somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কানাডার স্কুলে এক দিন (পর্ব ৬) ১৮+

০৪ ঠা মে, ২০১৬ রাত ১০:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রথমেই বলে নিচ্ছি হুট করে পাওয়া এক বন্ধুকে হুট করে হারিয়ে মন কিছুটা বিক্ষিপ্ত হয়ে আছে। তাই লেখায় ছন্নছাড়া ভাব থাকলে পাঠক ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
আগের পর্বগুলো ছিলো আমি কিভাবে কানাডায় নিজেকে চেন্জ না করে বাংলাদেশী কালচার ফলো করে মানিয়ে নিলাম। এ পর্বে থাকছে কেন নিজের কালচারকে নিয়ে গর্ব করা আমিই সেই কালচারকে ঘৃণা করতে শুরু করলাম। কেন অাত্মবিশ্বাসের ওপর ভর করে মাথা উচু করে চলা আমি মাথা নিচু করে চলতে শুরু করলাম। কেন নিজের ফ্যামিলি ট্রাডিশনকে সম্মান করা আমি এইরকম ফ্যামিলির অংশ হওয়াটাকে দুর্ভাগ্য মনে করতে শুরু করলাম। কেন এবং কিভাবে আমি চেন্জ হতে থাকলাম।

আগের পর্বগুলো:
কানাডার স্কুলে প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা
কানাডার স্কুলে প্রথম দিন (২য় পর্ব)
কানাডার স্কুলে প্রথম দিন (৩য় পর্ব)
কানাডার স্কুলে প্রথম দিন (চতুর্থ পর্ব)
কানাডার স্কুলে এক দিন (পর্ব ৫)

তখন হাই স্কুলের সিনিয়ার ইয়ার। আমার জীবন পারফেক্টলি চলছে। টিচারদের "স্মার্ট কিড", সহপাঠীদের লাইফ সেভার (পড়াশোনার ব্যাপারে) আর পারিবারিক সমস্যা তো কখনোই ছিল না। স্কুলে সবাই আমাকে চেনে, যেকোন এসাইনমেন্ট সবার আগে শেষ করতাম, আর সবাই অবাক হত এত তাড়াতাড়ি কিভাবে করলাম? টিচাররা আমার এসাইনমেন্ট এক্সামপল হিসেবে ব্যবহার করতেন অন্যদের বোঝাতে। একবার আমার E.S.L. টিচার আমাকে নতুন বছরের প্রথম ক্লাসে, নতুন বিদেশি স্টুডেন্টদের সামনে T.A. হিসেবে ইনট্রোডিউস করিয়ে দেওয়ার সময় বললেল, "She is the smartest kid in this school. ওর কাছ থেকে শুধু ইংলিশই না যেকোন সাবজেক্টে হেল্প চাইতে পারো তোমরা।" আমি সবচেয়ে স্মার্ট না হলেও ১০ জনের মধ্যে তো ছিলামই। এত বড় প্রশংসাগুলো বিব্রত করার সাথে সাথে আনন্দও দিত। মা বাবা হাসতে হাসতে খেপাতেন আমি স্কুলের "ম্যার" হয়েছি। আর একটা সময়ের পরে না খেটেই ভালো করতে শুরু করলাম। Everything was just too easy!

সেই নতুন বছরে J নামের এক ব্রাজিলিয়ান মেয়ের আগমন ঘটল আমাদের স্কুলে, এবং আমার জীবনে। মেয়েটা প্রচন্ড সুন্দরী, চার্মিং, বুদ্ধিমতী, এবং জিশুভক্ত ছিল। আমাদের বন্ধুত্ব হতে এক সপ্তাহও লাগল না। ওর সাথে এত ন্যাচারালি সব কথা হত মনে হত অনেক দিনের চেনা। ও কানাডায় আমার প্রথম বান্ধবী যার হাত ধরে পুরো স্কুল ঘুরে বেড়াতাম। কানাডায় ছেলে ছেলে, মেয়ে মেয়ে হাত ধরাটা "অন্যচোখে" দেখে। আমাদের বাংলাদেশ আর ব্রাজিলে তা না। এটা নিয়ে অনেক হাসাহাসি করতাম আমরা। ও আমায় বলত, "তোমার হাত কি নরম!! তোমার হাসব্যান্ড তোমার হাত ধরে অনেক লাকি ফিল করবে।" বাংলাদেশেও বান্ধবীরা exact এই কথাটা বলত। আমি অনেকদিন পরে যেন ইংলিশে কথা বলা বাংলাদেশি বান্ধবী পেলাম। প্রায় দু বছর পরে যেন মরুর বুকে পানি পেলাম, মনের মতো বন্ধু পেলাম। ও ওর জীবনের সব গল্প বলত আমাকে। সবকিছু!!

