আমার প্রিয় পোস্ট
- আয়নাতে ঐ মুখ দেখবে যখন - জাহিদুল ইসলাম জুয়েল
- কুসুমসদৃশ - রু আদে
- সামহোয়ার ইন ব্লগের সেরা ৩০ টি গল্প (গল্পপ্রেমীদের জন্য){আমার মতে } - নাঈম আহমেদ আকাশ
- লিখবে আমায় , অনির্বাণ ? - সাব্রিনা সিরাজী তিতির
- আসুন কিছুক্ষন শিশুতোষ সরলতা নিয়ে মায়াদের দেখি..... - মনপবন
- জীবনানন্দের মা - ইমন জুবায়ের
- শৈত্য প্রবাহের প্রথম দিনঃ সমসাময়িক গল্প। - এম এম ওবায়দুর রহমান
- ফেমিনিন সাইকোলজিঃ রহস্যময় জগতে একটি সাইকোঅ্যানালাইসিসের প্রচেষ্টা - অনিমেষ হৃদয়
- ভালবাসা আর যুদ্ধে (All's Not Fair!!) - রঙ পেন্সিল
- মি. বিন খ্যাত রোয়ান অ্যাটকিনসন এর মুভিসমূহ এবং জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
- এস.কে.ফয়সাল আলম
- ভিনগ্রহের ললনা & বদমাইশ রোবট (১৬+) - কাক নং ৭৯৯
- আমার শৈশব, কৈশোর আর তারপরের লাগামহীন দিনগুলি - ১ - রিয়েল ডেমোন
- ফিরে দেখা ২০১১ : সামহোয়্যারইন ব্লগে সর্বাধিক মন্তব্য পাওয়া ১০২ পোস্ট - ফিউশন ফাইভ
- শায়মাকে আমাদের অভিনন্দন ও ভালোবাসা - হানিফ রাশেদীন
- তাই হেরি তায় সকলখানে... - মহাবিশ্ব
- সুদূরিকা... - মাহী ফ্লোরা
- ব্লগ দিবসে উপস্থিত সুধি ও সম্মানপ্রাপ্তদের নিয়ে আমার একান্ত কথন। - ধীবর
- শায়মার দুইটি কবিতা - হানিফ রাশেদীন
- আমাদের কিছু বিদেশী বন্ধুর কথা - কল্পবিলাসী স্বপ্ন
- খুকির ডায়েরি কিংবা ডাহুক পাখির গল্প - রিয়েল ডেমোন
- চাইছি তোমার বন্ধুতা। - ডাইনোসর
- যেখানে সীতাকে হরণ করেছিল রাবন - মহান পংকজ
- সময়ের অন্তরালে - সায়েম মুন
- চিকেন শর্মা (chicken shawarma) - পুরাতন
- ঢাকার পুরাকীর্তিঃ স্যর চার্লস ডি’ওয়লি (Antiquities of Dacca: Sir Charles D'Oyly) - আসফি আজাদ
- চিঠি ( টিপুর জন্য শোকগাথা) - মাহমুদা সোনিয়া
- ডাক্তার বললেন, " অনুমতি দিলে আপনার বাবাকে এবার মেরে ফেলতে পারি। " - নাহিন আজিম
- নিশীথিনীর মন ভালো নেই - রাজীব নুর
- গানের জগতে এক বিষ্ময়কর নাম সায়ান - নাআমি
- As a pearl from an oyster, Beauty comes from Pain! - ফানার
- আকুতি ও প্রার্থনা - বিতর্কিত উন্মাদ মানব
- খাঁটি ঘি যেভাবে বানালাম - পুরাতন
- বৃষ্টির দিনে একটি ভাললাগার কবিতা - ঠোঁট কাটা বন্ধু
- 'কি বা হায় আসে যায়... তারে যদি কোনোদিন না পাই আবার?' - সাঈফ শেরিফ
- তোর "ক" অথবা "খ" অথবা "অন্যকিছু" ২ - নোমান নমি
- গল্প: খেলাঘর বাঁধতে লেগেছি - রাত্রি২০১০
- অন্য কোনও জুলিয়েট'দের গল্প - শাহেদ খান
- ব্যস্ত জীবনে - নিথর শ্রাবণ শিহাব
- এসব ব্লগার কেন আমার প্রিয় . ব্লগে আমার ৫ বছর - জসিম
- মন্তব্য করতে আমাকে ব্যবহার করুন একা একা ভালো লাগছে না তাই শেয়ার করলাম - মাসুদ চৌধুরী
- না, শায়মা আপা, ২০১২ সালের ২১ ডিসেম্বর পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে না - ইমন জুবায়ের
- ছোট গল্পঃ সে ঢেউয়ের মতো ভেসে গেছে, চাঁদের আলোর দেশে গেছে - কেএসরথি
- চিচেন ইটজা: মায়া সভ্যতার অন্যতম কেন্দ্র - ইমন জুবায়ের
- আমার না থাকা গুলো... - মাহী ফ্লোরা
- হ্যামেলিনের বাশিওয়ালা। শুধুই কি বাচ্ছাদের ঘুম পাড়ানো গল্প?? নাকি আছে অজানা আরো কিছু... - মো: সালাউদ্দিন ফয়সাল
- সিংহের খপ্পরে তিন ব্লগার > অপ্সরাপু, নাফিস ইফতেখার এবং একরামুল হক শামীম ! - এস.কে.ফয়সাল আলম
- অপ্সারার ভুত শায়মা, উনার জন্মদিন
এবং আমার কিছু কথা - বৃষ্টি ভেজা সকাল ১১
- একটি আয়না ও প্রতিচ্ছবির শুভ জন্মদিন [হ্যাপ্পি বাড্ডে টু শায়মা]
- পটল
- আজ ১৭আগষ্ট ব্লগার নাফিস ইফতেখার, শায়মা ,অপ্সরা , ব্যাকটেরিয়া , লাল চাঁন সহ নয়জন ব্লগারের জন্মদিন। - জিসান শা ইকরাম
- শুভ জন্মদিন ঝুমকোলতা
- সোহানুর রহমান
- পথে হল দেখা ১ - ত্রাতুল
- তোর "ক" অথবা "খ" অথবা "অন্যকিছু" - নোমান নমি
- একটি প্রেমের কবিতা... - মাহী ফ্লোরা
- গল্পঃ "একটি গোলাপী ছাতা, অতঃপর গোলাপী ভালোবাসা" - রিয়েল ডেমোন
- শায়মা তোমাকে বললাম আমার কিছু ব্যাক্তিগত কথাবার্তা - শত রুপা
- চলতে চলতে- এর পেছনের কথা আর একটা ভাঙা স্বপ্ন - মুগ্ধ মানুষ
- খুঁজছি বিকেল - মহাবিশ্ব
- একটুকরো শৈশবের পরের টুকরো
- পৃথিলা আফনান
- অঝোর ধারায় বৃষ্টি শুধু তোমার কথা বলে!... - নস্টালজিক
- হাসিমুখে আমি তখন বিষাদ নিয়েই হাঁটি... - নস্টালজিক
- বৃষ্টিজলে ধুয়ে যাওয়া অক্ষর - আরিশ ময়ুখ
- আমি কোথাও থাকবো না, তাই শব্দ সাজাই আজ ...... - নস্টালজিক
- আচ্ছা চলো শুরু করে ফেলি সংসার জীবন - শাহ্রিয়ার খান
- গল্পঃযে গলিটির ল্যাম্পপোস্ট বাতিহীন - আরিশ ময়ুখ
- আজ আবার সেই পথে দেখা হয়ে গেলো................. - সূর্য পুত্র ও চাঁদ কন্যা
- জীবন্ত করে ফেলুন স্থির চিত্রকে !!!!!!!!!


