somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুভি রিভিওঃ পৃথিবীর সব সৌন্দর্য পূজারী আর কবিতা প্রেমীদের মুভি dead poet society

২৮ শে জুন, ২০১১ দুপুর ২:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মুভি রিভিও লিখতে গিয়ে যে সমস্যাটি আমাকে বরাবরই ভোগায় টা হল কিছুদিন আগে দেখা মুভির কাহিনিও আমি বেমালুম ভুলে যায়।খালি মুভিটি দেখার সময় মুভিটি ভাল না খারাপ লেগেছিল তা আমার মধ্যে অবশিষ্ট থাকে।এমনও অনেক সময় হয়েছে যে বন্ধুদের আড্ডায় কোন মুভি নিয়ে কথা হলে আমি যে শুধু কাহিনী ভুলে যায় তা নয় বরং কাহিনীটি আমার মাথায় এলোমেলো হয়ে মুভির ভিন্ন অর্থ দাড়ায়।তবে আজকে যে মুভিটি নিয়ে লেখছি এই মুভিটির কথা একেবারেই আলাদা,মুভিটাকে ভুলার প্রশ্নই আসেনা,উলটো দেখার পর মুভিটা নিয়ে কতবার ভেবেছি তা...ই মনে নেই।কবিতা নামক জিনিসটাকে কতটুকু ভালবাসা যায়??? মুভিটি দেখার পর এই চিন্তা আমাকে কুঁড়ে কুঁড়ে খেয়েছিল।

মুভিটির নাম Dead poet society।সাদামাটা এক স্কুলের কাহিনী এটা যেখানে ছাত্রদেরকে সমাজের আট দশজন রিয়ালিস্ট হিসেবে বানানো হয়,কবিতা,গান এবং পৃথিবীর সব রোমান্স আর সৌন্দর্য যাদের কাছে নেহাত ই হাস্যকর বিষয়।সারারাত পড়াশুনা করে পরের দিন পরীক্ষায় সব উগ্রে দেয়ায় যেখানে সবার কাম্য।কিন্তু পরিস্থিতি পাল্টে যেতে থাকে যখন স্কুলে নতুন ইংলিশ শিক্ষক আসল,জীবন যার কাছে ভিন্ন কোন তাৎপর্য বহন করে, পৃথিবীটা যার কাছে কবিতার মতই সুন্দর।যথারীতি একদল ছাত্র তাদের এই ক্যাপ্টেনকে আর কবিতাকে ভালবেসে ফেলল আর এভাবেই গড়ে উঠল Dead poet society।যারা রাতের অন্ধকারে স্কুল পালাত ,চাঁদনী রাতে পাহাড়ের গুহায় বসে কবিতা গিলত।তবে সব কিছু তাদের মত করে হয়ে উঠেনি,একসময় স্কুলকরতিপক্ষ সব জেনে গেল।এদিকে আবার এই সোসাইটির এক সদস্য আত্মহত্যা করে যখন বাবা মায়ের চাপে তার জীবনের মূল চাওয়াপাওয়া গুলোই ভেস্তে যেতে থাকে। সব কিছুর কারন হিসেবে দায়ী করা হয় মিঃ কিতিং অর্থাৎ সেই ইংলিশ শিক্ষককেএবং পুরস্কার হিসেবে স্কুল থেকে বহিস্কার হতে হয় তাকে।কিন্তু ডেড পোয়েট সোসাইটি তাদের ক্যাপ্টেন কে খালি হাতে ফেরায়নি।যে লোকটি তাদের জীবনটাকে বুজিয়েছিল একটু ভিন্নভাবে,কবিতাকে করে দিয়েছিল জীবনের সৌন্দর্য, তাকে তারা স্কুলের প্রচণ্ড বাঁধা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত ক্যাপ্টেন করেই রেখেছিল।



মুভিতে মিঃ কিটিং আর নেইল এই দুটি ক্যারেক্টারকে কখনো ভুলতে পারব বলে মনে হয়না।বিশেষ করে নেইল মারা যাওয়ার আগে তার মা বাবার সাথে ঝগড়ার শেষ সিনে নেইলের অভিনয় আমাকে স্তব্ধ করে রেখেছিল অনেকক্ষণ।

মুভিটি এক কথায় অসাধারন।আমাদের মানুষের যা কিছু সুন্দর টা সব ই ওই কবিতা আর গানের কারনে এই কথাটি মুভিটি দেখলে আপনি বিশ্বাস করবেন আরও ভালভাবে।

ডাউনলোড লিংক
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জুন, ২০১১ দুপুর ২:২৯
১১টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×