ও জীবনে প্রথম ভার্জিনিটি হারায় ১৩ বছর বয়সে, এবং সেটা Friends with Benefit ছিল। মানে কোন রোমান্টিক সম্পর্ক ছাড়াই নিজের কোন বন্ধুর সাথে শারিরীক সম্পর্ক করা এবং পরেরদিন ভুলে যাওয়া। আবার বন্ধুর মতো থাকা!! যে আমি বিয়ের আগে হবু বরের সাথেই গভীর সম্পর্ক মেনে নিতে পারতাম না সেই আমার ওর কথায় আশ্চর্য হওয়া উচিৎ ছিল। ওকে ঘৃণা করা উচিত ছিল। কিন্তু না আমি মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনতাম। ও আমাকে বলত ওর মা মডেল ছিলেন, আর একসাথে ছয়টা বয়ফ্রেন্ড রাখতেন, এবং একবার সবার সামনে একসাথে ধরাও পরে যান। ওর বাবাও ওদের মধ্যে ছিলেন, তবে শেষে ওনার সাথেই বিয়ে হয়। ওর বাবারও অনেক গার্লফ্রেন্ড থাকায় কিছু মনে করেননি। পরে দুজনে দুজনকে মাফ করে বিয়ে করেন এবং এখনো পর্যন্ত সুখেই আছেন। আমার যে কি ভাল লেগেছিল গল্পটা, এসব তো মুভিতে হয়। বাস্তবেও এমন হয়!

আর এদিকে আমার মায়ের জীবন! জীবনে কারও সাথে কোন সম্পর্ক ছিল না, এমনকি প্রচন্ড সুন্দরী হওয়া সত্ত্বেও ভার্সিটিতে পড়ে ছেলেদের সাথে বন্ধুত্বও কর‌তেন না। আমার বাবাকে বিয়ের আগে মাত্র একঝলক দেখেছিলেন। এটাও কোন জীবণ হলো? আমি কমপেয়ার করতে শুরু করলাম। ভাবতাম ওরা কি ভিষন সুখী!! কোন বাইন্ডিং নেই, যার সাথে ইচ্ছে মিশছে আবার দুইদিন পরে ছেড়ে দিচ্ছে। আমি আগে নিজের মায়ের মতো লাইফ চাইতাম কিন্তু এখন J র মায়ের মতো লাইফ চাইতে শুরু করলাম। J র পাচটা রিলেশনসিপ হয়ে ব্রেক করেছিল, ছয় নম্বর চলছিল!! আর আমার কি ছিল? ভাল রেসাল্ট? বয়স্ক সব টিচারদের প্রশংসা? এসব নিয়ে আমি কি করব? কেন পুরানো, ঠুংকো কালচারকে খুটি হিসেবে আগলে আছি? I also want to have a life, a bit of freedom, and lots of fun like J.

ওর মা ওকে বলতেন শুধু একটা বয়ফ্রেন্ড নিয়ে কি করছ? কানাডায় গিয়েছ আরেকটা বানাও!! আর ব্রাজিলেরটা তো থাকছেই। আর আমার মা বলত আমি যেন কাউকে পছন্দ না করি, তারাই আমার জন্যে পাত্র খুজবে! মা বলত রাতে পার্টি করা যাবে না, সন্ধার পরে একা ঘর থেকে বের হওয়া যাবেনা। কারণ তাতে আমার ক্ষতি হতে পারে। কিন্তু J তো যা ইচ্ছা করে বেড়াচ্ছে, ওর তো কোন ক্ষতি হচ্ছে না। সব নিয়ম শুধু আমার জন্যে কেন? আমি J র মতো লাইফ চাইতাম। ওর মতো হতে চাইতাম। ও কত সুইট ছিল!! আমাকে বলত তোমার মডেল অথবা এক্ট্রেস হওয়া উচিত, কি সুন্দর চুল তোমার বেনী খুলে দেখাও, তুমি একদম পারফেক্ট ইনসাইড আউট (মডেলের মতো চেহারা আমার না, আর আমার চেয়ে J অনেক বেশী সুন্দরী ছিল, এটা ওর বিনয়, আর বান্ধুবীর প্রতি ভালোবাসা ছিল)। আমি ভাবতাম ওর মতো স্মার্ট মেয়ে আমার এতো প্রশংসা করছে! আমি খুশি ছিলাম, খুব খুশি।

