বুয়েটের সন্ত্রাসী চেহারা নুতন কিছু নয়, অনেক পুরাতন এবং এভাবে চলবেইঃ ফিরে দেখা ১৯৯৭-২০০৩
কমেন্ট ৭:
যদি লায়ান ভাই নিজের জনপ্রিয়তায়ই জিতেন, তাহলে উনার এত জনপ্রিয়তার কারণ কি ছিল? একটু বিস্তারিত জানালে ভাল হয়।
বিস্তারিত জানাচ্ছি। তবে আপনার পুরো কমেন্ট পড়ার ধৈর্য্য থাকবে কিনা জানিনা ভাই।
কারন একাধিক। বড় কারন ছিল ফার্স্ট ইয়ার থেকেই লায়নের ব্যক্তিত্ব। ও খুবই বন্ধুবৎসল ও সদালাপী ছিল। যেকোন দরকারে ওকে পাওয়া যেত। উপকার করার সময় সে লীগ/দল এগুলো দেখত না। আর ও ছিল ছাত্রদলের অ্যান্টি শিবির গ্রুপের নেতা - এজন্য লীগ/ বামপন্থীদের মধ্যেও ওর গ্রহনযোগ্যতা ছিল ব্যাপক। লায়নের অবস্থা জানার জন্য আসলে বুয়েটে তৎকালীন রাজনৈতিক অবস্থাও জানা জরুরী, তাই ধান ভানতে শিবের গীত একটু গাই কেমন।
আপনি যে সময়টার কথা বলছেন (১৯৯৭-২০০৩) তার শেষ ২ বছর বিএনপি আর আগের সময়টায় লীগ ক্ষমতায় ছিল দেশে। ৯৬ বা ৯৭ তে বুয়েটে একবার ইউকসু ইলেকশন হয়েছিল আপনার মনে আছে হয়ত যদি সেসময় আপনি বুয়েটে থেকে থাকেন। তখন লায়ন ফার্স্ট ইয়ারের স্টুডেন্ট ছিল। ইউকসুতে কোন এক সম্পাদক পদে তার লীগের প্রতিপক্ষ ছিল মনির। সে (মনির) একদিন আমাদের বলেছিল যে ভোটের আগের সারারাত লায়ন মনিরের রুমে ছিল। দুজনে গল্প করেছে, আড্ডা দিয়েছে, তর্কবিতর্ক করেছে যেখানে পরদিন ভোট! সে ভোটে (সেন্ট্রাল + হল ) লীগ/দল মোটামুটি কাছাকাছি অবস্থানে ছিল যদিও সব বিচারে দল এগিয়ে ছিল।
তো সেসময় ইউকসুতে ভিপি পোষ্টে জেতে দলের তারেক। আর জিএস পোষ্টে দলের কামাল। ভিপি ও জিএস এ প্রতিপক্ষ ছিল লীগের যে দুজন পাবলিক তারা জীবনে বুয়েটে ছাত্রলীগ করে নাই। হঠাৎ বুয়েট ছাত্রলীগ জানতে পারে যে শেখ হাসিনা তাদের মনোনয়ন দিয়েছেন ইউকসুতে ছাত্রলীগের প্যানেলে!! ভিপি পোষ্টে সিভিলের যারে দেয়া হয়েছিল (আনোয়ার জাহিদ) তারে তার ব্যাচমেটরাই সহ্য করতে পারত না নাকউঁচু ব্যবহারের কারনে। জিএসকে আমি চিনতাম না তাই জানি না সে কেমন ছিল। যাই হোক অনেক খোজ খবর করে জানা গেল যে শেখ হাসিনারে বুঝানো হয়েছে যে তারা মনোনয়ন পাবার দাবিদার কারন তারা নাকি "ভালো ছাত্র"। আরে বুয়েটের ভর্তির সময় ভালো ছাত্র কে না থাকে? এটার বেল বুয়েটে নাই। সেসময় ছাত্রলীগের ত্যাগী নেতাকর্মীরা অনেক চেষ্টা করেছে এই মনোনয়ন পরিবর্তনের। কিন্তু কোন লাভ হয়নাই। তাইলে বুঝেন ফলাফল কি হয়েছিল। লীগের ভিপি প্রার্থীরে প্রথম দিকে লীগের বড় কোন নেতাই সাপোর্ট দেয় নাই তার উপর সে তার বেয়াদপ আচরনের জন্য নিজের ব্যাচের অধিকাংশ ভোট হারিয়েছে। ফলাফল অনুমেয়। দল ইউকসুতে ভিপি আর জিএস পোষ্টে আরামসে জিতে এল!
