের
- যাদের লেখা আমাদের আমব্লগারদের এন্টেনার ১০০হাত উপ্রে দিয়া যায়- তাদের স্মৃতির চরনে
- শিপু ভাই
- ভালবাসায় অনুক্ষণ - ভালবাসা দিবস সংকলন ২০১১ - ~স্বপ্নজয়~
- সামুতে আমি ১ বছর বয়সে পদার্পন করিলাম এবং আমার আলোচিত পোস্টের রিভিউ
- হাসান জোবায়ের
- গান রিমিক্স করা এত সহজ! সত্যি অবিশ্বাস্য
- হাসান জোবায়ের
- একটু মায়া, একটু ভালোবাসা - আকাশনীল
- যে কবিতাটি পড়ে মুগ্ধ হয়েছিলাম ২ - কবি রাজ
- বাগদাদের ব্যাটারি এবং পীরি রইস এর ম্যাপ।রহস্যময় দুনিয়া-২ - শূণ্য উপত্যকা
- ছোটগল্পঃ যখন বাড়ির নাম কিছুক্ষণ - সায়েম মুন
- কিছুটা রম্য কিছুটা সিরিয়াস (ব্লগ লিখি ১ বছর হইয়া গেল!!) - জিকসেস
- ব্লগারদের নামে গীবত গাইলাম
আর সেই সাথে শায়মা আপিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা
- সোহানুর রহমান
- একটি গল্পের খসড়া (চিত্রনাট্য) - সেলিম তাহের
- এরিয়া-৫১ রহস্যময় দুনিয়া। - শূণ্য উপত্যকা
- ভালোবাসা ও এক্সপাইরেশনের গল্প ........... - নিস্সঙ্গ যোদ্ধা
- আমাকে তো আর মনেই পড়ে না... - সাদিক সাদাত
- ছোট্ট নিশি এবং তার হতভাগ্য পিতা - ড়ৎশড়
- আরবি পরীক্ষায় সাফল্য। ( মনে হয় মজার পোস্ট) - জিকসেস
- আমার যত প্রিয় বল্গারস পর্ব ৪ … তোষামোদি পোস্ট - ধীরে বৎস
- অধরা - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- ছড়াপ্রস্তুত কারখানা : দলে দলে যোগ দিন - সবুজ অঙ্গন
- জনৈক মুহিনের অসমাপ্ত গল্প - শামীম শরীফ সুষম
- নস্টালজিয়া.....পরী! - নস্টালজিক
- আমার করা চারটা পিডিএফ ই-বুক
- ~স্বপ্নজয়~
- ছেলেবেলা, কৈশোর ও একটি ঝাপসা আয়না! (৩) - কথক পলাশ
আমার অতি প্রিয় তিন ভুবনের তিন বাসিন্দা
২০ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৫৩
আমার এই ক্ষুদ্র জীবনটায় প্রিয় মানুষের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। মা, বাবা, ভাইবোন, মামা, খালা, চাচা কতমানুষই না ক্রমে ক্রমে প্রিয় থেকে প্রিয়তর হয়েছে দিনে দিনে। তবে নিকটজনেরা ছাড়াও কেউ কেউ চিরপরিচিত কিন্তু আজীবন অদেখা মানুষেরা আমার অতি প্রিয় আপনজন রয়েছেন।
তেমনি একজন প্রিয় মানুষ, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তার ছেলেবেলার
জল পড়ে পাতা নড়ে বইটা দিয়েই তার সাথে আমার প্রথম পরিচয়। ক্রমে ক্রমে পরিচিত হয়েছি তার গানের সাথে, তার কবিতা ও গল্পের সাথে। মানুষের মনের কথাগুলিই কবি যেন বলে গেছেন অবলীলায়। এমন কোনো বাঙ্গালী পাওয়া যাবেনা যে কিনা বুকে হাত দিয়ে বলতে পারেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো সঙ্গীত, গীতিকাব্য বা নৃত্যনাট্য তার প্রিয় তালিকায় নেই।
আমার ও সকলের প্রিয় কবির বাবা, মা, আবাস, নিবাস সব আমি সেই ছেলেবেলা থেকেই ঠোটস্থ করে রেখেছিলাম। যে কেউ জিগাসা করলেই ফট ফট বলে যেতাম। আমি একনজরে আমার প্রিয় কবির পরিচিতি তুলে ধরলাম।
![]()
নাম- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
দাদু- প্রিন্স দ্বারকানাথ
বাবা- দেবেন্দ্রনাথ, উনি ব্রাহ্ম্ধর্মে ( বানান লিখতে পারছিনা) দিক্ষিত ছিলেন।
মা- সারদা দেবী। উনার ১৫টি সন্তানের মাঝে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চতুর্দশ সন্তান।
জন্ম-ঠাকুরবাড়ি, ২৫শে বৈশাখ, ১২৬৮ ।
প্রথম বিদ্যালয়- ওরিয়েন্টাল সেমিনারী। ( এটা অবশ্য প্রকৃত বিদ্যালয় নাকি আমি জানিনা। প্রিপ্লে টাইপ কিছু হবে। ধনীদের জন্য সেই আমলেও কত ব্যাবস্থা ছিলো।
)
তারপর তিনি গেছিলেন নর্মাল সকুলে। এছাড়া বাড়িতে সর্ববিদ্যায় পারদর্শী করে তুলতে বিচিত্র শিক্ষার আয়োজন করাহয়েছিলো,পালোয়নের কাছে কুস্তি, বাংলা,অংক,ভূগোল, ইতিহাস কোনোটাই বাদ যায়নি।ইংরেজী, ছবি আঁকা, জিমনাস্টিক, রবিবার সকালে বিগ্ঙান( আবারও বানান সমস্যা
)রুটিন বাঁধা জীবনে হাপিয়ে উঠেছিলেন শিশু রবীন্দ্রনাথ।১১ বছর বয়সে বাবার সাথে প্রথম শান্তিনিকেতনে গেলেন। ১৮৭৩ সালে সেই প্রথম কাব্যের সাথে পরিচয় তার।
প্রথম কবিতা প্রকাশ- অমৃতবাজার পত্রিকা,হিন্দুমেলার উপহার।
ষোলো বছর বয়সে প্রকাশিত হলো ভানুসিংহের পদাবলী।
এরপর বিলেতে পাঠানো হলো কবিকে ব্যারিস্টারী পড়বার জন্য।(এ কথা অবশ্য সকলেই জানেন)কিন্তু কবির পড়াশুনায় মন নেই।
