
২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশের যে আদিম অন্ধকারের দিকে যাত্রা শুরু হয়েছিল, সে যাত্রা এখন আরও গহিন অন্ধকারের দিকে অগ্রসর হয়েছে। রাজনৈতিক আন্দোলনের নামে লগি-বৈঠার যে আন্দোলন, নরহত্যার যে পৈশাচিক উল্লাসে মেতেছিল আওয়ামী লীগ, রাষ্ট্রমতা হাতে পেয়ে সে পৈশাচিক উল্লাস আরও শতগুণে পরিব্যাপ্ত হয়েছে। সেই ২৮ অক্টোবর প্রকাশ্য রাজপথে শত শত মানুষ আর ডজন ডজন স্টিল ও ভিডিও ক্যামেরার সামনে শেখ হাসিনার কর্মীরা যেভাবে পিটিয়ে পিটিয়ে মানুষ হত্যা করেছিল, সভ্য মানুষের ইতিহাসে তা কল্পনাও করা যায় না। টেলিভিশনের পর্দায় সে দৃশ্য দেখে শিউরে উঠেছিল শুধু বাংলাদেশে নয়, সারা পৃথিবীর মানুষ। শেখ হাসিনার লগি- বৈঠাধারী এই খুনিদের হাতে মার খেতে খেতে মরে যাওয়া সে তরুণরা জানতেও পারেনি, কী ছিল তাদের অপরাধ। নিরপরাধ সেই তরুণরা কারও গায়ে হাত দেয়নি, কারও সঙ্গে বচসা করেনি, কাউকে গালমন্দ করেনি। তারা সমবেত হয়েছিল জামায়াতের সমাবেশে। জামায়াত ছিল চারদলীয় জোট সরকারের শরিক। আর সেদিনই সংবিধান অনুযায়ী পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ করে রাষ্ট্রপতির কাছে মতা হস্তান্তর করে তারা রাজপথে নেমে এসেছিল।
২৮ অক্টোবরের সেই পৈশাচিক লোমহর্ষক দৃশ্য দেখে গোটা দেশের মানুষ আতঙ্কে শিহরিত হয়ে উঠলেও আতঙ্কিত হননি লগি-বৈঠা আন্দোলনের আহ্বানকারিণী শেখ হাসিনা ও তার রক্তপিপাসু অনুগামীরা। তারা বরং এই নরহত্যাযজ্ঞকে সঠিক ও যৌক্তিক বলে অভিহিত করার জন্য নানা ধরনের কল্পকাহিনী ফাঁদতে শুরু করলেন।
বর্তমানে ব্লগে যারা এ হিংস্র নরহত্যা কে সমর্থন করতেছেন তারা কোন অবস্থাতেই মানুষের পর্যায়ে পড়েনা ! তারা হল আওয়ামী হিংস্র নরপিশাচ!! তাদের ধিক্কার জানাবার ভাষা নেই ! পরিচয় তাদের একটাই, তারা আওয়ামীলীগ !!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