জেতার পর সেসময় বুয়েটের দলের ভিপি তারেক চাঁদাবাজি শুরু করে পলাশীর বাজারে যেটা ওনার ব্যাচমেট দৈনিক সংবাদের সাংবাদিক হিল্টন পেপারে প্রকাশ করে দেয়। এর প্রতিক্রিয়ার একরাতে ভিপি তারেক তেজগাও পলিটেকনিক থেকে ছাত্রদলের কিছু সন্ত্রাসী পোলাপান নিয়ে এসে হিল্টন কে তিতুমীর হলে হিল্টনের রুমে গিয়ে প্রচন্ড মারধর করে যেটি বুয়েটে সাধারন ছাত্রদের মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। দলমত নির্বিশেষে সাধারন ছাত্ররা এর প্রতিবাদ জানায়। এবং সাধারন ছাত্র, লীগ, ইউনিয়ন - সবার ধাওয়া খেয়ে তারেক/কামাল গং বুয়েট থেকে বক্সীবাজারের রাস্তার ঐ গেট দিয়ে পালিয়ে যায়।
কিন্তু এসময় ঘটে আরেক দু:খজনক ঘটনা। প্রখ্যাত চারন সাংবাদিক মোনাজাত উদ্দিনের ছেলে সুবর্ন ভাই তারেক/কামালের পালিয়ে যাওয়ার দিন বা তারপর দিন ( ইনি বুয়েটে একজন সুপরিচিত মুখ ছিলেন) বিকাল বেলা রশীদ হলে (খুব সম্ভবত) নিজের রুমে ব্যাক্তিগত কারনে আত্মহত্যা করেন। বুয়েটের সেদিনের বিস্ফোরক পরিস্থিতি মূহুর্তেই শোকাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।
যাই হোক সেসময় আহসানউল্লাহ হলের ভিপি ছিল দলের হাসিব ভাই। জিএস ছিল লীগের মনির ভাই। হাসিব ভাই ছিলেন জেনুইন ভদ্রলোক। কিন্তু উনি/তারেক/কামাল পাশ করে যাওয়ার পর পিটার বুয়েট ছাত্রদলের হাল ধরে ঐ হলে এবং সেন্ট্রালি বুয়েটে। কিন্তু পিটার কে নিয়ে যে সমস্যা ছিল তা হল সে রাজাকার সাকা ও লালবাগের মাস্তান এমপি পিন্টুর কাছের লোক। এই পিটারের আপন বড় ভাই বুয়েটে সিভিলের টিচার। পিটার মিয়া শিবিরের ছুপা ছাগুদের সাথে নিয়ে পায়ে পা বাধিয়ে ছাত্রলীগের সাথে গন্ডগোল শুরু করে।
(সেসময় বুয়েটে শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ ছিল - এরা প্রকাশ্যে গর্ত থেকে বের হয় বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর ২০০১ সালে)। একটা উদাহরন দেই। ১৪ই আগষ্ট রাতের বেলা দলের পিটার গ্রুপের ছেলেরা রাত ১২/১ টার দিকে স্লোগান দেয়া শুরু করে "বুয়েটে ১৫ই আগস্টের জাতীয় শোক দিবস পালন করতে দেয়া হবে না"। কারন এরা জানে যে এগুলো করলে লীগের পোলাপানের হাতে গদাম খাবে তারপর কেঁদেকেটে বলতে পারবে "আমারে মারছে"।
