somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মৌলিক গবেষণাশূন্য ১৫ গবেষণা কেন্দ্রঃ কোথায় যাচ্ছে বাংলাদেশ (আওয়াজ দিন)

২৭ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৮টি গবেষণা কেন্দ্রের মধ্যে অন্তত ১৫টিতে গত শিক্ষাবর্ষে (২০০৮-০৯) কোনো মৌলিক গবেষণা হয়নি। এর মধ্যে কয়েকটি কেন্দ্র আছে, যেগুলোতে কখনোই কোনো মৌলিক গবেষণা হয়নি।
এই ১৫টি গবেষণা কেন্দ্রের জন্য গত শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সাড়ে ২৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছিল। কিন্তু কয়েকটি সভা-সেমিনার ও কিছু প্রকাশনার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল এসব কেন্দ্রের কার্যক্রম।
এক দশকের বেশি সময় উচ্চতর মানববিদ্যা গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ছিলেন আমিনুল ইসলাম। তিনি এখন দর্শন বিভাগের সংখ্যাতিরিক্ত অধ্যাপক। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘গবেষণা কেন্দ্রগুলোর সেমিনারে সাধারণত যেসব প্রবন্ধ পাঠ করা হয় সেগুলো “সেমি-পপুলার” গবেষণা। এসব “পাঁচমিশালী”কে মৌলিক গবেষণা বলা যাবে না।’ তিনি বলেন, কিছু কিছু ক্ষেত্রে মৌলিক গবেষণাও হয়।
কয়েকটি গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালকদের দাবি, অপ্রতুল অর্থ বরাদ্দের কারণে অনেক সময় মৌলিক গবেষণা করা সম্ভব হয় না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণার জন্য বিভিন্ন অনুষদ ও কিছু বিভাগের সঙ্গে গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়। সংশ্লিষ্ট অনুষদ বা বিভাগের একজন শিক্ষককে নির্দিষ্ট মেয়াদে কেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। অতিরিক্ত এ দায়িত্বের জন্য তাঁরা আলাদা সম্মানী পান।
নজরুল গবেষণা কেন্দ্র:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন ও কর্মের বিভিন্ন দিক, তাঁর কবিতা, গান ও সাহিত্য-কর্ম সম্পর্কে গবেষণা পরিচালনার জন্য ১৯৮৮ সালে নজরুল গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়। গত শিক্ষাবর্ষে এ কেন্দ্রের জন্য ৭৫ হাজার টাকা বরাদ্দ ছিল; তবে কোনো গবেষণা হয়নি।
কেন্দ্রটির পরিচালক এ টি এম নূরুর রহমান খান বলেন, ‘আগে কী হয়েছে তা বলতে পারি না। শিগগির নতুন উদ্যমে গবেষণার কাজ শুরু করা হবে।’ তিনি সম্প্রতি এ কেন্দ্রে যোগ দিয়েছেন।
বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের হদিস নেই:
নাম আছে, বরাদ্দও দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু কেন্দ্রটি কোথায় বা কার দায়িত্বে আছে, তা জানা যায়নি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছেও সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। অথচ গত শিক্ষাবর্ষে ওই কেন্দ্রের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে আড়াই লাখ টাকা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সৈয়দ রেজাউর রহমান জানান, মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রটির দায়িত্বে আছেন অধ্যাপক আবদুল মান্নান চৌধুরী।
আবদুল মান্নান চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছুটি নিয়ে এখন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করছেন। যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথম আলোকে জানান, ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় তিনি এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু এরপর আর কোনো কার্যক্রম হয়নি।
আবদুল মান্নান চৌধুরী জানান, তিনি এখন আর এর সঙ্গে যুক্ত নন। অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন যুক্ত থাকতে পারেন।