- হাসান জোবায়ের
- যাদের লেখা আমাদের আমব্লগারদের এন্টেনার ১০০হাত উপ্রে দিয়া যায়- তাদের স্মৃতির চরনে
- শিপু ভাই
- ভালবাসায় অনুক্ষণ - ভালবাসা দিবস সংকলন ২০১১ - ~স্বপ্নজয়~
- সামুতে আমি ১ বছর বয়সে পদার্পন করিলাম এবং আমার আলোচিত পোস্টের রিভিউ
- হাসান জোবায়ের
- গান রিমিক্স করা এত সহজ! সত্যি অবিশ্বাস্য
- হাসান জোবায়ের
- একটু মায়া, একটু ভালোবাসা - আকাশনীল
- যে কবিতাটি পড়ে মুগ্ধ হয়েছিলাম ২ - কবি রাজ
- বাগদাদের ব্যাটারি এবং পীরি রইস এর ম্যাপ।রহস্যময় দুনিয়া-২ - শূণ্য উপত্যকা
- ছোটগল্পঃ যখন বাড়ির নাম কিছুক্ষণ - সায়েম মুন
- কিছুটা রম্য কিছুটা সিরিয়াস (ব্লগ লিখি ১ বছর হইয়া গেল!!) - জিকসেস
- ব্লগারদের নামে গীবত গাইলাম
আর সেই সাথে শায়মা আপিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা
- সোহানুর রহমান
- একটি গল্পের খসড়া (চিত্রনাট্য) - সেলিম তাহের
- এরিয়া-৫১ রহস্যময় দুনিয়া। - শূণ্য উপত্যকা
- ভালোবাসা ও এক্সপাইরেশনের গল্প ........... - নিস্সঙ্গ যোদ্ধা
- আমাকে তো আর মনেই পড়ে না... - সাদিক সাদাত
- ছোট্ট নিশি এবং তার হতভাগ্য পিতা - ড়ৎশড়
- আরবি পরীক্ষায় সাফল্য। ( মনে হয় মজার পোস্ট) - জিকসেস
- আমার যত প্রিয় বল্গারস পর্ব ৪ … তোষামোদি পোস্ট - ধীরে বৎস
- অধরা - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- ছড়াপ্রস্তুত কারখানা : দলে দলে যোগ দিন - সবুজ অঙ্গন
- জনৈক মুহিনের অসমাপ্ত গল্প - শামীম শরীফ সুষম
- নস্টালজিয়া.....পরী! - নস্টালজিক
- আমার করা চারটা পিডিএফ ই-বুক
- ~স্বপ্নজয়~
- ছেলেবেলা, কৈশোর ও একটি ঝাপসা আয়না! (৩) - কথক পলাশ
ছন্দের যাদুকরদের ছন্দময় প্রিয় কবিতারা
১৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:৩৮
বললে গাধা মনের দুঃখে অনেকখানি ভেবে-
"বয়েস গেল খাটতে খাটতে, বৃদ্ধ হলাম এবে,
কেউ করে না তোয়াজ তবু, সংসারের কি রীতি!
ইচ্ছে করে এক্ষুনি দিই কাজে কর্মে ইতি।
কোথাকার ঐ নোংরা কুকুর ,আদর যে তার কত -
যখন তখন ঘুমোচেছ সে লাটসাহেবের মত!
ল্যাজ নেড়ে যেই, ঘেউ ঘেউ ঘেউ, লাফিয়ে দাঁড়ায় কোলে,
মনিব আমার বোক্চন্দর্, আহ্লাদে যান গলে।
আমিও যদি সেয়ানা হতুম, আরামে চোখ মুদে
রোজ মনিবের মন ভোলাতুম আমি নেচে কুঁদে।
ঠ্যাং নাচাতুম , ল্যাজ দোলাতুম, গান শোনাতুম সাধা -
এ বুদ্ধিটা হয়নি আমার - সাধে কি বলে গাধা!
বুদ্ধি এঁটে বসল গাধা আহ্লাদে ল্যাজ নেড়ে,
নাচ্ল কত, গাইল কত, প্রাণের মায়া ছেড়ে।
তারপরেতে শেষটা ক্রমে স্ফুতি এল প্রাণে
চলল গাধা খোদ্ মনিবের ড্রয়িংরুমের পানে।
মনিবসাহেব ঝিমুচ্ছিলেন চেয়ারখানি জুড়ে,
গাধার গলার শব্দে হঠাৎ তন্দ্রা গেল উড়ে।
চম্কে উঠে গাধার নাচন যেমনি দেখেন চেয়ে,
হাসির চোটে সাহেব বুঝি মরেন বিষম খেয়ে।
ভাব্লে গাধা - এই তো মনিব জল হয়েছেন হেসে
এইবারে যাই আদর নিতে কোলের কাছে ঘেষে।
এই না ভেবে এক্কেবারে আহ্লাদেতে ক্ষেপে
চড়্ল সে তার হাটুর উপর দুই পা তুলে চেপে।
সাহেব ডাকেন 'ত্রাহি ত্রাহি' গাধাও ডাকে 'ঘ্যাঁকো',
অর্থাৎ কিনা কোলে চড়েছি, এখন আমায় দ্যাখো!
ডাক শুনে সব দৌড়ে এল ব্যস্ত হয়ে ছুটে ,
দৌড়ে এল চাকর বাকর মিস্ত্রী মজুর মুটে,
দৌড়ে এল পাড়ার লোকে ,দৌড়ে এল মালী -
কারুর হাতে ডান্ডা লাঠি কারু বা হাত খালী।
ব্যাপার দেখে অবাক সবাই ,চক্ষু ছানা বড়া -
সাহেব বললে, "উচিত মতন শাসন টি চাই কড়া।"
হাঁ হাঁ বলে ভীষন রকম উঠ্ল সবাই চটে।
দে দমাদম্ মারের চোটে গাধার চমক্ ছোটে।
ছুটল গাধা প্রাণের ভয়ে গানের তালিম ছেড়ে,
ছুটল পিছে একশো লোকে হুড়মুড়িয়ে তেড়ে।
তিন পা যেতে দশ ঘা পড়ে, রক্ত ওঠে মুখে -
কষ্টে শেষে রক্ষা পেলে কাঁটার ঝোপে ঢুকে।
কাঁটার ঘায়ে চামড়া গেল সার হল তার কাঁদা;
ব্যাপার শুনে বললে সবাই, "সাধে কি বলে গাধা"।
সুকুমার রায়ের এই কবিতাটি মনে পড়েছে আমার জীবনের বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন কারন বশত। তাই বলে যেন ভেবে বসবেন না আমাকেই লোকে বলেছে "সাধে কি বলে গাধা?" মানে আমার গাধামী দেখে। মোটেই তেমন নয়।
আমি মোটেই তেমন গাধা নই।
বরং বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মানুষের গাধামী দেখেই এমন মনে হয়েছে আমার।
তবু এই কবিতার এই গাধাটার জন্য আমার একটু একটু কষ্ট হয়। আহারে বেচারা গাধা।![]()
ছিপখান তিন-দাঁড় -
তিনজন মাল্লা
চৌপর দিন-ভোর
দ্যায় দূর-পাল্লা!
পাড়ময় ঝোপঝাড়
জঙ্গল-জঞ্জাল,
জলময় শৈবাল
পান্নার টাঁকশাল |
কঞ্চির তীর-ঘর
ঐ-চর জাগছে,
বন-হাঁস ডিম তার
শ্যাওলায় ঢাকছে|
চুপ চুপ - ওই ডুব
দ্যায় পান্ কৌটি
দ্যায় ডুব টুপ টুপ
ঘোমটার বৌটি!
ঝকঝক কলসীর
বক্ বক্ শোন্ গো
ঘোমটার ফাঁক বয়
মন উন্মন গো|
তিন-দাঁড় ছিপখান
মন্থর যাচ্ছে,
তিনজন মাল্লায়
কোন গান গাচ্ছে?
রূপশালি ধান বুঝি
এইদেশে সৃষ্টি,
ধুপছায়া যার শাড়ী
তার হাসি মিষ্টি|
মুখখানি মিষ্টিরে
চোখদুটি ভোমরা
ভাব-কদমের - ভরা
রূপ দেখ তোমরা !
ময়নামতীর জুটি
ওর নামই টগরী,
ওর পায়ে ঢেউ ভেঙে
জল হোলো গোখরী!
ডাক পাখী ওর লাগি'
ডাক ডেকে হদ্দ,
ওর তরে সোঁত-জলে
ফুল ফোটে পদ্ম|
ওর তরে মন্থরে
নদ হেথা চলছে,
জলপিপি ওর মৃদু
বোল বুঝি বোলছে|
দুইতীরে গ্রামগুলি
ওর জয়ই গাইছে,
গঞ্জে যে নৌকা সে
ওর মুখই চাইছে|
আটকেছে যেই ডিঙা
চাইছে সে পর্শ,
সঙ্কটে শক্তি ও
সংসারে হর্ষ|
পান বিনে ঠোঁট রাঙা
চোখ কালো ভোমরা,
রূপশালী-ধান-ভানা
রূপ দেখ তোমরা
পান সুপারি! পান সুপারি!
এইখানেতে শঙ্কা ভারি,
পাঁচ পীরেরই শীর্ণি মেনে
চলরে টেনে বৈঠা হেনে;
বাঁক সমুখে, সামনে ঝুঁকে
বাঁয় বাঁচিয়ে ডাইনে রুখে
বুক দে টানো, বইটা হানো -
সাত সতেরো কোপ কোপানো|
হাড়-বেরুনো খেজুরগুলো
ডাইনী যেন ঝামর-চুলো
নাচতে ছিল সন্ধ্যাগমে
লোক দেখে কি থমকে গেল|
জমজমাটে জাঁকিয়ে ক্রমে
রাত্রি এল রাত্রি এল|
ঝাপসা আলোয় চরের ভিতে
ফিরছে কারা মাছের পাছে,
পীর বদরের কুদরতিতে
নৌকা বাঁধা হিজল-গাছে|
আর জোর দেড় ক্রোশ -
জোর দের ঘন্টা,
টান ভাই টান সব -
নেই উত্কণ্ঠা|
চাপ চাপ শ্যাওলার
দ্বীপ সব সার সার,
বৈঠৈর ঘায়ে সেই
দ্বীপ সব নড়ছে,
ভিল্ ভিলে হাঁস তায়
জল-গায় চড়ছে|
ওই মেঘ জমছে,
চল্ ভাই সমঝে,
গান গাও দাও শিশ,
বকশিশ! বকশিশ!