২০০১ এর ন্যাশনাল ইলেকশনে বিএনপি ক্ষমতায় এলে পিটারের বেয়াদবী বেড়ে যায়। তার, মুকির ছত্রছায়ায় (এই মুকি সনি হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত) সেসময় শিবির প্রকাশ্যে এসে রাজনীতি শুরু করে। সেসময় ছাত্রদলের নেতারা পলাশী বাজারের চাঁদা তো নিতই, এমনি বুয়েটে চা/বিস্কুট বিক্রি করে যে গরীব ছেলেপেলে তাদের থেকেও চাঁদা নেয়া শুরু করে! যাই হোক ২০০১ এ আরেকটি ইউকসু ইলেকশন হয়। কিন্তু পিটার/মুকি দলের সন্ত্রাসী হলেও দলের সাধারন ছেলেদের মধ্যে লায়নের জনপ্রিয়তার কারনে লায়ন হয় ইউকসু ২০০১ এ দলের ভিপি প্রার্থী - দলের আভ্যন্তরীন ভোটে লায়নের গ্রুপ পিটারের গ্রুপরে প্রচুর ভোটের পরিমানে হারায়। আপনি হয়ত জানেন, সেসময় শিবিরের ভিপি পোষ্টে দাড়িয়েছিল আওরঙ্গজেব - সেই ছাগু এখন সামুতেও লেখে- কিন্তু এখানে পাবলিকের ধাওয়া খেয়ে সে পালিয়ে থাকে ।
কিন্তু ২০০১ ইউকসু ইলেকশনের ঠিক আগে আগে লায়নের মানসিক অবস্থা খুব খারাপ হয়ে যায় - অপি করিমের ঘটনা তার একটা কারন কিন্তু তার ফ্যামিলির কিছু সমস্যাও ছিল সেসময় আমরা জেনেছিলাম। কিন্তু সামু একটা পাবলিক প্লেস তাই সেগুলোতে যাব না। মোটের উপর সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু তার বন্ধুরা তার উপর বিশ্বাস হারায়নি যে সে একদিন ভালো হয়ে যাবে। তবে অপি করিমের ঘটনার পর সে ইলেকশনে ছাত্রী হলের অধিকাংশ ভোট হারায়। আরও কিছু ফ্যক্টর যোগ হয় শিবির কে নিয়ে। লায়ন যেহেতু শিবির বিরোধী তাই সে ছাত্রদল থেকে জিতে এলে শিবিরকে যেভাবে কন্ট্রোল করতে পারত, লীগের ভিপি এলে তা করতে পারত না কারন বিএনপি তখন ক্ষমতায়। সেই ২০০১ এ তারা জামাতের পেটের মধ্যে তখন যাওয়া মাত্র শুরু করেছে যে প্রসেস ১০ বছর পর এতদিনে মোটামুটি শেষ হয়েছে।
তাই শেষ পর্যন্ত ছাত্রদলের পিটার/মুকি গ্রুপের বিরোধিতার মুখে সাধারন ছাত্র, ছাত্রলীগ/ছাত্র ইউনিয়নের অংশবিশেষের সমর্থনে লায়ন ভিপি পোষ্টে জিতে আসে। কিন্তু তার জয়ের মার্জিন লীগের চাইতে খুব বেশী ছিল না কারন তার মানসিক অবস্থা আর সাধারন ছাত্রীদের প্রতিপক্ষ লীগকে ভোট দেয়া। এরপরের ইতিহাস করুন। রাজনৈতিকভাবে লায়নের প্রস্থান আর পিটার/মুকি গ্রুপের বুয়েটে বাধাহীন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড। জামাতের তখনকার ভিসির সাপোর্টে এরা কাউকে পরোয়া করত না। লীগের অনেক সাধারন ছাত্রকে ধরে সিগারেটের ছ্যাকা দেয়ার ঘটনা ছিল এদের কাছে ডালভাত। প্রশাসন ছিল পুরাই জামাতি ধামাধরা। এরপর ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা ঘটায় সনি হত্যাকান্ডের মত জঘন্য ঘটনা। এছাড়া সাধারন ছাত্রদের উপরও ব্যাপক টর্চার চালায় ছাত্রদলের/ শিবিরের সন্ত্রাসীরা - সেগুলো নিচের ভিডিওতে দেখা যাবে।