যোগাযোগ করা হলে মুনতাসীর মামুন জানান, তিনি এই কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত নন। ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান আহমেদ কামাল যুক্ত থাকতে পারেন।
অধ্যাপক আহমেদ কামাল বলেন, তিনি বা তাঁর বিভাগ এ কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত নন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্যের কার্যালয়ও এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেনি।
উচ্চতর মানববিদ্যা গবেষণা কেন্দ্র: গত শিক্ষাবর্ষে এ কেন্দ্রের জন্য বরাদ্দ ছিল সাড়ে তিন লাখ টাকা। এক বছরে ১০টি সভা-সেমিনার, দুটি বিশেষ বক্তৃতা ও গবেষণা প্রশিক্ষণের আয়োজন করে। এ সময়ে মৌলিক কোনো গবেষণা হয়নি। তবে কেন্দ্রের পরিচালক খোন্দকার আশরাফ হোসেন সেমিনারে পঠিত প্রবন্ধগুলোকেই গবেষণা বলে দাবি করেন।
উচ্চতর মানবিক ও সামাজিক গবেষণা কেন্দ্র:
গত শিক্ষাবর্ষে এ কেন্দ্রের জন্য পাঁচ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল। এখন পর্যন্ত গবেষণা কার্যক্রম শুরু হয়নি।
একই অবস্থা সেন্টার ফর এডুকেশসন রিচার্স অ্যান্ড ট্রেনিংয়ের। কেন্দ্রটির পরিচালক এম নাসির উদ্দীন জানান, বরাদ্দকৃত টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা রয়েছে।
ড. সিরাজুল হক ইসলামী গবেষণা কেন্দ্র:
এ গবেষণা কেন্দ্রে গত শিক্ষাবর্ষে দুটি সেমিনার ছাড়া আর কোনো কার্যক্রম ছিল না। কেন্দ্রের পরিচালক এ আর এম আলী হায়দার দাবি করেন, তাঁদের এ কেন্দ্রে যেসব সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়, সেগুলোই এক ধরনের গবেষণা। এ কেন্দ্রের জন্য গত শিক্ষাবর্ষে বরাদ্দ ছিল পৌনে দুই লাখ টাকা।
বাংলাদেশ সংস্কৃতি গবেষণা কেন্দ্র:
২০০০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত কোনো গবেষণাই হয়নি এ কেন্দ্রে। ১০ বছরে মাত্র তিনটি সেমিনার হয়েছে। এ গবেষণা কেন্দ্রটির কোনো কার্যালয় নেই।
কেন্দ্রটির পরিচালক মো. শাহজাহান মিয়া বলেন, তিনি ২০০৮ সালে এখানকার পরিচালক হয়েছেন। এরপর তিনি সিলেটের ‘নাগরি লিপিতে’ হস্তলিখিত একটি আয়ুর্বেদিক গ্রন্থ সম্পাদনার কাজ শুরু করেছেন। আগামী মাসে কাজ শেষ হবে। তিনি বলেন, এ কেন্দ্রের জন্য গত বছর বরাদ্দ ছিল মাত্র ৫০ হাজার টাকা। এ টাকা দিয়ে কোনো গবেষণা পরিচালনা সম্ভব নয়।
সেন্টার ফর বুড্ডিস্ট হেরিটেজ অ্যান্ড কালচার:
গত শিক্ষাবর্ষে এ কেন্দ্রের জন্য বরাদ্দ ছিল দেড় লাখ টাকা। এ সময়ে কোনো মৌলিক গবেষণা হয়নি, শুধু তিনটি সেমিনার ও একটি কর্মশালা করা হয়।
কেন্দ্রের পরিচালক সুকোমল বড়ুয়ার দাবি, তাঁদের সেমিনারে মূলত গবেষণাধর্মী প্রবন্ধ পাঠ করা হয়।
নাজমুল করিম স্টাডি সেন্টার:
প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত এখানে মৌলিক কোনো গবেষণা হয়নি। সামাজিক বিজ্ঞান সম্পর্কিত একটি জার্নাল বের করাই কেন্দ্রটির মূল কাজে পরিণত হয়েছে।
গত শিক্ষাবর্ষে গবেষণা পরিচালনার জন্য কেন্দ্রটিকে এক লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে কেন্দ্রের পরিচালক কামরুল আহসান চৌধুরীর দাবি, বরাদ্দের কোনো অর্থ তিনি পাননি।
গোবিন্দ দেব দর্শন গবেষণা কেন্দ্র:
গত শিক্ষাবর্ষে এ কেন্দ্রে দুটি সেমিনার হয়েছে। আর ‘দর্শন ও প্রগতি’ নামে একটি বাংলা ও ইংরেজি পত্রিকা প্রকাশিত হয়েছে, তাতে ১৮টি প্রবন্ধ ছাপা হয়েছে। ওই বছরের জন্য বরাদ্দ ছিল তিন লাখ টাকা।
অধ্যাপক দিলীপ কুমার ভট্টাচার্য গবেষণা কেন্দ্র:
এখানে গত শিক্ষাবর্ষে কোনো গবেষণা হয়নি। নেই কোনো পরিচালক। কেন্দ্রটির সাবেক পরিচালক নারায়ণ বিশ্বাস জানান, নিয়ম থাকলেও তিনি কারও হাতে কেন্দ্রটির দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে পারেননি। তিনি স্বীকার করেন, তাঁর গাফিলতির কারণে এ কেন্দ্রে কোনো গবেষণা হয়নি।
ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অ্যালায়েন্স:
২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এ কেন্দ্রটির পরিচালক জি এম চৌধুরী বলেন, ওই কেন্দ্রে মৌলিক গবেষণা হয় না। মূলত বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়।
উচ্চতর সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র:
১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এ কেন্দ্রের জন্য গত শিক্ষাবর্ষে বরাদ্দ ছিল তিন লাখ টাকা। গত শিক্ষাবর্ষে আয়োজন করা হয় চারটি সেমিনার। সেমিনারে উপস্থাপিত প্রবন্ধ প্রবন্ধাবলী শিরোনামে পাঁচ খণ্ডে এবং পারসপেক্টিভ ইন স্যোসাল সায়েন্স (১-৮) পুস্তকাকারে প্রকাশিত হয়েছে। এ ছাড়া সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া এবং কার্ল মার্কস অ্যান্ড ম্যাক্স ওয়েভার শীর্ষক দুটি গবেষণামূলক গ্রন্থ প্রকাশ করেছে এ কেন্দ্র।
আন্তধর্মীয় ও আন্তসাংস্কৃতিক সংলাপ কেন্দ্র:
২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এ কেন্দ্রে গত শিক্ষাবর্ষে বরাদ্দ দেওয়া হয় এক লাখ টাকা। এ পর্যন্ত কোনো মৌলিক গবেষণা হয়নি। কেন্দ্রের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর ঈদে মিলাদুন্নবী, বুদ্ধপূর্ণিমা পালন এবং ১১টি সভা-সেমিনারের আয়োজন করা হয় এ কেন্দ্রের পক্ষ থেকে।
জাপান স্টাডি সেন্টার: বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এটিকে গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করলেও কেন্দ্রটিতে কার্যত কোনো মৌলিক গবেষণা হয় না। কেন্দ্রের পরিচালক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ বলেন, এখানে মূলত জাপানি ভাষা ও সংস্কৃতির ওপর দুই বছরের পেশাদার স্নাতকোত্তর প্রোগ্রাম পরিচালিত হয়।
তদারকির ব্যবস্থা নেই: বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকদের গবেষণার জন্য বছর বছর নতুন নতুন গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। কিন্তু কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম কীভাবে চলছে তা তদারকির কোনো ব্যবস্থা নেই।

এই যদি হয় বাংলাদেশের সবোর্চ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবস্থা, তাহলে সমগ্র দেশের অবস্থা কি ????
কোনদিকে যাচ্ছে বাংলাদেশ ?
এ দেশের ভবিষ্যৎই বা কি ?
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:৪১
৯টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা সাহিত্যে জায়গা পাচ্ছেন ওসমান হাদী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:১৭


সংবাদপত্র যা বলছে
জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ জুন ২০২৬ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জন-সংক্রান্ত কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ক্রাউড ফান্ডিং-এর সুযোগ তৈরি করে সরকারী লাভজনক প্রজেক্টে জনগণের বিনিয়োগ নিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:৩১

বাংলাদেশের বর্তমান সরকার বিনিয়োগ পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত, তা বুঝা যাচ্ছে। নাহলে, খোদ প্রধানমন্ত্রী দেশে বিনিয়োগ নিয়ে আসতে জনগণকে অনুরোধ করতেন না। আমার মন হয়, দেশের মানুষের কাছেই অনেক সম্পদ আছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির আবালীপনা।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

বিএনপি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যায় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। যা দিয়ে ফুল প্যাকেজ ৩০ টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

×