বেশীভাগ সময় কাটে সাহিত্য চর্চায়। উনিশ বছর বয়সে আবারও দেশে ফিরে এলেন। লিখলেন বাল্মিকী প্রতিভা। রবীন্দ্রনাথ এসময় গেলেন ভাই জ্যোতিন্দ্রনাথের কাছে। ভাই ও বৌদি কাদম্বরী দেবী এসময় চন্দন নগর ছিলেন। বাড়ীর পাশেই গঙ্গা ,। এখানে বসেই কবি লিখলেন বউঠাকুরাণির হাট।
কবি ও কবিপত্নী
বিবাহ- ১৮৮৩, ৯ডিসেম্বর।ঠাকুরবাড়ীর ই এক কর্মচারীর কন্যা। বিয়ের আগে নাম ছিলো ভবতারিণী।নতুন নাম হলো মৃনালিনী। মৃনালিনী দেবী বারো বছর বয়সে কবির বাড়িতে আসেন আর ত্রিশ বছর বয়সে মৃত্যু বরণ করেন। তাদের তিনটি কন্যা সন্তান মাধবীলতা, রেনুকা ও মীরা আর দুই পুত্র রথীন্দ্রনাথ ও শমীন্দ্র।
মাধবীলতা কোলে মৃনালিনী দেবী ও কবি।
সাহিত্যে নোবেল - দ্বিতীয়বার বিলাত ভ্রমনে কবির সাথে পরিচয় হয় ইংরেজ কবি ইয়টসের। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতান্জলির অনুবাদ পড়ে তিনি মুগ্ধ! ইন্ডিয়া সোসাইটি থেকে প্রকাশিত হলো গীতান্জলি। ইংল্যান্ডের শিক্ষিত মানুষের মধ্যে সাড়া পড়ে গেলো।
১৫ই নভেম্বর ১৯১৩ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরষ্কার পান।তিনিই প্রথম প্রাচ্যবাসী যিনি এই পুরষ্কার পান।
কবির জীবনের শেষ কবিতা-
তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছে আকীর্ণ করে
বিচিত্র ছলনা জালে হে ছলনাময়ী।
.......
শেষ পুরষ্কার নিয়ে যায় সে যে আপন ভান্ডারে
অনায়াসে যে পেরেছে ছলনা সহিতে
সে পায় তোমার হাতে শান্তি অক্ষয়
অধিকার।
এই ছিলো কবির শেষ কবিতা।![]()
মৃত্যু- ১৩৪৮ সালের ২২ শ্রাবন। রাখী পূর্ণিমার দিন দুপুরবেলা। তিনি চলে গেছেন । রেখে গেছেন তার সব অমর সৃষ্টি।
আমার ২য় প্রিয় মানুষটির নাম পাবলো পিকাসো। এই মানুষটি আমার এত প্রিয় জেনে অনেকেই হয়তো চমকে উঠবেন। তবে আমি জানি, কি কারনে তিনি আমার এত প্রিয়। ছোটবেলায় ঘর বাড়ির দেওয়াল, ক্যালেন্ডারের পাতা, মায়ের হিসাবের ডায়েরী সর্বোপরি বাবার সাদা ধবধবে পান্জাবীকেও যখন ক্যানভাস বানাতে ছাড়লাম না, তখন বাসায় আমার নাম দেওয়া হলো পাবলো পিকাসো। আমি এই নামের মানুষটাকে নিয়ে অনেক ভাবতাম। একদিন আমার ১০ বছরের জন্মদিনে আমার ছোটমামা দিলেন একটি বই উপ হার সেখানে ছিলো কিছু বিখ্যাত মানুষের কথা, তারি মাঝে পিকাসো একজন।
পরে বড় হবার সাথে সাথে তার কথা জেনেছি। তার কিছু কর্মকান্ডে অবাক হয়েছি তবুও শেষ পর্যন্ত তিনি আমার প্রিয় ব্যাক্তিত্ব হিসেবেই থিতু হয়ে রয়ে গেলেন।
![]()
নাম- পাবলো পিকাসো। পুরো নাম নেপোমুসেনো ক্রিসপিনয়ানো দ্য লা সান্তিমাসমিমা তরিনিদাদ রুইজ পিকাসো। (বাবাহ! এত বড় নাম ধরে কেউ কি ডাকতে পারে?)বড় হয়ে তিনি নিজের নাম রাখলেন পাবলো পিকাসো। মাতৃকুলের পদবীটুকু রেখে পিতৃকুলের পদবীটুকু ছেটে ফেললেন যাক বাবা বাঁচা গেলো, নইলে প্রিয় শিল্পীর নাম বলতে গেলে আমার দাঁত একটাও আর থাকতোনা আর অন্যেরা পড়তো ঘুমিয়ে।
জন্ম- ২৫শে অক্টোবর ১৮৮১ সাল। স্পেনের ভুমধ্যসাগরের কাতালান প্রদেশের মালাগা শ হরে।
বাবা- ডন জোস রুইজ , তিনিও ছিলেন একজন আর্ট স্কুলের টিচার।তার কাছেই পিকাসোর ছবি আঁকায় হাতে খড়ি। তিন বছর হতেই একটা পেনসিল বা কাঠকয়লা পেলেই কাগজ, মেঝে, চেয়ার টেবিল, বই খাতা জামাকাপড় সবখানেই পিকাসো তার অংকন চর্চা চালাতেন । এতক্ষণে বুঝলাম আমাকেও কেনো সবাই পিকাসো বলতো।
জেনেছি বড় হবার পর তিনি পথে ঘাটে বস্তিতে, জাহাজ ঘাটায়,পতিতা পল্লীতে,জেলেপাড়ায়, সমুদ্রের উপকূলে সবখানেই ঘুরে বেড়াতেন। যা দেখতেন তাই আঁকতেন।
প্রথম ছবি প্রদর্শনী- The moulin de la Galettle একটি কফি হাউসের দৃশ্য। ![]()
ব্লু পিরিয়ড-১৯০১ থেকে ১৯০৪ এসময় তার সমস্ত ছবিতে ছিলো নীল রঙের প্রভাব। নীলকে তিনি বিষন্নতার প্রতীক বলেই ভাবতেন।
![]()
পিন্ক পিরিয়ড- এসময় তার ছবিতে গোলাপী রঙের আধিক্য দেখা যায়।
![]()
পিকাসোর জীবনে প্রথম নারী-ফেরানডে অলিভিয়ে।
![]()
৯ বছর তারা লিভ টুগেদারে থেকেছেন।তাদের একটি পুত্র সন্তানও ছিলো। এরপর পিকাসোর পরিচয় হয় ব্যালে ড্যান্সার ওলগা কোকালভা। পিকাসো তাকেই বিয়ে করেন।
![]()
১৯২৭ সালে পিকাসোর জীবনে এলো আরেক নারী। নাম মারি থেরেসা
