সিএমএইচ সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার থেকেই আজম খানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। আজম খানের মেয়ে ইমা খানও জানিয়েছিলেন, চিকিত্সকেরা তাঁদের জানিয়েছেন, তাঁর বাবা আজম খানের শারীরিক অবস্থা ভালো নয়।
আজম খানের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কাল সোমবার সকাল নয়টা পর্যন্ত আজম খানের মরদেহ সিএমএইচের হিমাগারে রাখা হবে। সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত তাঁর কফিন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হবে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদ মিনার থেকে আজম খানের কফিন কমলাপুরের বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হবে। বাদ জোহর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
পরিবারের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজম খানের মরদেহ মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী গোরস্থানে দাফন করার কথা রয়েছে।
আজম খানকে গত বুধবার রাতে স্কয়ার হাসপাতাল থেকে সিএমএইচে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁকে বিশেষায়িত আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। সেখানে তাঁর চিকিত্সার সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন সিএমএইচের চিকিত্সক কর্নেল পাশা।
প্রসঙ্গত, গত ২২ মে আজম খান তাঁর বাঁ হাতে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন। ওই দিনই দ্রুত তাঁকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে গত বছরের জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে আজম খানের মুখগহ্বর-জিহ্বার নিচে ক্যানসার ধরা পড়ে। এরপর ১৪ জুলাই উন্নত চিকিত্সার জন্য শিল্পীদের সম্মিলিত উদ্যোগে তাঁকে পাঠানো হয় সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে। তারপর ২০ জুলাই মাউন্ট এলিজাবেথ মেডিকেল সেন্টারের ইএনটি হেড-নেক সার্জন বিভাগের প্রধান অ্যান্ড্রু লয় হেং চেংয়ের তত্ত্বাবধানে আজম খানের মুখে সফল অস্ত্রোপচার করা হয়। সর্বশেষ গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর ২১টি টমোথেরাপি (রেডিওথেরাপি) ও একটি কেমোথেরাপি নেওয়ার পর তিনি কয়েকটি থেরাপি বাকি রেখেই দেশে ফিরে আসেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

