.
.
.
.
.
.
.
পিচ্চি পুলাপাইন তফাত যাও !
এক শুক্রবার সকালে স্বামী সোফায় আয়েশ করে বসে খবরের কাগজ পড়ছে, এমন সময় স্ত্রীর হুকুম,
: এ্যাই বেডরুমের লাইট-টা কয়েকদিন ধরে ডিস্টার্ব করছে- একটু ঠিক করে দাও তো।
স্বামীর উত্তর,
: আমি কি ফিলিপ্স্ কোম্পানীর ইলেক্ট্রেশিয়ান নাকি যে, তোমার বেডরুমের লাইট ঠিক করে দিব। যত্তসব, শান্তিতে একটু পেপার পড়ার-ও উপায় নেই।
দুপুরে খাবার টেবিলে বসে স্ত্রীর অনুযোগ,
: আমাদের ফ্রিজের দরজাটা খুলতে গেলে কট-মট করে শব্দ করে- একটু দেখবে যে, কি হল ওটার?
স্বামীর উত্তর,
: আমি কি স্যামসাং কোম্পানীর টেক্নিশিয়ান নাকি যে তোমার ফ্রিজের দরজা মেরামত করে দিব। ধুর!!!
বিকেলে স্ত্রী,
: কোথায় চললে? শোন, ওয়াড্রবের ড্রয়ারের হাতলটা আলগা হয়ে গেছে মনে হয়। একটু দেখে যাও তো, ঠিক-ঠাক করা যায় কিনা?
স্বামীর উত্তর,
: আমি কি অটবির রাজমিস্ত্রী নাকি যে তোমার ড্রয়ারের হাতল আল্গা হল নাকি পা আলগা হল, খুঁটেখুঁটে দেখতে হবে। যত্তোসব ।
এনিওয়ে আমি বাইরে বেরুচ্ছি। আসতে রাত হবে। বাই।
সন্ধ্যায় স্বামীর মনে হতে লাগল, নাহ্ স্ত্রীর সাথে আজকে খুব বাজে ব্যবহার করা হয়ে গেছে। আচ্ছা আগামীকাল সকালে তো অফিস নেই। কালকেই সব ঠিক-ঠাক করে ফেলতে হবে।
রাতে বাসায় ফিরে স্বামী দেখল, বেডরুমে ঠিক মত লাইট জ্বলছে। ঠান্ডা পানি ফ্রিজ থেকে বের করতে যেয়ে দেখল, ফ্রিজের দরজায় কোন শব্দ নাই। কাপড় পাল্টাতে যেয়ে দেখল, নাহ্ ওয়ারড্রবের ড্রয়ারের হাতলটা তো ঠিকই আছে !
স্বামী স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করল,
: কি ব্যাপার, সব দেখি ঠিক হয়ে গেছে। কিভাবে সম্ভব হল?
স্ত্রী উত্তর দিল,
: তুমি বিকালে বের হবার পর, আমি রাস্তায় এক স্মার্ট যুবককে দেখে বললাম, আমার বাসার অনেক কিছু নষ্ট হয়ে আছে, আপনি ঠিক করতে পারবেন কি? উনি বাসায় এসে সব দেখে বলল, 'ঠিক করতে পারি এক শর্তে, ঠিক করার পর হয় আমাকে পোলাও-কোর্মা রেঁধে খাওয়াতে হবে অথবা আমার সাথে আপনাকে বিছানায় যেতে হবে।
স্বামী, (খুব স্মার্টভাবে . . .)
: ওয়াও! পোলাও-কোর্মা রাঁধা হয়েছে নাকি, তাড়াতাড়ি দাও। আমার খুবই খিদা লেগেছে। জলদি।
স্ত্রীর উত্তর,
: আমি কি NTV- র 'সিদ্দিকা কবির' নাকি যে ওই ছেলেকে পোলাও-কোর্মা রেঁধে খাওয়াব?
( চেইন মেইল থেকে পাওয়া । আমার কাছে খুবই মজা লাগছে তাই শেয়ার করলাম )

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