ওয়ালটার। তিনি ছিলেন পিকাসোর ছবির মডেল। এসময় তার সাথে ওলগার বিচ্ছেদ হয়ে যায়।মারি থেরেসার ঔরসে পিকাসোর একট কন্যা সন্তান জনমে । এর পর পর পিকাসোর জীবনে আরো একজন নারীর আগমন ঘটে।
শান্তির প্রতীক সাদা পায়রা- প্যারিসে অনুষ্ঠিত ২য় শান্তি সন্মেলনে পিকাসো প্রথম লিথোগরাফে শান্তির প্রতীক সাদা পায়রা আঁকেন।
শিপ্লের ইতিহাসে পিকাসো ছবি বিক্রি করে যে অর্থ পেয়েছেন তার এক শতাংশও কেউ আর পায়নি। অর্থ, খ্যাতি জশ নারীসঙ্গ পিকাসোর জীবনে অপরিমেয় ভাবে এলেও তার শিল্পসৃষ্টিতে কিছুই বাঁধা সৃষ্টি করতে পারেনি। কিউবিজম, এক্সপরেশনিজম,পোস্টার, এচিং, লিথোগ্রাফ প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি অন্যন্য সাধারণ।
১৯৭০ সালে তিনি তার সব শিল্পকর্ম বারসিলোনার মিউজিয়ামে দান করেন। মাতৃভূমির প্রতি এই ছিলো তার শেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য।
মৃত্যু- ১৮৭৩ সালের ৮ই এপ্রিল।ফ্রান্সের মুগা শহরে শিল্পী মৃত্যুবরণ করেন।
এবার বলবো এক মহিয়সী মহিলার কথা যিনি সকলের পরিচিত একজন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠা সেবিকা হিসাবে। তার কথা পড়ে পড়ে ও জেনে আমার একসময় খুব ইচ্ছে হত ঠিক তার মত হতে। চোখের সামনে ভেসে উঠতো সাদা ধপধপে পোষাক পরা একজন নারী যিনি গভীর রাত্রীতেও হেঁটে বেড়াচ্ছেন যুদ্ধাহত শত শত সৈন্যের মাঝ দিয়ে। অকাতরে করে চলেছেন তাদের সেবা শুশ্রুসা। হ্যা আমি ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গলের কথাই বলছি।
![]()
নাম-ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গল।
জন্ম- ১৮২০ সালের ১২ই মে ইতালীর ফ্লোরেন্স শহরে। জন্মসথানের নামেই বাবা তার নাম রাখেন। মেয়েকে নানা দেশের ভাষা, ছবি আঁকা, সংগীত সর্ববিদ্যায় পারদর্শী করে তুলেছিলেন বাবা। কিন্তু মেয়ে চাইলো সেবিকা হতে। এ ব্যপারটা মোটেই পছন্দ হলোনা বাবার। তথাপি একটু বড় হবার পর ফ্লোরেন্স লন্ডনের হার্লে স্ট্রিটের একটি মেয়েদের জন্য নির্মিত হাসপাতালেই যোগ দিলেন।
১৮৫৪ সালে তুরস্কের বিরুদ্ধে রাশিয়া যুদ্ধ ঘোষনা করলো। আত্নীয় স্বজন পরিজনের সব বাঁধা উপেক্ষা করে ফ্লোরেন্স তুরস্কের হাসপাতালে সুপারিনটেড্ন্ট পদে যোগ দেন। ফ্লোরেন্স ছিলেন এই হাসপাতালের এক সেবার প্রতিমূর্তি।দিনরাত অকাতরে তিনি সেবা করে যেতেন। রুগীরা তার নাম দিয়েছিলো দীপ হাতে রমণী।
![]()
( অনেকটা আমার প্রফাইল পিকটার মত
) আর সে নামেই তিনি পরিচিত হয়ে ওঠেন। শুধু হাসপাতাল নয় বহুবার তিনি ছুটে গিয়েছেন যুদ্ধের প্রান্তরে।
যুদ্ধ শেষ হলো। কিন্তু ক্রমাগত রোগীদের সেবা করে করে অক্লান্ত পরিশ্রমে এ কয়বছরে তার নিজের শরীর ভেঙ্গে পড়েছিলো।
মৃত্যু- অবশেষে ১৯১০ সালে ১৩ই অগাস্ট এই মানব দরদী মহিয়সী নারীর মৃত্যু হয়।
তার ইচ্ছা ছিলো দেশে নার্সিং স্কুল প্রতিষ্ঠিত করা। সমগ্র ইংল্যান্ডের মানুষ তাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে ৫০,০০০ পাউন্ড অর্থ তুলে দেয় আর তা দিয়ে ১৮৫৯ সালে সেন্ট টমাস হাসপাতাল তৈরী হয় প্রথম নার্সিং স্কুল যা নাইটিঙ্গেল হোম নামে পরিচিত।
আপাতত এটুকুই থাক। পরে জানাবো আমার ভেতরের পিকাসো, রবিঠাকুর বা নাইটিঙ্গেল হবার সুপ্ত স্বত্তার কথা।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৫৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
অনেক চমৎকার পোস্ট। তবে একাধিক ব্যক্তিকে নিয়ে না লেখে তাঁদের প্রত্যেককে নিয়ে আলাদা পোস্ট দিলে ভালো লাগতো। লেখক বলেছেন: না না এরা আমার সবচাইতে প্রিয়। কারো থেকে কেউ কম নয়। কাজেই একসাথেই তাদের নামোল্লেখ করতে হবে।
![]()
মুকুট বিহীন সম্রাট বলেছেন:
আলমিরাতে রেখে দিলাম।কিছু অজানা ছিলো জেনে নিলাম।
বিজ্ঞান = b i j + NN an
জন্মস্থান = jn+m, s+Than
নজরুলকে প্রিয়তে রাখুন।ওনাকে নিয়ে কিছু লিখুন,ওনাকে নিয়ে আমাদের অজানা গুলো জেনে নেই।দেশ, জাতি, আমি কৃতজ্ঞ থাকবো।
ভালো লাগলো
লেখক বলেছেন: প্রথমেই ধন্যবাদ বানান গুলোর জন্য।
আর নজরুল? তাকে তো আর কারো সাথেই মেলানো যাবেনা। তাকে নিয়ে শুধুই একক রচনা রচিত করিতে হইবে।
তারমত প্রেমের কবি, সুরের কবি( কলাসিক্যাল) যুদ্ধাংদেহী ও মনোভাবের বিদ্রোহের কবি আর কে আছে?