খুব জোর ডুব-জল
বয় স্রোত ঝিরঝির,
নেই ঢেউ কল্লোল,
নয় দুর নয় তীর|
নেই নেই শঙ্কা,
চল্ সব ফুর্তি,
বকশিশ টঙ্কা,
বকশিশ ফুর্তি|
ঘোর-ঘোর সন্ধ্যায়,
ঝাউ-গাছ দুলছে,
ঢোল-কলমীর ফুল
তন্দ্রায় ঢুলছে|
লকলক শর-বন
বক তায় মগ্ন,
চুপচাপ চারদিক -
সন্ধ্যার লগ্ন|
চারদিক নিঃসাড়,
ঘোর-ঘোর রাত্রি,
ছিপ-খান তিন-দাঁড়,
চারজন যাত্রি|
জড়ায় ঝাঁঝি দাঁড়ের মুখে
ঝউয়ের বীথি হাওয়ায় ঝুঁকে
ঝিমায় বুঝি ঝিঁঝিঁর গানে -
স্বপন পানে পরাণ টানে|
তারায় ভরা আকাশ ওকি
ভুলোয় পেয়ে ধূলোর পরে
লুটিয়ে পল আচম্বিতে
কুহক-মোহ-মন্ত্র-ভরে!
কেবল তারা! কেবল তারা!
শেষের শিরে মানিক পারা,
হিসাব নাহি সংখ্যা নাহি
কেবল তারা যেথায় চাহি|
কোথায় এল নৌকাখানা
তারার ঝড়ে হই রে কাণা,
পথ ভুলে কি এই তিমিরে
নৌকা চলে আকাশ চিরে!
জ্বলছে তারা! নিভছে তারা!
মন্দাকিনীর মন্দ সোঁতায়,
যাচ্ছে ভেসে যাচ্ছে কোথায়
জোনাক যেন পন্থা-হারা|
তারায় আজি ঝামর হাওয়া-
ঝামর আজি আঁধার রাতি,
অগুনতি অফুরান তারা
জ্বালায় যেন জোনাক-বাতি|
কালো নদীর দুই কিনারে
কল্পতরু কুঞ্জ কি রে?
ফুল ফুটেছে ভারে ভারে -
ফুল ফুটেছে মাণিক হীরে|
বিনা হাওয়ায় ঝিলমিলিয়ে
পাপড়ি মেলে মাণিক-মালা;
বিনি নাড়ায় ফুল ঝরিছে
ফুল পড়িছে জোনাক জ্বালা|
চোখে কেমন লগছে ধাঁধা -
লাগছে যেন কেমন পারা,
তারাগুলোই জোনাক হল
কিম্বা জোনাক হল তারা|
নিথর জলে নিজের ছায়া
দেখছে আকাশ ভরা তারায়,
ছায়া-জোনাক আলিঙ্গিতে
জলে জোনাক দিশে হারায়|
দিশে হারায় যায় ভেসে যায়
স্রোতের টানে কোন্ দেশে রে?
মরা গাঙ আর সুর-সরিত্
এক হয়ে যেথায় মেশে রে!
কোথায় তারা ফুরিয়েছে, আর
জোনাক কোথা হয় সুরু যে
নেই কিছুরই ঠিক ঠিকানা
চোখ যে আলা রতন উঁছে|
আলেয়াগুলো দপদপিয়ে
জ্বলছে নিবে, নিবছে জ্বলে',
উল্কোমুখী জিব মেলিয়ে
চাটছে বাতাশ আকাশ-কোলে!
আলেয়া-হেন ডাক-পেয়াদা
আলেয়া হতে ধায় জেয়াদা
একলা ছোটে বন বাদাড়ে
ল্যাম্পো-হাতে লকড়ি ঘাড়ে;
সাপ মানে না, ভাঘ জানে না,
ভূতগুলো তার সবাই চেনা,
ছুটছে চিঠি পত্র নিয়ে
রণরণিয়ে হনহনিয়ে|
বাঁশের ঝোপে জাগছে সাড়া,
কোল্-কুঁজো বাঁশ হচ্ছে খাড়া,
জাগছে হাওয়া জলের ধারে,
চাঁদ ওঠেনি আজ আঁধারে!
শুকতারাটি আজ নিশীথে
দিচ্ছে আলো পিচকিরিতে,
রাস্তা এঁকে সেই আলোতে
ছিপ চলেছে নিঝুম স্রোতে|
ফিরছে হাওয়া গায় ফুঁ-দেওয়া,
মাল্লা মাঝি পড়ছে থকে;
রাঙা আলোর লোভ দেখিয়ে
ধরছে কারা মাছগুলোকে!
চলছে তরী চলছে তরী -
আর কত পথ? আর ক'ঘড়ি?
এই যে ভিড়াই, ওই যে বাড়ী,
ওই যে অন্ধকারের কাঁড়ি -
ওই বাঁধা-বট ওর পিছন্
দেখছ আলো? ঐতো কুঠি
ঐখানেতে পৌঁছে দিলেই
রাতের মতন আজকে ছুটি|
ঝপ ঝপ তিনখান
দাঁড় জোর চলছে,
তিনজন মাল্লার
হাত সব জ্বলছে;
গুরগুর মেঘ সব
গায় মেঘ মল্লার,
দূর-পাল্লার শেষ
হাল্লাক্ মাল্লার!
মাই গড! তাল লয় ছন্দের এমন মুহুর্মুহু পরিবর্তন অথচ মোটেই শ্রুতিকটু নয় এমন কবিতা আর বেশী একটা পড়েছি বলে মনে পড়েনা। আবার ঠিক যেন একটি বাস্তব চলৎচিত্র ফুঁটে উঠেছে বই এর পাতায়। লেখার হরফ গুলোর মাঝেই তা দৃশ্যমান।
কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের এই দীর্ঘ ছড়া ছড়া কবিতাটি বাংলার প্রকৃতির বিশেষ করে মাঝি জীবনের এক চোখে দেখা, হাতে আঁকা ও কানে শোনা চিত্র যেন। তাল লয় , ছন্দ আহা এ জীবনে মরনে কোনোদিন কি চিন্তাও করতে পারি এমন একটি লেখা লিখবার?
রাখাল ছেলে ! রাখাল ছেলে ! বারেক ফিরে চাও,
বাঁকা গাঁয়ের পথটি বেয়ে কোথায় চলে যাও?”
ওই যে দেখ নীল-নোয়ানো সবুজ ঘেরা গাঁ,
কলার পাতা দোলায় চামর শিশির ধোয়ায় পা,
সেথায় আছে ছোট কুটির সোনার পাতায় ছাওয়া,
সাঁঝ-আকাশের ছড়িয়ে-পড়া আবীর রঙে নাওয়া,
সেই ঘরেতে একলা বসে ডাকছে আমার মা-
সেথায় যাব, ও ভাই এবার আমায় ছাড় না।”
রাখাল ছেলে ! রাখাল ছেলে ! আবার কোথা ধাও,
পুব আকাশে ছাড়ল সবে রঙিন মেঘের নাও।”
“ঘুম হতে আজ জেগেই দেখি শিশির-ঝরা ঘাসে,
সারা রাতের স্বপন আমার মিঠেল রোদে হাসে।
আমার সাথে করতে খেলা প্রভাত হাওয়া, ভাই,
সরষে ফুলের পাঁপড়ি নাড়ি ডাকছে মোরে তাই।
চলতে পথে মটরশুঁটি জড়িয়ে দুখান পা,
বলছে ডেকে, গাঁয়ের রাখাল একটু খেলে যা।
সারা মাঠের ডাক এসেছে, খেলতে হবে ভাই।
সাঁঝের বেলা কইব কথা এখন তবে যাই।
রাখাল ছেলে ! রাখাল ছেলে ! সারাটা দিন খেলা,
এ যে বড় বাড়াবাড়ি, কাজ আছে যে মেলা।
কাজের কথা জানিনে ভাই, লাঙল দিয়ে খেলি
নিড়িয়ে দেই ধানের ক্ষেতের সবুজ রঙের চেলী।
সরষে বালা নুইয়ে গলা হলদে হাওয়ার সুখে।
টির বোনের ঘোমটা খুলে চুম দিয়ে যায় মুখে।
ঝাউয়ের ঝাড়ে বাজায় বাঁশী পোউষ-পাগল বুড়ী,
আমরা সেথা চষতে লাঙল মুশীদা-গান জুড়ি।
খেলা মোদের গান গাওয়া ভাই, খেলা-লাঙল-চষা,
সারাটা দিন খেলতে জানি, জানিই নেকো বসা’।
জসীমউদ্দীনের রাখাল ছেলে। আহা যেন আজো দেখতে পাই সেই এক রাখাল ছেলেকে । আর ঐ মেয়েটি, যে ডেকে যাচ্ছে ছেলেটিকে, সে কে ?কেউই নয় আর আমি ছাড়া?