পোষ্টে আপনি ঠিকই বলেছেন, সরকার যায় সরকার আসে কিন্তু সন্ত্রাসীরা সবসময়ই থাকে। এগুলি থেকে মুক্তি কবে মিলতে পারে কেউ জানে না।
BUET Movement on Sabekunnahar Sony Killing - ২০০২
Hunger Strike, BUET, September 2002
===============================
ঠিকই বলেছেন, বাসায় যারা থাকতেন তারা বুয়েটে সকালে এসে বিকালে চলে যেতেন কিন্তু যারা হলে থাকতেন তারা বুয়েট রাজনীতির এই নোংরাদিকগুলোকে কাছে থেকে দেখেছেন। পেপারেও এইসব আসে না তেমনভাবে কারন বুয়েটের ছাত্র রাজনীতির দুই পয়সা দাম নাই জাতীয়ভাবে। তাই দেখবেন ইউনিয়ন, ফ্রন্ট বাদে প্রায় সব ছাত্রসংগঠনের (দল, লীগ, খুনী রাজাকার শিবির ইত্যাদি) সেন্ট্রাল কমিটিতে বুয়েটের পোলাপান হারিকেন দিয়ে খুজতে হয়!
১/
যাই হোক, ছাত্রদলের তৎকালীন ভিপি তারেকে'র নেগেটিভ কর্মকান্ড বলতে প্রধানত ছিল চাঁদাবাজি। সে জেতার পর পলাশীর ফটোকপি আর স্টেশনারী দোকানগুলো থেকে দোকানপ্রতি ১০০০ টাকা করে তুলত সেই ৯৬/৯৭ সালে (আপনি যেহেতু বুয়েটের ছাত্র ছিলেন, তাই হিসাব করে দেখতে পারেন ফোর্থ ইয়ারে থাকতেই তার মাসিক আয় কত হাজার টাকা ছিল শুধু ঐ পলাশী বাজার থেকেই)।
সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ঘটানোর সামর্থ্য থাকলেও তখন যেহেতু দেশে লীগ ক্ষমতায় তাই সে চেষ্টা করত তা না করতে। কিন্তু তার স্বরুপ প্রকাশিত হয়ে পড়ে দৈনিক সংবাদের বুয়েট প্রতিনিধি হিল্টন ভাইয়ের উপর আক্রমনের মধ্য দিয়ে। উপরে যে চাঁদাবাজির কথা লিখলাম এ খবর হিল্টন ভাই সংবাদে রিপোর্ট করেছিলেন। ভিপি তারেক তার ব্যাচমেট হিল্টন ভাইকে প্রথমে অনুরোধ ও পরে হুমকি দেয় এই জাতীয় খবর আর না ছাপানোর। কিন্তু হিল্টন ভাই তারেকের মুখের উপর বলে দেয় যে সে ভিপি হয়েছে বলে কারো মাথা কিনে নেয় নাই।
রাজনীতি করে এমন একজন আমাকে জানায় যে ভিপি তারেক এরপর এই নিয়ে তারেক জিয়ার (জাতীয় ভাইয়া
তারপর তারেক তেজগাও পলিটেকনিক থেকে ছাত্রদলের জনা পাচেক সন্ত্রাসী নিয়ে আসে এবং রাত ১২/১ টার দিকে তিতুমীর হলের পিছনের ব্লকের চারতলায় হিল্টন ভাইয়ের রুমে গিয়ে প্রচন্ড মারধর শুরু করে। এক পর্যায়ে হিল্টন ভাইয়ের রুমমেট ও চারতলার পোলাপানের চিৎকার চেচামেচিতে তিতুমীর হলের পোলাপান তারেক সহ ঐ সন্ত্রাসীদের ধাওয়া দেয়। সে হলের শিল্প সম্পাদক ছিলেন ছাত্রদলের প্রদ্যোত দা। কিন্ত হিল্টন ভাইকে বাচাতে তারমত আরও অনেকে পার্টির কথা না ভেবেই ধাওয়াতে সামিল হয়। সবাই পালিয়ে যেতে পারলেও এক সন্ত্রাসী ধরা পরে ও সাধারন ছাত্ররা তাকে গনপিটুনি দেয়। আমি এই খবর পাই পরদিন একেবারে ভোরবেলা। তখন আরো অনেকের সাথে তীতুমীরে গিয়ে দেখি সেই সন্ত্রাসীকে গেষ্টরুমে আটকে রাখা হয়েছে পুলিশের কাছে তুলে দেওয়ার জন্য। তীতুমীরে আমার দোস্তদের কাছে শুনি আগের রাতের পুরো ঘটনা যেটা এতক্ষন উপরে লিখলাম। তারপরের ঘটনা আগের কমেন্টে বলেছি।