কিন্তু যখন ওর সাথে থাকতাম না ওর কথাগুলো মনে হত। কি জীবন ওদের, কি এডভেন্চার, কোন নিয়মকানুন নেই। যে যার মতো। কানাডায় আসার পরে আমার জীবনে ওর মতো কালচারের অনেক বন্ধু এসেছিল, কিন্তু ওর মতো অতটা ইনফ্লুয়েন্স করতে পারেনি। হয়তবা তাদের সাথে বন্ধুত্বেের সময় পড়ালেখা নিয়ে বিজি ছিলাম। কানাডিয়ান এডুকেশন সিস্টেমের সাথে, নতুন পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলাম। এজন্যে ওদের কথা এক কান দিয়ে শুনে আরেক কান দিয়ে বের করে দিতে পারতাম। কিন্তু J যখন জীবনে আসল তখন পড়াশোনা পিস অফ কেক। বাসায় করার তেমন কিছু ছিলনা, খালি ওর কথাগুলো কানে বাজত। Friends with Benefit, নুড বিচ, উদ্যাম নাচানাচির মধ্যে কত আনন্দের দেশ ব্রাজিল। আর আমরা?
নিজের অনেকদিনের পড়ুয়া কানাডিয়ান, এশিয়ান বন্ধুদের বোরিং মনে হতে লাগল। J কে ছাড়া আর কাউকে বান্ধবি হিসেবে ভাল লাগত না। J র বন্ধুত্ব আমার কাছে ড্রাগের মতো ছিল। যখন ওর সাথে থাকতাম নিজেকে "high" মনে হত। আর ওর সাথে না থাকলে অন্যকিছু বা কাউকে ভাল লাগত না।

সবাই স্কুলে ভাবত আমি কত লাকি, সবকিছুতে ভাল!! মা বাবাও নিজের মতো সংসারে ব্যস্ত ছিল। মেয়ে ভালো রেসাল্ট করছে, স্কুল ছাড়া কোথাও যায় না তাহলে ভালোই আছে। আর টিচারদের মনোভাব তো আগেই বলেছি। কিন্তু আমি ভেতরে ভেতরে বদলে যেতে শুরু করলাম। এই আমি আগের আমি না, অন্য আমি। এই অন্য আমি আগের আমির সবকিছু অপছন্দ করতে শুরু করল। যে কালচারের আবরণে নিজেকে ঢেকে রেখেছিলাম সারাজীবন তাতে প্রচন্ড বিরক্তি, বিতৃষ্ণা এসে গেল। আমি সারারাত কাদতাম লুকিয়ে লুকিয়ে। মনে হতে লাগল এতদিনের বাংলাদেশী কালচারকে নিয়ে করা গর্ব আসলে ভুল ছিল। কোন মানে হয় পাচ হাজার বছরের পুরানো কালচারে বেচে থাকার? জীবনের সুন্দর সময়গুলোকে কেন নিয়মের বেড়াজালে বাধছি আমি? আমি J র মতো হব। পার্টি করব, ছেলেদের সাথে মিশব!

পরেরদিন সকাল থেকে চেষ্টা শুরু করে দিলাম। ভাবলাম কেউ পার্টিতে ডাকলে যাব, ছেলেরা মিশতে চাইলে মিশব! কিন্তু একি, কেউ কোন পার্টিতে আমাকে ডাকে না। আগে ডাকত, না করে দিতাম তাই ছড়িয়ে গেছে আমি ওসব পছন্দ করি না। আর ছেলেদের সাথে মেশা! ছেলেরা তাকাত, কথা বলার জন্যে উশখুশ করত কিন্তু আমি তাকালে চোখ সরিয়ে নিত। আমাকে ভক্তিমিশ্রিত ভয় পেত। আমি যে ভাল ছাত্রী, সব টিচারের আদরের, class T.A., পড়াশোনা নিয়ে থাকা ভালো মেয়ে!! তাই খারাপ হওয়ার সুযোগ কেউ আমাকে দিল না। আমি আরো ভেংগে পরলাম। সারাজীবন বাংলাদেশী হয়ে থাকা আমি চেষ্টা করেও ওয়ের্স্টানাইজড হতে পারলাম না। J র মতো হতে পারলাম না। এর চেয়ে বড় পরাজয় আর কি হতে পারত? এরকম মানসিক কষ্টে, দ্বন্দে সেমিস্টার শেষ হল এবং আমাকে কাদিয়ে, নিজে কেদে J নিজের দেশে ব্যাক করল।