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
ঠাকুরের ছবিটা সুন্দর হয় নাই।
লেখক বলেছেন: রবিঠাকুর হইলেন চির সুন্দর হে !
তার ছবিতে সুন্দর অসুন্দর নাই।![]()
মুকুট বিহীন সম্রাট বলেছেন:
আমি নজরুলে দুর্বল।অপ্রিয় হলেও সত্য আমার দেশ নজরুলকে নিয়ে যতনা ভাবে তার চেয়ে রবীকে নিয়ে রমরমা বেশি।
আমি অবাক হয়েছি দেখে বেনাপোল বাংলাদেশ ইমেগ্রেশনে নজরুলে কোন ছবি ছিলোনা কিন্তু হরিদাসপুর ভারত ইমেগ্রেশনে গান্দ্ধী'র সাথে নজরুলের ছবিটা ঠিকি ঠাই পেয়েছিলো।
আমার চোখ ভিজে গিয়েছিলো নজরুলের প্রতি এই সন্মানবোধ টুকু দেখে।নজরুল আমাদের বাংলার সকল পাওয়ার সব চেয়ে বড় পাওয়া।
আমরা নজরুলকে নিয়ে একটু সময় দেই।
ভেবেছিলাম নজরুলকে নিয়ে একটা পোষ্ট দেব।সময় বড্ড বেশি তামাশা করছে আমার সাথে ।,ল্যাপটপে সামু'র পেজটা অপেন থাকে আর সময় ফেলে কাজের ফাঁকে দুই লাইন মন্তব্য,আমার দৌড়াত্ব এত টুকুই, তাই আজকে এই দায়িত্ব টুকু আপনাকে দিলাম।
যত বড়ই হোক নজরুলের সকল বিষয় নিয়ে একটা পোষ্ট ছাড়বেন,আশা রাখি।
ভালো থাকুন সুন্দরে।
লেখক বলেছেন: আপনি যে নজরলের এতবড় একজন ভক্ত জেনে যতটা ভালো লাগছে তার চাইতেও গর্ব বোধ করছি আমাদের জাতীয় কবির প্রতি আপনার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা দেখে। কেনো জানিনা।
বেনাপোল বাংলাদেশ ইমেগ্রেশনে নজরুলে কোন ছবি ছিলোনা কিন্তু হরিদাসপুর ভারত ইমেগ্রেশনে গান্দ্ধী'র সাথে নজরুলের ছবিটা দেখে আপনার কতটা ভালো লেগেছিলো সে বোধ হয় আমি না দেখেও উপলদ্ধি করতে পারছি।
রবিঠাকুরের গল্প গান কবিতা নিয়ে য্তখানই বাড়াবাড়িই হোক বা আমি যতটা বাড়াবাড়ি করিনা কেনো নজরুল শুধু আমাদের দেশের কবি নয়। রবিঠাকুর ও নজরুল দুজনই বাংলা ভাষার কবি বলে আমি মনে করি। দুজন আমার কাছে দুরকমভাবে অতি অতি প্রিয় তবে প্রেমের গান গুলোতে কেউ কারো থেকে কম নয় বলেই আমার ধারণা।
রবিঠাকুরের
তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা, তুমি আমার সাধের সাধনা
বা নজরুলের
আলগা করো খোঁপার বাঁধন দুটি দু রকমের একি সুতোয় গাঁথা মালা বলেই মনে হয় আমার।
যদিও ছোট মুখে বড় কথা হয়ে গেলো তবুও বলে ফেললাম ভালোবাসা থেকেই। তবে আপনি আমাকে যে গুরু দায়িত্ব দিলেন তা দেখে আমি রিতীমত বিস্মিত ও ভীত।
এতকিছু নিয়ে লেখার সাধ্য কি আমার আছে?
নিজেকেই প্রশ্ন করে দেখতে হবে যে। ![]()
সায়েম মুন বলেছেন:
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: অনেক চমৎকার পোস্ট। তবে একাধিক ব্যক্তিকে নিয়ে না লেখে তাঁদের প্রত্যেককে নিয়ে আলাদা পোস্ট দিলে ভালো লাগতো।-------------সহমত
লেখক বলেছেন: এরপর থেকে আর ভুল হবেনা। তবে এই তিন ভুবনের তিন জগতের তিন জন আমার সমান প্রিয় তাই একসাথে পোস্ট দিয়েছি তাদেরকে নিয়েই।
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
মুকুট বিহীন সম্রাট বলেছেন:........ অপ্রিয় হলেও সত্য আমার দেশ নজরুলকে নিয়ে যতনা ভাবে তার চেয়ে রবীকে নিয়ে রমরমা বেশি। খুবই আপত্তিকর বক্তব্য। ভীষন হীন মানসিকতার পরিচায়ক।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্মেছিলেন ১৮৬১ সালে, প্রয়াত হন ১৯৪১ সালে। তার অর্থ হলো তিনি স্বাধীন ভারত ও বাংলাদেশ কোনটিই দেখে যেতে পারেননি। তাই তাকে শুধু ভারতের কবি মনে করার কোন কারণ নেই। তিনি সব বাঙ্গালীর কবি।
নজরুল জন্মেছিলেন চুরুলিয়ায় ১৮৯৯ সালে। যখন তাকে স্বাধীন বাংলাদেশে আনা হয় তখন তিনি ছিলেন অসুস্থ। ফলে তিনি আমাদের নিজেদের কবি আর ঠাকুর অন্যদের কবি- এমন মনে করার কোন কারণ নেই। দুজনই আমাদের সমানভাবে আপন।
রবীন্দ্রনাথকে মাতামাতির কারণটা বুঝার ঘিলু থাকলে আপনি আর এই রকম নির্বোধের মতো কমেন্ট দিতেন না।
লেখক বলেছেন: ছি ছি স্বপ্নচারী ভাই, এমন করে বকাঝকা করে কমেন্ট দিতে নাই। কিছু বলার থাকলে বুঝিয়ে বলুন। বুঝা যাচ্ছে আপনি খুবি মাথা গরম মানুষ।
প্লিজ রেগে যাবেন না। একটা কথা মনে রাখবেন রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন।
আমি আন্তরিক ভাবে চাইছি আপনি এইভাবে রাগ করে কিছু বলবেন না মুকুটবিহীন ভাইকে প্লিজ। আশাকরি মুকুটীহীন ভাইও ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে সবকিছু দেখবেন। ![]()
নীল ভোমরা বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট! 'ভাললাগা' জানবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নীলভোমরা।
আপনাকে দেখলেই মনে পড়ে গুল খিলানো কমেন্টের কথাটা। ![]()
সায়েম মুন বলেছেন:
অ.ট: দীপ ছিলো, শিখা ছিলো, শুধু তুমি ছিলেনা বলে আলো জ্বললো না।
---------মান্নাদের এই গানটায় চোখ আটকে গেল! বেশ প্রিয় একটা গান। ---------শুভকামনা রইল!
