মানুষের জীবন যাত্রা সহজ করার জন্যই যত সিস্টেম। কিন্তু কোন কোন সিস্টেম আছে যা শুধু মানুষের ভোগান্তি ছাড়া আর কিছু দেয় না। এমন একটি পদ্ধতি হল শিক্ষক নিবন্ধন ব্যবস্থা। বিগত বি এন পি সরকারের আরেকটি জঞ্জাল। এমনিতে আমাদের সমস্যার অন্ত নেই। কোন কাজ সামনে এগোয় না। আমরা এটাকে বলি আমলাতান্ত্রিক জটিলতা। শিক্ষক নিবন্ধন ব্যবস্থা করে জটিলতা বাড়ানো হল। কিভাবে জটিলতা বাড়ায় কয়েকটি উদাহরণ দিচ্ছি:
রুমানা বি এ পাশ করল। তার পরিবার অসচ্ছল। প্রাইমারী স্কুলে শিক্ষকতা করার ইচ্ছা। কিন্তু সে ভাল পাশ করা সত্বেও চাকুরীতে আবেদন করতে পারবে না। এক বছর অপেক্ষা করতে হবে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য। তারপর ফলাফল প্রকাশের অপেক্ষা। ফলাফল ভাল নাও হতে পারে। ভাল না হলে যেখানে চান্স পাওয়ার অপেক্ষা করছে সেখানে কোটা খালি নাও থাকতে পারে।
বাবুল সর্বদা ভাল ছাত্র। সব ক্লাসে ফাস্ট ডিভিশন। পাশ করার পর ভাল বেতনে একটি এন জি ওতে চাকুরী নিয়েছে। এখন চাকুরী কোন কারণে ছেড়ে দিয়েছে। ভাল ছাত্র বিধায় তার শখ শিক্ষকতা করার। কিন্তু সম্ভব নয়। কারণ নিবন্ধন নেই।
যদি নিবন্ধন দিয়ে শিক্ষার যোগ্যতা প্রমাণ করতে হয় তাহলে এত বছর পড়াশুনা করে ভাল পাশ করার কী দরকার? যে উদ্দেশ্যে নিবন্ধন সেটা অন্যভাবেও যখন সাধন করা যায় তখন এ বিরম্বনা কেন?
তাই দিন বদলের সরকারের কাছে প্রত্যাশা, গত সরকারের জঞ্জালগুলো আপনার বদলে দেবেন। মানুষের জীবন-যুদ্ধের জটিলতা দূর করে সহজ করে দেবেন।
যারা মানুষের জীবন চলার পথ সহজ করে, মহান সৃষ্টিকর্তা তাদের পথও সহজ করে দেবেন। এটাই আজকের প্রার্থনা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