চলতে পথে মটরশুঁটি জড়িয়ে দুখান পা,
বলছে ডেকে, গাঁয়ের রাখাল একটু খেলে যা।
ইশ কি করে যে এমন করে ভাবা যায় ! সত্যি তো চলতে পথে মটরশুটি পা জড়িয়ে ধরে। আর সরষে বালা নুইয়ে গলা হলদে হাওয়ার সুখে, আরে চোখের সামনে তো ভেসে ওঠে হলুদ হলুদ ফ্রক পরা ছোট্ট ছোট্ট সরষে ফুলবালিকাদেরকেই। সত্যি তো। কি সুন্দর !
লিচুচোর
বাবুদের তাল-পুকুরে
হাবুদের ডাল-কুকুরে
সে কি বাস করলে তাড়া,
বলি থাম একটু দাড়া।
পুকুরের ঐ কাছে না
লিচুর এক গাছ আছে না
হোথা না আস্তে গিয়ে
য়্যাব্বড় কাস্তে নিয়ে
গাছে গো যেই চড়েছি
ছোট এক ডাল ধরেছি,
ও বাবা মড়াত করে
পড়েছি সরাত জোরে।
পড়বি পড় মালীর ঘাড়েই,
সে ছিল গাছের আড়েই।
ব্যাটা ভাই বড় নচ্ছার,
ধুমাধুম গোটা দুচ্চার
দিলে খুব কিল ও ঘুষি
একদম জোরসে ঠুসি।
আমিও বাগিয়ে থাপড়
দে হাওয়া চাপিয়ে কাপড়
লাফিয়ে ডিঙনু দেয়াল,
দেখি এক ভিটরে শেয়াল! …
সেকি ভাই যায় রে ভুলা-
মালীর ঐ পিটুনিগুলা!
কি বলিস ফের হপ্তা!
তৌবা-নাক খপ্তা…!
হা হা হা এই একটা কবিতাই বুঝিয়ে দেয়, কি দূরন্ত আর দুষ্টু ছিলো কবি নজরুল। মনে পড়ে নাক খপ্তা বললেই প্রতিবার হাসতাম আমি আমার ছেলেবেলায়। আমার ধারনা আজো ছোটবাবুরা সব্বার শেষে এসে নাক খপ্তা বললে হেসে ফেলবেই। সব বাচ্চাদের মনের আর ভালো লাগার এক অদ্ভুত মিল আছে। বড় হলেই বড় হবার সাথে সাথে শুধু মিল গুলো বদলে যায়। ![]()
সুকুমার রায়
বাবুরাম সাপুড়ে
বাবুরাম সাপুড়ে,
কোথা যাস্ বাপুরে?
আয় বাবা দেখে যা,
দুটো সাপ রেখে যা!
যে সাপের চোখ্ নেই,
শিং নেই নোখ্ নেই,
ছোটে না কি হাঁটে না,
কাউকে যে কাটে না,
করে নাকো ফোঁস্ ফোঁস্,
মারে নাকো ঢুঁশ ঢাঁশ,
নেই কোন উৎপাত,
খায় শুধু দুধ ভাত-
সেই সাপ জ্যান্ত
গোটা দুই আনত?
তেড়ে মেরে ডান্ডা
করে দিই ঠান্ডা।
শুরুটা করেছি প্রিয় কবি সুকুমারকে দিয়ে শেষটাও তাকে দিয়েই করলাম। বিশাল বড় একটা পোস্ট হয়ে গেলো। সব প্রিয় লেখা আনতে গেলে তো এ জীবনটাই ফুরিয়ে যাবে। থাক এটুকুতেই আপাতত শেষ করি আজ।
হঠাৎ হঠাৎ ছেলেবেলা আর ছেলেবেলার সব প্রিয় জিনিসগুলো মনে পড়ে যায়। তেমনি একটা দিন ছিলো আজ আমার ।
ভোর হতে আজ জেগে দেখি শিশির ঝরা ঘাসে ,
সারা রাতের স্বপ্ন আমার মিঠেল রোদে হাসে।
রাখাল ছেলের মিঠেল রোদে হাসা স্বপনটি হয়তো তার মাঠের ফসল হতে পারে কিন্তু আমার মিঠেল স্বপ্ন মানেই আমার স্বপ্নময় ছেলেবেলা যেখানে রাখাল ছেলের সাথে সাথে লিচুচোর ছেলেটিও জড়িয়ে আছে এক পরম মায়াময় রাজ্যে। যেখানে হয়তো কখনও আর ফিরে যাওয়া যায়না। শুধুই অনুভুতি দিয়ে অনুভব করা যায় তার মমত্ব। আজ আমার সাথে আর সবাই ও না হয় কিছু ক্ষণের জন্য ফিরে যাক সুদূর অতীতে যার যার প্রিয় ছেলেবেলায়।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জুন, ২০১০ রাত ৯:০১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
টানজিমা বলেছেন:
লেখক বলেছেন: হা হা হা জানতাম তুমি ঘুমাইবা। তুমি একটা আলসা পাঠক। ![]()
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন: থ্যাংকুস!![]()
লেখক বলেছেন: হা হা হা নিচে মামুন কি লিখছে দেখো ভাই।![]()
লেখক বলেছেন: হা হা হা
আমারও মনে হইতেছে। লেখাটা এত বড় হইছে আগে বুঝি নাই।![]()
সব মাইনাস কবিদিগের। আমি কিছু লিখি নাই।![]()
![]()
![]()
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন:
সায়েম মুন বলেছেন: ফার্স্ট হয়েছি। পুত্তম পিলাচ দিছি এবার পড়া শুরু করি।
..............ব্যাড জোক্স।
লেখক বলেছেন: ![]()
নীলমেঘ আমি বলেছেন:
পড়তে পারব না.................
লেখক বলেছেন: জানতাম। ![]()
লেখক বলেছেন: হা হা হা
ভাইয়া গাধার কবিতাটা কেমন বল্লেন না?
হানিফ রাশেদীন বলেছেন:
হা হা হা... শায়মা, অনেক ভালো লাগলো, অনেক, অনেক। একেকটা কবিতার মাঝে মাঝে আপনার অনূভূতি প্রকাশ করেছেন, এবং বিশ্লেষণ; অনেক ভালো লাগা। এরপর কবিতা কম দিয়ে কবিতার উপর আপনার দীর্ঘ আলোচনা আশা করছি।আমার খুবই ইচ্ছে হয় যে, কোনো গান দিয়ে, তার উপর আলোচনা লিখি, কিন্তু সময় দেয়া কঠিন, যতটুকু সময় পাই নিজের লেখাই লিখি। তবে কোনো এক সময় দেবো।
লেখক বলেছেন: হায় হায় তাইলে কি করে বুঝবেন কোন কবিতাটা আমার কেমন লাগলো?
আর গান শুনে তার ফিলিংস লেখা আহা আমার প্রিয় হবি।
শাহ্রিয়ার খান বলেছেন:
এই এক গুন আপনার খুব সুক্ষ্ম ভাবে অনেক কিছুর দিকে নজর রাখেন।এমন অনেক বিষয় আছে যা আমরা হেলায় নজর দেইনা,যা আপনার পোস্ট গুলো থেকে বেরিয়ে আসে।
সুকুমার রায়ের কবিতাটি পড়েছি বহুবার, কিন্তু আজকে নতুন করে পড়লাম,এবং এটা এত মজার একটা কবিতা যার তুলনা হয়না।
কবিতা গুলো নিয়ে আপনার মন্তব্য করে ফেলেছেন , এর চেয়ে আর ভালো মন্তব্য আমার জানা নেই।
আপনার এমন দৃষ্টিকে প্রণাম।
লেখক বলেছেন: শাহরিয়ার খান আপনি হঠাৎ আপনি আগ্গা শুরু করলেন যে?
হঠাৎ আমার প্রতি শ্রদ্ধা বেড়ে গেলো নাকি?
সায়েম মুন বলেছেন:
ম্যাডাম আপি তোমার এই পোষ্টখানা প্রিয়তে না নিয়ে পারলাম না। তোমার এই পোষ্ট চিৎকার করে পড়লাম কিন্তু তারপরও ক্লান্তি আসেনি। কারণ তুমি আমাকে একদম শৈশবে নিয়ে গেছো। যেন দূরন্তপনা মনে চেপেছিল। থ্যাঙ্কু আপিটি, এত্তগুলা পছন্দের ছড়া একসাথে করার জন্য!!