লেখক বলেছেন: হুম আমারো খুব প্রিয় গানের একটি।
দীপ ছিলো শিখা ছিলো,
শুধু তুমি ছিলেনা বলে আলো জ্বললোনা...
ধন্যবাদ সায়েম মুন।
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
রাতে আলোচনা করবো। এখন গেলাম।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা তবে অবশ্যই মাথা ঠান্ডা রেখে আলোচনা ওকে? ![]()
মুকুট বিহীন সম্রাট বলেছেন:
@দুরন্ত স্বপ্নচারী - আমার লেখা টুকু পড়ুন আবার।কোথাও কি রবীকে ছোট করে দেখা হয়েছে?আমি শুধু এটাই বলেছি নজরুলকে প্রিয়তে রাখুন।আমি বলিনাই রবী কে বাদ দিন।এটা আপনাকে মানতে হবে রবী যত টুকু প্রাধান্য পায় নজরুল ততটুকু পায়না।দুজনকে সমচোখে সম ভাবে মুল্যায়ন করা আমাদের উচিৎ।সেই জন্য ইমেগ্রেশনের কথাটা লিখেছি এখানে।অযথা না বুঝে এমন মন্তব্য করা আপনার ঠিক হয়নি।আপনার লেখাগুলো তা বলেনা যা আমি পড়েছি যা আপনার পোষ্ট হিসেবে ছিলো সেগুলো পর্যন্ত।আশা করি পড়বেন ,বুঝবেন,তারপর এমন বাংলা শব্দ গুলো টাইপ করবেন ব্লগের বুকে।
রবীকে আমার অনেক পড়া আছে।
রবীর বিচরণ ক্ষেত্র গুলোতে আমার পা পড়েছে ভারত ও বাংলাদেশ দু-জায়গাতেই।
আমাকে নিয়ে আপনার ব্যবহারিত শব্দগুলোর প্রতিবাদ জানাই।
ভাবুন ভালোতে
লেখক বলেছেন: আমার মনটা ভীষন খারাপ হয়ে যাচ্ছে সম্রাট ভাই।
আপনারা দুজনই আমার প্রিয় দুজন ব্লগার। এমন করে মাথা গরম করবেন না প্লিজ।
রাহা বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাহা।
মুকুট বিহীন সম্রাট বলেছেন:
এই ব্লগে আমার একজন প্রিয় মানুষ আছেন,মৌ-মাছি।যার কাছ থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি।জেনেছি কিভাবে অভ্দ্রতার প্রতিবাদ শান্ত মাথায় সাবলীল ভাষায় করতে হয়।কারো কোন বক্তব্যে মন্তব্যে আমি বিচলিত হইনা।
আমি বিশ্বাস করা শিখেছি - এ-গুড বিহেভ ক্যান হেল্প টু গেট এভরিথিং।
মানুষের জানার শেষ নেই, যে যত জানে সে তত মাথা নত হাটে।
একজন বৃদ্ধকে দেখলেই বুঝবেন সে কেন নত হয়ে,কুজো হয়ে হাটে, অভিজ্ঞতার ভার তার মাথাকে নুয়ে দিয়েছে।
ঐ মানুষটিই শির টান দিয়ে বুক ফুলিয়ে মাথা উচু করে হাটে যার মাথা হালকা।
লেখক বলেছেন: বাহ! বৃদ্ধের উদাহরনটা খুবি ভালো লাগলো। আসলেই মানুষের জানার শেষ নেই। জীবনের শেষদিন পর্যন্ত মানুষ শিখে চলে। মৌমাছি কে আমি জানিনা তবে আপনার থেকে জেনে অবশ্যই দেখতে যাবো তার ব্লগ। তবে আমার ধারনা আমার নিজের মাথাটাও কম শান্ত নয়।
গর্ব করে বলছিনা। আসলেই আমি বিপদে মাথা ঠান্ডা রাখতে পারি। তবে আবেগপ্রবন একটু বেশী হওয়ায় মনটা শুধু খারাপ হয়ে যায়।
![]()
কথক পলাশ বলেছেন:
মাননীয় ব্লগার, আপনার এই পোস্টখানি প্রিয়তে রাখিবার সময় আমাকে একবারের অধিক দুইবার ভাবিতে হয়নাই।আপনাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করিতেছি।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ মাননীয়। তবে যাদেরকে নিয়া আমার এই রচনা তাদের মাঝে আমিও যে সুপ্ত রহিয়াছি, এই কথাখানিও ভুলিবেন না আশাকরি।
![]()
বড় বিলাই বলেছেন:
ভালো পোস্ট। এরকম আরও পোস্ট পাবো আশা করি।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ বড়বিলাই।
এরকম পোসট লিখতে গেলে মনে হচ্ছে দিনে দিনে বিপদ বাড়বে। মানে দিনে দিনে পড়ালেখার সময় বাড়াইতে হবে আর রান্না বান্না ঘর সংসারের সময় কমাইতে হবে।
তবে ছোটদের বিখ্যাত মানুষেরা বই হতে লিখতে বলেন যদি সে সব আমার ঠোটস্থ।( মজা করলাম । মাইন্ড কইরেননা যেন বাঘ্রমামা)
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
আপনার এইখানে প্রথম ছবি রেনোয়ার আঁকা। তাকে ভালো লাগে
পিকাসোকে আমার ভালো লাগে না। আমার সবচে প্রিয় ভ্যানগগ।
লেখক বলেছেন: পিকাসোকে ভালো লাগেনা জেনে কষ্ট পেলাম। ![]()
তবে ভ্যানগগও আমার প্রিয় কিন্তু যেহেতু আমি ছোটবেলায় পিকাসো উপাধীপ্রাপ্ত তাই প্রিয় হতে প্রিয়তম জায়গাটা পিকাসোর চাইতে কেউ নিতে পারেনি।![]()
কথক পলাশ বলেছেন:
@মুকুট বিহীন সম্রাট এবং দূরন্ত স্বপ্নচারীঃ যা ঘটার, তা তো ঘটেই গেছে, চলুন, আমরা ভেবে নেই, আপনাদের দু'জনের কথাগুলো ছিল, প্রত্যেকের প্রিয় কবিকে নিয়ে আবেগের বহিঃপ্রকাশ।রবীন্দ্রনাথ এবং নজরুল কে নিয়ে আপনাদের এই আবেগটা ভালো লাগছে।
আমার অনধিকার চর্চার জন্য, সবার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি।
লেখক বলেছেন: তা ঠিক বলেছেন দুজনের প্রিয়তম কবিকে নিয়ে যুদ্ধ বেঁধে যাবার উপক্রম হয়েছিলো আর একটু হলে। ![]()
তবে যে যাই বলুক, আজ থেকে তারা দুজন হলেন আমাদের আরো অধিক প্রিয় কারন বুঝা গেলো বাংলা কবিদ্বয়ের প্রতি তাদের নিজ নিজ ভালোবাসা।
