১৮ জানুয়ারির আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে প্রকাশ, ভারত প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ কিছু মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। স্বাভাবিক প্রত্যাশা। সারা বিশ্বে মাদ্রাসাগুলোর বিরুদ্ধে প্রচারণা চলছে। হয়ত বন্ধ করা হবে নয়তো মিনিমাইজ বা শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত করা হবে বলে পরিকল্পনা চলছে। কিন্তু কেন? সাহিত্যিক ফরহাদ মাজহার লিখেছিলেন, তাদের আব্দার মাদ্রাসাগুলোকে বন্ধ করে দাও।অথবা যুগোপযোগী বা আধুনিক করে তোলো। অর্থাত মাদ্রাসাগুলোকে পরাশক্তির চাকর বাকর বা সাম্রাজ্যবাদের গোলাম তৈরীর কারখানা বানাও।
তার এ লেখার পর আমি একটি কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার ছেলে দুটোকে আমি মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়েছি। কারণ আমি দেখে শুনে পড়ে বুঝেছি, মাদ্রাসগুলো থেকেই বের হবে এমন এক প্রজন্ম যারা সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সাথে চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারবে। সকল আধিপত্যবাদ, জালেম শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করে টিকে থাকতে পারবে। মাদ্রাসা ব্যতীত অন্যসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান -ফরহাদ মাজহারের মতে- সাদ্রাজ্যবাদের চাকর বাকর তৈরীর কারখানা। আমি অনেক আগ থেকেই চেয়েছিলাম একটি ছেলেকে ডাক্তার বানাব, একটিকে প্রকৌশলী। কিন্তু আমি চাই না তারা আমেরিকা, পাশ্চাত্যের চাকর বাকর হয়ে যাক। তাই পূর্বপরিকল্পনা বাদ দিয়ে তাদের মাদ্রাসায় দিলাম। আমার মত আরো আপনি আরো লোকজন পেয়ে থাকলে অবাক হবেন না। তাই এখন সাম্রাজ্যবাদ, ইহুদীবাদ ও তাদের দালাল-তাবেদারদের আতংক হল মুসলিম দেশের মাদ্রাসাগুলো। তারা যেমন সাম্রাজ্যবাদের জন্য হুমকি না হতে পারে এ জন্যই আমার দাবী হল মাদ্রাসাগুলোকে ধর্মনিরপেক্ষ করা হোক। মাদ্রাসাগুলোকে আমেরিকা, ভারত, ইসরাইলের চাকর, বাকর কাজের বুয়া তৈরীর কারখানা বানানো হোক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