লেখক বলেছেন: হা হা হা ঠিক ঠিক আমিও চাই সবাই এক মুহূর্তে চলে যাক ছেলেবেলায়।
রোজারিও বলেছেন:
সুন্দর পোস্ট। আমার পক্ষ থেকে প্লাস। প্রিয়তেও নিলাম ছন্দ ব্যবচ্ছেদ করে দেখার জন্য। আমি নিজেও ছড়া লিখার চেষ্টা করি। কিন্তু ছন্দের ব্যাকরণ ব্যাপারটি হেফযো করতে গিয়ে সে চেষ্টা প্রায় মরতে বসেছে। অক্ষর গুণার প্রবণতায় আটকা পড়েছি। আসলে কান তৈরি হয়নি। সুকুমার রায়ের প্রথম ছড়াটি কোন ছন্দে লিখা? মেলাতে পারি না। খালি খটকা তৈরি হয়। চেষ্টা অব্যাহত রাখব এই পণ করেছি। দেখি সড়গড় হয়ে ওঠে কি না ছন্দমাধুরী।
লেখক বলেছেন: রোজারিও অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। অনেক ভালো লাগছে জেনে যে আপনিও ছড়া লিখেন। আসলেই ছড়া আমার খুব প্রিয়।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই।
সায়েম মুন বলেছেন:
গাধার ছড়াটা পড়লেই হাসি পায়। এখনও হাসতেছি
@মনসুর ভাই: কমেন্ট তিন নাম্বারে হইতে পারে। আমার প্লাস দেয়ার পর ১ টা প্লাস দেখায়। যান প্লাস টা আপনারে দিয়া দিলাম এত্ত কইরা কইতেছেন যখন
লেখক বলেছেন: আমিও সবাইকে ধরে ধরে পড়ে শুনাই।![]()
ডঃ জেকিল বলেছেন:
কষ্ট করে লেখা পোস্ট। ভাললাগা জানাই।
লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ ডঃ জেকিল।![]()
শাহ্রিয়ার খান বলেছেন:
একটু আগে যেই মন্তব্য ছিলো সেটা লেখিকা স্বত্বাকে শ্রদ্ধা করেই আপনি করে বলা।এখন কথা বলছি শায়মার সাথে...............
উপরে এমন আপনি করে ব্যবহার দেখে খুশি হবার কিছু নেই, তোমাকে নিয়ে পুঁথি পড়া চলছে চলবে
তোমার নিস্তার নেই শাহরিয়ারের পুঁথির কবল থেকে।
লেখক বলেছেন: এহ রে পুঁথি কি আমি পড়তে/ লিখতে জানিনা?
লিখেই দেখো না কল্লা কেটে দেবো ব্যাঘ্রের।
লেখক বলেছেন: ভাইয়া। আমার পুরোনো কথা মনে করাইতে আর করতে মজা লাগে। ![]()
লেখক বলেছেন: কই ? পিঠের উপর?![]()
লেখক বলেছেন: যতটুক মনে আছে লিখেছি। স্মরনশক্তি দিন দিন লোপ পাচ্ছে। আচ্ছা কাল বই দেখে ঠিক করে দেবো।
অরুনাভ বলেছেন:
জানো আমি আমার অতীত প্রায় অনেক খানিই ভুলে গিয়েছিলাম........কিন্তু গত কয়েক দিনে কি য়েন কি হলো প্রায় অনেক কিছুই মনে পড়ে যাচ্ছে......লেখক বলেছেন: গুড গুড ভাইয়া। সবসময় স্মৃতির চর্চা করবে। অতীত থেকেই তো মানুষ শিখে তাইনা বলো? ![]()
অরুনাভ বলেছেন:
পচা ভাইয়া তো.....তাই পচা ভাইয়ার পচা অতীত......আর এই অতীতের কথা মনে পড়লেই প্রচন্ড কষ্ট লাগে....লেখক বলেছেন: ![]()
অতীত থেকে শুধু সুখটুকু ছেকে নিও ভাইয়া। ![]()
লেখক বলেছেন: কান্দেনা ।
কে মারসে?
কার এত সা হস?
লেখক বলেছেন: হায় হায় দাড়াও আমি আসতেছি লাঠি নিয়া।
মামন বলেছেন:
++
লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ।![]()
রোবোট বলেছেন:
পিলাচ। কবিতার নামগুলা দিয়ে দিলে আরো ভালো হৈত, খালাজি।
লেখক বলেছেন: কবিতার নাম গুলোও দিয়েছি তো রোবোট আব্বু। কিন্তু তুমি অমনোযোগী পাঠক এইবার বুঝলাম।![]()
আবু সালেহ বলেছেন:
ছন্দে ছন্দে কাব্য ...বেশ ভালো হইছে.......
লেখক বলেছেন: ![]()
থ্যাংক ইউ সালেহ।
লেখক বলেছেন: মজার কবিতা গুলো থেকে আসলেই অনেক কিছু শেখা যায়।![]()
অনেক ধন্যবাদ হাসনাইন।
লেখক বলেছেন: আজকালকার ছেলেমেয়েরা ছড়া কবিতা আর পড়েনারে।![]()
নীলঞ্জন বলেছেন:
প্রথমতঃ ধন্যবাদ, প্রিয় কবিদের কবিতা উপস্থাপন করার জন্য। দ্বিতীয় ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য। আর প্রথম নিন্দাবাদ মানুষের অনুভূতিকে আঘাত করার জন্য। 'সুকুমার রায়ের এই কবিতাটি মনে পড়েছে আমার জীবনের বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন কারন বশত। তাই বলে যেন ভেবে বসবেন না আমাকেই লোকে বলেছে "সাধে কি বলে গাধা?" মানে আমার গাধামী দেখে। মোটেই তেমন নয়।
জানি, তৃতীয় মন্তব্য নিয়ে হয়ত ঝগড়া হতে পারে। তবে কোনভাবেই একজন সত্যিকারের মানুষ মানুষের অনুভূতি নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করে না।
লেখক বলেছেন: চুপ! সবখানে পন্ডিতি না?:
কেনো নিজেকে কি মনে হচ্ছে ..... ...... ......
আচ্ছা যাইহোক কষ্ট করে এই বিশাল পোস্ট পড়ার জন্য ঝগড়া ভুলে গেলাম । ![]()
আমার নাহয় খেয়ে দেয়ে কোনো কাজ নেই। বসে বসে সব কবির লেখা আবার অনুবাদ করতে পারি। কিন্তু পোস্ট টা পাবলিশ করে মনে হয়েছে এটা মানুষের উপর অত্যাচার যারা ভুল করে এই পোস্টে ঢুকে পড়ে তাদের জন্য। মানে যত প্রিয় কবিতা ছড়াই হোক না কেনো দৈর্ঘ্যের দিকে খেয়াল রাখা উচিৎ ছিলো আমার।![]()
তাই স্বরচিত অংবং কিন্তু একটা অতি প্রিয় গোপনীয় লেখা পোসস্ট করেছি । সেটা পড়ুন ঝগড়াটে স্যার।![]()
আচছা মেনে নিলাম সকল অপবাদ ভুল হয়েছে মানুষকে হেয় করেছি মনে হয় যদি আপনার। তবে আমি মানুষকে কখনও সজ্ঞানে হেয় করিনা।
আমি ভাল আছি বলেছেন:
সুন্দর। +++
লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ ভাত ভাই।![]()
নীলঞ্জন বলেছেন:
হুম্্্্্্্্্। জ্বি আচ্ছা। বুইজল্যাম।
লেখক বলেছেন: ![]()
সুরঞ্জনা বলেছেন:
আমি যে সত্যি বুড়ি হয়েছি তার প্রমান পেলাম আবার এখুনি। তোমার এই মচত্কার পোস্টটি আমার চোখ এড়িয়ে গেলো কি করে? যখনি ঐ রাখালছেলের কথা মনে পড়তো মনটা উদাস হয়ে যেত। ছিপখান তিনদাড় আবৃতি শুনেছো? কি ভালোই যে লাগে। সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের পাল্কি চলে দুলকি চালে এটাও দারুন। খুব খুব সুন্দর পোস্ট হয়েছে শায়মামনি। কানে কানে বলি, ছোট্ট থাকতে ঐ লিচুচোর আবৃতি করে প্রথম পুরস্কার পেয়েছিলাম। প্রিয়তে নিয়ে গেলাম।
লেখক বলেছেন: যাক আপু তুমি আর কয়েকজন প্রিয়তে নিয়ে আমার এই লেখাটাকে ধন্য করলে। এত সাধ করে প্রিয় ছন্দ কবিদের কবিতা পোস্ট দিলাম। কেউ পাত্তাই দিলোনা ।![]()
রাগ করে ড্রাফট করে ফেলবো নাকি ভাবছিলাম। এখন জান জুড়াই গেলো । নাহ আমার পছন্দের কবিতাগুলো ছেলেবেলায় তোমারও প্রিয় ছিলো।
আপু লিচু চোর আবৃত্তি করে রেকর্ড করে পোস্ট দাও।
ছিপখান তিন দাঁড়ে যে বিভিন্ন প্যারায় বিভিন্ন তাল লয় ও ছন্দ এর ব্যাব হার তা সত্যি শ্রুতিমধুর ও মনোমুগ্ধকর!