আমি খুব সাধারণ মানুষ । বুদ্ধিও একটু কম মাথায় , কিন্তু এটুকু বলতে নিশ্চয়ই পারি , রবীন্দ্রনাথ বা নজরূল , এ বিতর্ক অর্থহীন ।
রবীন্দ্রনাথ বাংলা সাহিত্যের দীপ্ত সূর্য , নজরূল জোয়ারের তীব্র জল । এদের ভালোবাসায় আজ সমৃদ্ধ আমাদের ভাষা ।
আর এদের শ্রেষ্ঠত্ব বা গুরূত্ব আরোপের বিধিবিধান এটাই বোঝায় , সেই ভালোবাসাটা আমাদের নেই । কে বাঙালি , কে বাংলাদেশি ; কে ইসলাম আর কে ঠাকুর ... আমাদের মনে তাই ঘুরপাক খায় ।
ধন্যবাদ একটি চমৎকার পোষ্টের জন্য ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ পোস্টটি পড়বার জন্য।
স্বপ্নকথক বলেছেন:
খুবই চমৎকার একট পোস্ট, খুব ভালো লাগলো!
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ স্বপ্নকথক। খুশী হলাম।![]()
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
@ মুকুট বিহীন সম্রাট:
আপনি আপনার প্রথম বাক্যে বলেছেন ''অপ্রিয় হলেও সত্য আমার দেশ নজরুলকে নিয়ে যতনা ভাবে তার চেয়ে রবীকে নিয়ে রমরমা বেশি।''
দেখুন আপনি রবীন্দ্রনাথের নামটি পর্যন্ত সঠিকভাবে লেখেননি। আপনি লিখেছেন 'রবী'। রবীন্দ্রনাথের নামের এমন অদ্ভুত বানান আপনি ছাড়া আর কেউ কোথাও লিখেছে? আর রমরমা শব্দটির অর্থ কি? একজন কবিকে নিয়ে একটি দেশে কিভাবে 'রমরমা' হয়?
এই শব্দদ্বয়ই আমার ধৈর্যচ্যূতির জন্য যথেষ্ট ছিল। এই শব্দদ্বয়ের ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি আপনার জ্ঞান ও মানসিকতার স্পষ্ট প্রমান রাখতে পেরেছেন। আমার মন্তব্য ছিল প্রতিক্রিয়া।
দ্বিতীয়বার এসে আপনি লিখেছেন: এটা আপনাকে মানতে হবে রবী যত টুকু প্রাধান্য পায় নজরুল ততটুকু পায়না।.........
আপনি আরও একবার হতাশ করেছেন। আপনার বক্তব্য নিয়ে আমি কথা বলবো না, কারণ আমি ধরেই নিচ্ছি সাহিত্য, সংস্কৃতি ও কৃষ্টি সম্পর্কে আপনি আলোচনার জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি নন। আপনি বলেছেন,
দুজনকে সমচোখে সম ভাবে মুল্যায়ন করা আমাদের উচিৎ।
কেবল শিশুদের পক্ষেই এরকম স্থূল আবেগ নির্ভর কথা বলা সম্ভব।
তবে বাক্যে শব্দগুলোকে শালীনভাবে উপস্থাপন করতে পারতেন। 'রবি ঠাকুর' কোন বস্তু বিশেষ নয় যে আপনি 'পায় না' শব্দ ব্যবহার করতে পারেন। এতে প্রমানিত হয় আপনি বাংলা ভাষায় ঠিকমত লেখতে জানেন না অথবা আপনি রবি ঠাকুরকে তাছিল্য করেছেন।
@শায়মা, আপনার পোস্টে এসে আপনার একজন প্রিয় ব্লগারের সাথে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়ায় আমি দূঃখিত। তবে এধরনের বিতর্ক ব্লগিংয়ের অংশ। কিন্তু আপনি যেহেতু বিষয়টি নেতিবাচকভাবে দেখেছেন তাই আপনার ব্লগে আর মন্তব্য করব না। মন্তব্য করলে বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে।
ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: স্বপ্নচারী, মুকুটবিহীন সম্রাটের মত আপনিও আমার একজন প্রিয় ব্লগার। কারণটা স হজেই অনুমেয় । আমি ফ্রন্ট পেইজে এক্সেস পাবার আগে থেকেই আপনাদের সাহচর্য্য আর উৎসাহ পেয়েছি। এটাই সবচাইতে বড় কারণ। কারোর লেখার মান বা খুব ভালো লেগে যাওয়া লেখা দিয়ে আমি কাউকেই বিচার করিনি। শুধু আপনাদের দুজনকেই বন্ধু হিসেবেই দেখেছি। আমার প্রতিটি লেখা আপনারা দুজন পড়েছেন বিধায় আমি সত্যি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি।
আর সর্বোপরি আপনাদের লেখাগুলো দেখে কমেন্টগুলো পড়ে আপনাদেরকে যথেষ্ঠ বিচক্ষন বলেই মনে হয়। এ কারণেই আপনাদের ব্লগে আমি নিজেও বারে বারে যাই।
আপনি বলেছেন, বিতর্ক ব্লগিংয়ের অংশ।
এ ব্যাপারে আমি দ্বিমত পোষন করছি না। অবশ্যই বিতর্ক ব্লগিংয়ের অংশ । আমার এ ব্যাপারে কোনো নেতিবাচক ধারনা নেই আর আমি তা নেতিবাচক ভাবে দেখছিওনা। তবে পরস্পরকে আক্রমন করে বিতর্কের সৃষ্টি না করে সুন্দর আলোচনার মধ্য দিয়েও তো সেটা করা সম্ভব ভাই।
হতেই পারে আমার মনোভাব অন্য কারো থেকে আলাদা বা আমি কম জানি বা ভুলই জানি সেটা যদি আপনার থেকে জানতে পারি তাহলে তো আমার লাভ ছাড়া কোনো ক্ষতি নেই।
অনেক রাগ করেছেন। এবার সব ভুলে যান প্লিজ।
আপনার শুভকামনার জন্য আপনাকে জানাই অজস্র ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ![]()
মুকুট বিহীন সম্রাট বলেছেন:
@ দুরন্ত স্বপ্নচারী -আমি এখানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে যেমন শুধু রবী বলে সম্বোধন করেছি তেমনি কাজী নজরুল ইসলাম কে শুধু নজরুল বলেই লিখেছি।আপনি কি জানেন অতি সন্মানের ও ভালোবাসার মানুষদের যে কোন সম্বোধন করা যায়?
