2nd year এর শেষ থেকে আমার so called friend দের সাথে সম্পর্ক খারাপ হওয়া শুরু করে । আমাদের দু’জনের সাথে ওদের ব্যবহার কেমন যেন change হয়ে যায় ।রীতিমত avoid করা শুরু করে আমাদের দু’জনকে । কয়েকটা নমুনা পেশ করি । নোটপত্র কেউ পেলে আমরা সবাইকে জানাতাম । তা ওরা বন্ধ করে দেয় । প্র্যাকটিক্যাল এর সময় ল্যাবে ভাল pc দখল করতে হত আগে গিয়ে । যেই আগে যাক, সবার জন্য জায়গা রাখতাম । তেমনই একদিন ওদের বলেছিলাম আমাদের জন্য জায়গা রাখতে । গিয়ে দেখি রাখেনি । বলল, জায়গা পায়নি । অথচ প্রায় পুরা ল্যাব ই সে মুহূর্তে ফাঁকা ছিল । এমন অনেক ঘটনা বলে শেষ করা যাবে না ।
এখন ওদের কোন দোষ দেইনা । কারন আমারই ওদের চিনতে ভুল হয়েছে । তাছাড়া “কুকুরের কাজ কুকুর করেছে কামড় দিয়েছে পায়,তাই বলে কুকুরকে কামড়ানো মানুষের শোভা পায়?” ।তবে এই সব কুত্তা-কুত্তির কামড় নীরবে সহ্য করার মত পাবলিক আমি না । at least, একটা লাত্থি তো মারা উচিত । সে আমি মারি বা অন্য কেউ, তা তারা খাবেই । সময়টা বেশ খারাপ যাচ্ছিল । ওদের কারনে আমাদের নিজেদের মধ্যেও খালি ঝগড়া হত । মাঝে মাঝে মনে হত, আমার চেয়ে ওর কাছে তারাই বেশি important. যদিও আমি জানি যে তা নয় । এরপর একদিন আসে full stop মারার সময় । সেদিন ৮:৩০ এ ক্লাস হওয়ার কথা ছিল । ক্লাস cancel হয়ে গিয়েছিল । ক্লাসের CR ওদের জানায়, কিন্তু ওরা আমাদের জানায়নি । আমি সবসময় missed call পেলে call back করি । খা**গুলা মিস কল ও দেয়নি । সেদিন ওদের বলে দিলাম আর কখনো কোন ব্যাপারে আমাদের জানানো দরকার নেই । এই ছিল ওদের সাথে last কথা ।
কিছু friend কমার পরও একজনের সাথে তখনও ভাল সম্পর্ক ছিল । আর এটাই ছিল অনেক বড় একটা ভুল । মানুষ তার ফ্রেন্ডের কাছে just একটা জিনিসই চায় । আর তা হল, moral support . আর যে ফ্রেন্ড তাও দিতে পারে না তাদের আমার দরকার নেই । যে ফ্রেন্ডের বিপদের সময় সাহায্য করতে না পারুক at least পাশে এসেও দাড়াতে পারবে না , just f**k him out of my life, & I did so.মন খারাপ হয়েছিল অনেক, কিন্তু সমস্যা হয়নি । কারন আমাকে সামলানোর মত একজন তখন আমার কাছে ছিল, আর সারাজীবন থাকবেও ।
সমস্যা এখানেই শেষ না । একটা সময় আমাদের ক্লাসের বেশ কয়েকজন পিছে লেগে থাকে আমাদের । আমাদের একসাথে ভাল থাকতে দেখে সহ্য করতে পারত না বলে । তাও কিছু বলি না আমি । কারন মূলত ৩ টা ।
১. আমি একা নই । আমি বিপদে পড়লে সাথে আরেকজনও পড়বে
২. আমি একটু শান্তিপ্রিয় প্রাণী আমি
৩. আমার কলেজের অতি প্রিয় বন্ধু শিমনের মতে “Revenge is a meal best served cold”. কথাটা মাথায় ঢুকে গিয়েছিল ।
দাঁতে দাঁত চেপে এই ভার্সিটি লাইফটা শেষ করতে হবে । কারন আমি বিশ্বাস করি, আমার যদি কোন দোষ না থাকে কেউ আমার ক্ষতি করে পার পাবে না । আল্লাহই এর বিচার করবে । পরে অবশ্য এক নির্লজ্জ মাফ চেয়েছিল । মাফ করার প্রশ্নই ওঠে না । কারন আমি অত্যন্ত প্রতিশোধপরায়ন মানুষ , উপরের ৩ নং পয়েন্ট ।
এর পর থেকে আমরা দু’জন শুধু থাকতাম, সাথে আর কেউ থাকত না । & frankly speaking, আগের চেয়ে অনেক ভাল সময় কাটাতাম আমরা । আর একসাথে আগের চেয়ে অনেক বেশি সময় পেতাম । যার কারনে ওই সব ক্ষতিকারক প্রাণীদের প্রভাব থেকে বেঁচে গেলাম । আমরা , বিশেষ করে আমার ইয়ে, ভালমত বুঝতে পারলাম, ওদের সাথে থাকলে খারাপ ছাড়া ভাল কখনই হত না ।
হ্যা । এমন না যে জীবনে ফ্রেন্ডের কোন দরকার নেই । অবশ্যই আছে । কিন্তু ভার্সিটিতে আমি যেসব ফ্রেন্ড পেয়েছি, সেরকম ফ্রেন্ড পেলে সারাজীবন শত্রুর দরকার হবে না । ওরা আমার যত ভাল ফ্রেন্ড ছিল, তত ভাল ফ্রেন্ড মীর জাফরও কখনো সিরাজউদ্দৌলার হতে পারেনি । আর আমি আমার কলেজ লাইফে যে কয়েকজন খচ্চর টাইপের ফ্রেন্ড পেয়েছি তা দিয়েই আমার সারাজীবন চলবে । শিমন, সাব্বির, উপল, এরা থাকলে আর লাগে কি
আমি আমার জীবনের দ্বিতীয় বড় ভুলটা করি এই ফ্রেন্ড নির্বাচন এর ক্ষেত্রে । একজন যদি আরেকজনকে ভাল থাকতে দেখতেই না পারে , সব ব্যাপারে interfere করে, jealousy ফিল করে, তাহলে আর কিসের বা** ফ্রেন্ডশিপ । আর ফ্রেন্ড যদি এমন হয় তাহলে এরচেয়ে শত্রু থাকা safe । এইসব আবর্জনা টাইপের ফ্রেন্ডদের f**k off করে আমরা টোনা-টুনি বেশ আনন্দের সাথেই 3rd year এর বাকি সময়টা কাটিয়েছি ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


