তোমাকে আমি কাদতে দেখেছি সেদিন;
দেখেছি তোমার অশ্রু সজল চোখ;
ইথারের মাধ্যমে ভেসে আসছিলো তোমার
ফুপিয়ে ফুপিয়ে কান্নার শব্দ।
আমি বহদুর থেকেও সেই শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম,
সংবরন করতে পারিনি নিজেকে;
সামিল হলাম তোমার কান্নার কাতারে,
চোখ ভিজলো আমার ও;
সেদিন জন্মদিন ছিলো তোমার;
বাচ্চা ছেলে খেলনা পাবার আশায় যেভাবে কান্না করে
তুমিও কাদছিলে সেদিন-
জন্মদিনের দিন কাদলে-- এ হয় নাকি!
৩৪ বছর আগের কথা মনে পড়ে যায়,
সেই রাতের কথা যেদিন এতিম হলে তুমি;
নিয়তির এ কি রকম খেলা?
পিতা-মাতা হত্যার বিচারের মামলা কিনা
তোমাকেই পরিচালিত করতে হল,
বুকের ভিতর জমে থাকা সমস্ত অভিমান গুলো ডুকরে কেদে উঠলো;
চিরন্তন মমতাময়ী মা আর শ্রদ্ধাম্পেদেষু পিতার আদর থেকে বঞ্ছিত ছিলে,
অভিমান তো তোমার থাকবেই;
গভীর রাতে ঘুম ভেঙ্গে যখন দেখ চোখের জলে বালিশ ভিজে গেছে
তখন নিশ্চই তোমার শরীরের সমস্ত লোমকুপ গুলো একসাথে দাঁড়িয়ে
প্রতিবাদ জানায়;
জন্মদিনের দিন তোমার কি মনে পড়ে সেই কথা?
অপেক্ষায় ছিলে ৩৪ বছর ধরে;
বিচারের বানী জেগে উঠলো।
জন্মদিনের দিন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালতের কাছ থেকে
তোমার সবচাইতে প্রিয় উপহারটুকু বোধহয় তুমি পেলে।
(এই কবিতাটি শেখ ফজলে নূর তাপস কে নিয়ে লিখা--- ১৯শে নভেম্বর তাকে কাদতে দেখে আমার ও কানা পেয়েছিলো, মানুষতার প্রতি তার পর থেকে কেন জানি আমার মমতা কাজ করে)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