২/
২০০১ এ ন্যাশনাল ইলেকশনে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর ছাত্রদলের মুকি/পিটার - এরা লীগ/ইউনিয়ন/ফ্রন্টের ছেলেদের উপর নির্যাতন শুরু করে। একরাতের ঘটনা বলি। সে রাতে বাইরে থেকে আনা ৫০/৬০ জনের এক সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে পিটার আর মুকি আহসানউল্লাহ হলের পিছনের গেটে অবস্থান নিয়েছে। তারা বুয়েটের সবগুলো হলে যেখানেই লীগের কাউকে পেয়েছে পিটিয়েছে/ সিগারেটের ছাকা দিয়েছে। আপনি জানেন আহসানউল্লাহ হলের উত্তর অংশে প্রধানত হিন্দু/চাকমা/আদিবাসী ছাত্ররা থাকে। আর পিটার আহসানউল্লাহ পশ্চিমের ছাত্র ছিল। তাই সে জানত ঐ হলে কারে কারে পিটাতে হবে। কিন্ত এই খবর সে হলের ছাত্ররা জানতে পারে সাথে সাথেই। তারাও হলের ভিতরে প্রস্তুতি নিয়ে নেয় যে মুকি/পিটার আর তার সন্ত্রাসী বাহিনী হলের মধ্যে ঢুকলে যাতে বিনা চ্যালেন্জে মারধর করতে না পারে। ছাত্রদের হৈহল্লা আর প্রস্তুতি দেখে সেদিন আর মুকি/পিটারের সন্ত্রাসীরা আক্রমন চালাতে সাহস পায় নাই। পরদিন সে হলে থাকা আমার এক ঘনিষ্ট বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম তোরা এদের ঠেকালি কি করে? দোস্ত বলল ২০০১ ইলেকশনের পর সারা দেশে হিন্দুদের উপর টর্চার শুরু করেছে বিএনপি জামাতের সন্ত্রাসীরা, বুয়েটে আমাদের হলে এসে মারধর শুরু করলে আমরা আত্মরক্ষা করব, পালাব না, আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।
৩/ হা, প্রায় পুরো বুয়েট লাইফটাই হলে ছিলাম।
আর বর্তমানে আমি খুবই খুশী হয়েছি সাম্প্রতিকালে লীগের ঐ দুই বদমাইশরে বহিস্কার করা হয়েছে এজন্য । কিন্তু এর থেকে বড় অনেক সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বুয়েটে বিগত বছরগুলোতে হয়েছে ছাত্রদলের পোলাপান দাড়া, তখন বিএনপি জামাতের ভিসির দলীয় চামচামি সবাই দেখেছে। সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে সনি হত্যার প্রতিবাদে আন্দোলনকারী ছাত্রীদের নিয়ে বিএনপি আমলের ভিসি আর তাদের চামচা টিচাররা প্রকাশ্যে বলত - আন্দোলনকারী মেয়েরা ক্যামেরা দেখলে ওড়না ফেলে দেয়।। এই জাতীয় ছোটলোকরাই বড় বড় পোষ্টে গেছে গত বিএনপি আমলে।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