এরমধ্যে আমাদের স্কুলের এক জার্মান মেয়ে (আমার পরিচিতা, প্রতিবেশী) যে নিজের বয়ফ্রেন্ডের সাথে লিভ টুগেদার করত সে প্রেগন্যান্ট হয়ে গেল। লিভ টুগেদার তখন আমার পছন্দের লিস্টের নতুন সংযোজন। আমি ভাবলাম বাহ কি সুন্দর জিবন ওদের। বিয়ের কোন ঝামেলা, লোক দেখাদেখি নেই, যা ইচ্ছা তাই করছে। এটুকু বয়সে কিউট একটা বাচ্চার মা হবে। কি লাকি!! জয়তু পশ্চিমি কালচার।
কিন্তু কয়েকদিন পরেই ভীষন একটা ধাক্কা খেলাম। মেয়েটার বয়ফ্রেন্ড ওকে ছেড়ে চলে গেছে, পড়াশোনা বন্ধ করে রাস্তায় রাস্তায় কাজ খুজে বেড়াচ্ছে প্রেগন্যান্ট অবস্থায়। সৎ বাবা রাখবে না বলে ফ্যামিলির কাছেও যেতে পারছেনা। আমি যাকে সবচেয়ে সুখি ভাবতাম তার আজ এই অবস্থা! আমি ভাবতে শুরু করলাম। আচ্ছা বাংলাদেশী কালচারে তো এটা হতো না। বাংলাদেশী কালচার ফলো করলে মেয়েটার বাবা মা ছোট কোন বিষয় নিয়ে ঝগড়া করে বিয়ে ভাংগত না। মেয়েটা হয়ত বয়ফ্রেন্ডকে বিয়ে করে তারপরে প্রেগন্যান্ট হত। প্রেগন্যান্ট অবস্থায় রাস্তায় রাস্তায় ঘোরা তো দূরের কথা দজ্জাল শাশুড়িও মমতাময়ী হয়ে সেবা করতেন! আস্তে আস্তে মেয়েটার চোখের নিচে পরে যাওয়া কালিগুলো পশ্চিমি কালচারের ওপর থেকে ভক্তির কালো পর্দা সরিয়ে দিতে শুরু করল।

আমি সামার ব্রেকে দেশে আসলাম। দেশে এসে আবার সবকিছু ভাল লাগতে শুরু করল। মনে হল এইতো আমি, এইতো আমার দুনিয়া। মনে হল এতদিন যা ভেবেছি ভুল ছিল। ফ্যামিলির সবাই খুব খুশি বিদেশে থেকেও আমি পাল্টাইনি, পড়াশোনায় ভালো করেছি। তাদের খুশি মুখ দেখে মনে হল কেন আমি নিজেকে পাল্টাতে চেয়েছিলাম? কিসের মোহে? আমার প্রিয়জনদের হাসিভরা মুখ, মা বাবা, টিচারদের গর্বিত চেহারার চেয়ে আর কি মূল্যবান অর্জন করতাম আমি? আমি আবার আগের মতো হয়ে গেলাম। দেশীয় কালচার, ফ্যামিলি ট্রাডিশন নিয়ে গর্ব করতে শুরু করলাম। আল্লাহর রহমতে খারাপ ভাবনা মাথায় আসলেও খারাপ কিছু করতে পারিনি আমি। ঐ মানসিক দ্বন্দের সময়টাতেও তিনি আমার পাশে ছিলেন।