যে মানুষ গুলোকে সারা বিশ্ব চেনে,যে মানুষ গুলো মরে গিয়ে পৃথিবীর শেষ পর্যন্ত বেচে থাকে তাদেরকে আপনি আমি কোন নাম ধরে ডাকলে তাদের অবমাননা করা হবে এমন ঠুনকো মান রেখে যান নাই ওনারা।
ওনারা পাঁচ বচরের জন্য ক্ষমতা পাওয়া প্রাধান মন্ত্রী নন যে তাদের নামের আগে মাননীয় লাগাতে হবে। নজরুল রবীরা আপনার আমার মত কয়েক শ' কোটি মানুষ এক সাথে অপমান করলেও তাদের সন্মানের অতটুকু নড়চড় হবেনা।এরা হাজার কোটি বছরের শ্রেষ্ঠ মানুষ,শ্রেষ্ঠ বাংগালী।
বুঝা গেলো আপনি আমার চেয়ে একটু বেশি আবেগ প্রবন।
আপনি শুনে খুশি হবেন যে আমার মেধা কাউকে শেখানোর জন্য যথেষ্ট নয়।আমি তা করতে যাইনা।
লেখক কে অনুরোধ করা হয়েছিল তিনি যেন নজরুলকেও প্রিয়তে রাখেন।
আমার প্রথম মন্তব্যে এর চেয়ে বেশি কিছু ছিলোনা।
আপনি জাননে কিনা জানিনা কলকাতার এমন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,সরকারি প্রতিষ্ঠান নেই যে যেখানে নজরুলে ছবি লাগানো হয়নি,এমনও দেখাছি রবীন্দ্রনাথের ছবি নেই কিন্তু নজরুলের ছবি ঠিকি লাগানো হয়েছে।আমি এখনকার খবর জানিনা, যখন হরিদাসপুর ইমেগ্রেশনে নজরুলের ছবি দেখেছি তখন রবিন্দ্রনাথের ছবি সেখানে ছিলোনা।
আর রমরমা শব্দের ভাবার্থ আর শাব্দিক অর্থে'র ব্যবধান টুকু আপনাকে ভেংগে বলার কিছু নেই।কারন বাংলায় আপনার দখল চোখে পড়ার মত।
আপনার ব্লগে আমার যাতায়ত থাকবে।যা জানিনা তা শিখে নেওয়ার ইচ্ছে আমার সব সময় থাকে।
আর আমাদের তর্কের দায়ভার আমাদের,এখানে লেখকের সুন্দর পোষ্টের মধ্যে এসে তাকে বিতর্কিত করা ঠিকনা,এতে করে তার লেখার স্পৃহা থমকে যেতে পারে।
আমি তর্কে ক্লান্ত হইনা,তর্ক আমাকে জানতে সাহায্য করে।আমার হাতে সময় থাকলে হয়তো তখন থেকে এই পর্যন্ত লিখে যেতাম জানার বুঝার জন্য জানাবার জন্য।
আপনি লিখেছেন আপনি আর লেখকের পো্ষ্টে মন্তব্য করবেননা,লেখাটা পড়ে কষ্ট পেলাম।আপনি বোধহয় আমার মত লেখকেও ভুল বুঝে ফেলেছেন।লেখক এখানে নেতিবাচক ভুমিকা রাখেননি।তিনি চেয়েছেন আমরা যেন আক্রমণ মুলক বক্তব্য না রাখি,তর্কের খাতিরে তর্ক নয়,তর্ক সৃষ্টি করে ভুলের অবসান।আমি ভুল বললে তা মেনে নেবো আর আপনার হলে আপনি।
শেষ একটা কথা বলি কাউকে ছোট করে কথা বলার মানুষ গুলোর কাছ থেকে আমার কিছু শিখার আছে বলে আমি মনে করিনা,সে যত বড় বিদ্ব্যান হোক।কেউ ভুল বললে ধর্য্যের সাথে তার ভুল শোধরানোর চেষ্টায় রত মানুষ গুলোই শিক্ষক।
আপনাকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: এইবার সব রাগ দুঃখ , অভিমান ভুলে যাওয়া হোক। ![]()
রাজসোহান বলেছেন:
আপনার প্রিয় বিতর্কিত ব্লগারদের মাইনাস লেখক বলেছেন: মনটা খারাপ ছিলো আপনার মন্তব্য দেখে হাসতে হাসতে ভালো হয়ে গেলো। মানে মজা পেলাম।![]()
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ শামসীর।
এম এস সোহেল বলেছেন:
মেধাবী মুলত সেই,যিনি আচরণে যত্নবান,যা মুকুট বিহীন সম্রাটের মধ্যে বিদ্যমান ।
সুন্দর পোষ্ট,অসম্ভব ভালো লেগেছে।
লেখক বলেছেন: পোসট ভালো লাগার জন্য জানাই হাজারো ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সমুদ্র কন্যা। অনেক খুশী হলাম আমার পোস্ট পড়বার জন্য।
লেখক বলেছেন: আপনি হাউকাউ করেন নাকি?
বাবুটা অনেক সুন্দর। বাবু এবং তার মাও। ![]()
লেখক বলেছেন: কি নিয়ে লিখি?