অনেক ধন্যবাদ এই বিশাল পোস্টটি পড়ার জন্য।
সায়েম মুন বলেছেন:
তোমার এই পোষ্টে আর একটা ছড়া এ্যাড করবা না হলে মাইনাসস হাসতে নাকি জানে না
------------------------
বোয়াল মাছের হাসি দেখে
পিলে চমকে যায়
--------------ছড়াটা মনে আছে তো
লেখক বলেছেন: হা মনে আছে মানে। ঠোটস্থ।
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
দ্বিতীয় লাইনটা পড়েই লিখতে যাচ্ছিলুম, "এই দেখুন দ্বিতীয় লাইনেই গোঁজামিল। "এবে"-র কোন মানে হয়?" দ্বিতীয় কবিতাটা শৈশবের অনেক স্মৃতি মনে করিয়ে দিল। গ্রামের বেড়ে উঠার দিনগুলো
রাখাল ছেলে পড়তে পড়তে "নক্সী কাঁথাত মাঠ"-এর কথা মনে পড়ছিল।
লিচুচোরে "নাক হপ্তা" মানেটা কি?
শেষের কথাগুলো এবং প্রতি কবিতার নীচে আপনার কথাগুলো বেশ লাগলো। আদতেই ছেলেবার অনেক সুন্দর মুহুর্ত থেকে ডুব মেরে আসা গেল।
লেখক বলেছেন: এবে মানে মনে হয় কবি সুকুমারের আবিস্কৃত শব্দ। আমার ধারনা এবের মানেটা সবাই বুঝে যাবে। বা মাথা ঘামাবেনা এটা নিয়ে। কারন নীচে এত সুন্দর মজার একটা ছড়া পড়ে আছে আর কে মাথা ঘামায় এবে কেবে নিয়ে?
যাইহোক আমি তো এটাই চাইছইলাম সবার ছেলেবেলা মনে পড়ে যাক।
নীলঞ্জন বলেছেন:
'ছিপখান তিন দাঁড়ে যে বিভিন্ন প্যারায় বিভিন্ন তাল লয় ও ছন্দ এর ব্যাব হার তা সত্যি শ্রুতিমধুর ও মনোমুগ্ধকর!'গদ্যের ক্ষেত্রে প্যারা বলা হয়; আর কবিতার ক্ষেত্রে বলা হয় স্তবক। বুইজ্জেন নি গো বৃহৎ বড় আফামনি?
লেখক বলেছেন: উফফ এই পন্ডিৎটার জ্বালায় বাঁচিনা।
ওকে পন্ডিৎ ধন্যবাদ গুরু ।প্রণাম নিন। আরো ভুল দেখিলে ধরাইয়া দিয়েন। শিখিতে আমার লজ্জা নাই।![]()
লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ !!!
শিরীষ বলেছেন:
বুকমার্কড।
লেখক বলেছেন: অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ শিরীষ।
লেখক বলেছেন: হা হা হা
থ্যাংক ইউ।
নস্টালজিক বলেছেন:
ছন্দ আর অনুভুতির মন্টাজ ভালো লাগলো।।গুড পোস্ট!
ইদানিং তুমি ভালো ভালো পোস্ট দিচ্ছো!
লেখক বলেছেন: আগেরগুলো বুঝি খারাপ খারাপ? ![]()
আগে কতসব জীবনকাহিনী শেয়ার করলাম সেসব ভালো লাগলোনা না? ![]()
লেখক বলেছেন: হা হা হা
তা বটে
মিস দ্যাট ছড়া ডে।
সবাক আপনার জন্য একটা আই কিউ টেস্ট ।
Click This Link
শায়মা বলেছেন:
করছো। তবে জনদরদ এত কম কেনো?তবে ছড়া / সাহিত্যে অসাধারন ফলাফল। ছবি টবিও আঁকাআঁকি করা হয় মনে হইতেছে। গুডগুড।
রেজোওয়ানা বলেছেন:
সুকুমার রায় আমার খুবই পছন্দের লেখক।মন খারাপ লাগলেই সুকুমার সমগ্র নিয়ে বসে যাই.............
লেখক বলেছেন: সুকুমার, শিবরাম এরা হলো মন খারাপের শত্রু।
লেখক বলেছেন: আরেকটা প্রিয় কবিতা।![]()
নুজহাত বলেছেন:
ঠাস্ ঠাস্ দ্রুম্ দ্রাম্ , শুনে লাগে খটকা-ফুল ফোটে তাই বল, আমি ভাবি পটকা।
শাঁই শাঁই পনপন, ভয়ে কান বন্ধ-
ওই বুঝি ছুটে যায় সে-ফুলের গন্ধ?
হুড়মুড় ধুপ্ধাপ- ওকি শুনি ভাইরে!
দেখছ না হিম পড়ে-যেওনাকো বাইরে।
চুপ-চাপ ঐ শোন! ঝুপঝাপ ঝ-পাস!
চাঁদ বুঝি ডুবে গেলো? গব্ গব্ গবা-স!
খ্যাশ খ্যাঁশ ঘ্যাচ ঘ্যাঁচ, রাত কাটে ঐরে!
দুড়ু দাড়ু চুরমার- ঘুম ভাঙ্গে কই রে!
ঘর্ঘর ভনভন ঘোরে কত চিন্তা!
কত মন নাচে শোন্-ধেই ধেই ধিনতা!
ঠুং ঠাং ঢং ঢং, কত ব্যাথা বাজে রে-
ফট্ ফট্ বুক ফাটে তাই মাঝে মাঝে রে!
হৈ হৈ মার্ মার্ , বাপ বাপ চিৎকার-
মালকোচা মারে বুঝি? সরে পড় এইবার।
সুকুমার রায়ের এই কবিতা টা কেমন লাগে আপ্পি??
আমার খুব মজা লাগে
লেখক বলেছেন: আমারও। তবে ভুলে গেছিলাম।মনে করিয়ে দেবার জন্য অনেক অনেক থ্যাংকস নুজহাতমনি।
রিমঝিম বর্ষা বলেছেন:
আরিব্বাপস! তুমি মুখস্ত লিখেছো নাকি সব!!!!????? তাহলে আমার 'আসমানী' কবিতাটা দাওনা প্লীইইইজ! মনে আছে তো?পোস্ট দারুউউউন হয়েছে।
লেখক বলেছেন: একশোবার মনে আছে। আমি হলাম মহাস্মৃতিধর।
দাড়াও একটা মেইল লিখে এসে এখনি দিচ্ছি।
লেখক বলেছেন: আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও,
রহিমন্দীর ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও।
বাড়ি তো নয় পাখির বাসা-ভেন্না পাতার ছানি,
একটুখানি বৃষ্টি হলেই গড়িয়ে পড়ে পানি।
একটুখানি হওয়া দিলেই ঘর নড়বড় করে,
তারি তলে আসমানীরা থাকে বছর ভরে।
পেটটি ভরে পায় না খেতে, বুকের ক’খান হাড়,
সাক্ষী দেছে অনাহারে কদিন গেছে তার।
মিষ্টি তাহার মুখটি হতে হাসির প্রদীপ-রাশি
থাপড়েতে নিবিয়ে গেছে দারুণ অভাব আসি।
পরণে তার শতেক তালির শতেক ছেঁড়া বাস,
সোনালী তার গার বরণের করছে উপহাস।
ভোমর-কালো চোখ দুটিতে নাই কৌতুক-হাসি,
সেখান দিয়ে গড়িয়ে পড়ে অশ্রু রাশি রাশি।
বাঁশীর মত সুরটি গলায় ক্ষয় হল তাই কেঁদে,
হয়নি সুযোগ লয় যে সে-সুর গানের সুরে বেঁধে।
আসমানীদের বাড়ির ধারে পদ্ম-পুকুর ভরে
ব্যাঙের ছানা শ্যাওলা-পানা কিল-বিল-বিল করে।
ম্যালেরিয়ার মশক সেথা বিষ গুলিছে জলে,
সেই জলেতে রান্না খাওয়া আসমানীদের চলে।
পেটটি তাহার দুলছে পিলেয়, নিতুই যে জ্বর তার,
বৈদ্য ডেকে ওষুধ করে পয়সা নাহি আর।
খোসমানী আর আসমানী যে রয় দুইটি দেশে,
কও তো যাদু, কারে নেবে অধিক ভালবেসে?
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন:
একটা দড়ির দুদিক থেকে টানছে দুদল ছেলে
তাই না দেখে এক গাধানী লাফায় খেলা ফেলে
সফদার ডাক্তার মাথা ভরা টাক তার
খিদে পেলে ভাত খায় গিলিয়া
কাঠবেড়ালি কাঠবেড়ালি পেয়ারা তুমি খাও
কুমড়োলতা? আমজামরুল? যষ্ঠি মধু তাও?
করিতে পারি না কাজ
সদা ভয় সদা লাজ
সংশয়ে সংকল্প টলে ত্রাসে
পাছে লোকে যদি হাসে
আমি হবো সকালবেলার পাখি
ভোর হলো দোর খোলো উঠবো আমি ডাকি
মজার মজার ছড়াগুলো খুব কিউট লাগলো
লেখক বলেছেন: মাই গড! আপনারও তো কম স্মৃতি শক্তি নহে!