বিশেষ কিছু কথা: J কে দয়া করে খারাপ মেয়ে ভাববেন না। ওর কালচারটা শুধু আলাদা, আর ও আমাকে কখনও বলেনি আমার কালচার খারাপ, বা আমার উচিৎ ওর কালচার ফলো করা। শুধু সেটেলড ম্যারেজ করতে নিষেধ করত, আর বলত আমি যেন ভালবাসা খুজে তারপরেই বিয়ে করি। এটাতো কোন বাংলাদেশি বান্ধবীও বলতে পারত। ও শুধু সরল মনে নিজের গল্প বলত, আর আমাদের দেশের গল্প শুনত। ও এখনো আমার সবচেয়ে স্পেশাল বান্ধবী। ওর সাথে এখনো ইমেইলে যোগাযোগ হয়। ও কয়েক বছর ধরে ডাক্তারিতে চান্স পাওয়ার চেষ্টা করছে ব্রাজিলে, আর নিজের সিভিল ইন্জিনিয়ারিং পড়ুয়া বয়ফ্রেন্ডের সাথে লম্বা সময় ধরে সিরিয়াস রিলেশনে আছে।
আর পশ্চিমি কালচারের সবকিছু খারাপ না, আমিই বেছে বেছে খারাপ জিনিসগুলোর প্রতি ইনফ্লুয়েন্সড হচ্ছিলাম। সব কালচারেই ভালো মন্দ থাকে।
আর আমাকে যদি কেউ খারাপ ভেবে থাকেন যে একটা বাংলাদেশী মেয়ে কেন এক মিনিটের জন্য হলেও এভাবে ভাববে? শুধু বলব আমি একটা কিশোরি ছিলাম যারা স্বভাবতই বন্ধুদের সাথে নিজের জীবন কম্পেয়ার করে। আমিও করেছিলাম। আপনি করেননি কখনো? বন্ধুকে খুশি করতে গিয়ে সিগারেট খাওয়া বা সেরকম কিছু? ব্যস আমাকে সেভাবেই বুঝে নিন। আর বিদেশে গিয়ে বেশিরভাগ বাংলাদেশীই এরকম একটা ফেইজে পরে। কেউ নিজেকে খুজে হারায় আর কেউবা নিজেকে হারিয়ে খোজে। এই ফেইজটার ওপরেই বাকিটা জীবণ নির্ভর করে।

এরপরে লিখব কিনা, এবং কি নিয়ে লিখতে পারি তা অবশ্যই জানাবেন। ধন্যবাদ।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই মে, ২০১৬ রাত ৯:২০
২৪টি মন্তব্য ২৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অতিরিক্ত মেদ কমাতে সাহায্য করে যে খাবারগুলো

লিখেছেন নতুন নকিব, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৫৬



মেদ কমাতে সাহায্য করে যে খাবারগুলো
নানাবিধ কারণে অতিরিক্ত মেদ অনেকের জন্যই কমন একটি সমস্যা। উঠতে বসতে সমস্যা, কাজ কর্মে কষ্ট, চলতে ফিরতে অসুবিধাসহ বহুমুখী সমস্যায় বহু লোকের জীবন ওষ্ঠাগত... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাগরিক জীবন

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৪০


চলছে জীবন এই শহরে
নিয়ম অনিয়মের মাঝে ।
চলছে মানুষ , কষ্টে আছে তবু ,
চেষ্টা , উন্নত জীবনের খোঁজে ।।

মানুষ এখনে বড় স্বার্থপর
কেউ তো কারো ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতায় আর কারো নেই যে অধিকারএখনই প্রেম হবে !!!

লিখেছেন সেলিম আনোয়ার, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৫




আকাশের তারকারাজি হয়তো জানে, আমার পাঠানো চিঠি আকাশের তারকার কাছে যদি পৌঁছে থাকে !! একদিন তারাই বলে দিবে — তোমার নাম । রক্ত দিয়ে লেখা, হৃদয়ের বার্তা— সোনার... ...বাকিটুকু পড়ুন

রফিক ভাই

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৪২



আমার বাসার সামনেই ফেনী ফার্মেসী।
ফার্মেসীর মালিক রফিক ভাই। রফিক ভাই আমার বন্ধুর মতোন। তবে তার বয়স আমার চেয়ে বেশী। আমি প্রায়ই ফেনী ফার্মেসীতে আড্ডা দেই। রফিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদী অয়েল-প্রসেসিং প্ল্যান্টে কারা আক্রমণ চালায়েছে?

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:০৩



গত শনিবার (সেপ্টেম্বর, ১৪) সৌদী আরবের আবকিক অয়েল-প্রসেসিং প্ল্যান্টে ড্রোন-গাইডেড মিসাইল আক্রমণ চালিয়ে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় অয়েল-প্রসেসিং প্ল্যান্টটিকে পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়েছে; এতে সৌদীর দৈনিক তেল উদপাদন ক্ষমতা অর্ধেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×