চিন্তায় পড়লাম।
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গল প্রিয়।
লেখক বলেছেন: পিকাসো প্রিয় নয়? ![]()
রেজোওয়ানা বলেছেন:
হাউ কাউ পার্টি".......আমার ব্লগের ব্যানার।
লেখক বলেছেন:
আপনাকে দেখে কিন্তু শান্ত শিষ্ঠ মায়াবতী লাগে।
লেখক বলেছেন: বুঝতে পারছি আপনিও আমার প্রিয় মানুষদের প্রিয়জন। আপনার জন্য একটি গান ,
আমি তারেই জানি তারেই জানি
আমায় যেজন আপন জানে তারেই জানি
....................
.....................
যে আমারে চিনতে পারে, সেই চেনাতেই চিনি তারে গো
একি আলো চেনার পথে তার প্রাণে আর আমার প্রাণে ! ![]()
একটু অপেক্ষা করুণ। গানটা নিয়ে আসি।
সুরঞ্জনা বলেছেন:
অনেক সুন্দর পোষ্ট। ++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ হাজার হাজার সুরন্জনা।
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ইমন জুবায়ের। আপনি চমৎকার বলায় সত্যি ধন্য বোধ করছি। ![]()
মুহিব বলেছেন:
আপনার ভাল লাগার লিস্ট একটু ডিফরেন্ট। এপ্রিশিয়েটেড।
লেখক বলেছেন: না না আমার ভালো লাগার লিস্ট টা আসলে অনেক বড়। সেসব থেকে বেছে বেছে তিনজনকে দিলাম।![]()
পরে আরো আসিবে ।![]()
তারিক মাহমুদ (তারিক) বলেছেন:
সত্য কথাটাই বলি। কি বলেন?
এই রকম একাডেমিক বর্ণনায় না গিয়ে যদি আপনার ব্যক্তিগত অনূভূতিতে, চিন্তায়, কাজে- এরা কতটুকু প্রভাব ফেলেছে এবং আপনার ব্যক্তিগত স্মৃতি চারণের ভেতর দিয়ে যদি তাদের সর্ম্পকে তথ্যগুলো আসতো, তবে আমার পড়ে ভালো লাগতো। এখন যে ভালো লাগে নাই তা না, বরং এখন যেটা হইছে, তা হলো খুব দ্রুত এই পোষ্টের কথা ভুলে যাবো।
যেটা অনেক দিন মনে থাকবে তা হল, ছোট বেলায় আপনাকে পিকাসো ডাকা হতো।
ঠিক এই রকম বিষয়গুলো আসলে লেখাটা আরো ভালো হতো।
লেখক বলেছেন: ওহ সেটা এর পরের পর্বেই আসছে তারিক। অনেক ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। আমি যা বলেছেন একেবারেই সঠিক বলেছেন। তবে আমি চেয়েছিলাম আমার প্রিয় মানুষদের জীবনটা আগে একটু লিখে নিতে।
এই লেখাটার শেষে
(আপাতত এটুকুই থাক। পরে জানাবো আমার ভেতরের পিকাসো, রবিঠাকুর বা নাইটিঙ্গেল হবার সুপ্ত স্বত্তার কথা। )
এই টুকু খেয়াল করলেই বুঝে যাবেন এটা কেবলি সুচনা। আরো আসছে এর পর। ![]()
তারিক মাহমুদ (তারিক) বলেছেন:
জানিনা, উপদেশ হলো কি না। ওই রকম মনে হলে ক্ষমা করবেন। আমি শুধু আমার ভাবনাটুকু শেয়ার কতে চাইছি।
লেখক বলেছেন: না না উপদেশ মনে করিনি। আর উপদেশ দিলেও আমি মাইন্ড করবোনা। আমি জানি পৃথিবীতে শেখার শেষ নেই আর আমার শিখতে কোনো আপত্তি নেই তারিক। একটুও ভাববেন না । ![]()
লেখক বলেছেন: হাহাহাহা
এমন সত্য কথা আর নাই। ![]()
লেখক বলেছেন: আচ্ছা আজ রাত ১২টার মধ্যেই পৌছে যাবে আমার মূল্যবান লেখা।
টানজিমা বলেছেন:
আপনের কোন পোষ্টেই কেক্কই মাইনাশ দেয় নাই কেন....??? যান আমিই একটা দেই......... (দু একটা মাইনাশেরও দরকার আছে)
লেখক বলেছেন: আমিও ভাবছিলাম নেই কেনো?
সবার পোস্টে একটা অন্তত মাইনাস থাকা উচিৎ। নইলে কি করে বুঝবো ভালো লিখলে কেউ একটু যে হিংসা করে?
যাক দেখলাম ভাবনাটা এখন সার্থক হলো। আপনি এসে মনোবান্ছা পূর্ণ করে দিলেন।
আর বুঝলাম আপনি একটা হিংসুক ।
আর তাই আমি কিন্তু রেগে গেলাম।
![]()
সোমহেপি বলেছেন:
সোকেসে
লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ।![]()
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
শব্দের ঠাকুরকে প্রণাম। রবিঠাকুর আমার নিজের কল্পনার অনেকটা অংশ জুড়ে রয়েছেন। মাঝে মাঝে মনে হয় আমার জীবনতরীর মাস্তুলে সবচে বড় যে পালটা সেটি রবিঠাকুরের। এই একটু আগেই সুন্দর সকালের আমেজটা মনের আকাশে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আয়েশ করে চেয়ারে পা তুলে উনার গান শুনছিলাম। পিকাসো সম্পর্কে বলত গেলে কিছুই জানা ছিল না। ধন্যবাদ পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য।
দীপ হাতে রমণীর কথা পড়ে সুচিত্রা সেনের "দীপ জ্বেলে যাই" মুভির কথা মনে পড়ে গেল। এই গানে হেমন্ত মুখার্জীর অবিস্মরণীয় একটা গান আছে, "এই রাত তোমার আমার"। সুচিত্রা সেনের মুখটা কল্পনা করে গানের কথাগুলো মনে মনে ভাজছি এখন।
লেখক বলেছেন: বাপরে! মেঘদূতের বিশ্লেষন!
রবীন্দ্রনাথ ঠিক এমনি করে বা আরো বেশী করে জড়িয়ে আছে আমার সাথেও। সে কথা হয়তো কোনোদিন বলা হবেনা।
আর পিকাসোকে জানবোনা? আমি তো এই উপাধীপ্রাপ্ত ছোটবেলা থেকেই।
আর দ্বীপ হাতে রমনী সুচিত্রা সেন নয়। :
সে জ্বালবেনা তার বাতায়নে প্রদীপ আনি। ![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















