তিনি জন্মগত ভাবে ব্রিটিশ নাগরিক এবং লন্ডনে বসবাস করছেন। কেউ কেউ আবার সম্মান রক্ষার্থে হত্যা বা 'অনার কিলিং'-এর আশঙ্কাও করছেন। কিন্তু যাঁদের বিরুদ্ধে হত্যা-চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে, তাঁরা আফসান আজাদের দূরের কেউ নন, বাবা ও ভাই। ডেইলি মেইল, ম্যানচেস্টার ইভিনিং নিউজ, সিবিএস নিউজসহ কয়েকটি পত্রিকায় খবরটি বেশ গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে। তাঁরা ব্রিটিশ পুলিশের তথ্যকে বেশ গুরুত্ত্ব সহকারে নিরাপত্তার আমলে নিয়েছে ।
পত্রিকায় প্রকাশিত খবর থেকে জানা গেছে, আফসান আজাদের সঙ্গে একটি ছেলের সম্পর্ক থেকেই ওই পরিবারে সমস্যার শুরু। আফসানের বাবা আবদুল আজাদ (৫৪) ও ভাই (২৮) কোনোভাবেই ওই সম্পর্ক মানতে পারছিলেন না। অনেক দিন ধরেই চলছিল অশান্তি। এরই মধ্যে কয়েক দিন আগে আফসান পুলিশের কাছে তাঁর বাবা ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি ও মারধরের অভিযোগ আনেন। আর এ অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁরা জামিনে মুক্তি পেলেও এ মাসেই আবার তাঁদের আদালতে হাজির হতে হবে।
এদিকে আফসান আজাদ লন্ডনেই তাঁর এক বন্ধুর বাড়িতে থাকলেও আতঙ্কের মধ্যে আছেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে। আরো বলা হচ্ছে, লন্ডনে পাড়ি জমানো দক্ষিণ এশীয় পরিবারগুলোতে নারীদের নিগ্রহের কথা। আফসানের বাবা চট্টগ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘ দিন ধরে তিনি লন্ডনে বসবাস করছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলোতে বলা হয়েছে, ব্রিটেনে আফসানের জন্ম হলেও তাঁর পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বাঙালি সমাজের রক্ষণশীল অনুশাসন মেনে চলতে জোর করছিলেন। অন্যদিকে আফসান চাইছিলেন সাধারণ ব্রিটিশ নারীর মতো স্বাধীন জীবনযাপন করতে।
হ্যারি পটারে অভিনয় করতে আফসানকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন তাঁর সহপাঠী বন্ধুরা। তিনি অডিশনে অংশ নিয়েছিলেন নিছক সখের বশে। বলিউডের ছবির পোকা হলেও আফসান সুযোগ পেলে বাংলা ছবিতেও অভিনয় করতে চান। অবিজ্ঞ মহলের মত একটি পারিবারিক সমস্যা কে কেন্দ্র করে পশ্চিমা প্রচার মাধ্যম গুলো অতিরিক্ত গুরুত্ত্ব আরোপ করছে ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