স্মৃতি শক্তির পরীক্ষায় আপনাকে ১০০ তে ২০০ দেওয়া হইলো। ![]()
শায়মা বলেছেন:
একটা দড়ির দুদিক থেকে টানছে দুদল ছেলেতাই না দেখে বনের বানর লাফায় খেলা ফেলে।
সকল বানর ফন্দি আঁটে জবর মজার খেলা
এমন খেলা খেলেই সবাই কাটিয়ে দেবে বেলা।
কিন্তু দড়ি মিলবে কোথায় ? ঘাবড়ে গেল মাথা
পালের সেরা বানর বলে মগজ তোদের যা-তা।
নেইকো দড়ি বয়েই গেল ভাবিস মিছে হাবা
লেজে লেজে ধরব টেনে হবে দড়ির বাবা।
যেইনা বলা দু-দল বানর দু-দিন থেকে বসে
একের লেজটি ধরল টেনে জোরসে চেপে কষে।
বনের গাধা দাঁড়ায় মাঝে উঁচিয়ে দু'টি কান
বলে, আমার দুদিক থেকে কান ধরে দে টান
কান ধরে এই মাথা নিবি আপন দলে টেনে
জিতবি তবে এই খেলাতে, রাখিস সবাই জেনে।
অমনি দু-দল হেঁইয়ো টানে-গাধার বিপদ ভারি
কান ছিঁড়ে সব হুমড়ি খেয়ে পড়ল সারি সারি
সাঙ্গ হল দড়ির খেলা বানররা সব হাসে
কান হারিয়ে গাধা শুধুই চোখের জলে ভাসে।
...
রিমঝিম বর্ষা বলেছেন:
ক্রিং ক্রিং টেলিফোন
হ্যালো হ্যালো
কে তুমি কাকে চাই বলো বলো।
আমি ম্যাও হুলো ক্যাট
ইঁদুরকে চাই,
জরুরি আলাপ আছে তুমি কে হে ভাই?
আমি ইঁদুর তবে কথা হলো এই...
আমি গেছি মার্কেটে, বাড়ীতে নেই।
লেখক বলেছেন: তোমার কন্যার ছড়াটি আমারও খুব প্রিয় ছিলো আমি যখন কারো কন্যা ছিলাম একদিন।
এখনও প্রিয়।
শায়মা বলেছেন:
সফদার ডাক্তার মাথা ভরা টাক তার
খিদে পেলে পানি খায় চিবিয়ে,
চেয়ারেতে রাতদিন
বসে গোনে দুই-তিন
পড়ে বই আলোটারে নিবিয়ে।
ইয়া বড় গোঁফ তার,
নাই যার জুড়িদার
শুলে তার ভুঁড়ি ঠেকে আকাশে,
নুন দিয়ে খায় পান,
সারাক্ষণ গায় গান
বুদ্ধিতে অতি বড় পাকা সে।
রোগী এলে ঘরে তার,
খুশিতে সে চারবার
কষে দেয় ডন আর কুস্তি,
তারপর রোগীটারে
গোটা দুই চাঁটি মারে
যেন তার সাথে কত দুস্তি।
ম্যালেরিয়া হলে কারো
নাহি আর নিস্তার
ধরে তারে কেঁচো দেয় গিলিয়ে,
আমাশয় হলে পরে
দুই হাতে কান ধরে
পেটটারে ঠিক করে কিলিয়ে।
কলেরার রোগী এলে,
দুপুরের রোদে ফেলে
দেয় তারে কুইনিন খাইয়ে,
তারপর দুই টিন
পচা জলে তারপিন
ঢেলে তারে দেয় শুধু নাইয়ে।
ডাক্তার সফদার,
নাম ডাক খুব তার
নামে গাঁও থরহরি কম্প,
নাম শুনে রোগী সব
করে জোর কলরব
পিঠটান দিয়ে দেয় লম্ফ।
একদিন সক্কালে
ঘটল কি জঞ্জাল
ডাক্তার ধরে এসে পুলিশে,
হাত-কড়া দিয়ে হাতে
নিয়ে যায় থানাতে
তারিখটা আষাঢ়ের উনিশে।
শায়মা বলেছেন:
কাঠবেড়ালি! কাঠবেড়ালি! পেয়ারা তুমি খাও?গুড়-মুড়ি খাও? দুধ-ভাত খাও? বাতাবি-নেবু? লাউ?
বেড়াল-বাচ্চা? কুকুর-ছানা? তাও-
ডাইনি তুমি হোঁৎকা পেটুক,
খাও একা পাও যেথায় যেটুক!
বাতাবি-নেবু সকলগুলো
একলা খেলে ডুবিয়ে নুলো!
তবে যে ভারি ল্যাজ উঁচিয়ে পুটুস পাটুস চাও?
ছোঁচা তুমি! তোমার সঙ্গে আড়ি আমার! যাও!
কাঠবেড়ালি! বাঁদরীমুখী! মারবো ছুঁড়ে কিল?
দেখবি তবে? রাঙাদাকে ডাকবো? দেবে ঢিল!
পেয়ারা দেবে? যা তুই ওঁচা!
তাই তোর নাকটি বোঁচা!
হুতমো-চোখী! গাপুস গুপুস
একলাই খাও হাপুস হুপুস!
পেটে তোমার পিলে হবে! কুড়ি-কুষ্টি মুখে!
হেই ভগবান! একটা পোকা যাস পেটে ওর ঢুকে!
ইস! খেয়ো না মস্তপানা ঐ সে পাকাটাও!
আমিও খুবই পেয়ারা খাই যে! একটি আমায় দাও!
কাঠবেড়ালি! তুমি আমার ছোড়দি‘ হবে? বৌদি হবে? হুঁ!
রাঙা দিদি? তবে একটা পেয়ারা দাও না! উঃ!
এ রাম! তুমি ন্যাংটা পুঁটো?
ফ্রকটা নেবে? জামা দুটো?
আর খেয়ো না পেয়ার তবে,
বাতাবি-নেবুও ছাড়তে হবে!
দাঁত দেখিয়ে দিচ্ছ ছুট? অ‘মা দেখে যাও!-
কাঠবেড়ালি! তুমি মর! তুমি কচু খাও!!
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন:
সর্বনাশ!!! আপনি দেখি একটা উইকিবিতাএকদা এক জঙ্গলের ধারে
এক কানাবগী গাধাকে থাপ্পড় মারে
ফৌজদারি আদালতে মামলা হলে
রায় হয় কানাবগী ফাঁস নেবে গলে
তারপর কেটে গেছে অনেকদিন
এই কাহিনীরও নেই কোনো চিন
লেখক বলেছেন: দেখিবেনা কি কাহার ভগিনী আমি?
সে শুধু জানিবে তুমি আর জানে অন্তর্যামী।
কথায় কথায় এহন রচনা প্রবাদ প্রবচনে
সে শুধু ভাইটি ছাড়া মোর রচিতে পারে কোনজনে?
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন:
সর্বনাশ!!!!!!!!!!!!!!কিন্তু ধন্যবাদদদদদদদদদদদদদদদ ও কৃতজ্ঞতাআআআআআআআআআআ
লেখক বলেছেন: হাহাহা সেসবও আছে।![]()
রিমঝিম বর্ষা বলেছেন:
কাঠবেড়ালি কবিতাটার জন্যে তোমাকর এএএএএএত্ত থ্যাংকস। এটাও আমার কন্যার খুব প্রিয়। বিশেষ করে ওই পুটুস পাটুস চাও এর সময় আমি মাথা-টাকে এপাশ ওপাশ করি আর সে হেসে লুটোপুটি। পুরোটা পারতামনা। তুমি দিয়ে দিলে।
লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ।![]()
রিমঝিম বর্ষা বলেছেন:
শায়মা আপু, তোমার ওই ছড়াটা মনে আছে? "এই যে খোকা কি নেবে ভাই? শ্লেট, পেনসিল,.....? ওসব আমার বাক্সে নেই।" সুকুমার এর বোধহয়। তারপর "গোপালটা কি হিংসুটে মা........."। আমার কন্যার সাথে তোমার বন্ধুত্ব বুকিং দিলাম।
লেখক বলেছেন: একশোবার দুইশোবার তিনশোবার মনে আছে।
কারোর কিছু চাই গো চাই????????????? দাঁড়াও দিচ্ছি।
শায়মা বলেছেন:
নিঃস্বার্থগোপালটা কি হিংসুটে মা! খাবার দিলাম ভাগ করে,
বল্লে নাকো মুখেও কিছু, ফেল্লে ছুড়ে রাগ করে।
জ্যেঠাইমা যে মেঠাই দিলেন, 'দুই ভায়েতে খাও বলে'-
দশটি ছিল, একটি তাহার চাখতে দিলাম ফাও বলে,
আর যে নটি, ভাগ করে তায় তিনটে দিলেম গোপালকে-
তবুও কেবল হ্যাংলা ছেলে আমার ভাগেই চোখ রাখে।
বুঝিয়ে বলি, কাদিসঁ কেন? তুই যে নেহাত কনিষ্ঠ,
বয়স বুঝে, সামলে খাবি, তা নইলে হয় অনিষ্ট।
তিনটি বছর তফাৎ মোদের, জ্যায়দা হিসাব গুনতি তাই,
মোদ্দা আমার ছয়খানি হয়, তিন বছরে তিনটি পাই,
তাও মানেনা কেবল কাদেঁ, স্বার্থপরের শয়তানি,
শেষটা আমার মিঠাইগুলো খেতেই হলো সবখানি।
সুকুমার রায়
শায়মা বলেছেন:
কারোর কিছু চাই গো চাই?
এই যে খোকা, কি নেবে ভাই?
জলছবি আর লাটু লাটাই
কেক বিস্কুট লাল দেশলাই
খেলনা বাঁশি কিংবা ঘুড়ি
লেড্ পেনসিল রবার ছুরি
এসব আমার বাক্সে নাই,
কারোর কিছু চাই গো চাই?
কারোর কিছু চাই গো চাই?
বৌমা কি চাও শুনতে পাই?
ছিটের কাপড় চিকন লেস্
ফ্যান্সি জিনিস ছুচের কেস্
আল্তা সিঁদুর কুন্তলীন
কাঁচের চুড়ি বোতাম পিন?
আমার কাছে ওসব নাই,
কারোর কিছু চাই গো চাই?
কারোর কিছু চাই গো চাই?
আপনি কি চান কর্তামশাই?
পকেট বই কি খেলার তাস
চুলের কলপ জুতোর ব্রাশ্
কলম কালি গঁদের তুলি
নস্যি চুরুট সুর্তি গুলি ?
ওসব আমার কিছুই নাই,
কারোর কিছু চাই গো চাই?
লেখক বলেছেন: ওয়েলকাম।![]()
লেখক বলেছেন: হা হা হা
কবিতাগুলো মনে পড়ে গেলে কত মজাই না লাগে।![]()
লেখক বলেছেন: হি হি ওয়েলকাম ওয়েলকাম।![]()
দুখী মানব বলেছেন:
আর্রে জোস...মুহূর্তেই ছোটবেলায় ফিরে গেলাম
লেখক বলেছেন: ডাবল
দুখী মানব বলেছেন:
আর্রে জোস...মুহূর্তেই ছোটবেলায় ফিরে গেলাম
লেখক বলেছেন: আমি তো মুহুর্তে মুহুর্তে ফিরে ফিরে যাই।
লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ হাসনাইন।
আচ্ছা হোক আপডেট।
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
জানু, তুমি দেখি ছন্দ নিয়াও কোবতে লেখছো। বাপ রে! ছন্দ কবে শিখলা! কার কাছে শিখলা!
লেখক বলেছেন: চোপ। ভাগ এখান থেকে।
যার কাছে শিখি তোমার কাছে শিখি নাই।:![]()
টানজিমা বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
হি হি গুড বয়।
![]()
লেখক বলেছেন: হা হা হা ঘুম আসে? ![]()
সরল মানুষ বলেছেন:
বাবুরাম সাপুড়ে
কোথা যাস্ বাপুরে?
আয় বাবা দেখে যা,
দুটো সাপ রেখে যা!
বড় আপু যখন আওয়াজ দিয়ে এই কবিতাটা পড়তো আমি তখন পড়ার টেবিলে
আপু আপনার এত লম্বা লেখা দেখেই ঘুম পাচ্ছিলো
লেখক বলেছেন: জানি জানি পড়া দেখলেই ঘুমানো অভ্যাস এখনও যায়নি। ![]()
লেখক বলেছেন: পারবোনা আবার?
আমি হইলাম সর্বরোগ বিশারদ।![]()
অনেক ধন্যবাদ ভাই।
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
দারুণ!
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।![]()
শত রুপা বলেছেন:
বাবুদের তাল-পুকুরে
হাবুদের ডাল-কুকুরে
সে কি বাস করলে তাড়া,
বলি থাম একটু দাড়া।
পুকুরের ঐ কাছে না
লিচুর এক গাছ আছে না
হোথা না আস্তে গিয়ে
য়্যাব্বড় কাস্তে নিয়ে
গাছে গো যেই চড়েছি
ছোট এক ডাল ধরেছি,
ও বাবা মড়াত করে
পড়েছি সরাত জোরে।
পড়বি পড় মালীর ঘাড়েই,
সে ছিল গাছের আড়েই।
ব্যাটা ভাই বড় নচ্ছার,
ধুমাধুম গোটা দুচ্চার
দিলে খুব কিল ও ঘুষি
একদম জোরসে ঠুসি।
আমিও বাগিয়ে থাপড়
দে হাওয়া চাপিয়ে কাপড়
লাফিয়ে ডিঙনু দেয়াল,
দেখি এক ভিটরে শেয়াল! …
সেকি ভাই যায় রে ভুলা-
মালীর ঐ পিটুনিগুলা!
কি বলিস ফের হপ্তা!
তৌবা-নাক খপ্তা…!
লেখক বলেছেন: শতরূপা আপু থ্যাংকস।
সাদা কালো এবং ধূসর বলেছেন:
+ ও প্রিয়তে
লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ।![]()
রাগ ইমন বলেছেন:
লিচু চোরকাজী নজরুল ইসলাম
বাবুদের তাল-পুকুরে
হাবুদের ডাল-কুকুরে
সে কি বাস্ করলে তাড়া,
বলি থাম্ একটু দাঁড়া!
পুকুরের ঐ কাছে না
লিচুর এক গাছ আছে না
হোথা না আস্তে গিয়ে
য়্যাব্বড় কাস্তে নিয়ে
গাছে গ্যে’ যেই- চ’ড়েছি,
ছোট এক ডাল ধ’রেছি,
ও বাবা মড়াত্ ক’রে
প’ড়েছি সড়াত্ জোরে৷
পড়বি পড় মালীর ঘাড়েই,
সে ছিল গাছের আড়েই,
ব্যাটা ভাই বড় নচ্ছার,
ধুমাধুম গোটা দুচ্চার
দিলে খুব কিল ও ঘুসি
একদম জোর্ সে ঠুসি!
আমিও বাগিয়ে থাপর
দে হাওয়া চাগিয়ে কাপড়
লাফিয়ে ডিঙ্ নু দেয়াল,
দেখি এক ভিট্ রে শেয়াল!
আরে ধ্যাত্ শেয়াল কোথা? ভুলোটা দাঁড়িয়ে হোথা! দেখে যেই আঁতকে ওঠা কুকুরও জুড়লে ছোটা! আমি কই কম্ম কাবার কুকুরেই কর্ বে সাবাড়! ‘বাবা গো মা গো’ বলে’ পাঁচিলের ফোঁকর গলে ঢুকি গ্যে’ বোস্ দের ঘরে, যেন প্রাণ আসলো ধড়ে! যাব ফের? কান মলি ভাই চুরিতে আর যদি যাই! তবে মোর নামই মিছা! কুকুরের চাম্ ড়া খিঁচা
সে কি ভাই যায়রে ভুলা-
মালীর ঐ পিট্ নী গুলো-
কি বলিস্? ফের হপ্তা?
তৌবা-নাক খপতা!
লেখক বলেছেন: হা হা হা
থ্যাংক ইউ আপু আমার সাথে কবিতাটা পড়ার জন্য।![]()
রাগ ইমন বলেছেন:
এইটা লাগবেঃনুরু, পুশি, আয়শা , সফি , সবাই এসেছে
আম বাগিচার তলায় যেন তারা হেসেছে
বাপ মা তাদের ঘুমিয়ে আছে , এই সুবিধা পেয়ে
বন ভোজনে মিলেছে আজ দুষ্টু কটি মেয়ে
কেউ বা বসে বাটনা বাটে , কেউ বা রাধে ভাত
কেউ বা বলে ধুত্তুরি ছাই, পুড়েই গেলো হাত
বিনা আগুন দিয়েই যদিও হচ্ছে তাদের রাধা
তবু তাদের দুই চোখেতে ধোঁয়া লেগেই কাদা
( তারপর মনে নাই)
লেখক বলেছেন: এখনও খুঁজে চলেছি।![]()
লেখক বলেছেন: আরে হাসো কেনো?
দাড়াও না আমার ছোটবেলার ছড়ার খাতাটা খুঁজে পাচ্ছিনা। খুঁজে পাই আগে তারপর তোমার ছড়ার বাকী অংশ দিয়ে দেবো।
লেখক বলেছেন: আরে কেনো!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
কি করেছি শাহি ভাইয়া!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
লেখক বলেছেন: আরে কেউ আবৃতি করেনাতো ভাইয়া!!!!![]()
আমাকেই মনে হয় সবার ব্লগ ঘুরে ঘুরে কবিতা নিয়ে আবৃতি পোস্ট দিতে হবে।![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...






















